রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আবুল বুখতারী ইবন হিশামের হত্যার ঘটনা

আবুল বুখতারী ইবন হিশামের হত্যার ঘটনা

আবদুল মুত্তালিব কারও সামনে পড়লে তাকেও হত্যা করো না ৷ কেননা , তাকে জোর করে
যুদ্ধে আনা হয়েছে ৷ এ কথা শুনে আবু হুযায়ফা উতবা ইবন রাবীআ বললেন আমরা আমাদের
বাপ, ভাই ও পুত্রদের হত্যা করবো আর আব্বাসকে ছেড়ে দিবাে, তা কী করে হয় ? আল্লাহর
কসম, সে যদি আমার সামনে পড়ে, তবে আমি তাকে তরবাবি দ্বারা আঘাত করবোই ৷ এ
সংবাদ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নিকট পৌছলে তিনি উমরকে ডেকে বলেন : ওহে আবু হাফ্স!১
আল্লাহর রাসুলের চাচার চেহারায় কি তরবাবি চালান যায় ম্ব উমর বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ্া
আমাকে অনুমতি দিন আমি তলোয়ার দিয়ে তার পর্দান উড়িয়ে < দ্য:ব৷ ৷ আল্লাহর কসম, সে
মৃনাফিক হয়ে গেছে ৷ পরবর্তীতে আবু হুযায়ফা বলতেন, ঐ দিন আমি ৷যে কথাটি বলেছিলড়াম,
তার জন্যে আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করি না ৷ একমাত্র শাহাদংশ্চেভ্রর দ্বারা কাফ্ফারা দেওয়া
ছাড়া রক্ষা হবে না বলে আমি সর্বদা শংকিত থাকি ৷ অবশেষে ইয়ামামার যুদ্ধে তিনি শহীদ হন ৷

আবুল বুখতারী ইবন হিশামের হত্যার ঘটনা

ইবন ইসহাক বলেন, বদর যুদ্ধে রাসুলুল্পাহ (সা) আবুল বুখতস্টুরীকে হত্যা করতে নিষেধ
করেন ৷ কেননা, মক্কায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে নির্যাতন করা থেকে তিনি কুয়ায়শদেরকে নিবৃত্ত
করতেন ৷ তিনি নিজে কখনও রাসুলুল্লাহ্কে কষ্ট দেননি এবং এমন কোন আচরণও করেননি
যাতে তার মন ব্যথিত হয় ৷ এছাড়া কুরায়শদের যে লিখিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ্ (সা)
ও বনু হাশিমকে আবু৩ তালিব গিবিসঙ্কটে অবরুদ্ধ রাখা হয় সে চুক্তিপত্র ভঙ্গের ব্যাপারে তিনি
অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন ৷ বদর রণাংগনে আবুল বুখ৩ তারী যুজায়যার ইবন যিয়াদের সামনে
পড়েন ৷ মুজাযযার ছিলেন আনসারদের মিত্র ৷ তিনি আবুল বুখতারীকে জানিয়ে দেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তোমাকে হত্যা করতে আমাদেরকে ধারণ করে দিয়েছেন ৷ আবুল বৃখ৩ তারীর
সঙ্গে ছিল ৰু জুনাদ৷ ইবন মালীহ৷ নামক লায়ছ গোত্রীয় তার এক বন্ধু ৷ মক্কা থেকে সে আবুল
বুখতারীর সঙ্গে এসেছিল ৷ তার সম্পর্কে আবুল বুখতারী বললেন, আমার সংপীটির কী হবে ?
উত্তরে যুজাযুযার জানালেন আল্লাহর কসম, তোমার সঙ্গীকে ছাড়া হবে না ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)
কেবল তোমার একার কথাই বলেছেন ৷ আবুল বুখত তারী বললেন, তাহলে আল্লাহর কসম করে
বলছি, আমি ও সে এক সাথেই মরব ৷ যাতে পশ্চাতে ৩কুরায়শ মহিলারা আমার সম্পর্কে এ কথা
বলতে না পারে যে, নিজের জীবন রক্ষার্থে আমি আমার সঙ্গীকে ত্যাগ করেছি ৷ একথা বলেই
তিনি যুজাযযারের উপর আক্রমণ করলেন এবং নিম্নের ছন্দটি পড়লেন ং

“কোন সস্তুাম্ভ লোক তার সঙ্গীকে কখনও পবি৩ ৷৷গ করে না ৷ হয় সে সঙ্গীর জন্যে জীবন
বিলিয়ে দেয় , না হয় অন্য কো ন উপায় বের করে নেয় ৷

তারপর উভয়ের মধ্যে লড়াই শুরু হলে আবুল বুখতারী মারা যায় ৷ এ প্রসঙ্গে ঘুজাযুযার
নিম্নোক্ত কবিতাটি আবৃত্তি করেন :

১ হযরত উমর বলেন, আল্লাহর কসম এই দিনই সর্বপ্রথম রাসুলুল্লাহ (না) আমাকে “আবু হাফস’ কৃনিয়াতে
আখ্যায়িত করেন ৷

“হয়তো তুমি আমার বৎ শপবিচয় জান না; কিৎব৷ জানলেও ভুলে গিয়েছ ৷ তবে বাস্তব
প্রমাণের মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছি যে আমি বাল৷ গোত্রের লোক ৷ যারা ইয়ামানের ভৈত বি বর্শ৷ দ্বারা
(শত্রুকে) আঘাত করে এবং শত্রুপক্ষের বীর যোদ্ধারা যতক্ষণ পরাভুত না হয়, ততক্ষণ তাদের
উপর আঘাতের পর আঘাত হানতে থাকে ৷ (হে পথিক ) বুখতারীর সন্তানদেবকে ইয়াত্তীম
হওয়ার সংবাদ দাও; কিৎবা আমার সন্তানদের নিকট এ জাতীয় কোন সৎ বাদ পৌছিয়ে মা ও ৷
আমি সেই ব্যক্তি, যার সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে যে , আমার মুল হচ্ছে বাল৷ গোত্র ৷ আমি বর্শা

দ্বারা আঘাত করতে থাকি যতক্ষণ না তা বীকা হয়ে যায় ৷ আপন্ই৷ আমার প্রতিপক্ষকে ধারাল

মাশরাফী তরবারি দ্বারা হত্যা করি ৷ আমি মৃত ভ্যুকে সেইরুপ দ্রুত কামনা করি যেরুপ কামনা
করে ঐ উদ্রী যার স্তনে দুধ জমাট বেধে যাওয়ায় যন্ত্রণ৷ ৷ভাগ করে মুজাযযারের এ
কথাগুলােকে কেউ মিথ্যা হিসেবে দেখতে পাবে না ৷”

এরপর মুজায্যার রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট এসে বললেন সেই সভার কসম , যিনি

আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন আমি তাকে বন্দী অবস্থায় আপনার নিকট নিয়ে আসতে

প্রাণপণ চেষ্টা করেছি; কিন্তু সে আমার সাথে যুদ্ধ করা ছা ড়৷ আর ৷কছুণ্ডে ই রাষী হল না ৷ ফলে
আমাকে তার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয় এবং আমার হাতে সে নিহত হয় ৷

উমাইয়া ইবন খাশৃফের হত্যার ঘটনা

ইবন ইসহাক আবদুর রহমান ইবন আওফ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন,
মক্কায় অবস্থানকালে উমাইয়া ইবন খাল্ফের সাথে আমার বন্ধুতু ছিল ৷ আমার নাম ছিল আবৃদে
আমর ৷ ইসলাম গ্রহণ করার পর ঐ নাম পরিবর্তন করে আমার নতুন নামকরণ করা হয় আবদুর
রহমান ৷ তখন সে আমার সাথে সাক্ষাত করে বলল, ওহে আবদে আমর ! তোমার পিতার রাখা
নাম কি পরিবর্তন করে ফেলেছ ? আমি বললাম, হী৷ ৷ সে বলল, আমি রহমান চিনি না ৷ সুতরাং
তোমাকে ডাকার জন্যে এমন একটা নাম রাখ, যা আমাদের দুজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ৷
এখন থেকে তোমাকে পুর্বের নামে ডাকলে তুমি সাড়া দিয়ে না আর আমিও তোমাকে এমন নাম
ধরে ডাকবাে না যে নাম আমি চিনি না ৷ এরপর থেকে আমাকে আবদে আমর বলে ডাকলে
আমি তার ডাকে সাড়া দিতাম না ৷ আবদুর রহমান বলেন, আমি উম ৷ইয়াকে বললাম হে আবু
আলী ! তুমি তোমার পসন্দমত একটা নাম রাখ ৷ সে বলল, তোমার নাম “আবদুল ইলাহ্া
আমি বাংলায়, তাই হোক ৷ এরপর থেকে আমি যখন তার পাশ দিয়ে যেতাম সে আমাকে
আবদুল ইলাহ বলে সম্বোধন করতো ৷ আমি তার সে ডাকে সাড়া দিতাম এবং তার সাথে
কথাবার্তা বলতাম ৷ বদরের যুদ্ধে আমি তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম দেখলাম উমাইয়া তার পুত্র
আলীর হাত ধরে দাড়িয়ে আছে ৷ আমার কাছে ছিল কয়েকটি লৌহবর্ম ৷ এগুলো আমি আমার
হাতে নিহত৷ ৷ত্রুদের থেকে সৎগ্র হ করেছিলাম ৷ উমাইয়া আমাকে দেখে আবদে আমর বলে
ডাক দিল ৷ কিন্তু আমি তার ডাকে সাড়া দিলাম না ৷ তখন সে আবদে ইলাহ বলে ডাকল ৷
এবার তার ডাকে আমি সাড়৷ দিলাম ৷ সে বলল, আমার ব্যাপারে কি তোমার কোন দরদ নেই ?
তোমার কাছে সে বর্মগুলো আছে তার থেকে কি আমি তোমার জন্যে অধিক কল্যাণকর নই ?
আমি বললাম, অবশ্যই ৷ তারপর আমি হারুত তর বর্মগুলাে ফেলে দিয়ে তার ও তার পুত্রের

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.