রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আবূ দাউদ (র) এ অনুচ্ছেদ শিরোনাম

আবূ দাউদ (র) এ অনুচ্ছেদ শিরোনাম

বল লোক সকল! আল্লাহর রাসুল বলছেন, তোমরা জান কী এটি কোন মাস ? তারা বলল,
আশ শাহরুল হরােম, পবিত্র মাস ৷ তারপর বললেন-

তাদের বলে দাও, আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের জান মাল মর্যাদা সম্পুর্ণ করেছেন এ

মাসের মর্যাদার ন্যায় ৷ তারপর বললেন-

বল, লোক সকল ৷ তৌমরা জান কী এটি কোন নগরী ? (পুর্ণ হাদীস উল্লেখ্য করেছেন)
মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) আরো বলেন, লায়ছ ইবন আবু সুলায়মান (শাহর ইবন হাওশার
সুত্রে) আমর ইবন খারিজা (বা) হতে ৷ তিনি বলেন, অত্তোব ইবন আসীদ (বা) কোন প্রয়োজনে
আমাকে রাসুলুল্পাহ্ (সা) এর নিকট পাঠালেন ৷ তিনি তখন আরাফাতে অবস্থানঃ করছিলেন ৷
আমি তাকে বিষয়টি পৌছে দিলাম ৷ তারপর তার জ্জীর (মুখের) নীচে দাড়িয়ে গেলাম এভাবে
যে, তার লালা আমার মাথায় ঝরছিল ৷ আমি তখন ভাবে বলতে শুনলড়াম-

লোক সকল ! আল্লাহ পাক প্রতিটি হকদারের অধিকার আদায়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন
(অর্থাৎ যীরাছের অংশ নির্ধারণ করে দিয়েছেন) ৷ আর ওয়ারিছের জন্য ওসিয়ত করা বৈধ নয় ৷
সন্তান ৰিহানার (অধিকারীর) জন্য (অর্থাৎ অইিনগত স্বামীর জ্যাইি) ৷ ব্যভিচারীর জন্য পাথর ৷
যে তার পিতা ব্যতীত কারো নামে বংশ সুত্রে দাবী করবে কিং বা নিজের মনিব ব্যতীত অন্য
কাউকে মনিব সাব্যত করবে তার উপরে আল্লাহর লা নত এবং সকল ফিরিশতা ও মানুষের
অভিশাপ; আল্লাহ তার কোন নকল কিংবা ফরম (ইবাদত) কবুল করবেন না ৷ তিরমিযী, নাসাঈ
ও ইবন মজাে (র) এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন কাতাদা (র) এর বরাতে (শাহব ইবন হাওসাব
সুত্রে): আমর ইবন খারিজ৷ (বা) হতে অনুরুপ ৷ তিরমিযী (র) হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মত
ব্য করেছেন ৷

(আমার মতে) কাতাদা (র)-এর সাথে এ হাদীলেয় সনদ সংযুক্ত থাকার ব্যাপারে মতপার্থক্য
রয়েছে ৷ অল্লোহ ই সমধিক অবগত ৷ (এ খুতবার পরে দশ তারিখে নবী করীম (না) যে
গুরুতুপর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন তা তার উপদেশমালা, প্রজ্ঞাপুর্ণ বাণী ও নবী আদর্শের নীতি
বাণীসহ অনতিবিলম্বে আলোচনা কবর ৷ ইনশআল্লাহ) ৷

বুখারী (ব) প্রদত্ত অনুচ্ছেদ শিরোনাম

প্ৰতৃয্যে আরাফার উদ্দেশ্যে মিনা হতে প্ৰস্থান কালে তালবিয়া ও তাকৰীর প্ৰসংগ ৷ আবদৃল্পাহ্
ইবুন ইউসুফ (র) বলেন, আনাস ইবন মালিক (রা)-£ক সকাল বেলা মিন! হতে আরাফার দিকে
যাওয়ার সময় ডিজােসা করা হলো এ দিনে আপনারা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সংগে থেকে কী রুপ

করতেন? তিনি বললেন, আমাদের মাঝে যার ইচ্ছা তালৰিয়া উচ্চারণ করছিল ৷ তাকে বাধা
দেয়া হচ্ছিল না এবং আমাদের মাঝে মার ইচ্ছা তাকবীর ধ্বনি দিচ্ছিল, তাকে তাতে বাধা দেয়া
হজ্যি না ৷ মুসলিম (র) এ হাদীয়খানা আনাস (রা) সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷ বুখাবী (র) আরো
বলেন, আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা (র) সালিম ইবন আবদুল্লাহ (র) থেকে এ মর্মে বর্ণনা করেন
যে, (খলীকা) আবদুল মানিক ইবন মারওয়ান হাজ্জাজ ইবন ইউসৃবুফ্যা কাছে হত্তজ্জর ব্যাপারে
আবদৃল্লাহ্ ইবন উমাব (রা) এর অনুসরণ করার নির্দেশ লিখে পাঠালেন ৷ আরাফা দিবসে সুর্য
ঢলে পড়ার সময় আমাকে সংগে নিয়ে ইবন উমাব (রা) তার তাবুর কাছে এসে আওয়ায দিলেন,
এ লোক কোথায় ? তখন হাজ্জাজ তার কাছে বেরিয়ে এলে ইবন উমাব (বা) বললেন, চলুন,
হাজ্জাজ বলল, এখন? ইবন উমর (রা) বললেন, ই৷ ৷ হাজ্জাজ বলল, একটু সময় দিন, একটু
গায়ে পানি ঢেলে আসি ৷ তখন ইবন উমার (রা) নেমে পড়লেন এবং হাজ্জাজ বেরিয়ে আসলে
আমরা লেতে লাগলড়াম ৷ হাজ্জাজ ছিল আমার পিতা ও আমার মাঝখানে ৷ আমি তাকে বললড়াম,
আপনি আজকের সুন্নাত (নিয়ম) সঠিকভাবে পালন করতে চইিলে ভাষণ সংক্ষিপ্ত করবেন এবং
উকুফ (অবস্থান ) শুরুর ত্বরান্বিত করবেন ৷ তখন ইবন উমাব (বা) বললেন, সে যথাইে
বলেছে ৷ বুখাবী (রা) কানাবী (র) হতে ও এ হাদীস রিওয়ারাত করেছেন ৷ নাসাঈ এ হাদীস
উদ্ধৃত করেছেন আশহাব ও ইবন ওয়াহাব (র) সুত্রে মালিক (র) থেকে ৷

বুখাবী (র) এ হাদীস রিওয়ারাত করার পরে বলেছেন ৷ লায়ছ (র) বলেছেন (একায়ল)
সালিম (র) হতে এ মর্মে যে, ইবনুয যুবায়র (রা)-এর বিরুদ্ধে অভিমানকালে হাজ্জাজ আবদুল্লাহ
(রা)-ফে জিজ্ঞাসা করল ৷ এ অবস্থান ক্ষেত্রে (আরাফায়) আপনি কী রুপ করেন? সালিম (বা)
বললেন, আপনি যদি সুন্নাত অনুসরণ করতে চান তবে আরাফ৷ দিবসে সলোত আদায় ত্বরান্বিত
করবেন ৷ তখন ইবন উমাব (বা) বললেন, যে যথার্থ বলেছে, র্তারা (সাহাবীগণ) সুন্নাত অনুসারে
যুহর ও আসর একত্রিত করে আদায় করতেন ৷ রাবী আমি, সালিম (না)-কে বললাম, রাসুলুল্পাহ্
(না)-ও কি তাই করেছেন? তিনি বললেন, তা সুন্নত ছাড়া আর কী হতে পারে ? আবু দাউদ (র)
বলেন, আহম্মদ ইবন হাবল (র) ইবন উমার (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্
(সা) আরাফা দিবসের (নয় তারিখে) প্রত্যুষে ফজর সালাত আদায়ের পর মিনা রওয়ানা হলেন
এবং নামিবায় অবতরণ করলেন ৷ নামিবায় হল আরাফায় অবস্থানের জন্য ইমামের অবস্থান হন ৷

অবশেষে জুহর সালাতের সময় হয়ে গেলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) ত্রা করে বেরিয়ে পড়লেন
এবং যুহর ও আছর একত্রিত করে আদায় করলেন ৷ জাবির (রা) ও তার হাদীসে পুর্বোল্পিখিত
খুতবার বিবরণ দেয়ার পরে অনুরুপ উল্লেখ্য করে বলেছেন ৷ তারপর বিলাল (রা) আমান
দিলেন, তারপর ইকামাত বললেন, তখন নবী করীম (সা) যুহর আদায় করলেন ৷ তারপর
আবার বিলাল (বা) ইকামত বললেন, নবী করীম (সা) আসর সালাত আদায় করলেন এবং এ
দুরের মাঝে আর কোন সালাত (সুন্নাত নকল) আদায় করলেন না ৷ এ বর্ণনার দাবী হল নবী
করীম (সা) প্রথমে খুৎবা দেয়ার পরে সালাত আদায় করা হল এবং দ্বিতীয় খুতবার প্রয়োজন
অনুভব করলেন না ৷ ওদিকে ইমাম শাফিঈ (র) বলেছেন, ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ (র) প্রঘুখও
জাৰির (বা) হতে বর্ণনা করেন, বিদায় হজ্জ সম্পর্কে তিনি বলেন, নবী কয়ীম (সা) আরাফার
অবস্থান ক্ষেত্রের দিকে চললেন, সেখানে প্রথম খুতবা দিলেন, তারপর বিলাল (রা) আমান

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.