রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

জনাব, নিলিখিত মাসআলার শরয়ী ফায়সালা দানকরে বাধিত করিবেন।ক. আমার ব্যবসা…

জনাব, নিলিখিত মাসআলার শরয়ী ফায়সালা দানকরে বাধিত করিবেন।ক. আমার ব্যবসা…
প্রশ্ন

জনাব, নি লিখিত মাসআলার শরয়ী ফায়সালা দানকরে বাধিত করিবেন।

ক. আমার ব্যবসা থেকে খরচাদি বাদে উদ্বৃত্ত টাকা জমা করা হয় পরবর্তীতে বড় কোন একটি বিনিয়োগের জন্য। অর্থাৎ ব্যবসায়িক কাজে অথবা কোনো বাড়ি করার জন্য। বিনিয়োগের সুযোগ আসার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা আমি আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে এফডিআর করে রাখি। যা ২/১ বছর পর ভাঙ্গিয়ে মূল টাকা বিনিয়োগ করি এবং ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় মুনাফার টাকা আলাদা একটি একাউন্টে রেখে দেই, যা গরীবদের মধ্যে প্রয়োজনমত বিতরণ করা হয়। এবং অতীতে এ ধরনের টাকা দিয়ে জনকল্যাণার্থে রাস্তা তৈরিতে এবং পাবলিক টয়লেট তৈরিতে খরচ করা হয়েছে।

খ. এ ছাড়া সরকারী’ আধা-সরকারী সংস্থার সাথে ব্যবসা করতে হলে এবং কোনো লাইসেন্স নিতে হলে সেখানেও কিছু টাকা জামানত অত্যাবশ্যক হয়। উক্ত জামানতের নগদ অর্থ না দিয়ে এফডিআর আকারে জমা করা হয় এবং মেয়াদান্তে তাতেও কিছু টাকা মুনাফা আসে যা (ক) এর পদ্ধতিতে খরচ করি।

আমার এই পদ্ধতি ঠিক আছে কি না? যদি সহীহ না হয় তাহলে অন্য কোনো সহীহ পথ আছে কি না?

উল্লেখ থাকে যে, উক্ত (ক) এবং (খ) -এ বর্ণিত এফ ডি আর ভাঙ্গানোর আগ পর্যন্ত উক্ত টাকার নিয়মিত যাকাত দিয়ে থাকি।

প্রকাশ থাকে যে, আমি নিজে ব্যবসায়িক অথবা কোন বিনিয়োগের কাজে ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করি না।

উত্তর

(ক, খ) ব্যাংকে জমাকৃত টাকার মালিক আপনি নিজে। সুতরাং পুনরায় বিনিয়োগ করা বা নিজ প্রয়োজনে খরচ করা ঠিক আছে। আর ব্যাংক থেকে প্রদত্ত টাকা গরিব-মিসকিনের হক। তাদেরকে দিয়ে দেওয়াই কর্তব্য। সুতরাং এ টাকা গরিব-মিসকিনকে মালিক বানিয়ে দেওয়া যেতে পারে কিংবা তাদের পেছনে ব্যয় করা বা এমন খাতেও দেওয়া যেতে পারে যার ভোক্তা বা ব্যবহারকারী শুধুই গরিবরা।

তবে কিছু ওলামায়ে কেরাম যেহেতু এ ধরনের টাকা জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে খরচ করারও অনুমতি দিয়ে থাকেন, এ হিসেবে অতীতে এ টাকা দিয়ে রাস্তা তৈরি করা বা বাথরুম বানিয়ে দেয়ার দ্বারাও আপনি দায়িত্বমুক্ত হয়ে গেছেন।

অবশ্য এগুলোর ব্যবহারকারী যেহেতু শুধু গরিবরা নয় তাই সামনে থেকে এ টাকা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় না করে গরিবদেরকেই মালিক বানিয়ে দিতে হবে। এফডিআর করলেও জমার উপর বছরান্তে যাকাত দিতে হয়। -তাবয়ীনুল হাকায়েক ৪/১৭০; ইমদাদুল আহকাম ৩/৪৭; কেফায়াতুল মুফতী ১০/২৪৮

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.