রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

চরমোনাইর পীর সাহেবের একটি বয়ান নিয়ে চরমপন্থী লা মাজহাবীরা সমালোচনার একটি নতুন ইস্যু বের করেছে।

চরমোনাইর পীর সাহেবের একটি বয়ান নিয়ে চরমপন্থী লা মাজহাবীরা সমালোচনার একটি নতুন ইস্যু বের করেছে।

 

পীর সাহেব তার বয়ানে কিয়ামতের দিন বুজুর্গদের জাহাজের কথা উল্লেখ করে বলেছেন আমরা যদি সেই জাহাজে উঠতে পারি তাহলে আমরাও তাদের সাথে জান্নাতে যেতে পারব ইনশাআল্লাহ।
আমরা তাদের অনুসারী বিধায় আমরা এই আশা করতে পারি।

এখন আমরা খুজে দেখব কিয়ামতের দিন কোন জাহাজ পাওয়া যায় কিনা?
অতঃপর আমরা দেখলাম, আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনের সূরা মারইয়ামের ৮৫ নং আয়াতে বলেছেন,
ﻳﻮﻡ ﻧﺤﺸﺮ ﺍﻟﻤﺘﻘﻴﻦ ﺇﻟﻲ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﻭﻓﺪﺍ
“কিয়ামতের দিন মুত্তাকীদের অতিথী রুপে আনা হবে”
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় নবী করীম (স.) এবং সাহাবায়ে কেরাম (রাদি.) কি কি বলেছেন, সেগুলো ইবনে কাসীর (রহ.) তার কিতাব তাফসীরে ইবনে কাসীরে উল্লেখ করেছেন।

কিয়ামতের ময়দানে জান্নাতিদের হাটিয়ে আনা হবেনা বরং তাদেরকে বাহনে করে আনা হবে। কারণ তারা মেহমান। আর মেহমানকে হাটিয়ে আনা হয়না। তাদের জন্য থাকবে সাদা উট। যার পিঠে থাকবে স্বর্ণের কাজোয়া এবং সেগুলোর ডানাও থাকবে। তাদের জুতার ফিতাগুলো জ্বলজ্বল করতে থাকবে।

(মুসনাদে আহমাদ, মুআত্তায়ে মালেক)

আর আরবেরর লোকেরা উটকে মরুর জাহাজ বলে। সে হিসাবে কিয়ামতের ময়দানের জাহাজের সন্ধান পাওয়া গেল!
এবার দেখি একজনের জাহাজে অন্যদের নেওয়া যায় কিনা?
পবিত্র কুরআনের সুরা যুমারের ৭৩ নং আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন, –
ﻭﺳﻴﻖ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﺍﺗﻘﻮﺍ ﺭﺑﻬﻢ ﺇﻟﻲ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﺯﻣﺮﺍ
“যারা তাদের রবকে ভয় করেছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন জান্নাতের দিকে হাকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে”

এই আয়াতের ব্যখ্যায় ইবনে কাসীর (রহ.) লিখেছেন যে, জান্নাতিদেরকে যখন বলা হবে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর, তখন তারা বলবে হে আল্লাহ! আমরা আমাদের বন্ধুদের না নিয়ে যাবনা। তখন আল্লাহপাক তাদেরকে তাদরে বন্ধুদের নিয়ে জন্নাতে যাওয়ার অনুমতি দিবেন….
এখন আপনারা হয়ত তো বলবেন যে, চরমোনাই, গঙ্গুহী ও আরো কিছুর বুজুর্গের যেই জাহাজের কথা বলা হয়েছে তা কই পাইলেন?
তখন আমরা বলব, জান্নাতের নিয়ামতগুলো তাহলে কাদের জন্য ফেরআউন হামান করূণের জন্য???

বুখারী শরীফের হাদীসে আছে,
ﺑﺎﺏ ﺍﻟﺮﺟﺎﺀ ﻣﻊ ﺍﻟﺨﻮﻑ ﻭﻗﺎﻝ ﺳﻔﻴﺎﻥ ﻣﺎ ﻓﻲ ﺍﻟﻘﺮﺁﻥ ﺁﻳﺔ ﺃﺷﺪ ﻋﻠﻲ ﻣﻦ ﻟﺴﺘﻢ ﻋﻠﻰ ﺷﻲﺀ ﺣﺘﻰ ﺗﻘﻴﻤﻮﺍ ﺍﻟﺘﻮﺭﺍﺓ ﻭﺍﻹﻧﺠﻴﻞ ﻭﻣﺎ ﺃﻧﺰﻝ ﺇﻟﻴﻜﻢ ﻣﻦ ﺭﺑﻜﻢ
6104 ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻗﺘﻴﺒﺔ ﺑﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻳﻌﻘﻮﺏ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﻋﻦ ﻋﻤﺮﻭ ﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﻋﻤﺮﻭ ﻋﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﺳﻌﻴﺪ ﺍﻟﻤﻘﺒﺮﻱ ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﺳﻤﻌﺖ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﻘﻮﻝ ﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﺮﺣﻤﺔ ﻳﻮﻡ ﺧﻠﻘﻬﺎ ﻣﺎﺋﺔ ﺭﺣﻤﺔ ﻓﺄﻣﺴﻚ ﻋﻨﺪﻩ ﺗﺴﻌﺎ ﻭﺗﺴﻌﻴﻦ ﺭﺣﻤﺔ ﻭﺃﺭﺳﻞ ﻓﻲ ﺧﻠﻘﻪ ﻛﻠﻬﻢ ﺭﺣﻤﺔ ﻭﺍﺣﺪﺓ ﻓﻠﻮ ﻳﻌﻠﻢ ﺍﻟﻜﺎﻓﺮ ﺑﻜﻞ ﺍﻟﺬﻱ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﺣﻤﺔ ﻟﻢ ﻳﻴﺌﺲ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﻭﻟﻮ ﻳﻌﻠﻢ ﺍﻟﻤﺆﻣﻦ ﺑﻜﻞ ﺍﻟﺬﻱ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﻌﺬﺍﺏ ﻟﻢ ﻳﺄﻣﻦ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ
“ইমান হলো ভয় ও আশার মাঝে নিহিত” (বুখারী ৬১০৪)
তাহলে চরমোনাই ওয়ালারা কুরআন সুন্নাহ মুতাবেক তাদের আধ্যাতিক শাইখের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমল করে শাইখের জাহাজে করে জান্নাতে যাওয়ার আশা করলে সমস্যা কোথায়??????

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.