Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

You must login to ask question.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

ক) এক মহিলার ছেলের নামে মামলা হয়েছে। আদালত ঘোষণা করেছে,…

ক) এক মহিলার ছেলের নামে মামলা হয়েছে। আদালত ঘোষণা করেছে,…
প্রশ্ন

ক) এক মহিলার ছেলের নামে মামলা হয়েছে। আদালত ঘোষণা করেছে, মঙ্গলবার এ মামলার ফয়সালা হবে। এ কথা শুনে মহিলা মান্নত করেছে যে, যদি তার ছেলের পক্ষে ফয়সালা হয় তাহলে তিনি সারা জীবন প্রতি মঙ্গলবার রোযা রাখবেন। মঙ্গলবার দিন আদালত তার ছেলের পক্ষেই ফয়সালা দিয়েছে। এখন কি সারা জীবন প্রতি মঙ্গলবার তাকে রোযা রাখতে হবে?

খ) কসম ভঙ্গের কারণে আমার উপর একটি কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে। আমরা জানি, দশজন মিসকীনের প্রত্যেককে এক সদকাতুল ফিতর পরিমাণ গম বা এর মূল্য দিলে কাফফারা আদায় হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমার জানার বিষয় হল, আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব প্রতি জুমআয় মসজিদের জেনারেটরের তেলের জন্য টাকা তোলেন। কাফফারার টাকা গরীবকে না দিয়ে জেনারেটরের তেলের জন্য দিয়ে দিলে আমার কাফফারা আদায় হবে কি?

উত্তর

ক) হ্যাঁ, ঐ মহিলাকে সারা জীবন মঙ্গলবার দিন রোযা রাখতে হবে। ওজরের কারণে কোনো মঙ্গলবার রোযা রাখতে না পারলে অন্যদিন তা কাযা করতে হবে। আর ভবিষ্যতে বার্ধক্য বা অসুস্থতার কারণে রোযা রাখা সম্ভব না হলে প্রতি মঙ্গলবারের রোযার পরিবর্তে ফিদয়া দিতে হবে।-খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৬২; আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৩৭৫; আলবাহরুর রায়েক ২/২৯৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৯

খ) মসজিদে দান করা অনেক সওয়াবের কাজ। তবে এতে কাফফারা আদায় হবে না। তা নফল সদকা বলেই গণ্য হবে। কেননা, কাফফারা আদায়ের জন্য শর্ত হল, দশজন গরীবের প্রত্যেককে নির্ধারিত সম্পদের মালিক বানিয়ে দেওয়া। অর্থাৎ দশজন মিসকীনের প্রত্যেককে দুই বেলা পরিতৃপ্ত হয়ে খাবার খাওয়ানো বা এর মূল্য দিয়ে দেওয়া। কিংবা প্রত্যেককে জোড়া করে কাপড় দেওয়া অথবা একটি গোলাম আযাদ করা।

কুরআন মজীদে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, (তরজমা) কসমের কাফফারা হল দশজন মিসকীনকে মধ্যম ধরনের খাবার দিবে। যা তোমরা তোমাদের পরিবারবর্গকে খাইয়ে থাক। অথবা তাদেরকে বস্ত্র দান করবে কিংবা একজন গোলাম আযাদ করবে। তরে কারো কাছে যদি (এসব জিনিসের মধ্য হতে) কিছুই না থাকে তবে সে তিন দিন রোযা রাখবে।-সূরা মায়েদা : ৮৯; কিতাবুল আছল, ইমাম মুহাম্মাদ ৪/২২০; আলমাবসূত, সারাখসী ৮/১৫৪; রদ্দুল মুহতার ২/৩৩৯

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.