রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে সেই বউ তিন তালাক” বললে করনীয় ৷

তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে সেই বউ তিন তালাক” বললে করনীয় ৷
প্রশ্ন
হুজুর, আমার একটি মেয়ের সাথে অনেকদিন যাবত সম্পর্ক ছিল৷ মেয়েটি আমাকে কথা দিয়েছিল সে আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবে না ৷ আমিও বলেছিলাম আমি তাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবো না ৷ এক পর্যায়ে একথাও বলে ফেলি, আমি যদি তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করি সে তিন তালাক ৷ এর ছ’মাস পর মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায় অন্য জায়গায় ৷ তার পরিবার তাকে অন্য জায়গায় জোর করে বিয়ে দেয়৷ এখন আমার জানার বিষয় হলো আমি যে বলেছি তাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে সে তিন তালাক, এখন কি আমি অন্য কাউকে বিয়ে করলে তিন তালাক হয়ে যাবে? এখন আমার করনীয় কি? জানালে খুব উপকৃত হবো ৷
উত্তর
প্রশ্নে বর্নিত সুরতে আপনি অন্য মেয়েকে বিয়ে করার পর তিন তালাকের সম্বন্ধ করার কারনে অন্য মেয়েকে বিয়ে করলেই স্ত্রী তিন তালাক হয়ে যাবে।
তা থেকে বাঁচার একটি পদ্ধতি রয়েছে , তা হলো আপনাকে কিছু না বলে তৃতীয় কোন ব্যক্তি পছন্দমত পাত্রীর কাছে গিয়ে দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম শাক্ষীর সামনে বলবে যে, “আমি এত টাকা মোহরের বিনিময়ে অমুক ব্যক্তির সাথে বিবাহের প্রস্তাব দিলাম”। তখন মেয়ে উক্ত প্রস্তাব গ্রহণ করবে। অতপর বিয়ে সম্পাদনকারী তৃতীয় ব্যক্তি আপনার কাছে এসে বলবে যে, আমি তোমার বিবাহ ওমুক মেয়ের সাথে এত টাকা মোহরের বিনিময়ে দিয়েছি। সুতরাং তুমি কিছু মোহর প্রদান কর। তখন আপনি কোন কথা বলে কিছু মোহর প্রদান করবেন। যা তৃতীয় ব্যক্তিটি মেয়েকে প্রদান করবে, এতে করে বিবাহ পূর্ণ হয়ে যাবে। সেই সাথে কসমও ভঙ্গ হবে না।
রদ্দুল মুহতার ৫/ ৬৭২; মাজমাউল আনহুর ২/৫৯; ফতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/৪১৯; ফাতাওয়া মাহমূদিয়া-১৯/১৯৭ ৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷
01756473393

উত্তর দিয়েছেন : মুফতি মেরাজ তাহসিন

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

2 Comments

  1. উল্লেখিত সুরতে আপনি অন্যত্র বিবাহ করতে পারবেন,তাতে মেয়ের অনুমতির কোন প্রয়োজন হবেনা৷ তবে আপনার কসম ভঙ্গের জন্য কসমের কাফফারা দিতে হবে৷আর তাহলো দশজন মিসকিনকে দু বেলা খানা খাওয়ানো৷

  2. একটি মেয়ের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো , সম্পর্ক থাকা কালিন সময়ে আমি তার হাত ধরে আল্লাহর নামে কছম করেছিলাম ” আল্লাহর কছম আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবো না ” এই কথা বলে ।
    এখন তার সাথে আমার সম্পর্ক নাই, আমি বিবাহের জন্য অন্যত্র মেয়ে দেখতেছি, এখন আমার করনিয়ো কি তা বাতলে দিলে উপক্রিত হবো। অন্য মেয়ে কে বিবাহের জন্য কি তার কাছথেকে অনুমতি নিতে হবে কি না । আমার এখন করনিয়ো কি।
    বিষয়টা পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব