Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

আমার বয়স তেইশ বছর। আমি নিয়মিত নামায পড়ি। কিন্তু মাঝে

আমার বয়স তেইশ বছর। আমি নিয়মিত নামায পড়ি। কিন্তু মাঝে

প্রশ্ন

আমার বয়স তেইশ বছর। আমি নিয়মিত নামায পড়ি। কিন্তু মাঝে মাঝে নামায কাযা হয়ে গেলে তা আর পড়া হয় না। এভাবে আমার প্রায় ৫০ ওয়াক্ত কাযা নামায জমে গেছে। এখন আমি এ সকল কাযা নামায আদায় করতে চাই। জানতে চাই, এই নামাযগুলো আদায়ের ক্ষেত্রেও কি আমাকে তারতীব রক্ষা করতে হবে? কিন্তু বাস্তবতা হল, কোন ওয়াক্ত আগে কোন ওয়াক্ত পরে তা নির্ধারণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় আমার করণীয় কী?

উত্তর

প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী আপনার কাযা নামাযের সংখ্যা যেহেতু ছয় ওয়াক্তের বেশি তাই সেগুলো আদায়ের ক্ষেত্রে আপনাকে প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের মাঝে তারতীব রক্ষা করতে হবে না। তাই আপনি ছুটে যাওয়া নামাযগুলো তারতীব রক্ষা করা ছাড়াই সুবিধামতো আদায় করে নিতে পারবেন। আর আপনার কাযা নামাযগুলো পড়া শেষ না হলেও চলমান ওয়াক্তিয়া নামায যথাসময়ে পড়তে থাকবেন।

উল্লেখ্য, পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পাশাপাশি বিতর নামায ছুটে থাকলে তাও কাযা করতে হবে। আর কাযা আদায়ের ক্ষেত্রে এভাবে নিয়ত করতে পারেন যে, আমার যিম্মায় থেকে যাওয়া নামাযের মধ্যে সর্বপ্রথম ফজরের ফরয নামায আদায় করছি বা সর্বপ্রথম যোহরের ফরয নামায আদায় করছি।

প্রকাশ থাকে যে, যথাসময়ে নামায আদায় না করা মারাত্মক গুনাহ। তাই কোনো অবস্থায় নামায কাযা না হয় এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কখনো কাযা হয়ে গেলে দ্রুত আদায় করে নিতে হবে। আর বিগত দিনের কাযার জন্য তাওবা-ইস্তিগফার করতে হবে।

-আদ্দুররুল মুখতার ২/৬৮; আলবাহরুর রায়েক ২/৮৪; বাদায়েউস সানায়ে ১/৩৪৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১২৩; আলমুহীতুল বুরহানী ২/৩৫৮

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার