Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

অনুচ্ছেদ : নবী কয়ীম (সা) এর ওফাত দিবস সম্পর্কে আহলে কিতাব লোকদের পূর্ব অবগতি প্রসংগে

অনুচ্ছেদ : নবী কয়ীম (সা) এর ওফাত দিবস সম্পর্কে আহলে কিতাব লোকদের পূর্ব অবগতি প্রসংগে

অনুচ্ছেদ : নবী করীম (সা) এর ওফাত দিবস সম্পর্কে আহলে কিতাব লোকদের পুর্ব
অবগতি প্রসংগে

আবু বকর ইবন আবু শায়বা (র) বলেন, আবদুল্লাহ ইবন ইদবীস (র) জাৰীর ইবন
আবদুল্লাহ আল্-বজােলী (বা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি ইয়ামানে ছিলাম,
সেখানে আমি ইয়ামানবাসী দুই ব্যক্তি বুকেলা ও বু-আমর এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং
তাদের সংগে রাসুলুল্লাহ (সা) সম্বন্ধে আলোচনা করলাম ৷

আবীর (রা) বলেন, তারা আমাকে বলল, আপনি যা বলছেন তা যদি সত্য হয় তবে
(আমরা বলব যে) আপনার এই লোক তার সময় শেষ করে বিদায় নিয়েছেন এবং তা তিন
দিন আগেই ৷ জাবীর (বা) বলেন, তখন আমি তাদের দৃজনকে নিয়ে সফরে রওয়ানা করলাম ৷
পথিমধ্যে এক স্থানে আমাদের সামনে মদীনা হতে আগত একটি কাফেলা দেখা দিল ৷ আমরা
তাদেরকে খবর জিজ্ঞাসা করলে তারা বলল, রাসুলুল্পাহ (না)-এর ওফাত হয়ে গিয়েছে এবং
আবু বকর (রা) খলীফা নিযুক্ত হয়েছেন ৷ আর লোকেরা শাম্ভ-সুশৃৎখল রয়েছে ৷ জাবীর (বা)
বলেনঃ, তখন সংপীদ্বয় আমাকে বললেন, আপনার এ কর্মৰুর্তাকে অবহিত করবেন যে, আমরা
এসেছিলাম এবং ইনশাআল্পাহ তাআলা আমরা অচিরেই ফিরে আসর ৷ জারীর (রা) বলেন, এ
কথা বলে তারা ইয়ামানে প্রতব্রুড়াবর্তন করল ৷ আমি (মদীনায়) উপনীত হয়ে আবু বকর (রা)-কে
তাদের কথা অবগত করলে তিনি বললেন, তুমি তাদের সাথে করে নিয়ে এলে না কেন?
পরবর্তী সময় যু-আমর আমাকে বললেন, আবীর ! আপনার প্ৰতি আমার শ্রদ্ধাবােধ রয়েছে এবং
আমি আপনাকে একটি ব্রিষয় অবহিত করছি ৷ আপনারা আরব বাসীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে
কল্যাণের মাঝে থাকবেন যতদিন আপনাদের একজন আমীর ও শাসক গত হলে পরামর্শের
ভিত্তিতে আর একজন আমীর মনোনীত করবেন ৷ আর যখন তা তরবারির ভিত্তিতে হবে তখন
আপনারা হয়ে যাবেন রাজস্ব-বাদশা ৷ রড়াজড়া-বড়াদশার মতই আপনাদের ক্রোধ ও তুষ্টি ওঠা-নামা
করবে ৷ ইমাম আহমদ ও বুখারী (র) অনুরুপই রিওয়ায়াত করেছেন আবু বকর ইবন আবু
শায়বা (র) সুত্রে এবং বায়হাকী (র) অনুরুপ রিওয়য়োত করেছেন হাকিম (র) সুফিয়ান (র)
সুত্রে ৷ বায়হাকী (র) আরো বলেছেন, হাকিম (র) জারীর (যা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেছেন, ইয়ামানে জনৈক ইয়াহুদী পণ্ডিতের সংগে আমার সাক্ষাত হল ৷ তিনি আমাকে

বললেন, আপনাদের ঐ ব্যক্তি যদি নবী হয়ে থাকেন তবে সোমবার তার ওফাত হয়ে গিয়েছে ৷
বায়হাকী (র) এ ভাবেই রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আর ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবু সাঈদ
(র) জ্যরীর (যা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহুদী পণ্ডিত ইয়ড়ামানে আমাকে
বললেন, আপনাদের ঐ ব্যক্তি নবী হয়ে থাকলে তিনি আজ ইনতিকাল করেছেন ৷ জারীর (রা)
বলেন, দেখা গেল সত্যিই তিনি ৫সড়ামবারে ইনতিকাল করেছেন ৷

বায়হড়াকী (র) আরো বলেন, আবুল হুসায়ন ইবন বুশৃরান (র) কাব ইবন আদী (রা) থেকে
বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, হীরাতে একটি প্রতিনিধি দলের সংগে আমি নবী করীম (সা) সমীগে
উপস্থিত হলে আমাদের কাছে ইসলামের দাওয়াত (প্ম্পো করলেন ৷ আমরা ইসলাম গ্রহণের পরে
হীরাতে প্রত্যাবর্তন করলাম ৷ এর পরে কিছু দিন যেতে না যেতেই আমাদের কাছে নবী করীম
(না)-এর ওফাতের সংবাদ এসে পৌছল ৷ ফলে আমার সংগীরা দ্বিধাম্বিত হয়ে পড়ল এবং

তক্লো বলল, ইনি নবী হলে তো মারা যেতেন না ৷ আমি বললাম, তার আগের নবীপণও তো
ইনতিকাল করেছেন ৷ আমি আমার ইসলামে মযবুত থাকলাম এবং পরে এক সময় মদীনায়
উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম ৷ তখন আমি জনৈক ধর্যযাজকের কাছে গেলাম; মার মতামত না
নিয়ে আমরা কোন বিষয় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতাম না ৷ আমি তাকে বললাম, আমাকে একটি বিষয়
অবহিত করুন, যায় আমি সংকল্প করেছি ৷ কিন্তু সে বিষয় আমার মনে কিছুটা দ্বিধা অংকুরিত
হয়েছে, তিনি বললেন, তুমি যে কোন একটি নাম আমাকে দাও ! আমি কাব’ নামটি তার
কাছে উপস্থাপন করলে তিনি একটি গ্রন্থ বের করে বললেন, নামটি এ গ্রন্থে রেখে দাও ! আমি
কাব নামটি তাতে রেখে দিলে তিনি তার পৃষ্ঠা উল্টাতে লাপলেন ৷ দেখলাম তাতে নবী কয়ীম
(সা)এর বর্ণনা রয়েছে ৷ যেমন আমি তাকে দেখেছি ৷ আরো দেখলাম যে, তাতে তার মৃত্যুর
সে সময়টিরও উল্লেখ রয়েছে যে দিন তিনি ইনতিকাল করেছিলেন ৷ কাব (বা) বলেন, ফলে
আমার ঈমানের অম্ভর্দুষ্টি আরো দৃঢ়তর হল এবং আমি আবু বকর (রা)-এর নিকটে গিয়ে
তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম এবং তার নিকটে অবস্থান করলাম ৷ তিনি আমাকে (মিশরের
শাসনকর্তা) ঘুকাওকিসএর দরবারে পাঠালেন, আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম ৷ পরে
উমর ইবনুল খড়াত্তাব (বা)ও আমাকে তার দরবারে পাঠিয়েছিলেন ৷ আমি তীর চিঠি নিয়ে
মুকাওকিসের নিকটে গিয়েছিলড়াম ৷ আমি তার নরবত্ত্বক্রুর উপনীত হলাম ৷ ওদিকে ইয়ারমুকের
ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হল, কিন্তু সে বিষয়ে ভ্রর্হি অবগত ছিলাম না ৰু মুকম্বুওকিন আমাকে
বললেন, তুমি কি জান যে ণ্রমন্রশ্ তাররন্র ন্-ন্বে ষুদ্বো বিপ্ত হয়েছে এবং তাদের পরাস্ত
করেছে? আসি রললড়াম, তিনি বললেন র্তার
নবী করীম (না)-কে এ ভোকর নির-হ্নম্ যে স্ব ধর্মের বিরনদ্ধ তদ্বকে বিজয় দান
করবেন এবং তিনি বললেন তোমাদের নবী তােমাদেরকে
সত্য কহুই ! “আন জাতির ন্যায় নিধ্নযজ্ঞের শিকার
হয়েছে ৰুব্ (বা ৷ বণ্ন্ পশুর ণ্ ম্মেহ্নত্তিন্ তাদ্বাক রাসুলুল্লাহ (সা)-এর বিশিষ্ট সাহাবীদের
সম্পর্কে ক্রিজ্রন আং স্শ্বি তাকে ম্ববহিৎ ব্বলাম ৷ তিনি উমর (রা) ও অন্যান্যদের জন্য
উপচৌৰু মোঃ : অিনি ল্মন ম্মে উতৌঙ্ঘ পাঠিরেছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন আলী,
আবদুর রহমদ্রন (হুবৃন ড্ডা) ও ফ্রান্সের (বা) (এবং সম্ভবত আদী (বা) এ স্থানে আব্বাস (রা)-
এব নামও টন্নেৰ্ স্কো) ৷ কবে (বা) বলেছেন, জাহিলী যুগে আমি উমর (রা)-এর সংগে
কাপড়ের কলার অংশীদার ফ্লিম পরে যখন ভাতা নির্ধারণ করা হল এবং তাতাধারীদের
তালিকাভুজ্যি ন্সা দ্দৌত হল তখন বনু আদী ইবন কাব-এর তালিকায় আমার নামও
তাতপ্রেপষ্কেষ্ তিনি অন্তর্ভুক্ত ক্যলেন ৷ এ বিবরণটি বেশ বিরল প্রকৃতির এবং এতে বেশ
চমকাংন্ রহ্ট্ট করেছে এবং তা সনদের বিচারে বিশুদ্ধ ৷

অনুচ্ছেদ : জ্জী লীৰ্ (না)-এর ণ্ডফাত পরবর্তী প্রাথমিক পরিস্থিতি

(র) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) ইনতিকাল করলে আরবদের অনেকেই
হতে লাগল, ইয়াহুদীবাদী ও খ্রীষ্টবাদীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠল এবং মুনাফিকরা নতুন
রুপে ন্মোকাশ করল ৷ নবীকে হারিয়ে তখন মুসলমানদের অবস্থা র্দড়োল প্রবল ভৈশতা
প্রবাহের রাতে বৃষ্টি ভেজা বকয়ী পড়ালের ন্যায় ৷ অবশেষে আল্লাহ তাদেরকে আবু বকর (র:)

Leave a reply