রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আমি কলেজে পড়ি। ছোট থেকেই নামায-রোযার প্রতি মনোযোগী ছিলাম। কিন্তু

আমি কলেজে পড়ি। ছোট থেকেই নামায-রোযার প্রতি মনোযোগী ছিলাম। কিন্তু
প্রশ্ন

আমি কলেজে পড়ি। ছোট থেকেই নামায-রোযার প্রতি মনোযোগী ছিলাম। কিন্তু এবার রমযানে কলেজে গিয়ে বন্ধুদের প্ররোচনায় পড়ে ৫টি রোযা ভেঙ্গে ফেলি। তারপর থেকে এ নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। বারবার তাওবা ইস্তিগফার করেছি। এ অবস্থায় আমার জন্য আর কী করণীয়? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

উত্তর

রমযানের রোযা না রাখা বা রেখে ভেঙ্গে ফেলা মারাত্মক গুনাহ। এজন্য শুধু তওবা করা যথেষ্ট নয়; রবং এর কাযা আদায় করতে হবে এবং বিনা ওজরে ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙ্গে ফেললে কাফফারাও আদায় করতে হবে। সুতরাং আপনি ঐ ৫টি রোযার জন্য ৫টি রোযা কাযা আদায় করবেন এবং ঐ সবগুলো রোযা ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙ্গে ফেলার কারণে একটি কাফফারা আদায় করবেন। কাফফারা হল লাগাতার ৬০টি রোযা রাখা। লাগাতার ৬০টি রোযা রাখতে অক্ষম হলে পূর্ণ খাবার খেতে পারে এমন ৬০ জন মিসকীনকে তৃপ্তি সহকারে দু বেলা খাওয়াতে হবে। অথবা প্রত্যেককে এর মূল্য দিতে হবে।

-সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৯৩৬; বাদায়েউস সানায়ে ২/২৫৩; রদ্দুল মুহতার ২/৪১২, ৩/৪৭৮; আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৭, ৪/১০৯

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts