Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

You must login to ask question.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

কাবলাল জুমআ চার রাকাত সুন্নত কি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত? যদি…

কাবলাল জুমআ চার রাকাত সুন্নত কি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত? যদি…
প্রশ্ন

কাবলাল জুমআ চার রাকাত সুন্নত কি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত? যদি প্রমাণিত হয় তাহলে এই সুন্নতের হুকুম কী? অনুগ্রহ করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর

জুমআর নামাযের আগে চার রাকাত নামায সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। হাদীস, আছার ও সাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা এটি প্রমাণিত।

হযরত আবু আইয়ুব আনসারী রা. বর্ণনা করেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য হেলে যাওয়ার পর চার রাকাত নামায পড়তেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এটা কিসের নামায, যা আপনি নিয়মিত পড়েন? তিনি বললেন, এটি এমন একটি সময়, যখন আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। আর আমি পছন্দ করি, যেন এ সময় আমার কোনো নেক আমল উপরে ওঠে। তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এর প্রতি রাকাতে কি সূরা মিলাতে হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, এই নামায কি এক সালামে না দুই সালামে? তিনি উত্তর দিলেন, এক সালামে। (তিরমিযী ১/৭৭; আবু দাউদ ১/১৮০)

ইমাম তিরমিযী রাহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। এই হাদীসে উক্ত চার রাকাত নামায নিয়মিত পড়ার কথা আছে। জুমআর দিনসহ সপ্তাহের সকল দিন এই হাদীসের আওতাভুক্ত।

অন্যত্র সহীহ সনদে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি জুমআর নামাযের আগে চার রাকাত নামায পড়তেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ৩/২৪৭; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ৪/১১৪)

এভাবে হযরত আবদুর রহমান আসসালামী রাহ. থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. আমাদেরকে জুমআর আগে চার রাকাত নামায পড়তে দিতেন। (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ৩/২৪৭; আলআওসাত ৪/১০৫)

আল্লামা যফর আহমদ উসমানী রাহ. ‘‘ইলাউস সুনানে’’ বলেছেন, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর অন্যদেরকে এই নামাযের আদেশ করা ও শিক্ষা দেওয়া প্রমাণ করে যে, এটি সাধারণ সুন্নত নয়; বরং সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। এজন্যই সাহাবায়ে কেরাম এর উপর নিয়মিত আমল করতেন। যেমন হযরত ইবরাহীম নাখাঈ রাহ. থেকে বর্ণিত আছে যে, সাহাবায়ে কেরাম জুমআর নামাযের আগে চার রাকাত নামায পড়তেন। (তহাবী ১/২৩৩; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ৪/১১৪; মুসনাদে আহমদ ৩/৪১১)

এছাড়া সুনানে ইবনে মাজায় হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. থেকে আরেকটি হাদীস বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমআর নামাযের আগে এক সালামে চার রাকাত নামায পড়তেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ পৃ. ৭৯)

এই বর্ণনার সনদে দুর্বলতা থাকলেও এর বক্তব্য পূর্বে বর্ণিত সহীহ রেওয়ায়েতগুলোর দ্বারা সমর্থিত।

এ সকল হাদীস ও আছার দ্বারা প্রমাণ হয় যে, অন্যান্য দিনের যোহরের নামাযের মতো জুমআর নামাযের আগেও চার রাকাত নামায রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম আদায় করতেন। এ সকল দলিলের ভিত্তিতেই ফকীহগণ এ নামাযকে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ বলেছেন।

তিরমিযী ১/৭৭; মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ৩/৩৪৭; সুনানে ইবনে মাজাহ ১/৪৩০; ইলাউস সুনান ৭/১২; আদ্দুররুল মুখতার ২/১২; নসবুর রায়াহ ২/২০৬; ফাতহুল কাদীর ২/৩৯

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.