রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

ক) তিওয়ালে মুফাসসাল, আওসাতে মুফাসসাল ও কিসারে মুফাসসাল দ্বারা কি…

ক) তিওয়ালে মুফাসসাল, আওসাতে মুফাসসাল ও কিসারে মুফাসসাল দ্বারা কি…
প্রশ্ন

ক) তিওয়ালে মুফাসসাল, আওসাতে মুফাসসাল ও কিসারে মুফাসসাল দ্বারা কি কিরাতের পরিমাণ বোঝানো হয়েছে নাকি পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে এই সূরাগুলি পাঠ করা সুন্নত বোঝানো হয়েছে। একজন মুফতী সাহেব বলেছেন, এই সূরাগুলি পাঠ করা সুন্নত, একথা বোঝানো হয়নি; বরং কিরাতের পরিমাণ বোঝানো হয়েছে।

খ) কোনো প্রতিষ্ঠানে যদি দুই হাজার ভর্তি-ফরম বিক্রি হয়, আর প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্য হয় যে, তারা ৯০/১০০ ছাত্র ভর্তি করবেন। তাহলে দুই হাজার ফরম বিক্রি করা জায়েয হবে কি? আর প্রতিটি ফরম কি ১০০ টাকা করে বিক্রি করা জায়েয হবে ?

উত্তর

ক) ফজর ও যোহর নামাযে তিওয়ালে মুফাসসাল (অর্থাৎ সূরা হুজুরাত থেকে সূরা বুরুজ পর্যন্ত), আছর ও ইশাতে আওসাতে মুফাসসাল (অর্থাৎ সূরা বুরুজ থেকে সূরা লাম ইয়াকুন পর্যন্ত), আর মাগরিবে কিসারে মুফাসসাল (অর্থাৎ সূরা লাম ইয়াকুন থেকে সূরা নাস পর্যন্ত) অংশ থেকে পড়া সুন্নত। মাসনুন কেরাত বলতে মুফাসসালাতের নির্ধারিত এই সূরাসমূহ এবং এর পরিমাণ দুটোই উদ্দেশ্য। তাই মাসনুন কেরাত অনুসরণ করতে হলে অধিকাংশ সময় মুফাসসালাতের সূরাগুলো থেকে পূর্ণ সূরা পড়া উচিত। তবে কখনো ঐ পরিমাণকে ঠিক রেখে কুরআন মজীদের অন্য স্থান থেকে কিরাত পড়লেও তা অনুত্তম বা সুন্নত পরিপন্থী বলা যাবে না। কারণ রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম থেকেও মাঝে মধ্যে মুফাসসালাতের বাইরে থেকে পড়া প্রমাণিত আছে। তবে অধিকাংশ সময় মুফাসসালাত থেকেই পড়া সুন্নত। সুতরাং মুফাসসালাত বলতে শুধু পরিমাণ বোঝানা হয়েছে, নির্দিষ্ট সূরা থেকে পড়া বোঝানো হয়নি-প্রশ্নের এ কথা ঠিক নয়। এছাড়া মুফাসসালাতের সূরা ও পরিমাণ কোনোটি ঠিক না রেখে কিরাত পড়লে সে নামাযও আদায় হয়ে যাবে।

-জামে তিরমিযী ১/৪১; ইলাউস সুনান ৪/৩২; আসসিআয়া ২/১৮৬; রদ্দুল মুহতার ১/৫৪০-৪১

খ) যদি ভর্তির আবেদরকারী বেশি হয় এবং তাদের সকলকে ভর্তি ফরম দেওয়ার উদ্দেশ্য এই হয়ে থাকে যে, তাদের থেকে যাচাই করে নির্দিষ্ট সংখ্যক ছাত্র ভর্তি করা হবে তবে যতজন ছাত্র ভর্তি করা হবে এর চেয়ে বেশি ফরম বিতরণ ও বিক্রি জায়েয। কারণ এক্ষেত্রে ফরম দেওয়ার অর্থ হয় ফরম-গ্রহিতাকে ভর্তির জন্য যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া। কিন্তু উপরোক্ত উদ্দেশ্য ছাড়া নিছক অর্থ লাভের জন্য ফরম বিক্রি করা জায়েয হবে না। আর ফরমের মূল্য হতে হবে এ সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক খরচাদির সাথে সামঞ্জস্য রেখে।

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.