Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

একটি দুর্লভ তথ্য : রাসূলুল্লাহ (সা) নিজের সাথে করে যমযমের বিন্দু পানি নিয়ে গিয়েছিলেন

একটি দুর্লভ তথ্য : রাসূলুল্লাহ (সা) নিজের সাথে করে যমযমের বিন্দু পানি নিয়ে গিয়েছিলেন

করীম (না)-এর মক্কার দিকে উতরাই পথে অবতরণ কালে, কিৎবা আইশা (রা)-এর অবতরণ
কালে এবং নবী করীম (না)-এর চড়াই অতিক্রম কালে তার সাথে আইশা (রা)-এর সাক্ষাত
হয়েছিল ৷ এখন ইবন হাঘৃম (র) এর দাবী হল এটা সন্দেহাতীত যে, আইশা (রা) মক্কা হতে
চড়াই পথে উঠে আসছিলেন এবং নবী করীম (না) অবতরণ করছিলেন ৷

কেননা, আইশা (রা) উমরার জন্য চলে গেলে নবী করীম (না) তার ফিরে আসা পর্যন্ত তার
জন্য প্রভীক্ষ৷ করতে থাকলেন ৷ তারপর নবী কৰীম (না) বিদায়ী তাওয়াফ সম্পাদনের উদ্যোগ
নিলে মক্কা হতে তার (আইশা ৷র) মুহাসৃসাব ফিরে আসা র সময় তার সাথে নবী করীম (সা) এর
সাক্ষাত হয়েছিল ৷ ণ্

বুখারী (র) এর অনুচ্ছেদ শিরােনাম৪ মক্কা হতে প্রত্যাব্র্তন্ কালে
ৰু তুওয়ায়’ অবতরণক৷ রীদের প্রসংগ্

মুহাম্মদ ইবন ঈসা (র) বলেছেন, হাম্মাদ ইবন যায়দ (র) ইবন উমর (রা) সর্ম্পকে এ মর্মে
বর্ণনা করেন যে, তিনি (মক্কায়) আগমন কালে য়ু-তুওয়ায় রাত কাটাতেন এবং সকাল হলে
(মক্কায়) প্রবেশ করতেন এবং প্রত্যাগমন কালেও যু-তুওয়ায় অবতরণ করে সেখানে সকাল
পর্যন্ত অবস্থান করতেন এবং উল্লেখ করতেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) অনুরুপ করতেন ৷ বুখারী
(র) হাদীসটি এভাবেই সনদ বিহীন (তালীক) রুপে নিশ্চয়তা সুচক ভায্যে উল্লেখ করেছেন ৷
আবার বুখাবী ও মুসলিম (র) হাম্মাদ ইবন ষায়দ (র)-এর বরাতে মুসনাদ (সনদ যুক্ত) রুপেও
উল্লেখ করেছেন ৷ তবে তাতে প্রত্যাবর্তন কালে য়ু-তুওয়ায় রাত যাপনের কথা উল্লিখিত হয়
নি ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

একটি দুর্লভ তথ্য ও রাসুলুল্পাহ্ (না) নিজের সাথে করে
যমৃযমের বিন্দু পানি নিয়ে গিয়েছিলেন

হাফিজ আবু ঈসা তিরমিঘী (র) বলেন, আবু কুরায়ব (র) অ ৷ইশা (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা
করেন যে, তিনি নিজের সং গে যমৃযমের পানি বহন করে নিয়ে যেতেন ৷ এ তথ্যও জানাতেন
যে, রড়াসুলুল্লাহ (না) নিজেও তা বহন করে নিতেন” ৷ এরপর তিরমিঘী (র) মন্তব্য করেছেন,
এটি একটি হাসান গারীব একক সুত্রীয় উত্তম হাদীস; এ সুত্র ভিন্ন অন্য কোন সুত্রে আমরা
এর পরিচিতি লাভ করি নি ৷

বুখারী (র) আ ৷রো বলেন, মুহাম্মদ ইবন যুক৷ ৷তিল (র) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) হতে এ
মর্মে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) যখন কোন গাঘৃওয়৷ (সমরাভিযান), হজ্জ কিং বা উমরা
থেকে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন প্রথমে তিনবার তাক্বীর (আল্লা হু আকবার) ধ্বনি উচ্চারণ
করতেন, এরপর বলতেন-

“এক আল্লাহ ব্যতীত আর কো ন ইলাহ্ নেই, র্তা ৷র কো ন শ্ ৷রীক যেই, রাজতু ত ৷রই, হায্দ

তারই ৷ তিনি, সব কিছুতে ক্ষমতাবান ৷ (আমরা) প্রভ্যা বক্তাকা ৷রী, প্রত্যাধাবন (তাওবা) কারী,

ইবাদতকারী, সিজদাকারী এবং আমাদের প্রতিপালকের হাম্দ আদায়কারী ৷ আল্লাহ্ তার
ওয়াদা-অংগীকার বাস্তবায়িত করেছেন ৷ তার বান্দাকে (রাসুলকে) সাহায্য করেছেন এবং
একাকী সব দলবলকে পরাস্ত করেছেন’ ৷’ এ সম্পর্কিত হাদীসের স০ খ্যা বিপুল ৷ আ ৷ল্লাহ্রই
জন্য হামদ এবং র্তারই অনুকম্পা ৷

বিদায় হজ্জ থেকে প্রত্যাবর্তা কালে মক্কা-মদীনার মধ্যবর্তী জুহ্ফার
কাছাকাছি গাদীরে থুমে নবী করীম (সা) এর

ভাষণ সম্পর্কিত হাদীসের আলোচনা-

উল্লিখিত তা ৷ষণে তিনি আলী (রা) ইবন আবু তালিরের মাহা ত্ম্য, গ্রেষ্ঠব্তুর বিবরণ দেন
এবং তার সম্পর্কে ইয়ামানে তা ৷র সহকর্মী সহযোদ্ধাদের কারো করো সমলোচনার জবাবে
আলী (রা) এর নির্দোষিতা ও সাফাই বর্ণনা করেন ৷ তাদের বিরুপ সমালোচনার কারণ ছিল
সংগীদের সাথে আলী (না)-এর কিছু সংগত আচরণ যা তাদের কারো কারো দৃষ্টিতে পীড়ন,
সংকীর্ণতা ও অহেতুক কাগর্ণা রুপে প্রতিভাত হয়েছিল ৷ অথচ সে ক্ষেত্রে তার পদক্ষেপ ছিল
যথার্থ ৷ বিষয়টির গুরুত্বের প্ৰতি লক্ষ্য রেখে নবী কবীম (সা) হজ্জ উমরার বিধি বিমানের
বিবরণ দেয়ার পরে তার মদীনায় প্রত্যাবর্তন কালে পথিমধ্যে তিনি বিষয়টির নিস্পত্তি ঘটাতে
চাইলেন ৷ সে উদ্দেশ্যে তিনি ঐ বছরের যিলহজ্জ মাসের আঠার তারিখ রোববার খুম্ম
জলাধারের পাড়ে একটি বড় গাছের তলায় একটি গুরুত্পুর্ণ ভাষণ দিলেন ৷ এ ভাষণে তিনি
আনুযাৎগিক অনেক বিষয়ের সাথে আলী (র)-এর মাহাত্মব্র, তার বিশ্বস্ততা ও ন্যায়পয়াণতা
এবং নবী করীম (না)-এর সাথে তার ভৈনকট্য সান্নিধ্যের এমন হৃদয়গাহী বিবরণ দেন যা আলী
(বা) সম্পর্কে অনেক মানুষের মনের দ্বেষ, অসষ্প্রীতি ও বিরক্তি তার বিদুরীত করে দেয় ৷ এ
অনুচ্ছেদে আমরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিবৃত হাদীস সমষ্টি উপস্থাপন করে সেগুলির মাঝে সরল ও
দুর্বল এবং গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাখাত হওয়ার ব্যবধান রেখা অৎ কনের প্রয়াস পাব, আল্লাহ্র
সাহায্যে নিয়ে ৷ সংশ্লিষ্ট বিষয়টিতে রিওয়ায়াতের স০ খ্যা বিশা ৷৷ল ৷ ত ৷ই বিশ্ব-বিশ্রুত ইতিহাসবিদ
ও ঘুফাস্সির ইমাম আবু জা ফর মুহাম্মদ ইবন জারীর আত্-ত৷ ৷বারী (র) সংশ্লিষ্ট বিষয়ের
হাদীসসমুহ আহরণে সর্বাত্মক সাধনা নিয়োগ করে সে সব হাদীসের ভাষ্য ও মুল পাঠ এবং
সনদের সুত্রসমুহে দুইটি খণ্ডে সংকলিত করেছেন ৷ তার যুগের গ্রন্থকার স০ কলকদের সংকলন ,
ক্ষেত্রে অনুসৃত নীতি পন্থা ছিল স০ শ্রিষ্ট বিষয়ের ভ ৷ল মন্দ, প্রামাণ্য ও অপ্রামাণ্য সব কিছু
সংগৃহীত করা ৷ মনীষী তাবারী (র) এ পন্থার ব্যতিক্রম নন ৷ ত ৷ই তার সংগৃহীত ভাণ্ডা রেও
রয়েছে সরল দুর্বল এবং সমর্থিত অসমর্থিত তথ্যের মিশ্রণ ৷ অনুরুপ মহান হাফিজ আবুল

কাসিম ইবন আসাকির (র) ও এ ভাষণ সম্পর্কিত বহু স০ খ্যক হাদীস সং কলন করেছেন ৷
আমরা সেগুলির বৃহদাৎশও উদ্ধৃত করব এবং সেই সাথে আমরা এ কথাও প্রমাণ করব যে, ঐ
সব হাদীসে শীআ মহােদয়দের জন্য উদ্দীপ্ত হওয়ার কিংবা তাদের অনুকুলে প্রমাণ ও সমর্থন
যোপাবার কোন অবকাশ নেই ৷ এবারে আমরা আল্লাহ্র সাহায্যের ভরসায় শুরু করছি

১ তাফসীরে তাবারী ও তারীখে তাবারী প্ৰণেতা ৷ অনুবাদক

Leave a reply