দশম হিজরীতে অনুষ্ঠিত হাজ্জাতুল বিদা

শ্যেম্পো ধরনের হজ্জ উমরা আদায় করেছিলেন ৷ অর্থাৎ হস্কজ্জর আগে উমরা
এবং তা থেকে হালাল’ হয়ে গিয়েছিলেন কিংবা (খ) হড়াদী’১ সাথে নিয়ে
মোঃ মিঃ হাললে হতে পারেন নি ৷ দুই : তিনি হরুজ্জর সাথে সম্মিলিতভাবে উমরা
মোঃ ন্ন্ব্বান২ ধরনের হজ্জ সম্পাদন করেছিলেন ৷ এ দাবীর প্রমাণবহ হাদীস
ন্নে ফ্যাস্থানে উল্লেখ করব ৷ তিন : কিৎবা তিনি উমরা থেকে সম্পুর্ণ পৃথকরুপে হজ্জ আদায়
ন্সর ইব্বাদং ধরনের হজ্জ পালন করেছিলেন ৷ অর্থাৎ হজ্জ সম্পাদনের পরে উমরা আদায়
ৰদ্বছিলেন ৷ নবী করীম (না)-এর ইফরাদ হজ্জ পালনের অভিমত পোষণকারিগণ এক্ষেত্রে
ইফরাদের অনুরুপ ব্যাখ্যাই দিয়েছেন ৷ যেমনটি ইমাম শাফিঈ (র)-এর অভিমত বলে প্রসিদ্ধি
রয়েছে ৷ নবী করীম (সা) ইহরাম শুরু করার সময় ইফরড়াদ কিৎবা কিরান কিৎবা তামাডু এর
নিয়ত করেছিলেন এ বিষয়ের আলোচনা ক্ষেত্রে আমরা বিষয়টির নিষ্পত্তির প্রয়াস পাব ৷

বুখারী (র) বলেন, আমৃর ইবন খালিদ (র)যায়দ ইবন আরকাম (বা) হতে এ মর্মে

বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) উনিশঢি পাযওয়া (যুদ্ধ) করেছেন এবং হিজরত করে
যাওয়ার পরে তিনি একবার মাত্র হজ্জ পালন করেছেন; (মধ্যবর্তী রড়াবী) আবু ইসহাক (র)
বলেন, আর (এর আগে) মক্কায় তিনি আর একটি হজ্জ আদায় করেছিলেন ৷ মুসলিম (র) এ
হড়াদীসটি আহরণ করেছেন যুহায়র (র) থেকে ৷ তবে আবু ইসহাক (র)-এর এ বক্তব্য যে, নবী
করীম (সা) মক্কায় আর একটি হজ্জ আদায় করেছেন ৷ যাতে বাহ্যত তিনি বুঝাতে চেয়েছেন
যে, মক্কা শরীফে তিনি একবারের অধিক হজ্জ করেন নি ৷ এ বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় ৷ কেননা,
রিসালাতপ্রাপ্তির পরে নবী করীম (সা) হস্কজ্জর মওসৃমে নিয়মিত উপস্থিত থেকে লোকদের

আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিতেন এবং তাদের বলতেন-

“এমন কোন পুরুষ রয়েছে যে আমাকে আশ্রয় দেবে, যাতে আমি আমার প্ৰতিপালকের

বাণী পৌছিয়ে দিতে পারি; কেননা, কুরায়শীরা আমার মহান ও মহীয়ান প্ৰতিপালকের বাণী

পৌছিয়ে দেয়ায় আমাকে বাধা দিয়েছে ৷ অবশেষে আল্লাহ তার জন্য আনসায়ীদের দলটিকে

নিবেদিত করে দিলেন, যারা আকাবার রাতে’ অর্থাৎ জিলহরুজ্জর দশ তারিখের সল্যায়

জামরড়াতুল আকাবার’ কাছে পর পর তিন বছর তার সাথে সাক্ষাত করেন এবং এর শেষ বছরে
তারা তার হাতে আকাবার দ্বিতীয় বায়আত সম্পাদন করেন ৷ এটি ছিল তার সাথে তাদের

১ তামাত্ত্ব (প্লুৰু^১ ) বহিরাগত হাজীদের জন্য প্রথমে শুধু উমরার ইহরামে উমরা সম্পাদনের পর (ইহরাম খুলে
হালাল হয়ে) পুনরায় হ্যজ্জর নিকটবর্তী সময়ে শুধু হভ্রুজ্জর ইহরাম বেধে তা সম্পাদন করাকে তামাভু হজ্জ বলে
এবং এরুপ হজ্জ আদায়কারীকে যুতামাত্তি’ বলে ৷ তামাডু শব্দটির অর্থ ফায়দ৷ হাসিল করা, উপকার লাভ করা ৷

২ মক্কা শরীফে জবাই করার উদ্দেশ্যে হাজী সাহেবান যে পশু (উট) সাথে নিয়ে যান, তাকে হাদী’ বলা হয় ৷

৩ কিরান এ একসাথে হজ্জ ও উমরার সম্মিলিত ইহরাম বেধে প্রথমে উমরা আদায় করে (হড়ালাল না
হয়ে) যথাসময় ঐ ইহরাম দিয়ে হজ্জ আদায় করা হলে তাকে কিরান; (সম্মিলিত) হজ্জ এবং এরুপ হজ্জ
আদায়কারীকে কারিন বলা হয় ; অনুৰাদক

৪ হ₹জ্জর সময় শুধুমাত্র হন্থজ্জর ইহরাম বেধে (উমরা সংযুক্ত না করে) তা আমার করলে তাকে ইফরাদ
(একক বা স্বতন্ত্র) হজ্জ এবং এরুপ হজ্জ আদায়কারীকে যুফরিদ বলা হয় ৷ অনুবাদক

তৃডীয়বারের একত্রিত হওয়ার ঘটনা ৷ এ এ ৷ রআওের শ্লেশ্রুত্যি৩ হিজরত সংঘটিত হল (যার
বিশদ বিবরণ যথাস্থানে আমরা প্রদান করে এসেছি) ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

হযরত জাৰির ইবন আবদুল্লাহ (বা) সুত্রে জাফর ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবনুল হুসায়ন
(বা) এর রিওয়ায়াতে রয়েছে জাৰির (বা) বলেন, রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) নয় বছর যাবত মদীনায়
অবস্থান করলেন ৷ তখনো তিনি হজ্জ করেন নি ৷ তারপর লোকদের মাঝে হজ্জ যাত্রার ঘোষণা
দিলেন ৷ ফলে মদীনায় বিশাল জনসমাগম হল ৷ যিলকদের পড়াচ দিন কিৎবা চারদিন বাকী
থাকাকালে রাসুলুল্লাহ্ (সা) যাত্রা শুরু করলেন ৷ যুল হুলায়ফায় উপনীত হয়ে তিনি সালাত
আদায় করণেণ, তারপর ওার বাহনে আরোহণ করণোণ ৷ বাহন ওাফ্লো নিয়ে প্রাম্ভরের পথ
বয়সে তিনি তালবিয়ড়া (লাব্বায়কা ) পাঠ করলেন; আমরাও সাথে সাথে লাব্বায়ক উচোরণ
করলাম ৷ আমাদের তখন হজ্জ ব্যতিরেকে অন্য কিছুর নিয়ত ছিল না ৷ মুসলিম (র) বর্ণিত
সুদীর্ঘ হাদীসটি পরে বিবৃত হবে এ হাদীসের ভাষ্য ৷

আবু দুজানা সিমাক ইবন হারশা আর সাঈদী (বা) (মতাতরে) সিবা ইবন
উঃাকাতা আল গিফারী (বা)-কে মদীনায় স্থলাভিষিক্ত করে

রফ্তোহ্ (না)-এর বিদায় হহ্রজ্জ্ব যাত্রা শুরু

মুহাম্মদ ইবন ইগ্হাৰ (র) বলেন দশম হিকর্ভৰীর যিলকদ মাসে রাসুলুল্লাহ্ (সা) হহ্বজ্জ্বর
প্রস্তুতি নিতে লাগ্দ্যে এবং সেস্ফোকও প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিলেন ৷ এ বিষয় আবদুর
রহমান ইবনুল কাসিম (ইবন মুহাম্মদ) (র)ননী জ্জীম (না) সহধ্নীি হযরত স্রাইশা (রা)-
এর বরাতে আমাকে বলেছেন, অইিশা (বা) বলেন, ৰিলকদের পাচ রাত বাকী থাকতে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) হরুজ্জর উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লেন ৷ এ সনদটি বেশ উত্তম ৷ ইমাম মালিক (র)
র্তার মুআত্তা গ্রন্থে ইয়াহ্য়ড়া ইবন সাঈদ আলআনসারী (র) হতেআইশা (বা)-এর বরাতে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ এ হাদীসটি সহীহ্ বুখারী-ঘৃসলিমসহ সুনানই নাসাঈ, ইবন মড়াজা ও
মুসান্নাফ ইবন আবু শায়বাতে ইয়াহ্য়ড়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী (র) থেকে বিভিন্ন সুত্রে
আইশা (বা) হতে উল্লিখিত হয়েছে তিনি বলেন, আমরা বাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সঙ্গে বের হলাম
যিলকদ মাসের পড়াচদিন বাকী থাকতেই আমরা হজ্জ ব্যতিরেকে আর কিছু ভাবছিলাম না
(সুদীর্ঘ হাদীস) বুখারী (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন আবু বকর আল-ঘুকড়াদ্দাঘী (র)ইবন
আববাস (বা) সুত্রে তিনি বলেন, নবী করীম (মা) বাবা আচড়িয়ে তেল লাগিয়ে সেলাইৰিহীন
লুঙ্গি পরে ও চাদর পায়ে দিয়ে মদীনা থেকে রওনা করলেন ৷ জাফরান দিয়ে রং করা কাপড়
যা গায়ের তুরেৰু হলদে রং মেখে দেয় তেমন কাপড় ব্যতীত কোন লুঙ্গি ও চাদর ব্যবহার করা
তিনি শিবের করলেন না ৷ যুল হুলায়ফায় সকাল বেলা তিনি নিজের বাহনে আরোহণ করলেন
এবং অবশেষে বায়দা প্রান্তরে উপস্থিত হলেন ৷ এটা ছিল যিলকদের পড়াচ দিন বাকী থাকাকালে
এবং যিলহক্রুজ্জর পড়াচ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে তিনি মক্কায় এসে পৌছলেন ৷ বুবারী (র)
এককডাবে এ বংনাি দিয়েছেন ৷

পর্যালোচনা যিলকদের পড়াচদিন বাকী থাকাকালেশ্ এটা যুলশ্হুলায়ফায় অবস্থানের
সকাল বেলায় কথা হলে ইবন হাঘৃম (র) ইবন ইসহাক (র) এর বক্তব্য যথার্থ হবে ৷ তীর দাবী

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Login