রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আমাদের শহরে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে ঢাকা থেকে আগত জনৈক ব্যক্তি…

আমাদের শহরে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে ঢাকা থেকে আগত জনৈক ব্যক্তি…
প্রশ্ন

আমাদের শহরে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে ঢাকা থেকে আগত জনৈক ব্যক্তি মডার্ণ পাবলিশার্স, ২৩০ নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫ কর্তৃক প্রকাশিত ও ছবির সাহায্যে পবিত্র হজ্বের দর্শণীয় স্থানসমূহ বিষয়ক মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী কর্তৃক প্রণীত একটি পুস্তক হজ্বব্রত পালনেচ্ছুক প্রশিক্ষণরত ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করেন। উক্ত পুস্তকের ৬ নং পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে যে, ‘‘প্রথম চার চক্করে রমল বা দৌড় দিয়ে জোরে হাঁটতে হবে। বাকি তিন চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাটতে হবে। ইহরামের কাপড় স্বাভাবিকভাবে পরা থাকবে।’’ অথচ হজ্ব বিষয়ক বিভিন্ন

পুস্তক-পুস্তিকায় যে তাওয়াফের পর সাঈ আছে তার প্রথম তিন চক্করে রমলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইজতিবা প্রথম চক্কর থেকে শেষ চক্কর পর্যন্ত বহাল থাকা সুন্নতে মুআক্কাদা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এভাবেই ৩ চক্করে রমল ও চার চক্করে স্বাভাবিক অবস্থায় ইজতিবাসহ তাওয়াফ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এখন আমার প্রশ্ন হল, তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করতে হবে, নাকি চার চক্করে রমল করতে হবে? আর ইজতিবা প্রথম চক্কর থেকে শেষ চক্কর পর্যন্ত থাকবে, নাকি যে চক্করগুলোতে রমল করা হবে শুধু সেগুলোতেই ইজতিবা করা হবে? সঠিক মাসআলা জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর

যে তাওয়াফের পর সাঈ আছে পুরুষের জন্য সে তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করা সুন্নত। (রমল অর্থ কাঁধ হেলিয়ে একটু দ্রুতপদে বীরদর্পে হাঁটা)। আর ঐ তাওয়াফের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইজতিবা (অর্থাৎ গায়ের চাদর ডান বগলের নিচ দিয়ে বের করে বাম কাঁধের উপর রাখা।) অবস্থায় থাকা পৃথক একটি সুন্নত।

প্রকাশ থাকে যে, তিন চক্করে রমল করা এবং পুরো তাওয়াফে ইজতিবা করার বিষয়টি হাদীস ও আছার দ্বারা প্রমাণিত।

আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বাইতুল্লাহর প্রথম তাওয়াফ (তাওয়াফে কুদুম) করেছেন তখন প্রথম তিন চক্করে রমল করেছেন। বাকি চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হেঁটেছেন। (সহীহ মুসলিম ১/৪১০)

ইয়ালা ইবনে উমাইয়া রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করেছেন। (পূর্ণ) তাওয়াফে ইজতিবা অবস্থায় ছিলেন। (জামে তিরমিযী, হাদীস :৮৫৯)

ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণিত, উমর ইবনে আবদুল আযীয রাহ. বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করেছেন এবং (পুরো) তাওয়াফে ইজতিবা অবস্থায় ছিলেন। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ১৬১৪৬)

সুতরাং খলিলুর রহমান মাদানীর বইয়ে লিখিত প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি সঠিক নয়।

-আলবাহরুল আমীক ২/১১৫৯-৬৮; গুনইয়াতুন নাসিক ১১৮

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.