রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

এ প্রসঙ্গে বারা ইবন আযিবের হাদীস

এ প্রসঙ্গে বারা ইবন আযিবের হাদীস

রিওয়ায়াত করেছেন ৷ কারো কারো মতে, শুবা থেকে ৷ তবে বিশুদ্ধ হল, সাঈদ, কাতাদা
থেকে, তিনি আনাস (রা) থেকে ৷ তিনি (জানান) বলেন, যাওরাতে অবস্থানকালে রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর কাছে একটি পানির পাত্র আনা হল ৷ তখন তিনি সালে তার হাত ধরে রাখলেন ৷
তখন তার আঙ্গুলসমুহের মধ্য থেকে পানি উৎসারিত হতে লাগল, তখন ণ্লাকেরা তা থেকে
উবু করল ৷ কাতদাে বলেন, আমি আনাস (রা)-ক্লে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের সংখ্যা কত
ছিল ? জবাবে তিনি বললেন, তিনশ বা তিনশৱ কাছাকাছি ৷ এই হাদীসের পাঠ বুখারীর ৷

এ প্রসঙ্গে বারা ইবন আযিবের হাদীস

বুখারী মালিক ইবন ইসমাঈল বারা ইবন আযিব সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন : হুদায়াবিয়ার দিন আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ ৷ আর হুদায়বিয়া একটি কুয়া,
আমরা (তা) এমনভাবে জলশুন্য করে ফেললাম যে, তাতে একযােটা পানিও অবশিষ্ট রইলো
না ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার পাড়ে বসে পানি আনালেন ৷ এরপর গড়পড়ার সাথে কুলি করে
সেই পানি কুয়াতে নিক্ষেপ করলেন ৷ অল্পক্ষণ পরেই আমরা সেই কুয়া থেকে পানি সংগ্রহ
করতে লাগলাম এভাবে আমরা পান করে তৃপ্ত হলাম এবং আমাদের বাহনসমুহও তৃপ্ত হল
অথবা ফিরে চলল ৷ এই বর্ণনাসুত্র ও পাঠ এককডাবে বুখারীর ৷

ৰারা ইবন আযিবেৱ অপর একটি হাদীস

ইমাম আহমদ, আফ্ফান ও হাশিম হযরত বারা (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন, কোন এক সফরে আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে ছিলাম ৷ তখন আমরা একটি
অল্প পানির (অগভীর) কুপে এসে উপনীত হলাম ৷ তিনি বলেন, তখন তাতে ছয় ব্যক্তি নামল,
আমি ছিলাম তাদের ষষ্ঠজন ৷ এরপর আমাদের কাছে একটি বালতি নামিয়ে দেয়া হল ৷ বারা
(রা) বলেন, এদিকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) কুয়াটির পাড়ে ৷ তখন আমরা তাতে বালতিটির অর্ধেক
অথবা দুই-তৃভীয়াংশ ডুবিয়ে পানি উঠালাম, তারপর তা টেনে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে
উঠানো হল ৷ বারা (রা) বলেন, এরপর আমি আমার পাত্রে গলা তিজানাে পরিমাণ পানি সঞ্চাহ
করতে চেষ্টা করলাম ৷ কিন্তু আমি তাও পেলাম না ৷ এরপর বালতিটি নবী করীম (না)-এর
কাছে উঠিয়ে আনলাম ৷ তিনি তাতে হাত ডুবিয়ে যা বলার বললেন, এবং বালতিতে যেটুকু
পানি ছিল তাসহ-ই তা আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হল ৷ বাবা (মা) বলেন, এরপর দেখলাম
আমাদের একজনকে তার জলমগ্ন হওয়ার আশংকায় কাপড় ঝুলিয়ে বের করে আনা হল ৷
এরপর কুয়া থেকে বিরামহীনভাবে পানি উৎসারিত হতে লাগল ৷ এটি ইমাম আহমদের একক
বর্ণনা ৷ এর সনদও বেশ ভাল ও সরল ৷ আর দৃশ্যত এটা হুদায়বিয়ার দিন ভিন্ন অন্য কোন
ঘটনা ৷ সঠিক বিষয় আল্লাহ্ই অধিক জানেন ৷

এ প্রসঙ্গে জাবির (রা)-এর বরাতে আরেকটি হাদীস

ইমাম আহমদ, সিনান ইবন হাতিম জাবির (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন, একবার রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাহাবীগণ তার কাছে পিপাসার অনুযােগ করলেন ৷
জাবির (রা) বলেন, তখন তিনি একটি বড় পেয়ালা আনালেন, এরপর তাতে সামান্য পানি

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.