অনুচ্ছেদ প্রথম জুমুআর নামায

বললেন, তাহলে তার ব্যাপারে তোমার মনের কী অবস্থা? তিনি বললেন : আল্লাহর শপথ
যতদিন আমি বেচে থাকর, তার প্রতি শত্রুতা করে যাবো ৷

মুসা ইবন উকবা যুহ্রী সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় আগমন করলে
আবু ইয়াসির ইবন আখতার তার নিকট গিয়ে তার কথা শুনেন এবং তার সঙ্গে কথা বলে নিজ
জাতির নিকট ফিরে এসে বলেন, হে আমার জাতির লোকেরা ! তোমরা আমার আনুগত্য কর,
কারণ, তোমরা যার অপেক্ষায় ছিলে, আল্লাহ তোমাদের নিকট তাকে প্রেরণ করেছেন ৷ তোমরা
৷ তার অনুসরণ করবে, বিরোধিতা করবে না ৷ তখন তার সহােদর হুয়াই ইবন আখতাৰ-যিনি
তখন ইয়াহদীদের সরদার বা নে৩ তা ,আর এরা উভয়েই ছিল বন ন ৷যীরের লোক রাসুলুল্লাহ্ (সা )
-এর কাছে গিয়ে বসল এবং তার কথা শুনলো, এরপর তার জাতির নিকট ফিরে এলে-আর
সে ছিল জাতির মধ্যে মান্যবর-সে বললো :

আমি এমন এক ব্যক্তির নিকট থেকে এসেছি আল্লাহর ক সম, আমি চিরকাল তার শত্রুই
থাকরাে ৷ (তার মুখে একথা ৷শ্যুন) তার ভাই আবু ইয়াসির বললাে৪ হে আমার সহােদর ভাই
এ ব্যাপারে আমার আনুগত্য কর আর পরে যা খুশী আমার অবধ্য৩ তা নাফরমানী করবে ৷ তবে
নিজেকে ধ্ব স করবে না ৷ সে বললো: না আল্লাহর কসম, আমি কখনো তোমার আনুগত্য
করবো না ৷ শয়তান তার উপর আধিপ৩ তা বিস্তার করে এবং তার জাতি তারই মতামতের
অনুসারী হয় ৷

আমি বলি, আবু ইয়াসিরের নাম হুয়াই ইবন আখ৩ যে১ তার কী শেষ পরিণতি হয়েছিল
আমার জ না সেই ৷ তবে স ফিয্যাব পিতা হুয়াই ইবন আখতার নবী করীম (না) এবং তার
সাহাবীগণের প্রতি শত্রু৩ ৷ ছিল মজ্জাগত ৷ এটাই ছিল তার অভ্যাস ৷ তার প্রতি ৩আল্লাহ্র লান
বর্ষি৩ হোক ৷ বনু কুরায়যার যুদ্ধের দিন রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সম্মুখে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত
তার এ অভ্যাসের পরিবর্তন হয়নি ৷ বনু কুরায়যার যুদ্ধের আলোচনায় তার সম্পর্কে আলোচনা
করা হবে ইনশআল্লাহ্ ৷

অনুচ্ছেদ
প্রথম জুমুআব নামায

রাসুলুল্লাহ্ (সা) যে দিন তার উটনী কাসৃওয়ায় চড়ে কুবায় থেকে রওনা হলেন, সে দিনটি
ছিল জুমুআর দিন ৷ বনু সালিম ইবন আওফের গোত্রে পৌছতে ৩দুপুর গড়িয়ে যায় ৷ তাই
সেখানেই তিনি মুসলমানদেরকে নিয়ে জুমুআর নামায আদায় করেন ৷ আর এটা ছিল রানুওয়ানা

উপত্যকায় ৷ এটা ছিল মদীনায় মুসলমানদেরকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা )এর প্রথম জুমুআর নামায
অথবা এটি ছিল মুসলমানদের প্রথম জুমআর নামায ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷ কারণ, মক্কায়

১ দুটি মুল কপিতে এমনই উল্লেখ আছে ৷ আর সীরাতে ইবন হিশাম গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে, তারা ছিল
তিনজন (১) হয়াই ইবন আখতার (২) আবু ইয়াসির ইবন আখতার আর (৩) জুদী ইবন আখতার ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না) এবং তার সাহাবীগণের পক্ষে সকলে একত্র হয়ে জুমুআর নামায আদায় করা,
তাতে খুতবা বা ভাষণ দান করা, ঘোষণা বা আযান দেয়া এবং সমাবেশে ভাষণ দেয়া সম্ভব ছিল
না ৷ কারণ, সময়টা ছিল রাসুলের প্রতি মুশরিকদের প্রচণ্ড বিরোধিতার আর নির্যাতন-
নিপীড়নের ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর প্রথম জুমুআর খুত্বা

ইবন জারীর (বারী) ইউনুস ইবন আবদুল আলা সুত্রে আবদুর রহমান আল জামাহীর
বরাতে বর্ণনা করে যে, মদীনায় বনু সালিম আমর ইবন অড়াওফ-এর মহল্লায় প্রথম জুমুআর
নামাংয রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম যে খুতবা বা ভাষণ দান করেন, তা ছিল
নিম্নরুপঃ

“সমস্ত প্ৰশং ৷ আল্লাহ তাআলার ৷ আমি তার প্রশংসা করছি, তার নিকট সাহায্য চাইছি,
তার নিকট মাগফিরাত তথা ক্ষমা ভিক্ষা করছি এবং তার কাছে হিদায়াত কামনা করছি ৷ আমি
আল্লাহর প্ৰতি ঈমান এসেছি, তার প্রতি কুফরী করি না, যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কুফরী করে
আমি তার সঙ্গে দুশমনী করি ৷ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি
এক, তার কোন শরীক নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসুল ৷ আল্লাহ র্তাকে প্রেরণ করেছেন
হিদায়াত, নুর আর সত্য দীন সহকারে উপদেশ নিয়ে রাসুলদের আগমনে বিরতির পর ৷ আল্লাহ
তাকে প্রেরণ করেছেন জ্ঞানের স্বল্পত৷ , মানুষের গোমরাহী, সময়ের ব্যবধান কিয়ামতের নৈকট্য
আর মৃত্যু ঘনিয়ে আসার পর ৷ যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার রাসুলের আনুগত্য করে সে নিশ্চিত

সঠিক পথের সন্ধান লাভ করে আর যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার রাসুলের নাফরমানী করে,
সেতো নিশ্চিত বিপদপামী হয়, স্থানচ্যুত হয় এবং পােমৱাহীর অতল তলে নিমজ্জিত হয় ৷

আমি তোমাদেরকে ওসীয়াত করছি আল্লাহ্কে ভয় করে চলার ৷ কারণ, একজন মুসলমান
অপর মুসলমানকে যে বিষয়ে ওসীব্যত করতে পারে, তন্মধ্যে তাকওয়া হলো সর্বোত্তম ৷ একজন
মুসলমান অপর মুসলমানকে আখিরাতের জন্য উদ্বুদ্ধ করবে, আল্লাহ্কে ভয় করে চলার হুকুম
করবে ৷ সুতরাং আল্লাহ তোমাদেরকে নিজেদের ব্যাপারে যে সতর্ক করেছেন, তোমরা সে
ব্যাপারে সতর্ক হও ৷ এর চেয়ে উত্তম কোন নসীহত নেই, নেই এর চেয়ে উত্তম কোন উপদেশ ৷
আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়ে কাজ করাই হলো তাকওয়া ৷ পরকালের ব্যাপারে তোমরা যে
সহায়তা-সহযোগিতা তালড়াশ করতে পারে৷ তা হলো এ তাকওয়া ৷ যে ব্যক্তি তার নিজের এবং
আল্লাহর মধ্যকার গোপন এবং প্রকাশ্য বিষয় সংশোধন করে নিয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে কার্য
সম্পাদন করে এবং এ ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তোষ ছাড়া অন্য কিছু কামনা করে না, তার পরিণাম
তার মৃত্যু পরবর্তী জীবনে হবে তার জন্য যিক্র ও সঞ্চয় স্বরুপ ৷ যখন মানুষ বা অগ্রে প্রেরণ
করেছে তার মুখাপেক্ষী হবে, হবে সে জন্য কাঙ্গীল ৷ আর যে কাজ হবে এর বিপরীত, সে জন্য
যে ব্যক্তি কামনা করবে যে, যদি তার এবং সে কর্মের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধান সৃষ্টি হতো ৷ আল্লাহ
তােমাদেরকে হুশিয়ার করেছেন তার নিজের ব্যাপারে ৷ আর বান্দাদের প্ৰতি আল্লাহ অতিশয়
দয়ালু ৷ আর আল্লাহ তার বাণী সত্য করে সেখান, পুরণ করেন তার ওয়াদা-অঙ্গীকার ৷ এর
কোন থেলাফ তিনি করেন না , করেন না ব্যতিক্রম ৷ কারণ, আল্লাহ তাআলা বলেন :

“আমার কথার কোন রদ-বদল হয় না , কোন (হরফের হয় না এবং আমি বান্দাদের প্রতি
অবিচার করি না” (৫০ : ২৯) ৷

ইহকাল আর পরকালের সকল ক্ষেত্রে গোপনে আর প্রকাশ্যে কেবল আল্লাহকেই ভয় করে
চলবে ৷ কারণ, আল্লাহ বলেন :

“যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে চলবে আল্লাহ তার পাপরাশি ণ্মা>-ব্ করবেন এবং তাকে
দেবেন মহা পুরস্কার ৷ (৬৫ : ৫) ৷ মহান আল্লাহ আরো বলেন :

আর যারা আল্লাহ এবং তার রাসুলের আনুগত্য করবে, তারা মহাসাফল্য অর্জন করবে ৷
(৩৩ং : ৭১

কারণ আল্লাহর ভয় তার ক্রোধ থেকে রক্ষা করে , তার শাস্তি থেকে রক্ষা করে, রক্ষা করে
আল্লাহর বিরাগ ভাজন হওয়া থেকে ৷ আর আল্লাহর ভয় ঢেহারাকে উজ্জ্বল করে, পালনকর্তার
সভুষ্টি আকর্ষণ করে এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করে ৷ তোমরা নিজেদের অং শ গ্রহণ কর এবংঅ আল্লাহর
প্ৰতি ক৩ ৩ব্যে শৈথিল্য করো না ৷ কেননা আল্লাহ তো তােমাদেরকে তার কি৩ ৷ব শিক্ষা
দিয়েছেন, ৩ামাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন তার পথ, যাতে করে তিনি (প্রকাশ্যে) জানতে
পারেন কারা সত্যবাদী আর কারা মিথ্যাবাদী ৷ সুতরাং অন্যদের প্রতি তোমরা অনুগ্রহ করো
যেমনটি অ ৷ল্লাহ্৫ তোমাদের প্ৰতি ৩করেছেন ৷ আল্লাহর দুশমনদের সঙ্গে তােমরাও দুশমনী করে৷ ৷
তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে যেমন জিহাদ করা উচিত ৷ তিনি তােমাদেরকে বাছাই করে
নিয়েছেন এবং তোমাদের মুসলিম নামকরণ করেছেন ৷ যাতে যারা ধ্বংস হওয়ার তারা যেন
সত্যাসত্য স্পষ্ট হওয়ার পর ধ্বংস হয়, আর যাদের বেচে থাকার তারা যেন সত্যাসত্য স্পষ্ট
হওয়ার পর ধ্বংস হয়, আর যাদের বেচে থাকার তারা যেন সত্যাসত স্পষ্ট হওয়ার পর বেচে
থাকে ৷ আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (কিছু করার) কোন শক্তি নেই ৷ তোমরা আল্লাহকে বেশী
বেশী স্মরণ করবে এবং মৃতু ভ্যু পরবর্তী জীবনের জন্য কাজ করবে ৷ ক বণ কেউ তার এবং
আল্লাহর মধ্যের সম্পর্ক সুন্দর আর স শোধন করলে তার এবং মানুষের মধ্যকার সম্পর্কের
ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট হবে ৷ আর এটা এজন্য যে, আল্লাহ মানুষের বিচার ফায়সাল৷ করেন, মানুষ
আল্লাহর বিচার করতে পারে না ৷ আল্লাহ মানুষের মালিক, মানুষের কোন আধিপত্য নেই ৷
আল্লাহ আকবার আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহান মহান আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি নেই ৷ ইবন
জারীর (৩ ৩াবারী) বিবরণটি উল্লেখ করেছেন এবং এর সনদে ইরসাল আছে ৷ (অর্থ ৎ এ হাদীছের
সনদে সাহাবীর নাম বাদ পড়ে গেছে) ৷

বায়হাকী (র) ভায্যে মদীনায় আগমনের পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর প্রথম খুতবা ৷

হাফিয আবু আবদুল্লাহ্র সুত্রে আবদুর রহমান ইবন আওফের বরাঃত বায়হাকী বলেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় আগমন করে দাড়িয়ে প্রথম যে খুতরা দান করেন, তাতে তিনি
আল্লাহর যথাযােগ্য ন্তুভী প্ৰশস্তির পর বলেন :

আম্মা বাদ (এরপর) লোক সকল ! তোমরা নিজেদের জন্য (লেক আমল) অগ্রে প্রেরণ কর,

তোমরা অবশ্যই জানতে পারবে, আল্লাহর কসম, ণ্তামাদের মধ্যে প্রত্যেকেই বেহুশ হয়ে পড়বে
এবং তার বকরী পাল রাখড়ালহীন অবস্থায় ছেড়ে চলে যাবে, তার জন্য এরপর তার পালনকর্তা
তাকে অবশ্যই বললেন : তখন কোন দোভাষী থাকবে না, থাকবে না কোন প্রহরী, যে উভয়ের
মধ্যে অতরায় হরু —— তোমার নিকট আমার রাসুল এসে আমার বাণী কি পৌছাননি ? আমি
তোমাকে ধন-সম্পদে ধন্য করেছি এবং তোমার প্রতি করুণা-বারি বর্ষণ করেছি ৷ তুমি নিজের
জন্য অগ্রে কী প্রেরণ করেছ ? তখন সে ডানে-বীয়ে দৃষ্টিপাত করবে কিন্তু কিছুই দেখতে পাবে
না ৷ এরপর সম্মুখে দৃষ্টিপাত করবে ৷ জাহান্নড়াম ছাড়া কিছুই দেখতে পারে না ৷ কেউ এক টুকরা
থেজুরের বিনিময়ে যদি তার চেহারাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়, তবে তার তাই
করা উচিত ৷ আর কেউ তা না পেলে ভাল কথা দ্বারা তো করবে) ৷ কারণ, এতেই (নকীব
পুরস্কার দেয়া হবে দশ গুণ থেকে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত ৷ আল্লাহর রাসুলের উপর সালাম আল্লাহর
রহমত ও ররকত ৷ অপর এক খুতবায় আল্লাহ্র নবী বলেন :

সমস্ত প্রশংসা-ন্তুতির মালিক আল্লাহ্ তাআলা ৷ আমি তীর প্রশংসা করছি এবং তীর নিকট
সাহায্য প্রার্থনা করছি ৷ আমাদের নফসের অনিষ্ট আর আমলের ত্রুটি থেকে আমরা আল্লাহ্র
নিকট পানাহ্ চাইছি ৷ আল্লাহ্ যাকে হিদায়াত করেন তাকে গোমরাহ্ করার কেউ নেই ৷ আর
আল্লাহ্ যাকে গোমরাহ্ করেন তাকে হিদায়াত করার কেউ নেই ৷ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্
ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই তিনি এক, তার কোন শরীক নেই আল্লাহর কালাম নিঃসন্দেহে
সবচেয়ে সুন্দর কথা ৷ আল্লাহ যার অন্তরকে সুশোতিত করেছেন এবং তাকে ইসলামে প্রবেশ
করিয়েছেন কুফরীর পর সে নিঃসন্দেহে সফলকাম হয়েছে ৷ অন্য মানুষের মধ্য থেকে আল্লাহ
তাকেই বাছাই করে নিয়েছেন ৷ আল্পাহ্র বাণী নিঃসন্দেহে সুন্দরতম বাণী এবং সবচেয়ে
গান্তীর্যপুর্ণও মর্মস্পর্শী বাণী ৷ আল্লাহ্ যাদেরকে ভালাবাসেন, তোমরা তাদেরকে ভালবাসবে ৷
তোমরা সর্বান্তঃকরণে আল্লাহ্কে ভালবাসবে ৷ আল্লাহ্র বাণী আর যিকির সম্পর্কে তোমরা
ক্লাস্তিবােধ করো না ৷ এ ব্যাপারে তোমাদের অন্তর যেন কঠিন ও কঠোর না হয় ৷ কারণ,
আল্লাহ্ যাকে মনোনীত করেন তার উত্তম নামকরণ করেন এবং উত্তম বান্দাদের মধ্যে তাকে
স্থান দান করেন, তাকে উত্তম কথা আর হালাল-হারামের জ্ঞান দান করেন ৷ সুতরাং তোমরা
আল্লাহ্র ইবাদত করবে এবং তার সঙ্গে কোন কিছুকেই শরীক করবে না ৷ আর তোমরা
আল্লাহ্কে ভয় করবে, ভয় করার মত এবং তোমরা মুখে যা বলবে, তার উত্তম বাণীতে
আল্লাহ্কে সত্য জ্ঞান করবে আর আল্লাহ্র আশিসে নিজেদের মধ্যে ভালবাসার বিনিময় করবে ৷
আল্লাহ্র সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ করা আল্লাহ্কে ক্রুদ্ধ ও ক্ষুব্ধ করে তোলে ৷

ওয়াস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাভুল্লড়াহ ওয়া বারাকাভুহু ৷

এ ভাষণও মুরসাল সুত্রে বণিতি ৷ তবে পুর্ববর্তী খুতবার এটি সমর্থক যদিও শব্দের
পার্থক্য রয়েছে ৷

অনুচ্ছেদ
মসজিদে নববী নির্মাণ এবং আবু আইউবের গৃহে অবস্থানকাল

আবু আইউব আনসারী (বা) এর গৃহে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর অবস্থানের মেয়াদ সম্পর্কে
মতভেদ দেখা যায় ৷ ওয়াকিদী বলেন, সাত মাস; আর অন্যরা বলেন, এক মাসেরও কম সময় ৷
আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

ইমাম বুখারী ইসহড়াক ইবন মানসুর সুত্রে আনাস ইবন মালিক (র) এর বরাতে বলেন :

রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় আগমন করে মদীনায় উচু এলাকায় বনু আমর ইবন আওফ গোত্রে
অবতরণ করেন ৷ তিনি সেখানে ১৪ রাত্রি অবস্থান করেন ৷ তারপর বনু নাজ্জারের কাছে খবর

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest