রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আল-মাশআরুল হারাম-এ নবী কবীম (সা)-এর অবস্থান, সূর্যোদয়ের আগে তার মুযদালিফা হতে প্রস্থান এবং ‘মুহাসৃসির’ নিম্নভূমিতে দ্রুত উট পরিচালন প্রসংগ

আল-মাশআরুল হারাম-এ নবী কবীম (সা)-এর অবস্থান, সূর্যোদয়ের আগে তার মুযদালিফা হতে প্রস্থান এবং ‘মুহাসৃসির’ নিম্নভূমিতে দ্রুত উট পরিচালন প্রসংগ

বলেছেন, “যার উপরে সুরা আল্-বাকার৷ নাযিল করা হয়েছিল (নবী স) তাকে আমি এ স্থানে
বলতে শ্যুনছি-লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়ক !

আল-মাশআরুন হারাম-এ নবী বল্পীম (না)-এর অবস্থান, সুর্যোদয়েৱ আগে তার মুয্দালিফা
হতে প্রস্থান এবং যুহাস্সিব’ নিম্নভুমিতে তার দ্রুত উট পরিচালন প্রসংগ

আল্লাহ তাআল৷ ইরশাদ করেন

“যখন তোমরা আরাফাত হতে চলে আসবে তখন মাশৃআরুল হারামের কাছে পৌছে
আল্লাহকে স্মরণ করবে” (২ : ১৯৮) ৷ জাবির (বা) তার হাদীসে বলেছেন, “সুব্রেহ সাদিক হয়ে
পেলেই তিনি (নবী সা) আযান ও ইকামত সহকারে ফজর সালাত আদায় করলেন ৷ তারপর
কাসৃওয়া-য় সওয়ার হয়ে মাশআরুল হারাম পর্যন্ত পৌছলেন, সেখানে কিবলামুথী হয়ে মহান
মহীয়ান আল্লাহর কাছে দুআ করলেন এবং তার মাহাত্ম্য এককতু ও তাওহীদ ঘোষণা করলেন
(তাক্বীর কালিমা-ই-তাওহীদ উচ্চারণ করলেন ৷) এবং উষ৷ বেশ পরিষ্কার হওয়া পর্যন্ত সেখানে
অবস্থান করার পর সুর্যোদয়ের আগে (মিনাঅভিমুখে) চলতে শুরু করলেন এবং ফাঘৃল ইবন

আব্বাস (রা) কে তার পিছনে সহ-আরােহী করলেন ৷ বৃখারী (র) বলেন, হাজ্জ ৷জ ইবন মিনৃহাল

(র)ইবন ইসহ৷ ৷ক (র) হতে, তিনি বলেন, আমৃর ইবন মায়মুন (র) কে বলতে শুনেছি,৷ অমি
প্রত্যক্ষ করেছি, উমর (রা) ঘুবৃদালিফায় ফজর সালাত আদায় করার পর অবস্থান করলেন এবং
বললেন, মুশরিকরা সুর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত প্ৰস্থান করত না, তারা বলত “ছাবীর! রৌদ্রোজ্যা
হও ৷২ আর রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রস্থান করেছেন সুর্যোদয়ের আগেই ৷ ” বুখারী (র) আরো বলেছেন,
আবদুল্লাহ ইবন রাজা’ (র)আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (র) হতে, তিনি বলেন, আমি
আবদুল্লাহ (ইবন মাসউদ) (রা)-এর সংগে মক্কা অভিমুখে (হজের সফর) বের হলাম ৷ পরে
আমরা ঘুঘৃদালিফায় গৌছলে তিনি দুটি ওয়াক্ত সালাত (মাগরিব ও ইশা) আদায় করলেন, প্রতি
সালাত স্বতন্ত্র আযান ইকামাতে এবং রাতের খাবারণ্গ্নহ্ণ করলেন ঐ দুই সালাতের মাঝে ৷
তারপর ফজরের ওয়াক্ত হওয়া মাত্র ফজরের সালাত আদায় করলেন ৷ কেউ বলছিল, ফজরের

যাক্ত হয়ে গিয়েছ ৷ আবার কেউ বলছিল, (এখনও) ফজরের ওয়াক্ত হয় নি ৷ তারপর তিনি
বললেন, রাসুলুন্নাহ্ (যা) বলেছেন-

“এ দুই ওয়াক্ত সালাত তার নির্ধারিত সময় হতে পরিবর্তিত করা হয়েছে; মাগরিব যেহেতু
ইশা-এর সময় না হওয়া পর্যন্ত লে ৷কেরা মুযদা ৷৷লিফ ৷য় উপনীত হচ্ছে না; আর ফজর এই (আগাম)
সময়ে ৷” তারপর দিগন্ত পরিষ্কা ৷র হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থা ন করলেন ৷ তারপর আবদুল্লাহ
(বা) বললেন, আ ৷মীরুল মুমিনীন (উছম৷ ন রা) এখন প্রস্থ ন করলে যথাযথভাবে সুন্নত পালন

১ ছাবীর মুযদ৷ ৷লিফাৱ একটি বড় পাহাড় ৷ মুশ্ারিকদের উক্তির অর্থ-ছাবীরের গায়ে সুর্যের আলো ছড়িয়ে
পড়াে৷ অনুবাদক

আল-ৰিদায়া ওয়ান নিহায়া ৩০৫

করবেন ৷ (তখন উছমান বা ঐ মুহুতেই চলতে শুরু করলেন)আযি বলতে পারছি না যে,
আবদুল্লাহ (রা)এর কথা এবং উছমান (না)-এর প্ৰন্থান উদ্যোগ এ দুরের মাঝে ণ্কানৃটি আগে
সম্পন্ন হয়েছিল ৷ তিনি তালুবিয়া উচ্চারণ করতে থাকলেন দশ তারিখ জামরায় কংবন্ম নিক্ষেপ
পর্যন্ত ৷

হাফিজ বায়হাকী (র) বলেন, হাফিযুল হাদীস আবু আবদুল্লাহ (র) মিসওয়ার ইবন মাখৃরামা
(রা)-এর বরাতে বলেন, তিনি বলেছেন, আরাফা-য় রাসুলুল্লাহ্ (না) আমাদের সামনে থুত্বা
দিলেন ৷ তিনি তাতে আল্লাহর হড়ামদ ও ছন্যের পরে বললেন-

“এরপর অংশীবাদী ও প্রতিমা পুজাবীরা এ স্থান হতে প্ৰস্থান করতো সুযস্তি কালে-যখন সুর্য
পাহাড় চুড়ায় থাকে-যেমন লোকদের পাগড়ী থাকে তাদের মাথায় ৷ আমাদের পন্থা ওদের পন্থড়ার
বিপরীত ৷ ’ আর তারা মাশআরুল হারাম হতে প্ৰস্থান করত পাহাড় চুড়ায় সুর্থোদয়কালে-যেমন
লোকদের পাপড়ী তাদের মাথার” আমাদের পন্থা ওদের পন্থড়ার বিপরীত ৷ ’ বায়হাকী (র) বলেছেন,
আবদুল্লাহ ইবন ইদরীস (র) যুহাম্মদ ইবন কারস ইবন মাঘৃরাসা (রা)-এর বরাতে এ হাদীস
থানা যুরসাল’ রুপে রিওয়ায়াত করেছেন ৷

ইমাম আহ্মদ (র) বলেছেন, আবু খালিদ সুলারমান ইবন হায়্যান (র)ইবন আব্বাস
(বা) হতে এ মর্মে বণর্না করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) যুযদালিফা হতে সুর্যোদয়ের আগেই প্রস্থান
করতেন ৷

বুখারী (র) বলেন, যুহায়র ইবন হড়ার্ব (র)উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস
(বা) হতে এ মর্মে যে, উসামা (বা) আরাফা হতে মুয্দালিফা পর্যন্ত নবী কবীম (না)-এর সহ-
আরোহী ছিলেন ৷ তারপর মৃযদালিফা থেকে মিনা পর্যন্ত ফায্ল (রা)-কে তিনি সহ-আরােহী
করলেন ৷ উবায়দুল্লাহ (র) বলেন, তাদের দুজনই (উসামা ও ফাঘৃল) বলেছেন যে, জাম্রাতুল
আকাবায় রামী শুরু করা পর্যন্ত নবী কবীম (না) তালবিয়া উচ্চারণ করতে থাকলেন ৷ ইবন
জুরায়জ (র) আতা ইবন আব্বাস সনদে এবং মুসলিম (র) লায়ছ (র)-এর বরড়াতে (ইবন
আব্বস সুত্রে) ফাঘৃল ইবন আব্বাস (বা) হতে বণ্নাি করেন যে, ফায্ল (বা) রাসুলুল্লাহ্ (সা)-
এর সহ-আরোহী ছিলেন ৷ এ মর্মে যে, আরাফার (সল্যায়) এবং যুয্দালিফার সকালে
লোকদের চলাচলের সময় নবী করীম (না) বলেছেন ৷ “তোমরা শান্তি শৃৎখলা বজায় রেখো !”
তিনি নিজেও তার উটনীকে সংবত করে রাখছিলেন এভাৰে মিনা-র অন্তর্গত যুহাসৃসির
নিম্নভুমিতে পৌছলে তিনি বললেন “তোমরা
ঢিল ছেড়াের (আকারের) কংকর সংগ্রহ করে নাও-যা দিয়ে জামৃরায় কংকর নিক্ষেপ করা
হবে ৷ ” ফায্স (বা) বলেন, জামৃরায় কংবল্ম নিক্ষেপ পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ্ (না) উচ্চারণ করতে
থাকলেন ৷

হাফিম বায়হড়াকীর অনুচ্ছেদ শিরোনাম : মুহাসৃসার নিনভুমিতে দ্রুত বাহন পরিচালনা প্রসঙ্গে :

আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিজ (র) জাৰির (বা) হতে নবী কবীম (সা) এর হজ্জ সম্বন্ধে
বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন অবশেষে যখন তিনি ঘুহাস্সির এ পৌছলেন তখন বাহনেব গতি
একটু বাড়িয়ে দিলেন ৷ মুসলিম (র) তার সহীহ্-তে এ হাদীস রিওয়ড়ায়াত করেছেন আবু বকর
ইবন আবু শায়বড়া (বা) থেকে ৷ বড়ায়হাকী (র) এর পরবর্তী রিওয়ায়াত সুফিয়ান ছাওরী (র)
সুত্রে জাঘির (বা) হতে, তিনি বলেন, রড়াসুলুল্লাহ্ (না) (মুবৃদালিফা হতে) প্ৰন্থান শুরু
করলেন, তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রশান্ত ৷ তিনি সাথীদেরও শান্ত সুশৃৎখল থাকতে বললেন এবং
হন পরিচালনা করলেন ব্র তিনি ৩াদেরওে :িল ছেড়াড়ার আকৃতির
ৎকর দিয়ে জামরাসমুহে (তিন শয়তানের পায়ে) কংকর মারতে নির্দেশ দিলেন এবং
বললেনরুগু ন্ঞ “তোমরা আমার কাছে
তোমাদের হজ্জ পালনের য়ীতি-নীতি শিখে নাও , হতে পারে আমার এ বছরের পরে তোমাদের
সাথে আমার আর সাক্ষাত হবে না ৷ ” বড়ায়হড়াকী (র)শ্এর পরবর্তী রিওয়ড়ায়ড়াত ছাওরী (র)
সুত্রের, আবদুর রহমান ইবনৃল হড়ারিছ (র) , আলী (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) ঘুঘৃদালিফা থেকে চলতে শুরু করে যুহাসৃসির পর্যন্ত পৌছলে তার উটনীকে
তাড়া দিলেন ৷ অবশেষে নিম্নভুমি অতিক্রম করার পর থাকলেন ৷ তারপর ফাঘৃল (রা)-চুক
সহ-আরােহী করে আমরা-য় এসে কৎকর মারলেন ৷ এ রিওয়ায়াত এ ভাবেই সংক্ষেপে বর্ণিত ৷
এ প্রসংগে ইমাম আহমদ (র) বলেছেন, আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আন যুবায়বী
(র) আলী (রড়া)-এর বরড়াতে বর্ননা করেন যে, তিনি বলেছেন, রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) আরাফাতে
অবস্থান করে বলণেন এটিই অবস্থান ক্ষেত্র; এবং
গোটা আরাফা-ই অবস্থান ক্ষেত্র ৷ এবং সুর্য অন্ত গেলে তিনি প্রস্থান শুরু করলেন এবং উসামা
(রড়া)-া;ক সহ-আরোহী করলেন ৷ তিনি র্তার উটকে আনড়াক চালে ( ধীর মন্দপতিতে) চালাতে
লাপলেন ৷ জনতা তার ডানে বামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে চলছিল , তিনি যেন তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত
করছিলেন না ৷ (তাদের প্রতি ৰিঘি-নিয়েধ আরোপিত হচ্ছিল না ৷) তিনি বলে চলছিলেন, ধীরে
হে লোক সকল ! ” তারপর ঘুঘৃদালিফায় পৌছে লোকদের নিয়ে নাগরিক ও ইশার সালাতদ্বয়
আদায় করলেন ৷

তারপর সকাল হওয়া পর্যন্ত রাত্রি যাপন করলেন ৷ তারপর কুযাহ্’ পাহাড়ে এলে-কুযাহ্
পাহাড়ের উপরে অবস্থান করলেন এবং বললেন, “এটাই
অবস্থান ক্ষেত্র; এবং মুঘৃদালিফা পুরোটাই অবস্থান ক্ষেত্র ৷ ” তারপর চলতে শুরু করলেন এবং
ঘুহাসৃসির প্রান্তে পৌছে থামলেন ৷ তখন তার বাহনকে তাড়া দিয়ে দ্রুত গতিতে নিম্নভুমি
অতিক্রম করার পর তাকে থামিয়ে দিলেন ৷ তারপর ফাঘৃল (রা)-চুক সহ-আরােহী করে চলতে
লাপলেন এবং আমরা-য় পৌছে কৎকব নিক্ষেপ করলেন ৷ তারপর (কুররড়ানীর স্থলে) পৌছে
বললেন, মিঃ “ এ হভ্রুচ্ছ কৃরবানী ক্ষেত্র, আর মিনা-র সম্পুংটিইি
কুরবানী ক্ষেত্র ৷ বর্ণনা কড়ারী বলেন, এ সময় খাছ’আম গোত্রের এক তরুণী তীর কাছে
ফাত্ওয়৷ জিজ্ঞাসা করল, যে বলল, আমার পিতা একজন অভিনয় বৃদ্ধ, কথার থেই হারিয়ে

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.