আস সিবা প্রতিনিধি প্রসঙ্গ (নেকড়ে বাঘের প্রতিনিধিত্ব প্রসঙ্গ)

সে কাফেলা বাবিত হচ্ছিল মক্কাভিম্প্নে হিদায়াত অবৈবণে ক্ট মুর্দিৰী মিঃ
আর সমতুল্য নয়

হড়াশিমীর (শ্রষ্ঠ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে উঠে পড়; তোমার চোখ দুড়াটা উচিয়ে রেখো তার মাথায়
গ্মব ১

পরবর্তী উক্তি ল্পীন জাতি ও তাদের সন্ধার্নী তৎপরতা দেখে এবং সাদা-কাল উর্টেয়
পিঠে তাদের হাওদা বাধা দেখে আমি অতিভুত হলাম ৷

হিদায়াত অন্বেবণে মোঃ ন্সেহে মক্কা পাড়ান, তার সামনের ভাগ তার লেজের মত তাে নয় ৷

হাশিযী নিবাচিত’ ব্যজ্যি উদ্দেশ্যে উঠে পড়; তোমার দুচােখ নিবদ্ধ রেখো তার দরজা
এবং তার পরবর্তী উক্তি জীন জাতি ও তাদের খবর আদান-প্রদান দেখে এবং সাদা-
কাল উটের পিঠে পান্ধী চড়ানো দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি;

হিদায়াত অন্বেষণে এগিয়ে চলছে মক্কাভিযুখে; অকল্যাণধারীরা তো আর কল্যণেধারীদের
সমান হয় না ৷

-হাশিমী মনােনীত’ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে এগিয়ে চল; মু’মিন জীনগণ তাদের কাফিরদের
সমতুল্য নন ৷

এ ধরনের আরো কবিতা রয়েছে যা মক্কায় বারবার প্রতিনিধিরুপে জীনদের আগমনের
প্রমাণ করে ৷ (যথান্থানে আমরা এর যথেষ্ট বিবরণ দিয়ে এসেছি ৷ আল্পাহ্র জন্য যাবতীয়
হাম্দ; সব অনুগ্রহও র্তারই এবং তিনিই তাওফীক দেয়ার মালিক) ৷

ইবলীসের অন্যতম বৎশধরেৱ আগমন প্রসঙ্গ

হাফিজ আবু বল আল বায়হাকী (র) এ পর্যায়ে একটি বিরল বরং অস্বীকৃত কিংবা
ৰানেশ্নোট হাদীস উংল্পখ করেছেন ৷ তবে তার সুত্র অভিনব বিধায় বায়হাকী (র) এর অনুসরণে
আমরা তা উল্লেখ করছি ৷ তদুপরি বিস্ময়ের ব্যাপার এই যে তিনি তার দালইিলুন-নড়াবুওয়া
গ্রন্থে বলেছেন, হামা ইবনুল হড়ায়ছাম ইবন লাকীস ইবন ইবলীসএর রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে
আগমন ও তার ইসলাম গ্রহণ প্রসঙ্গ ৷ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনুল হুসড়ায়ন আল-আলাবী
(র)ইবন উমর (রা) থেকে বংনাি করেছেন ৷

তিনি বলেন, উমর (রা) বলেছেন, আমরা তিহামার পর্বতমালার কোন একটিতে নবী কবীম
(না)-এর সাথে বসা ছিলাম ৷ তখন সেখানে লাঠি হাতে এক বুড়াে লোক এসে নবী কবীম (সা)-
কে সালাম করল ৷ তিনি তাকে সড়ালামেয় জবাব দিয়ে বললেন,
এ যে জীনের সুর গুণগুনানী ! তুমি কে? সে বলল, আমি আশা : ইবনুল হড়ায়ছাম ইবন লাকীস
ইবন ইবলীস ৷

নবী কবীম (সা) বললেন, তা হলে তোমার ও ইবলীসের মাঝে মাত্র দু’পুরুষ; তবে তোমার
বয়স কত? যে বলল, দুনিয়া তার বয়স প্রায় শেষ করে ফেলেছে, কাবীল যখন হাবীলকে খুন
করে তখন আমি ছিলাম কয়েক বছরের বালকমাত্র, কথাবার্তা বুঝতে পারি, চিনি ও টিলায়
লাফিয়ে বেড়াই আর খাদ্য নষ্ট করা ও আত্মীয়তা ছিন্নকরণে প্ররেড়াচনা দেই ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)

বললেন, কতই নােৎরা খুত খুজে যেড়ানাে বুড়াে ও দোষ অনুসন্ধানী যুবকের অপকর্ম ৷ হামা
বলল, পুরান কথার পুনরাবৃত্তির ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন! আমি মহান ও মহীয়ান আল্লাহ্র
দরগাহে তওবা করেছি ৷ আ ৷মি নুহ (আ) এর সাথে তার ইবাদাত থানায় ছিলাম, তার উম্মতের
মাঝে তার প্ৰতি ঈমান স্থাপনক৷ ৷রীদের সাথে ৷ নিজের কওমের বিরুদ্ধে বদ দৃআ করার ব্যাপারে
আমি তাকে দোষারোপ করতে থাকলে এক সময় তিনি কেদে ফেললেন এবং আমাকেও

কাদালেন ৷ আর বললেন, আমি অবশ্যই ঐ বিষয়টিতে অনুতপ্ত এবং অজ্ঞমুর্থদেরতাস্পোলিক ৷ণ্ডুক্ত
হওয়া থেকে আ ৷মি অ ৷ল্লাহ্র কাছে পানাহ চা ৷চ্ছি ৷ হামার বংনিা, আমি বললাম, হে নুহ! হাবীল
ইবন আদমের খুলে যারা হাত পঙ্কিল করেছিল, আমিও তাদের একজন; আপনি কি আমার জন্য
তওবার কোন উপায় দেখতে পান? তিনি বললেন, ওহে হাম কল্যাণ ও পুণ্যের সৎকল্প কর এবং
আক্ষেপ ও অনুতাপ করার আগেই তা সম্পাদন করে ফেল ৷ আল্লাহ্ আমার প্ৰতি যা নাযিল
করেছেন তার মধ্যে আমি এ কথা পড়েছি যে, কোন বান্দা আলাহ্র কাছে তওবা করলে তার
কৃতকর্ম যে সীমায়ই পৌছুক না কেন আল্লাহ্ তার ওবাত অবশ ৷ই কবুল করেন ৷

তুমি উঠে উয়ু করে এসো এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুটি সিজদা (দু রাকাত সালাত ) আদায়
কর ৷ হামা বলে, আ ৷মি সে মুহুর্ভেই তার নির্দেশিত কাজটি করলাম ৷ একটু পরে তিনি আমাকে
ডেকে বললেন, মাথা তােল ! আসমান থেকে তোমার তওবা কবুল হওয়ার বিষয় নাযিল
হয়েছে ৷ আমি তখন আল্লাহর উদ্দেশ্যে শুক্র জ্ঞাপনে সিজদাবনত হলাম ৷ তার পরবর্তী বচ্নিা
আমি হুদ (আ)-এর সাথেও তার কওমের ঈমানদার লোকদের সঙ্গে তার ইৰাদাতখানায়
উপস্থিত ছিলাম ৷ আমি তার কওমের জন্য তার বদদুআর ব্যাপারে তীর নিকট অনুযােগ
করতে থাকলাম ৷ এমনকি তিনি নিজে কাদালেন, আমাকেও কাদালেন ৷

অবশেষে বললেন, ঐ বিষয়ে আমি অবশ্যই অনুতপ্ত এবং অজ্ঞ-মুর্থদের দলভুক্ত হওয়া
থেকে আ ৷মি তা ৷ল্লাহ্র শরণ প্রার্থনা করছি ৷ হাম৷ বলে চলল, সালিহ (আ)-এর প্ৰতি ঈমান
স্থাপনকারী তার কওমের লোকদের আ ৷মিও তার ইবাদাত্; ন্থানায় স্লিাম ৷ আমি করে কওমের
জন্য বদ-দু আ করার ব্যাপারে তার কাছেও অনুযােগ করতে থাকলাম ৷

এমনকি তিনি কেদে যােললেন এবং আমাকেও কাদালেন ৷ আর ল্যাংন ঐ বিষয়ে অমি
অনুতাপ বো ধ ৷করছি এবং আল্লাহর কাছে পানা ৷হ্ চাচ্ছি তিনি যেন আমাকে ক্ষাংদঃ তালিকাভুক্ত
না করেন ৷ আ ৷মি ইয়৷ ৷কুব (আ) এর সা ৷থেও মাঝে মাঝে সাক্ষাত করতাম, ইউসুফ (আ) যখন
মর্যাদ ৷র ৷আসীনে আসীন ছিলেন, আ ৷মি তখন তার সাথে হ্নিা৷ম ৷ মাঠেগ্ৰাস্তব্রে অ্যাং ইলিয়াস (আ)
এর সাথে সাক্ষাত করতাম, এখনও তার সাথে আমার সাক্ষাত হয় ৷ আমি মুসা ইবন ইক্রো (আ
এর সাথে সাক্ষাত করেছি ৷ তিনি আমাকে তাওরাত্তের কিছু অংশের ভলীেম দািক্রো ৷

তিনি বলছিলেন, ঈসা ইবন মরিয়ম (আ)এব সাথে তােমব্রে মোঃ হলে তাকে আমার
সালাম জ্যনাবে ৷ ঈসা ইবন মরিয়ম (আ)-এর সাথে স্যক্ষ্যক্রুতঃ মৌঅ্যাংও আমি লাভ করেছি
এবং তাকে মুসা (আ)এর সালাম পৌহিঃয় দিয়েছি ৷

ঈসা (আ) আমাকে বলেছিলেন, “মুহাম্মদ (না)-এর সাথে ফী অে ষ্ার সক্ষোভ্র হয় তবে
, তাকে আমার সালাম জানাবে ৷ তা শ্যুন রাসুলুল্লাহ্ (না) অ্যাৰ্ক্সে মোঃ র্কদ্যোলন ৷ ংারে
বললেন, “ঈসা (আ)-এর প্ৰতি সালাম যতদিন পর্যন্ত দুনিয়া বিদ্যমান গ্ক্যেৰন্ আর তুমি যে

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.