আবূ দাঊদ (র) এর অনুচ্ছেদ শিরোনাম

(বা) সুত্রে বলেন, আমি ৱাসুলুল্লাহ্ (না)-কে বলতে শৃনেছি ; আর সে দিন তিনি জাদআ’ (কান
কর্তিত) উষ্টীর উপরে পা-দানীতে তার দু-পা রেখে লোকদের গােনাবার উদ্দেশ্যে উচু হচ্ছিলেন ৷
তিনি তার উচৈচস্বরে বললেন,“তোমরা শুনতে পাচ্ছ কী? তখন একজন সাধারণ
লোক বলল, ইয়৷ রাসুলুল্পাহ্ ! আপনি আমাদের কা ছে কী অং গীক৷ ৷র নিচ্ছেন ? তিনি বললেনন্

“তোমাদের প্ৰতিপালকের ইবাদাত করবে, তোমাদের পাচবারেৱ সালাত আদায় করবে,
তোমাদের (রমযান) মাসের সিয়ম পালন করবে এবং আদিষ্ট হলে আনুগত্য করবে, তবেই
তোমাদের প্ৰতিপালকের জন্নাতে প্রবেশ করতে পারবে ৷ ” আমি (সুলায়ম) বললাম, তখন
আপনি কার মত ছিলেন ? তিনি বললেন, আমার বয়স তখন ত্রিশ বছর ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
কাছে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উটের সাথে ধাক্কা ধাক্কি করে তাকে কিছুটা হারিয়ে দেয়ার প্রয়াস
পেতাম ৷ ” আহমদ (ব) হাদীসটি যায়দ ইবনুল হুৰাব (র) হতেও ঐ সনদে রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ তিরমিষী (র) হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন মুসা ইবন আবদুর রহমান আলু-কুফী (র)
সুত্রে তিনি এটাকে হাসানসহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবুল মুগীরা (র)আবু উমামা আল বাহিলী (রা)-এর বরাতে
বলেন, বিদায় হাজ্জ্বর সময় প্রদত্ত তার ভাষণে রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে আমি বলতে

“আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তার হক ষ্ও অধিকার নির্ধারিত করে দিয়েছেন, অতএব,
কোনও ওয়ারিছেৱ জন্য ওসিয়াত করা (বৈধতা) নেই ৷ সন্তান আইন সম্মত স্বামীর এবং
ব্যাভিচারীব জন্য পাথর (প্রস্তরাঘাতে মৃত্যু), তাদের প্রকৃত হিসাব নিকাশ অ ৷ল্লাহ্র যিম্মায় ৷ যে
ব্যক্তি তার পিতা ব্যতীত অন্য কারো সাথে বংশ সুত্র দাবী স্থাপন করে, কি০ বা যে, গোলাম
তার মনিব ব্যতীত অন্য কারো সাথে সম্পর্ক দাবী করে তার উপরে কিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহর
লাপাত৷ র অভিশাপ ৷ কো ন নারী তা ৷র স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে তার স সার থেকে খরচ
করবে না ৷ ” তখন কেহ বলল, ইয়া৷ র ৷সুলুল্লাহ্! খাব৷ র জিনিসও নয় ? তিনি বললেন,
গ্রাফো “তা তাে আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ ৷ তারপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন-

“ধারে ণ্নয়৷ বস্তু পত্যাপর্তন্যযাগ্য, দুধ গানের জন্য দানের পশু প্রত্যাহারযােগ্য; ঋণ
, আদায় অপরিহার্য এবং যামিন (ক্ষতিপুরণের) যিম্মাদার ৷” চার সুনান গ্রন্থের সৎকলকগণ এ
হাদীসটি ইসমাঈল ইবন আয়্যাশ (র) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তিরমিষী (র) একে
হাসান বলে মন্তব্য করেছেন ৷

বু দাউদ (র)-এর অনুচ্ছেদ শিরোনাম ? কুরবানী দিবসে খুত্ব৷ প্রদানের সময় আবদুল
ওযাহ্হাব ইবন আবদুৱ রাহীম আদ্ দিমাশকী (র)রাফি ইবন আমর আলু মুযানী (রা)

সুত্রে বলেন, আমি দেখেছি, রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) মিনার ভাষণ দিচ্ছেন যখন প্রথম প্রহর চড়ে
গিয়েছে ; একটি উজ্জ্বল সাদা-কড়াল খচচরের পিঠে ; আলী (বা) তার ভাবণের পুনরাবৃত্তি করে
চলছেন আর জনতা কেউ দাড়িয়ে কেউ বলে ৷ নাসাঈ (র) এ হাদীস রিওরড়ায়াত করেছেণ
দুহায়ম (র)হতে ঐ সনদে ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেছেন, আবু ঘুআৰিয়া (র)আমির
(বা) হতে, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লড়াহ্ (না)-কে মিনার একটি খচচরের পিঠে লোকদের
সামনে ভাষণ দিতে দেখেছি; আর তার গায়ে ছিল একটি লাল চাদর ৷ বর্ণনাকারী বলেন, আর
একজন বদরী সাহাবী তীর সামনে থেকে তার কথার পুনরাবৃত্তি করছিলেন ৷ বর্ণনাকারী বলেন,
আমি (কাছে) গিয়ে তার পা এবং চপ্পলের ফিতার মাঝে আমার হাত প্রবিষ্ট করলাম ৷
বর্ণনাক ৷রী বলেন, আ ৷মি তার পায়ের শীতল স্পর্শে মাে ৷হিত হতে থাকলাম ৷ মুহাম্মদ ইবন
উবায়দ আ ৷মির আ ল্ মুযানী (রা) হতেও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ ” ভিন্ন সুত্রে আবু দ ৷উদ
(র) এ হাদীসঢি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

আবু ড়াদাউদ (র) এর পরবর্তী অনুচ্ছেদ৪ মিনার প্রদত্ত ইমামুন হজ্জ এর থুতৰা র আলোচ্য
বিষয়০ মুসাদ্দাদ (র)আবদুর রহমান ইবন ঘু আয আত্-তায়মী (রা) হতে, তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন; আমরা তখন মিনার ৷ আমাদের কানগুলি
খোলা থাকল, এমন কি আমরা আমাদের অবস্থান ক্ষেত্র থেকেই তীর বক্তব্য শৃনতে
পাচ্ছিলাম ৷ তিনি হজ্জ ও কুরবানীর বিধি-বিধান শিক্ষা দিচ্ছিলেন ৷ এ ভাবে জামরাসমুহের
আলোচনা পর্যন্ত পৌছলে মাঝের দু আং গুল (তজনী ও মধ্যমা, পাশাপাশি) তুলে ধরে বললেন,
“ঢিল ছেড়াড ন্র আকারের কৎকর ৷ তখন মুহাজিরদের হুকুম করলে র্তারা
(মিনার) মসজিদের সামনে অবস্থান নিলেন; আনসারদের হুকুম করলে ভীরা মসজিদের পিছনে
অবস্থান নিলেন এবং অন্য লোকেরা মুহড়াজির আনসারদের পেছনে অবস্থান নিলেন ৷” আহমদ
ও নাসাঈ (র) ভিন্ন ভিন্ন সুত্রে এ হাদীসটি রিওরায়াত করেছেন ৷ আহমদ (র)-এর রিওয়ায়াত
পুর্বেই উল্লিখিত হয়েছে ৷
সহীহ্ গ্রন্থদ্বয়ে ইবন জুরায়জ (র) সুত্রে আমর ইব নুল আস (বা) হতে বর্ণিত হয়েছে যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) দশ তারিখে মিনার) ভাষণ দিচ্ছিলেন; এ সময় এক ব্যক্তি তীর সামনে দাড়িয়ে
বলল, “আমি ভেবেছিলাম অমুক অমুক বিষয় অমুক অমুক বিষয়ের আগে, তখন আর এক
ব্যক্তি দাড়িয়ে বলল, আমি ধারণা করেছিলাম যে, অমুক অমুক কাজ অমুক অমুক কাজের
আগে, রাসুলুল্লাহ্ (না) তখন বললেন,রে যেতে থাক, কোন অসুবিধা ’
নেই!” গ্রন্থকারদ্বর এ হাদীস উদ্ধৃত করেছেন, মালিক (র) থেকে ৷ মুসলিম (র) ঐ সনদে
অতিরিক্ত বলেছেন এবং যে ভাষা বেশ ব্যাপক (যার পুর্ণাত্গ বিবরণের উপযোগী ক্ষেত্র এটা
নয় ৷ তার উপযোগী ক্ষেত্র হল কিতাবুল আহ্কাম) ৷ সহীহ্ গ্রন্থদ্বয়ের ভায্যে আরো রয়েছে
বর্ণনাকারী বলেন, এদিন যথাসময়ে আগে বা পরে করা যে কোন বিষয়ের জিজ্ঞাসার জবাবে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “করে যাও, ক্ষতি নেই !”

মিনার অবস্থান ও রামী সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি : তারপর, কথিত মতে-নবী করীম (না) মিনার
আজকাল যেখানে মসজিদ রয়েছে সেখানে অবস্থান গ্রহণ করলেন এবং তার ডান দিকে
মুহাজিরদের ও বাম দিকে আনসারদের অন্যান্য লোকদের ওদের পরবর্তী স্থানে অবস্থান নিতে

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.