জারীর ইবন আবদুল্লাহ আল-বাজালী (রা) এর আগমন ও তার ইসলাম গ্রহণ প্রসঙ্গ

কার্যকরী হলো ৷ তিনি দৃআ করেছিলেন, ইয়া আল্লাহ! তাকে স্থিরতা দান করুন এবং তাকে
হিদায়াতপ্রাও ও পথ প্রদর্শক করুন! ফলে এরপরে তিনি আর কখনো ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে
যান নি ৷ তিনি তার কওমের দেড়শ’ দৃর্ধর্ষ আহমাসা নিয়ে যুল খালাসা অভিযানে রওনা হয়ে
গেলেন এবং উপাসনালয়টি ধ্বংস করে তা পুড়িয়ে দিমােন ৷ তার ও পা ণ্ষ্ধু১ প দেখলে মনে হত
যেন পড়াচড়ার দপদগে য়া ভরা উট ৷ অভিযান শেরে আবীর (রা) আবু আরবাত নামের এক
দ্রুতপামী সাওয়ারকে এই সুসংবাদের বর্তোবাহীরুপে নবী কবীম (সা) এর কাছে পাঠালেন ৷
বিজয়ের সৃসংবব্বদ শুনে নবী কবীম (সা) আহমব্বস’ সােড় সাওয়ড়ার ও পদাতিকদের জন্য পাচ
পড়াচবড়ার বরকতের দুআ করলেন ৷ হড়াদীসখানি বুখাবী-মুসলিম ও অন্যান্য গ্রন্থে বিনদতাবে
বর্ণিত হয়েছে ৷ মক্কা বিজয় প্রসঙ্গে খালিদ ইবনুল ওলীদ (রড়া)-এর হাতে বড়ায়তুল উবযা’ ধ্বংস
হওয়ার আলোচনার পরে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে আমরা এ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করে
এসেছি ৷ বাহ্যত জড়াবীর (রা) এর ইসলাম গ্রহণের সময়টি ছিল মক্কা বিজয়ের বেশ পরে ৷

কারণ, ইমাম আহমদ (র) বলেছেন, হিশাম ইরনুল কাসিম (র) জাবীর ইবন আবদুল্লাহ
আল-বড়াজালী (র) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আমি মুসলমান হয়েছিলাম সুরা মইিদা নাযিল
হওয়ার পরে ৷ আমি মুসলমান হওয়ার পরে রত্বসুলুল্লাহ্ (না)-কে উযুতে পা ধোয়ার পরিবর্তে
মােজার উপরে মড়াসেহ করতে দেখেছি ৷ আহমদ (র) একাকী এ রিওয়ায়াত উল্লেখ করেছেন এবং
এর সনদ রেশ উত্তম, যদি না মধ্যবর্তী রড়াবী মুজাহিদ (র) ও আবীর (রড়া)এর মাঝে সংযোগ-
ছিন্নতা থেকে থাকে ৷ এছাড়া বুখাবী-মুসলিমে উল্লিখিত হয়েছে যে, আবদুল্লাহ ইবন নাসউদ (রা)
এর শাগিরদগণ সোজা মাসেহ সম্পর্কিত জারীর (রড়া)এর হাদীসে আনপাপ্লুত হওেন ৷ এ কারণে
যে, আবীর (রা) সুরা মাইদা নাযিল হওয়ার পরে ম্সলমান হয়েছিলেন ৷২

বিদায় হজ্যের আলোচনায় বিবৃত হয়ে যে , রাসুলুল্লাহ্ (সা) জাবীর (রা) কে বলেছিলেন,
“আবীর ! লোকদের আওয়াজ থামিয়ে শুনতে বলবিণেষভাংব আবীর (রা) কে আওয়াজ
থামড়াতে বলার কারণ হল ৷ তিনি ছিলেন বয়সে বালক এবং গায়ে পতরে মোটা সােটা৩ তার
আকার এমন কি তার জুতার দৈর্ঘ্য ছিল এক হাত ৷ তিনি ছিলেন লুশ্ৰী ঢেহড়ারড়ার অধিকারী ৷ তা
সত্বেও তিনি সবসময় দৃষ্টি অবনত করে রড়াখওেণ্৷ ৷ এ কারণে বিশুদ্ধ সনদে তার এ রিওয়ড়ায়াত
পাওয়া যায়ণ্শ্তিনি বলেন (অনাত্মীয়ার দিকে) হঠাৎ নজর পড়ে যাওয়ার ব্যাপারে আমি
ব্ক্তকৃচুল্লাহ্ (না)-কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম ৷ তিনি বললেন, “ তোমার দৃষ্টি
ষ্ৰনত করে ফেলার ৷

দ্যোড়াহ্ (সা) সকাশে ইয়ামানের অন্যতম রজাে ওয়াইল ইবন হুজ্বর ইবন রড়াবীআ ইবন
সৈব্র অ্যাহাযরড়াযী ইবন হুনড়ায়দ এর প্রতিনিধিরুপে আগমন ৷

১ ক্টক্সৰ্ৰ স্বীকুষ্তিপ্রাপ্ত যােদ্ধাদের আহমাস (বীরশ্রেষ্ঠ বা বীর উত্তম) নামে অভিহিত করা হত ৷
২ সুত্র স্খাইদার টবুতে পা ধোয়ার হকুম রয়েছে ৷ সৃতরাৎ এ সুরা নাযিল হওয়ার পরবর্তী সময়ে মোযা
ঘ্নে ঙ্গ র্বিন্থ ব্রিতয়ায়ন্ত সাবস্তে হলে মাসেহ বৈধ হওয়া অবহিত ও সর্বকালীনরুপে প্রমাণিত হতে পারে ৷

অর্থ শিশু, প্রায় তরুণ কিশোর ৷ তবে শব্দটি :প্লু (সায়িতান ) হলে অর্থ
অনেক দুরে পৌছে ৷

আবু উমার ইবনু আবদুল বার (র) বলেছেন, ওয়ইিল হাদ্রামাওত অঞ্চলের অন্যতম
গোত্রপ্রধান ছিলেন এবং তার পিতা ছিলেন একজন সামম্ভ রাজা ৷ কথিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ্
(না) তার আগমনের আগেই সাহাৰীদের কাছে আগাম সুসৎ বাদ দিয়ে বলেছিলেন “অবশিষ্ট রাজপুত্রটিও তোমাদের কাছে আসছে” ৷

ওয়াইল এসে পড়লে রাসুলুল্লাহ (সা) তাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে নিজের পাশে বসালেন এবং
তার জন্য নিজের চাদর বিছিয়ে দিয়ে তাকে সম্মান দেখালেন এবং বললেন ,,এ এএধ্-ষ্ “
-০-৬ ৬ : শ্ছাএে ঞাদ্বু “হে আল্লাহ্৷ ওয়াইল তার সন্তান ও তার সন্তানের সন্তানদের বরকত
দিন ৷ নবী করীম (সা) তাকে হাদ্রামাউত-এ বিভিন্ন উপ গোত্রের শাসনকর্তা নিয়োগ করে তার
সাথে তিনটি চিঠি দিয়েদিলেন ৷ একটি চিঠি ছিল ঘুহাক্তির ইবন আৰু উমায়্যার নামে ৷ একটি
গোত্রপ্রধান ও রাজাদের নামে এবং তাকে একটি অঞ্চলে ক্তায়াগা দিয়ে দিলেন এবং মুআবিয়া
ইবন আবু সুফিয়ান (বা) কে তার সাথে পাঠালেন ৷ আবু সুফিয়ান (বা) পায়ে হেটে তার সাথে
চললেন ৷ তিনি ওয়াইলের কাছে পাথুরে মরুর খরতাপের পায়ে হাটার অসুৰিধার কথা বললে
ওয়াইল বলল, উংটর ছায়ায় ছায়ায় পথ চলো ৷ ম্বুআবিয়া (বা) বললেন, তাতে আমার পায়ের
কি জুড়াবে ? আমাকে তাে তোমার (পিছনে বসিয়ে) সহ-আরােহী করে নিতে পার ৷ ওয়া ৷ইল
বললেন, চুণ থাকা রাজাদের সহ-আরোহী হওয়ার যোগ্য৩ ৷ তোমার নেই ৷ এ ঘটনার পরেও
ওয়া ৷ইল দীর্ঘদিন বেচে ছিলেন ৷ মুআৰিয়া (রা) যখন খলীফা ও আমিরুল মুমিনীন, তখন
একবার ওয়াইল তার দরবারে প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন ৷ মু আৰিয়া (বা) তার কথা স্মরণ
করতে পারলেন ৷ তবুও তাকে উঞ্চ সযর্ধনা জা ৷নিয়ে কাছে বসালেন এবং সেদিনের ঘটনা তাকে
স্মরণ করিয়ে দিলেন ৷ তাকে মুল্যবান উপচৌকন গ্রহণের অনুরোধ করলে ওয়াইল তাতে
অসম্মতি জানিয়ে বললেন, আমার চেয়ে যার অধিক প্রয়োজন রয়েছে এমন কাউকে তা দিয়ে
দেবেন ৷ হাফিজ বায়হাকী (র) এ আলোচনার আৎশিক উল্লেখ করেছেন এবং বুখারী (র) তার
তারিখ গ্রন্থে বিষয়টির কতক বিবরণ দিয়েছেন বলেও বায়হাকী (র) ইংগিত করেছেন ৷ ইমাম
আহমাদ (র) বলেছেন ৷ হাজ্জাজ (র) (আলকামাহর পিতা) ওয়াইল থেকে এ মর্মে বর্ণনা করেন
যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে একটি ভুমি জায়পীররুপে দিয়েছিলেন ৷ তিনি আরো বলেন, আমার
সাথে মুআবিয়াকে পাঠালেন এ কথা বলে যে, তাকে ঐ ভুমি দিয়ে দিবে কিৎবা তিনি
বলেছিলেন তাকে তাতে কর্মকর্তা নিয়োগ করবে ৷ ওয়াইল বলেন, (পথে) ঘুআৰিয়৷ আমাকে
বলল, আমাকে তোমার উটের পিছনে বসিয়ে নাও ৷

আমি বললাম, তুমি রাজাদের সহ-আরোহী হতে পড়ার না ৷ ওয়াইল বলেন, তখন সে বলল,
আমাকে তোমার জুত৷ পরতে দাও ৷ আমি বললাম উটেব ছায়াকে জুতারুপে ব্যবহার করনা
কেন? ওয়াইল বলেন, মুআবিয়৷ (বা) খলীফা মনোনীত হলে আমি তার দরবারে গেলাম ৷ তিনি
আমাকে তার সাথে মসনদে বসালেন এবং পুর্ববর্তী সে ঘটনাটি স্মরণ করিয়ে দিলেন ৷
(মধ্যবর্তী রাবী) সিমাক (র) বলেন, ওয়াইল বলেন, তখন আমার মনে হল হার, যদি তাকে
উটের পিঠে আমার সামনে তুলে নিতাম ৷

আবু দা ৷উদ ও তিরমিযী (র) শু বা (ব) সুত্রে এ হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং
তিরমিযী (র)৩ তাকে বিশুদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন ৷

লাকীত ইবন আমির আল-মুনতাফিক আবু রাযীন আল-উকায়লীর ন্
প্রতিনিধিরুপে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর দরবারে আগমন

আবদুল্লাহ ইব ন ইমাম আহমাদ (র) বলেন, ইবরাহীম ইবন হামযা ইবন মুহম্মদ ইবন
হামযা ইবন মুসআব ইবনুয যুবায়র আয-যুবায়রী (রা) আমার কাছে লিখলেন, তোমার কাছে
এ হড়াদীসটি লিখে পাঠাচ্ছি, আমি তা মুহাদ্দিছপনের সামনে পেশ করেছি এবং যেমন আমি
তোমার কাছে লিখছি তেমন-ই শুনেছি ৷ তুমি এ হাদীসখন্মো বর্ণনা করতে পার ৷ আবদুর
রাহমান ইবনৃল মুপীরা আল-হিযামী (র) লার্কীত ইবন আমির (রা) সুত্রে বচ্নাি করেন (অন্য
একটি রিওয়াতে আসিম ইবন লাকীত) (রা)-বলেন, লার্কীত রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দরবারে
প্রতিনিধিরুপে বের হলেন, তার সংপী ছিলেন নড়াহীক ইবন আসিম ইবন মালিক ইবনুল
যুনতাফিক ৷ লাকীত (বা) বলেন, আমি ও আমার সংপী বেরিয়ে পড়লাম এবং রজব মাসের
শেষ দিকে আমরো মদীনায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে উপস্থিত হলাম ৷ আমরা যখন তার
কাছে পৌছলাম তখন তিনি সরে ফজরের নামায শেষ করেছেন ৷ তিন থুতব৷ দেয়ার উদ্দেশ্যে
লোকদের সামনে দাড়িয়ে বললেন,

লোক সকল ! শ্যেন! আজ চারদিন যাবত আমি তোমাদের কাছে আমার আওয়ায গোপন
করে রেখেছি ৷ গােন ! এখন আমি তোমাদের কিছু ৷শানড়াতে চাই, শোনা তোমাদের মাঝে এমন
কেউ আছে কি যাকে তার সম্প্রদায় এই দায়িতু দিয়ে পাঠিয়েছে যে, যাও আল্লাহর রাসুল কী
বলেন, তা আমাদের পক্ষ হয়ে উত্তমরুপে জেনে শুনে আস ৷ তাই আমার বলছি (কান খুলে মন
দিয়ে) শুনে নাও ! এমন না , হয় যে, তার মনের ফিসফিসানি কিৎবা সাথীর বকবকানী তাকে
অমনোযােগী করে দেয় কিৎবা বিভ্রান্তি বিচ্যুতি তাকে ভুলিয়ে দেয় ৷ গােন৷ আমি দায়িত্বশীল
এবং আমি দীনের দাওয়াত পৌছে দিয়েছি তো ? তাই কান পেতে শ্যেনতে থাক ৷ আর জীবনে
বেচে থাক ৷ শোন! স্থির হয়ে বসাে (শান্ত নিরব হয়ে) বলো; লার্কীত (বা) বলেন, লোকেরা
বসে পড়ল এবং আমি ও আমার সাথী উঠে দীড়ালাম ৷ যখন বুঝলাম যে, তার মন ও দৃষ্টি
আমাদের প্ৰতি পুর্ণ নিবদ্ধ হয়েছে, তখন বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! আপনার কাছে অদৃশ্য
জগতের কী কী ইলম রয়েছে? আল্লাহর কসম ! তিনি হাসলেন এবং মাথা ঝাকালেন ৷ তিনি
বুঝে ফেলেছিলেন যে, আমি র্তাকে পরীক্ষায় ফেলতে চাচ্ছি ৷ তিনি বললেন,

তোমার মহান মহীয়ান প্ৰতিপালক পাচটি অদৃশ্য বিষয়ের চাৰিকড়া ঠি নিজের কাছে গুটিয়ে
রেখেছেন, যা আল্লাহ্ ব্যতীত আর কেউ জানে না ৷ তিনি হা৩ (এর পাচ আ গুল) দিয়ে ইংগিত
করলেন ৷ আমি বাংলার, সেগুলি কী কী ? তিনি বললেন-

“( ১ )মৃত্যুর ইলম, তিনি জানেন তোমাদের প্রত্যেকের নৃক্যু লগৃঢি, কিং ণ্তামরা তা জান
না; (২) বীর্য জ্ঞান তিনি জানেন, মায়ের গর্ভে যীর্যের স্টোন, (তামরা যা জান না; (৩)
তিনি জানেন আগামী কাল কী ঘটলে; তুমি কী খ্ারে, তুমি তার কািচুই জান না; (৪) তিনি
জানেন, কবে কোথায় বৃষ্টি হবে, কাঠিন দুর্তিক্ষ তোমাদের উপর ক্ষেকে বসে (তোমরা নিরাশ
অস্থির হয়ে পড়) , তিনি তোমাদের আইরভা দেখে হঙ্গোত থাকেন ৷ তিনি তো জানেন যে,
তোমাদের অবস্থার পরিবর্ভা নিকটবর্তী;

লার্কীত (বা) বলেন, এ পর্যায়ে আমি বললাম, যে প্ৰতিপালক হাসেন, ’ তার কল্যাণের
অভাব আমরা কোন দিন বোধ ব্বব না;

“(৫ ) আর কিয়ামাত দিবসের ইলম (তিনিই জানেন, আর কেউ জানেন না) ৷ আমরা
বললাম ইয়৷ রাসুলুল্লাহ্ লোকেরা যা আগে না, আর আপনি যা জানেন তার কিছু আমাদের
শিখিয়ে দিন ৷ কেননা, আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের লোক যে, সত্যের প্রতি আমাদের
আনৃগত্যের ন্যায় আনুগত্য কেউ দেখাতে পারে না ৷ আমরা মাঘৃহিজ গোত্রের শাখা, যারা
আমাদের উর্ধতন, আর খাছআম যারা আমাদের বন্ধুস্থানীয় ও আমাদের স্ব-সমাজ, যার আমরা
অন্তর্ভুক্ত৩ তিনি বললেন, ৫৩ ৷মাদের জন্য নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তোমরা (পৃথিবীতে) অবস্থান
করবে, তারপর তোমাদের নবী ওফা৩ প্রাপ্ত হবেন ৷ তারপর একটা নির্ধারিত সময় তোমরা
অবস্থান করবে তারপর একটি বিকট আওয়ায পাঠানো হবে ৷ তোমরা ম৷ বুদের শপথ! সে
আওয়াযে পৃথিবীর বুকের প্রতিটি প্রাণী মরে যাবে; ওে আমার প্রতিপালকের নৈকট্য প্রাপ্ত
ফিরিশতাকুলও ৷ তারপর তোমার মহান-মহীয়ান প্রতিপালক পৃথিবীর সব দিকে নজর ৰুলাবেন,
গো টা বিশ্ব তখন শুন্য পড়ে থাকবে ৷

তারপর তোমার প্ৰতিপালক আর শের কাছ থেকে আসমানকে বর্ষণমুখর করে দিবেন, যার
ফলে প্রতিটি নিহত ও মৃত ব্যক্তির কবর ফেটে যাবে এবং মাথার দিক থেকে তাকে আকৃতিযুক্ত
করে তোলা হবে ৷ সে সোজা হয়ে বসে পড়বে ৷ তোমার মহান-মহীয়ান প্ৰতিপালক বলবেন

কী খবর ? অর্থাৎ কেমন অবস্থায় কটিলো? সে বলবে, প্রতিপালক এই তো মাত্র গতকাল
অর্থাৎ যে ভ,হ্ববৰে কিছু সময় মাত্র আগে সে তার আপনজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে ৷ আমি
(লাকীত) বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! বায়ুর আবর্তন, দীর্ঘকড়ালের জীংতাি ও হিংস্র প্রাণী ফুলের
খােরাক হয়ে বিক্ষিপ্ত হওয়ার পরেও তিনি র্কীরুপে আমাদের সমবেত করবেন? তিনি বললেন,

“তোমাকে এ বিষয় আল্লাহ্র কুদরর্তী জগতের একটি দৃষ্টা ন্ত অবহিত করছি দীর্ঘ দিন
অনাবাদ পড়ে থাকা কোন ভুখণ্ডে তুমি উপস্থিত হলে, চা ৷রদিক দেখে বললে, এখানে কোন দিন
প্রাণের শিহরণ দেখা যাবে না ৷ কিন্তু পরে তে তামার প্ৰতিপালক সেখানে বৃষ্টি বর্ষালেন ৷ কিছু
দিন যেতে ৩না যেতে সে ভুখণ্ডের দিকে তাকিয়ে তুমি দেখলে সেখানে এক (দু) টি ঝাউ৷ চ ৷রা
গজ্যিয় উঠেছে ৷ তোমার মাবুদের শপথ; বৃষ্টি ও পানি পৃথিবীর উদ্ভিদ উৎপাদনে যতখানি
সক্ষম, তোমড়ার প্ৰতিপালক অবশ্যই তোমাদের বিক্ষিপ্ত দেহানৃগুলোকে সমবেত করেন তার
চেয়ে অধিকতর সক্ষম ৷

যেটিকথা তোমরা যার যার কবর ও বধ্যভুমি থেকে বের হয়ে আসবে; তােমরা তার দিকে
তাকিয়ে থাকবে ৷ তিনি ৷তামাদের দেখতে থাকবেন ৷ লাকীত বলেন, আমি বললাম, ইয়া
রাসুলুল্লাহ্! তা কেমন করে হবে আমরা গোটা পৃথিবীভরা লোক থাকর, আর মহানমহীয়ান
তিনি একক সত্তা, তা হলে আমরা তাকে দেখব আর তিনি একাকী আমাদের সকলকে
দেখবেন? তিনি বললেন,

“আল্লাহর সৃষ্টি জগতে এর একটি দৃষ্টান্ত দিয়ে তোমাকে অবহিত করছি ৷ চীদ ও সুরুজ
তার সৃষ্টি জগতের দুটি ক্ষুদ্র নিদর্শন ৷ তোমরা সকলেই ওগুলো দেখতে পাও , তারাও
তোমাদের দেখতে পায় এবং তা হয়ে থাকে একই সময়ে ৷ তাদের দেখার ব্যাপারে কোন কষ্ট
বা ঠেলাঠেলির প্রয়োজন হয় না ৷ তোমরা মাবুদের শপথ ! কোন রুপ ঝামেলা ছাড়া তোমরা
যেমন চীদ সুরুজ দেখছ, আর চীদ সৃরুজ তোমাদের দেখছে তার তুলনায় তোমাদের
আল্লাহ্কে দেখা এবং তার তোমাদেবকে দেখা অধিকতর সহজ ৷”
আমি বললাম, আমরা তার সমীপে উপস্থিত হলে প্রতিপালক আমাদের সাথে কী আচরণ
করবেন? তিনি বললেন,

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.