রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

ইলমে দ্বীন শিক্ষার গুরুত্ব ও ফযিলত

ইলমে দ্বীন শিক্ষার গুরুত্ব ও ফযিলত

সমস্ত প্রসংশা ঐ মহান আল্লাহ জন্য যার কুদরতি কব্জায় আমাদের জীবন-মরণ। যিনি ইলমে দ্বীন শিক্ষা করাকে আমাদের উপর ফরয করেছেন। অঝর ধারায় দরূদ বর্ষিত হোক, ইলমের ঝর্ণাধারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর। ইল্মের গুরুত্ব আমলের চেয়ে অনেক বেশি। কেননা ইল্মে আমলের রাস্তাকে সুগম করে। যে জাতি ঐশী শিক্ষায় যত শিক্ষিত উভয় জগতে সে জাতি তত উন্নত। আর যে জাতি এ শিক্ষা থেকে যত দূরে, তারা উভয় জাহানে সফলতা থেকে দূরে। সুতরাং উক্ত আলোচনার দ্বারা একথাই প্রতীয়মান হয় যে, কল্যাণ ও অকল্যাণের মালিক যিনি, ইল্মের মালিকও তিনিই। তাই যারা এ সুশিক্ষা থেকে দূরে তারা আপন প্রতিপালকের পরিচয় থেকেই দূরে। আর একথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, মালিক বিহীন যে কোন জিনিসই মূল্যহীন। সেই মহান মালিককে চিনে মূল্যবান হওয়ার জন্য এই এলমে দ্বীন শিক্ষার বিকল্প কোন শিক্ষা নেই। মহান মালিক তাকে চেনার নিমিত্তেই মানব ও দানবকে সৃজন করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন وما خلقت الجن والانس الا ليعبدون
অর্থ ঃ আমি জ্বিন এবং মানব জাতিকে একমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছি।

এ আয়াতে মুফাসসীরীনে কেরাম ليعبدون এর তাফসীর ليعرفون দ্বারা করেছেন। অর্থাৎ আল্লাহ তা’য়ালার পরিচয় লাভ করার জন্যই তিনি মানব ও দানবকে সৃষ্টি করেছেন। আর তার পরিচয় লাভের জন্য এলমে দ্বীন অপরিহার্য। কেননা এলমে দ্বীন ব্যতিরেকে তার পরিচয় লাভ করা সম্ভব নয়। কে না চায় সেই চির সুখের নীড় জান্নাতে প্রবেশ করতে । উপায় হলো ঐ অনাবিল শান্তিময় সুখের ঠিকানার মালিকের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা। আর এ এলেম মহান মালিকের সাথে গভীর ও নিবির সম্পর্ক কায়েম করে দেয় । এলমে দ্বীন এমন এক মহাদৌলত যা দ্বারা মানুষ পরিচয় পায় আপন অস্তিত্বের। খোদার অবাধ্যতা থেকে আত্মসংবরণ করতে সচেষ্ট হয় । কুফরীর অন্ধকার থেকে সংযত হয়ে হেদায়েতের নূরে পথ চলতে শেখে। ধাবিত হয় মন আপন ঠিকানায়। ইলমে দ্বীনের চর্চা বহাল আছে বলেই স্তম্বহীন সুবিশাল এই আসমান স্বস্থানে প্রতিষ্টিত রয়েছে। সূর্য আপন তেজে জ্বলছে, চন্দ্র তার রূপালী কিরণ ধরণী অভিমুখে ঢালছে। তারকারাজি আপন কক্ষপথে মিটিমিটি জ্বলছে। যতদিন থাকবে ইলমে দ্বীনের আলোচনা বহমান, ততদিন থাকবে কায়েম মাথার উপর নীলিমাময় আসমান। একজন ইলমে দ্বীন অন্বেষণকারী বিয়োগ বেদনায় আসমান জমিন ও তৎসংশ্লিষ্ট সবই কাঁদতে থাকে।

Related Posts