একজন শায়েখ তার খাদেমকে জিজ্ঞাসা করল,,

একজন শায়েখ তার খাদেমকে জিজ্ঞাসা করল,, বলতো, এগার থেকে আট বিয়োগ করলে ( বাদ দিলে ) কত থাকে ?
খাদেম অকপটে বলে ফেলল,, এক থাকে।
শায়েখ বলল,, আরে গাধাঁ কোথাকার, এই সাধারন হিসাবটাও জান না ?
খাদেম বলল,, আমি আগের হিসাবে বলি নি।আমরা ছোটবেলায় যে নিয়মে অংক করেছি সে নিয়মে তিন থাকে। কিন্তু বর্তমানের নিয়মে এক থাকে। তাও আপনাদের নিয়মে।আমি আপনার অন্ধ অনুসারী হওয়ার কারনে কোন প্রশ্ন করি নাই।
শায়েখ বলল,, আমাদের নিয়মে মানে ?
খাদেম বলল,, আপনি বিভিন্ন ওয়াজে একটা হাদিছ বর্ননা করে থাকেন।হাদিছটা হল রাসুল সঃ এর রাত্রের নামাজ ছিল এগার রাকাত।( আল্লাহর রাসুল ) সারা বৎসরই এগার রাকাত নামাজ পড়তেন।আপনি সেই হাদিছকে তারাবিতে লাগাইয়া দিলেন। তারাবী নাকি আট রাকাত আর বাকি তিন রাকাত বেতের নামাজ।আবার যখন বেতেরের নামাজের ওয়াজ করেন তখন বলেন বেতের নামাজ এক রাকাত।আবার আপনি নিজেও এক রাকাত বেতের পড়েন।আমি নিজেও আপনার দেখাদেখি এক রাকাত পড়ে আল্লাহর কাছে বলি, যদি বেতের তিন রাকাতই হয়ে থাকে তাহলে যেন আপনার কবুল নামাজ থেকে দুই রাকাত আমার আমলনামায় জমা করে পুরা বেতেরের ছওয়াব দিয়া দেয়। কারন আমি যে আপনার একনিষ্ট অনুসারী।আর সেই কারনেই মনে করে নিয়াছি যে, একের ভিতনেই তিন আছে।যেমন বর্তমানে বিভিন্ন পন্যের প্যাকেটের গায়ে লিখা থাকে একের ভিতর তিন।এইজন্যই বলেছি এগার থেকে আট বিয়োগ করলে এক থাকে।আমি একজন অলস মানুষ হিসাবে আরো একটা মাসআলার আশায় রয়েছি যে, কখন আমার শায়েখ একের ভিতর চারের ব্যবস্থা করবেন। তাহলে দুই রাকাত তারাবিহ পড়লেই আট রাকাত হয়ে যাবে।
শায়েখ বলল,, তোমাকে তো আমি সরল মনে করতাম।কিন্তু তুমি দেখছি তলে তলে অনেক চালাক।যাক চালাক থাকা ভাল। তবে এইসব কথাবার্তা বাইরে কারো কাছে বলার দরকার নাই। আমি একটা মিশন নিয়া কাজ করতেছি।কাজেই অন্যদিকে তাকানোর সুযোগ নাই।
খাদেম বলল,, আপনার মিশনের খবরও আমি জানি।আপনি যে মোবাইলে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কথাবার্তা বলেন তাহা থেকেই বুঝতে পেরেছি।
শায়েখ বলল,, খবরদার, যদি কিছু বুঝেই থাক তাহলে চুপ থাক।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♣♣♣♣♣
কুলুর বলদের চোখ বাধাঁ থাকার কারনে কিছুই দেখতে পায় না।
শায়েখদের অনুসারীরাও অন্ধ বিশ্বাসের দরুন হক বুঝে না।

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest