রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

অনুচ্ছেদ : তাবুক অভিযানের পরিশিষ্ট

অনুচ্ছেদ : তাবুক অভিযানের পরিশিষ্ট

“ওদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে তুমি কখনও তার জন্য জানাযার সালাত পড়বে নাউমর
(বা) বলেন, “পরে আমি রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর সাথে আমার এ দুঃসাহসিক আচরণের কথা
ভেবে বিস্মিত হয়েছি ৷ আল্লাহ্ ও তার রাসুল (সা) সমধিক অবগত ৷

সুফিয়ান ইবন উয়ারনা (র) বলেন, আমৃর ইবন দীনার (র) জাবির ইবন আবদৃল্লাহ্ (রা)-কে
বলতে শুনেছেন, “আবদুল্লাহ্ ইবন উবইিকে তার করবে ঢুকিয়ে দেয়ার পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার
কবরের কাছে তশরীফ আনলেন ৷ তিনি ছকুম করলে লাশ কবর থেকে বের করা হল এবং তিনি
সেটি তার দুই হাটু অথবা (বর্ণনা ব্যতিক্রম) তার উরন্দ্বয়ের উপরে রেখে তার পা-মুখে নিজ্যেম্ভ
থুথু ছিটিয়ে দিলেন এবং তাকে নিজের কামীস পরিয়ে দিলেন ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷ সহীহ্
বুখরীিতে উল্লিখিত সনদে অনুরুপ বিবরণ রয়েছে ৷ বুখায়ীর বর্ণনায় এ কত্থারও উল্লেখ রয়েছে যে,
(চাচা) আব্বাস (রা)-কে কামীস দানের প্রতিদানে রাসুল (সা) ইবন উবইিকে কামীস
পরিধেয়রুপে দিয়েছিলেন ৷ কোনো, আব্বাস (রা) (বদরের বন্দীরুপে) মদীনায় নীত হলে তার দীর্ঘ
দেহের মাপে আবদৃল্লাহ্ ইবন উবইির কাযীস ব্যতীত আর কোন কামীস পাওয়া যাচ্ছিল না ৷

বায়হাকী (র) এ ক্ষেত্রে ছালাবা ইবন হাতির-এর ঘটনা এবং সম্পদধিক্যে তার পার্থিব
মােহের ফিতনায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করেছেন ৷ আমি তাফসীর গ্রন্থে ৷১৩
(৯ : ৭৫) ৷ আঘাতের ব্যাখ্যার সংশ্লিষ্ট বিবরণ লিপিবদ্ধ করেছি ৷

অনুচ্ছেদ : তাবুক অভিযানের পব্লিশিষ্ট

ইবন ইসহাক (র) বলেন, তাবুক অভিযানই ছিল রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) কর্তৃক পরিচালিত
যুদ্ধাভিযানসমুহের শেষ অভিযান ৷ কাব হাসৃসান ইবন ছাবিত (রা ) রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
সহগমনে আনসারীদের যুদ্ধ যাত্রা ও যুদ্ধক্ষেত্রে নবী করীম (সা) এর সাথে তার নিজের
সহাবস্থানের বিবরণ দিয়ে সমরগাথা রচনা করেছেন ৷ ইবন হিশাম (র) বলেন, মতান্তরে এ
কবিতাগুলো হাসৃসান (রা)এর পুত্র আবদুর রহমান (র) বিরচিত ৷

আপনি কি (হে মুহাম্মদ সা) জনগোষ্ঠী ও সমাজ বিচারে আরবজাতির পিতৃপুরুষ মআেদ
(ইবন আদনান)-এর অধস্তন বংশধরদের মধ্যে গোটা আরবের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি নন ? তারা বৃহত্তর
বিন্তুত পরিবেশেই অবস্থান করুক কিংবা কোন সীমিত পরিসরে ৷
যেহেতু আপনার সমাজ (আনসারীদের সমাজ) যারা রাসুল (সা ) এর সাথে সদলবলে
বদরে উপস্থিত হয়েছিল এবং বিপদ মুহুর্তে তার সঙ্গত্যাগ করে নি ও সাধনার বিচ্যুতি
আসে নি ৷

“তার! তার হাতে হাত দিয়ে বায়আত করেছে, তারপর তাদের একজনও সে বায়আত
অঙ্গীকার ভঙ্গ ব৷ ক্ষুশ্ন করে নি এবং তাদের কারো ঈমানে কোন রুপ দ্বিধা-দ্বদ্বেরও অনুপ্রবেশ
হয় নি ৷

“আর সে দিনও না যেদিন উহুদ-এর গিরিপথ বেয়ে তাদের আক্রান্ত করেছিল প্রচণ্ড শক্ত
আঘাত যা ছিল অগ্নিকুণ্ডের তুল্য লেলিহান ও প্রচণ্ড উত্তপ্ত ৷

“আর য়ু-কারাদ অভিযানকালেও যেদিন তাজী ঘোড়া র পিঠে তাদের প্রতিপক্ষের উপরে
আঘাত হেনেছিলেন (সেদিনও তারা ছিল তার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা) তড়াতেও তারা বিশ্বাসভঙ্গ করে
নি, বা ভীরুতার পরিচয় দেয় নি ৷ ”

“যুল আশীরা অতিযানেও রাসুলের সহযোদ্ধা হয়ে ঘোড়ড়ায় চড়ে প্ৰতিপক্ষের ব্যুহ মাড়িয়ে
ছিল; ঘোড়াগুলাের পিঠে চমকা ৷চ্ছিল শি রস্ত্রল্কণ ও ভীক্ষ্ণধার বল্লম ৷ ”

“ওয়াদ্দান অতিযানেও আমরা আমাদের অশ্ব-নৃত্য দিয়ে ওয়াদ্দানবাসীদের বিতাড়িত-
নির্বাসিত করে ছাড়লাম যতক্ষণ না বন্ধুর প্রস্তর ও গিরিশ্রেণী আমাদের অগ্ৰাভিযানে
প্রতিবন্ধক হল ৷

“আল্লাহর সন্তুষ্টি ৰিধানে শত্রু অনুসন্ধানে কেটেছে তাদের কত কত রাত; আল্লাহ্ই দিবেন
তাদের কর্মের যথাযোপ্য প্রতিদান ৷

“হুনায়দ প্রান্তরে কত রাতেই (তা তার সাথে তাদের বীরতু প্রকাশের সুযোগ ঘটেছে; যুদ্ধে

দিয়ে) তাদের প্রথমবার পান করার পরে (অতৃপ্ত পিয়াল) পরিতৃপ্ত করছিলেন
দ্বিতীয়বার পান করিয়ে ৷ ”

“নাজ্বদ অভিমুখী জিহাদ মালায়ও তারা সমান শরীফ; তাই রাসুল (না)-এর সাথে হোক
তাদের প্রাপ্তি ভাগ্য হল সালাব’ ও নাফাল’ এর ৷১
“আর গায্ওয়া আলফা-এ আমরা শত্রুদের তেমনি বিক্ষিপ্ত ও ছত্রভঙ্গ করে দিলাম, যেমন
পানির ঘাটে স্বচ্ছন্দে পান করার জন্য উটপালকে বিক্ষিপ্ত ছেড়ে দেয়া হয় ৷”

১ সালাব আভিধানিক অর্থ, ছিনতাইকৃত বস্তু, ইসলামের স্যার পরিভাষায় প্রতিপক্ষীয়
ষোদ্ধার দেহস্থিত পোশাক ও সমরােপকরণ ৷ উে অভিযানে অতিরিক্ত’ বর্ধিত ৷ পরিভাষায় সমরাধিনায়ক কর্তৃক
বিযােষিত লুদ্ধলদ্ধ সম্পদের পরিমাণ বিশেষ বা অংশ বিশেষ ৷ যুদ্ধে শৌর্যবীর্য প্রদর্শন বা বিশেষ কৃতিত্বের স্বীকৃত্যিত
ব্যক্তি বা ইউনিটকে সাল লাব ও নফ ৰুল দিয়ে উৎসাহিত ও পুরস্কৃত করার বিধান ইসলামী সমর অইিন রয়েছে

“আর যখন (হুদায়বিয়ক্ষুয়) অবিচল অপ্ৰতিরােধ্যতড়ার বায়আত নেয়া হল, তখনও এ
আনসাৰীরা ছিল ৰায়আতের প্রথম সারিতে এবং তাতে তারা সামান্য বিচ্যুত না হয়েই তার
সহমর্মীতা সহযোগীতা অব্যাহত রেখেছে ৷

“মক্কা বিজয় অভিযানেও৩ রাে ছিল তার বাহিনীতে দেহরক্ষী ও সার্বক্ষণিক যোদ্ধা হয়ে;

তাতেও তারা অহেতুক উত্তেজনা বা তাড ড়াডাহুড়ড়ার শি কার হয় নি ৷ ”

“খায়বার অভিযানেও তারা তার বাহিনীর তালিকাভুক্ত সহয়ােদ্ধা; ৰীরদর্পে এগিয়ে চলছিল

শৌর্যভরা দৃর্ধর্ষ তাজা প্রাণ ৷

“ঝলমলে তরবারি হাতে, যারা আন্দেৰ্লিত হয় নিরেট নির্ডেজা ড়াল ঈমানে, কখনো আঘাত

হানে সরাসরি আবার কখনো একেবেকে লক্ষেক্তর অবস্থানডেদে ৷

“আল্লাহর রেযামন্দির অন্বেষায় যেদিন রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) তাবুক অভিমুখে সফর করলেন,

সেদিনও; তারা তো ছিল তার অগ্নসারির প৩ কোবাহী দল ৷
“ওয়াই যুদ্ধের ঝানু সহিষ পরিচা ড়ালক; যুদ্ধ যদি এ সেই পড়ে; ওরা তা নিয়ন্ত্রণে রাখে
আ-গা গোড়ড়া অগাভিযান থেকে শুরু করে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত ৷ ”

“এ জাতি-গোষ্ঠীই নবী করীম (না)-এর আনসার-সাহাযক্যেরী বাহিনী, আর এরইি তো

আমার স্বগােত্র; গোত্র-পরিচয়ে মিলিত হতে চাইলে আমি তো এদের এখানেই ধর্ণা দেই ৷”

“আভিজা৩ তা নিয়ে তারা মৃত্যুবরণ করেছে; আর কোন দিন প্রতিজ্ঞা ভন্সের দ্বারা কলুষিত

হয় সি; আর বিনষ্ট হয় নি আল্লাহর রাহে তাদের শাহাদাতের সুধা পান, যখন তারা শহীদ
হ্যয়ছে !

নবম হিজরীর হরুজ্জ আবু বকর সিদ্দীক (না)-কে আমীরুল হজ্জ

নিয়েম্পো ও সুরা তাওবা অবতরণ

মোঃ (৯ হি) মাসে রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে আগত তাঃয়ফবাসীদের প্রতিনিধি
অ্যাং বিশদ ৰিবরণের পর ইবন ইসহাক (র) বলেছেন রাসুলুল্লাহ্ (সা) রমযানের
ঠো দিম্মালা এবং শাওয়াল ও যিলকদ মাসদ্বয় মদীনায় অবস্থান করলেন ৷ তারপর নবম

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.