রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

উকায়ল ইবন কা’ব গোত্রের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

উকায়ল ইবন কা’ব গোত্রের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

বাহিলা : গোত্রীয় প্রতিনিধি দল

মক্কা বিজয়ের পরে এ গোত্রের সর্দার যুতারট্রুরিফ ইবনুল কাহিন এসে ইসলাম গ্রহণ করেন
এবং নিজ সম্প্রদায়ের জন্য নিবাপত্তা সনদ হাসিল করেন ৷ নবী কবীম (না) তাদের জন্য
ফারাইব ও ইসলামের মৌলিক বিধি-বিধান সম্বলিত একটি দলীল’ লিখে দিয়েছিলেন ৷
উছমান ইবন আফ্ফান (রা) ছিলেন দলীসটির লেখক ৷

বনু সুলায়ম প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

( ওয়াকিদী বলেন,) কারস ইবন নাশাবা নামবাবী বনু সুলায়ম গোত্রের এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ্
(সা) এর দরবারে এসে তীর কথাবাতা ওনলেন এবং কোন কোন বিষয় তিনি নবী কবীম
(সা)ষ্৫ক জিজ্ঞেস করলেন ৷ নবী কবীম (সা) তার জবাব দিলেন ৷ কায়স সে সব কথা তার
মানসপটে সংরক্ষিত করে বাখলেন ৷ রাসুলুল্পাহ্ (যা) তাকে মুসলমান হওয়ার আহ্বান জানালে
তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন ৷ নিজ গোত্রে ফিরে গিয়ে তিনি তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা এভাবে
দিলেন যে, আমি রোমানদের তাবা-বিবৃতি শুনেছি, পারসিকদের শ্লোককাব্য ওনেছি, আরবের
কবিতামালাও শুনেছি, গণক-জ্যোতির্বিদদের অদৃশ্য গণনা আর হিঘৃয়াবী তর্কবিদদের
বিতর্কানৃষ্ঠান শুনেছি ৷ কিন্তু মুহাম্মদ (সা) এর বাণী ও ভাষা এদের কারো ভাষার সাথে সাদৃশ্য
রাখে না ৷ অতএব, তোমরা আমার অনুসরণ কর এবং নিজেদের ভাগ্য পড়ে নাও ! মক্কা
বিজয়ের সময় এলে বনু সুলায়মের সাতশ সৈনিকের দল এসে কৃদায়দ এ রড়াসৃলুল্লাহ্ (সা)-
এর সাথে মিলিত হল ৷ কারো কারো মতে, তাদের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৷ আব্বাস ইবনুল
মিবদাস (বা) এর ন্যায় খ্যাতিমান ব্যক্তি ছাড়াও এ দলে ছিলেন গোত্রের শীর্ষস্থানীয় আরো
অনেকে ৷ র্তারড়া ইসলাম গ্রহণ করে আবেদন জানালেন যে, আমাদের আপনার “ড্ডাবর্তী”
বাহিনীতে স্থান দিন, আমাদের লাল বর্ণের পতাকা দিন এবং ঘুকাদ্দিমান (এগিয়ে চল)
শব্দকে আমাদের বাহিনী সংকেত’ নির্ধারিত করুন ৷ নবী কবীম (সা) র্তাদের আবেদন মঞ্জুর
করলেন ৷ র্তাবা মক্কা বিজয় ও তাইফ-হুনড়ায়ন অভিযানে তার সাথে অংশ গ্রহণ করেন ৷ এ
দলের তশ্যেতম সদস্য বাশিদ ইবন আবৃদ রাব্বিহী আস-সুলামী (বা) একটি বিশেষ মুর্তির (গৃহ
দেবতা) পুজা করতেন ৷ একদিন তিনি দেখলেন, দুটি শেয়াল তার পুজনীয় দেবতার পায়ে
পেশার করছে ৷ এ ঘটনা তীর চোখ খুলে দিলো ৷ তখন তিনি বলে উঠলেনষ্

শেয়াল জুটি পেশার করে বার মাথায় পরে; সে আবার কেমন থােদা রে ! শেয়ড়াল যাতে
পেশার করে ঠায় বিনাশ তার তার ৷ ’ এ ঘটনার পর তিনি মুর্তিটি ভেঙ্গে ফেললেন এবং
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দরবারে এসে মুসলমান হয়ে পেলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না) তাকে বললেন,
তোমড়ার নাম কি ? তিনি বললেন, পাবী ইবন আবদুল উঘৃয৷ ৷ উবৃযা
দেবীর দাসের পৃএ বিভ্রান্ত’ ৷ নবী কবীম (সা) বললেন, (না) বরং তোমার নাম হবে রাশিদ
ইবন আবৃদ বাব্বিহী ৷ প্ৰতিপালকের বান্দার পুত্র রাশিদ পথের দিশাপ্রাপ্ত ৷ রাসুলুল্লাহ্ তাকে
রিহড়াত নামক স্থানটি জায়গীররৰুপে দিলেন, যেখানে একটি প্ৰবাহমান ঝর্ণাবাবা ছিল; যেটি
পরে আয়নুর রাসুল বা রাসুলের ঝর্ণা নামে অভিহিত হয় ৷ (বংনািকারী বলেন) বাশিদ ছিলেন

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.