আমাদের দেশে যে সকল মসজিদে তারাবীতে খতমে কুরআন হয় সেখানে…

প্রশ্ন
আমাদের দেশে যে সকল মসজিদে তারাবীতে খতমে কুরআন হয় সেখানে দেখা যায়-
ক) যে কোনো একটি সূরার শুরুতে বড় আওয়াজে বিসমিল্লাহ পড়া হয়। বলা হয়ে থাকে, এ রকম পড়া
সুন্নত।
খ) সূরা ইখলাস তিনবার পড়া হয়। বলা হয়ে থাকে, এ রকম পড়া মুস্তাহাব। অনুগ্রহপূর্বক এই দুই মাসআলার
বিষয়ে শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে ফয়সালা জানানোর অনুরোধ রইল।
উত্তর
ক) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম কুরআন মজীদের স্বতন্ত্র একটি আয়াত, যা দুই সূরার মাঝে পার্থক্য করার
জন্য আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং মুসল্লিদেরকে পরিপূর্ণ খতম শোনাতে চাইলে যে
কোনো একটি সূরার শুরুতে উঁচু আওয়াজে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে। অন্যথায় এ কারণে মুসল্লিদের খতম
অপূর্ণ থেকে যাবে। আর ইমামের জন্য সব নামাযেই সূরা ফাতিহা এবং সকল সূরার শুরুতে অনুচ্চস্বরে
বিসমিল্লাহ বলা মুস্তাহাব।
-আসসিআয়াহ ২/১৭০; ইহকামুল কানত্বরা ফী আহকামিল বাসমালাহ ১/৭১; ইমদাদুল ফাতাওয়া ১/৩২৮;
মাজমুআতুল ফাতাওয়া, লাখনভী রাহ. ১/৩১৫
খ) কুরআন মজীদ খতম করার ক্ষেত্রে সূরা ইখলাস তিনবার পড়ার কোনো বিধান শরীয়তে নেই। সাহাবা-
তাবেয়ীন থেকেও এমন কোনো আমলের প্রমাণ নেই। ফিকহবিদগণ এই আমলকে অপছন্দ
করেছেন। সুতরাং তারাবীতে কুরআন খতমের সময় সূরা ইখলাস তিনবার পড়ার প্রচলনটি ঠিক নয়। তাই এ
থেকে বিরত থাকবে এবং অন্য সূরার ন্যায় যথানিয়মে একবারই পড়বে।
-ইমদাদুল ফাতাওয়া ১/৩২৬; আহসানুল ফাতাওয়া ৩/৫০৯; ফাতাওয়া উসমানী ১/৫১০

একটি আকুল আবেদন!
অনুগ্রহপুর্বক সকলেই পড়ুন ও শেয়ার করুন৷
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনদের প্রতি আকুল আবেদন, টাকা পয়সা স্বর্ন অলংকার ধন সম্পদ সবই আল্লাহর দান৷ আল্লাহ যাকে ইচ্ছা দান করেন, যার কাছ থেকে ইচ্ছা নিয়ে যান৷ তাই অবশ্যই সম্পদশালীদের সম্পদের সঠিক ব্যবহার করা উচিৎ৷ অভাবীদের প্রতি দৃষ্টি রাখা, অভাব মুচন, আল্লাহর রাস্তায় দান সদকা করা উচিৎ৷
বিশেষ করে সম্পদ দাতা মহান আল্লাহ তায়ালা আপনার সম্পদে যা ফরজ করেছেন, যাকাত, ফিতরা তা অবশ্যই সঠিক ভাবে আদায় করা উচিৎ৷ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে হিসাব করে নির্ধারিত পরিমানের চেয়ে সতর্কতামুলক বেশি দেয়া উচিৎ৷
এবং এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখা উচিৎ যাকাত ইসলামের একটি মৌলিক স্তম্ভ৷ নামায যেমন ফরজ যাকাত তেমনি ফরজ৷
তাই যাকাত যেকোন মানুষকে দিয়ে দিলেই আদায় হবে না৷ বরং উপযুক্ত ব্যাক্তির কাছে পৌছাতে হবে৷
এবং যাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে লোক দেখানো যেন না হয়, অন্যথায় অনেক টাকা যাকাত দিতে পারেন কিন্তু কোন সাওয়াব পাওয়া যাবে না৷
নবীজী সাঃ বলেছেন তোমরা তোমাদের সম্পদ এমনভাবে দান করো যেন ডান হাতে দান করলে বাম হাত টের না পায়৷
তাই সবদিকে সতর্ক অবলম্বন করা উচিৎ৷ আর সর্বদিকে সতর্কতা অবলম্বন করেই আপনার যাকাত ফিতরার টাকা যেন সঠিকভাবে সঠিক স্থানে সঠিক পাত্রে ব্যবহৃিত হয়, আপনাদের প্রতি আমার আকুল আবেদন, গুরাবা ফান্ড, লিল্লাহ বর্ডিং বিশিষ্ট মাদ্রাসায় প্রদান করুন৷ এর দ্বারা গরীব অসহায় ছাত্রদের অভাব মুচনের পাশাপাশি ইলমেরও খেদমত হয়ে যাবে৷
আমাদের মাদ্রাসায়ও গুরাবা ফান্ড রয়েছে৷ যেখানে শুধু যাকাত ফিতরার টাকা জমা করে উপযুক্ত খাতে সঠিক পাত্রে ব্যবহার করা হয়৷ আলহামদুলিল্লাহ৷
তাই কোন আগ্রহি ভাই ও বোন যদি আমাদের মাদ্রাসায় আপনার যাকাত ফিতরার টাকা দিতে আগ্রহী হোন নিম্নে বর্নিত একাউন্ট বা বিকাশ নাম্বারে প্রেরনের পর অবশ্যই যোগাযোগ নাম্বারে টাকার পরিমান ও বাবত জানাবেন৷
একাউন্ড নং ৩৬০৬৮ আল আরাফা ব্যাংক ৷ বিকাশ নম্বার 01717971791 যোগাযোগ নাম্বার 01756473393
আল্লাহ সকলকে সহীহ বুঝে আমল করে উভয় জগতে ধন্য হওয়ার তৌফিক দান করুন ৷ সকলেকে সঠিক প্রতিদান দান করুন৷ আমিন৷

উত্তর দিয়েছেন : মুফতি মেরাজ তাহসিন

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest

Hatay masaj salonu Diyarbakır masaj salonu Adana masaj salonu Aydın masaj salonu Kocaeli masaj salonu Muğla masaj salonu Yalova masaj salonu Gaziantep masaj salonu Kütahya masaj salonu Elazığ masaj salonu Bursa masaj salonu Konya masaj salonu Samsun masaj salonu Mersin masaj salonu Manisa masaj salonu Afyon masaj salonu Kütahya masaj salonu Çanakkale masaj salonu Edirne masaj salonu Yozgat masaj salonu Çorum masaj salonu>