রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

নবী কবীম (সা) যাদেরকে বিবাহের পয়গাম দিয়েছিলেন কিন্তু বিবাহ করেননি

নবী কবীম (সা) যাদেরকে বিবাহের পয়গাম দিয়েছিলেন কিন্তু বিবাহ করেননি

আবু আরুর৷ (বা) কাতাদা (র) থেকে উদ্ধৃত করেছেন এবং তিনি আনসারী বনু নাজ্জার
গোত্রের উম্মু শুরড়ায়ক (বা) কে শ্রী রুপে গ্রহণ করলেন ৷ তিনি বলেছিলেন আনসারীদের কাউকে বিবাহ করা আমার অভিলাষ; তবে
আমি তাদের টনটনে আত্মমর্যড়াদা বোধ পসন্দ করি না ৷” এ ত্রীর সংগে তিনি বাসর করেন
নি ৷ মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেছেন, হাকীম (র) সুত্রে মুহাম্মদ ইবন আলী (র)-এর পিতা
(আলী ইবন হুসায়ন) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, নবী করীম (সা) লায়লা বিনতুল হাতিম
আনসারী (বা) কে বিবাহ করেছিলেন ৷ তিনি ছিলেন অতিশয় আত্মমর্যাদ৷ বোধ সম্পন্ন৷ ৷ তাই
তিনি নবী কবীম (সা)-এর সংগে নিজের দৃর্ব্যবহারের আশংকা করে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করার
আবেদন করলেন ৷ নবী করীম (সা) সে আবেদন মনজুর করলেন ৷

নবী করীম (সা) যাদেরকে বিবাহের পয়গাম
দিয়েছিলেন কিন্তু বিবাহ করেননি

ইসমাঈল ইবন আবু খালিদ (র) সুত্রে, উম্মু হানী-ফাখতা বিনত আবু তালিব (বা) থেকে
বর্নন৷ করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) তাকে (উম্মু হানীকে) বিবাহের প্রস্তাব দেন ৷ উম্মু হানী
(বা) তার ছোট ছোট সন্তানদের কথা উল্লেখ করলে তিনি এ প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন এবং
শ্রোঠ নারী উটে আরোহণকারিণীগণ কুরায়শের সেরা নারীগণ হচ্ছে, যারা তাদের শিশু
সন্তানদের প্রতি শৈশবে মমতাময়ী; স্বামীর যথাসর্বস্ব সযত্নে সং রক্ষণকারিণী! আবদুর রায্যাক
(র) ’ন্ন্ মা মার (র)আবু হুরায়রা (বা) থেকে এ মর্মে যে, রাসুলুল্লাহ (সা) উন্মু হানী
বিনত বৃঅ তলিব (রা) কে বিবাহের প্রস্তাব দিলে তিনি বললেন, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ৷ আমার
বয়স ষ্ণ্পুয়ছে এবং আমার রয়েছে অনেক সন্তান-সন্ততি ৷ তিরমিষী (র) বলেন, আবদুল্লাহ
ইবন হু ৷ ব ৷ উম্মু হানী বিনত আবু৩ তালিব (বা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ
(সা) অন্যকে ৰিব হেব পয়গাম দিলে আ ৷মি তাকে আমার ওযর পেশ করি ৷ তিনি তা মঞ্জুর
করে :ন্ন্ , পরে আল্লাহ পাক না ৷যিল করলেন,
( শ্ নবী ) আমি ৫৩ তামার জন্য বৈধ করেছি ৫৩ তামার শ্ৰীগণকে, যাদের মোহর তুমি প্রদান
করেছ এবং বৈধ করেছি ফ ৷য়’ হিসাবে আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন, তার মধ্য হতে
যারা তোমার মালিকানাধীন হয়েছে তাদেরকে; এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি তােমর
চাচাত ফুফাত, মামাত ও তোমার খালাত বোনদেরকে, যারা তোমার সংগে দেশ ত্যাণ্
করেছে” (৩৩ : ৫০) ৷ উম্মু হানী (বা) বলেন, সুতরাং আমি তার জন্য বৈধ হচ্ছিল্ম ন্
কেননা, আমি হিজরত করিনি ৷ আমি ছিলাম মক্কা বিজয়কালে সাধারণ ক্ষমহ্প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত

পরে তিরমিযী (র) মন্তব্য করেছেন, এটি হাসান গ্রের্ণীভুক্ত একটি হাদীস ৷ তবে সুদ্দী (র)
ব্যতীত অন্য কোন সুত্রে আমরা এটির পরিচিতি লাভ করিনি ৷ এ বর্ণনা দাবী করে যে, যে
নারীপণ হিজরত করেনি তারা নবী কবীম (সা) এর জন্য বৈধ ছিল না ৷ কড়াযী মাওয়ারদী (র)
তার তাফসীর গ্রন্থে অনেক আলিমের এ মাযহাব উদ্ধৃত করেছেন ৷ অন্য অনেকের মতে এ
আয়াতে যীরা তোমার সংগে দেশ ত্যাগ করেছে বলে শুধু নবী কবীম (না)-এর উল্লেখিত
আত্মীয়াদের কথাই বোঝানো হয়েছে (অর্থাৎ অ-মুসলিম আত্মীয়ারা নিষিদ্ধ ছিলেন) ৷ কাতাদা
(র) বলেছেন, যারা তোমার সংগে দেশ ত্যাগ করেছে ষ্অর্থাৎ আপনার সংগে ইসলাম ধর্ম
গ্রহণ করেছেন ৷ এ ব্যাখ্যা অনুযায়ী শুবু কাফির মহিলারাই তার জন্য হড়ারড়াম ছিলেন এবং সকল
মুসলিম নাবীই তীর জন্য হালাল ছিলেন ৷ সুতরাং এ ব্যাখ্যা প্রামাণ্য হলে নবী কবীম (সা) এর
জন্য আনসাবী নাবীগণকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ সাব্যস্ত হয় না ৷ তবে কি না তিনি তাদের
একজনের সংগেও বাসর করেননি ৷ তবে এ প্রসঙ্গে শাবী (র) সুত্রে মাওয়ড়ারদী (র) প্রদত্ত
উম্মুল মাসার্কীন যায়নাব বিনত খুমায়মা (রা) এর আনসাবী হওয়া সম্পর্কিত উদ্ধৃতি যথার্থ
নয় ৷ কেননা সর্বনম্মদ্ভভাবে তিনি ছিলেন হিলাল গোত্রীয় ৷ যেমনটি পুর্বেই বর্ণিত হয়েছে ৷
আল্লাহই সর্বাধিক অবগত ৷

মুহাম্মদ ইবন সাদ (র) হিশাম ইবনুল কালৰী (র)ইবন আব্বাস (বা) সনদে বর্ণনা
করেছেন ৷ তিনি বলেন, লায়লা বিনতুল হাভীম রাসুলুল্লাহ (সা) সকাশে উপস্থিত হল ৷ নবী
কবীম (সা) তখন সুর্যের দিকে পিঠ করে বসে ছিলেন ৷ লায়লা নবী কবীম (সা) এর র্কাধে হাত
রাখলে নবী কবীম (সা) বললেন, ১;রুন্ন্ম্বা শুা£৷ ৷;গ্রা প্লে “কে এ লোক ? কৃষ্ণ যাকে খেয়ে
ফেলল ৷” লায়লা বলল, আমি বিহংপকে খাদ্য দানকাবী ও বড়ায়ু প্রবাহের প্ৰতিদ্বন্দীর কন্যা;
আমার নাম লায়লা ৰিনতুল হাভীম; আমি এসেছি নিজেকে আপনার সকাশে সমর্পণ করতে ৷
আপনি কি আমাকে দ্রীরুপে গ্রহণ করবেন ? নবী কবীম (না) বললেন, ৷াৰু×এ ১দ্ব “তাই
করলাম ৷” তখন লায়লড়া তার স্বগােত্রে ফিরে গিয়ে বলল, আমি নবী কবীম (না)-কে বিবাহ
করে এসেছি ৷ তারা বলল, খুবই মন্দ কাজ করে এসেছ, তুমি স্বভাবে ইর্ষাকাতুরে ও
আত্মমর্ষাদাবােধ সম্পন্ন৷ নারী; রড়াসুলুল্লাহ (না)-এর রয়েছেন অনেক ত্রী; তুমি তাদের প্রতি
ইর্ষামুলক আচরণ করে নবী কবীম (না)-কে উত্যক্ত করে তুলবে ৷

ফলে তিনি তোমার জন্য আল্লাহর নিকট বদ-দুআ করবেন ৷ তাই, যাও তুমি তার নিকটে
বিবাহ প্রত্যাহারের আবেদন কর ৷ সে তখন ফিরে গিয়ে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে
প্রতার্পণ করে দিন ৷ তখন নবী কবীম (সা) তাকে অব্যাহতি দিলেন ৷ পরে মাসউদ ইবন
আওস ইবন সাওয়াদ ইবন জাফার তাকে বিবাহ করলে এ ঘরে তাদের সন্তান জন্ম নিল ৰু পরে
একদিন মদীনায় কোন এক বাগানে লায়লা গোসল করছিল ৷ ইতোমধ্যে একটি কাল বাঘ তার
উপর অতর্কিতে হানা দিয়ে তার দেহের কতকাংশ খেয়ে ফেলল এবং তাতে তার মৃত্যু হল ৷ এ
সনদেই ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, ষাবাআ বিনত আমির ইবন কৃব্রত প্রথমে
আবদুল্লাহ ইবন জাআন-এর শ্রী ছিল ৷ সে তাকে তালাক দিয়ে দিলে হিশাম ইবনুল ঘুগীরা
তাকে বিবাহ করল এবং এ শ্ৰীর ঘরে সালামা নামে তার এক সন্তানের জন্ম হল ৷ যাবাআ ছিল
স্বাস্থ্যবভী-রুপবতী এক নারী এবং তার মাথাভর্তি দিঘল কেশরাজি তার সারা দেহ আবৃত করে

রাখত ৷ রন্দুলুল্লাহ (না) তার ছেলে সালামার কাছে তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দিলে সালামা
বললেন তব কাংছ অনুমতি নিয়ে নেই৷ মায়ের কাছে অনুমোদন নিতে গেলে সে বলল

আ রে অদৃরে পুত্র! রাসুলুল্লাহ (সা) এর ব্যাপারে আমার অনুমতি চাচ্ছে৷ ? ছেলে ফিরে গিয়ে
নীরবত র লহুন করে রইল এবং কোন জবাব দিল না ৷ সে যেন মনে করল যে তার মা
বয়সের ব্যাপারে কটাক্ষ করেছে ৷ নবী করীয (না) ও তার ব্যম্পোারে নীরব রইলেন (এবং নতুন
করে কোন কথা উত্থাপন করলেন না) ৷ এ সনদেই ইবন আব্বাস (বা) থেকে বর্ণিত হয়েছে ৷
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) সাফিয়্যা বিনত বাশশামাং ইবন নাযলা আল আম্বারকেও
বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ৷৩ ৩ারুক তিনি যুদ্ধবন্দীরুপে পেয়েছিলেন ৷ তিনি তাকে ইখতিয়ার
দিয়ে বললেন,-( “তুমিচা চাইলে আমাকেও গ্রহণ করতে পড়ার ৷
আর ইচ্ছা করলে তোমার স্বামীকেও গ্রহণ করতে পার ৷ সে বলল, বরং আমার স্বামীকে ৷
তখন নবী কৰীয (না) তাকে মুক্ত করে পাঠিয়ে দিলেন ৷ ফলে বনু তামীমের লোকেরা তাকে
অভিসম্পাত দিল ৷

মুহাম্মদ ইবন সা দ (র) বলেন, ওয়া ৷কিদী (র) মুসা ইবন মুহাম্মদ আত্০ তায়ঘী (র) তার
পিতা থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, উম্মু শুরায়ক ছিলেন বনু আ ৷মির ইবন লুআ য় এর এক
নারী ৷ তিনি নিজেকে রাসুলুল্লাহ (সা) এর সমীপে সমর্পণ করেছিলেন ৷ তিনি তাকে গ্রহণ
করলেন না ৷ পরে তিনি মৃত্যু পর্যন্ত আর বিবাহ করেন নি ৷ মুহাম্মদ ইবন সাদ (র) আরো
বলেন, ওয়াকী (র) আলী ইবনৃল হুসায়ন (র) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) উম্মু
শুরায়ক দাওসীয়াকে বিবাহ করেছিলেন ৷ ওয়াকিদী (র) বলেন, আমাদের কাছে প্রামাণ্য তথ্য
হল তিনি ছিলেন আঘৃদ এর শ ৷ দাওস গোত্রীয় মহিলা মুহাম্মদ ইবন সাদ (র) বলেন, তার
নাম ছিল ণ যিয়া৷ নত জ ৷বির ইবন হাকীয লায়ছ ইবন সা দ (র) বলেন, হিশায ইবন
মুহাম্মদ তার প্াভ৷ সুত্রে বর্ণনা করেন জনৈক ব্যক্তি আমাকে বলেছেন যে, উম্মু শুরায়ক (বা)
নিজেকে নবী কহ্য ল) সকশে সা০৷ ণ করেছিলেন এবংও তিনি একজন পুণ্যবভী ন৷ ৷রী ছিলেন ৷

নবী করীম (লা) যাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন অথচ ত্রীরুপে গ্রহণ করেননি এদের মাঝে
রয়েছেন হাযয৷ বিনতু হারিছ ইবন আওন ইবন আবু হারিছা আল-মুররী ৷ তাকে প্রস্তাব দেয়া
হলে তার পি ক৷ বলল, তীর একটা কুৎসিত ব্যাধি রয়েছে, অথচ তা তার ছিল না ৷ বাপ
বাড়িতে ন্য়ে গায় দেহ্ল, তার মেয়ে শ্বেত কুষ্ঠে আক্রান্ত হয়েছে ৷ এ নাবীই খ্যাতিমান করি
শাবীব ইবনৃল ব্যবসা এর মা ৷ সাঈদ ইবন আবু আরুরা (র)-ও কাতাদা (র) থেকে অনুরুপ
বর্ণনা করেছেন
বর্ণনাকারী (ইবন সাদ) বলেন, নবী করীয (সা) হাবীবা বিনতুল আব্বাস ইবন আবদুল
যুত্তালিবকেও বিবাহের প্রস্তাব করেছিলেন ৷ পরে দেখা গোল যে, তার পিতা (আব্বাস) নবী
করীম (সা) এর দুধভ৷ ৷ই ৷ আবু লাহাবের বাদী ছুওয়ায়বিয়৷ তাদের দৃ জনকে দুধ পান
করিয়েছিলেন ৷

এ ই হচ্ছে নবী পত্নীগণের পুর্ণাঙ্গ বিবরণ ৷ এদের মোট তিন প্ৰক৷ রে বিন্যাস করা যায় ৷

প্রথম প্রকার যাদের সং গে নবী কবীয (সা ) বাসর করেছেন এবং তাদের রেখে ইনতিকাল
করেছেন ৷ এরা হলেন আলোচনার সুচনায় উল্লেখিত নয় জন ৷ নবী করীয (না)-এর ওফাতের

গ্রে এদ্যে৷ কাউকে বিবাহ করা উম্মদুতর জন্য হারাম এবং এটি সর্বসম্মত্তভা ৷বে শ্ ৷রীআ ৷দুতর
অ্যাংঘনীয় বিধি ৷ এদের জীবনের পরিসম৷ প্তিই এদের ইদ্দদুতর পরিসীমা ৷ আল্লাহ
অ্যাংালা বলেছেন,

“দুতামাদুদর কারো পক্ষে আল্লাহর রাসুলদুক কষ্ট দেয়৷ অথবা তার মৃত্যুর পর তার পত্নীগণকে
বিবাহ করা কখনও সংগত নয়” আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা ঘোরতর অপরাধ” (৩৩ : ৫৩) ৷
দ্বিতীয় প্রকার : যাদের সংগে নবী কবীম (সা) বাসর করেছেন এবং পরে স্বীয় জীবদ্দশায়
তাদের তালাক দিয়েছেন ৷ এখন, নবী করীম (না)-এর দেয়া তালাকের ইদ্দত শেষ হয়ে গেলে
এদের জন্য অন্যকে বিবাহ করা বৈধ কিনা ? এতে আলিমগণের দু’টি মতামত রয়েছে ৷ প্রথম
অভিমত হল, বৈধ নয় ৷ এ অভিমত পােষণকারীদের যুক্তি হল, পুর্বোক্ত আয়াতের ব্যাপকতা
(অর্থাৎ ঐ বিধি নবী-পত্নীরুপে আখ্যায়িত সকলের জন্যই প্রযোজ্য) ৷ দ্বিতীয় অভিমত হল, হী,
বৈধ ৷ এদের যুক্তি হচ্ছে, ইখতিয়ার প্রদান সুচক আয়াত আল্লাহ পাকের বাণী-
৷ )১া

“হে নবী তুমি তোমার স্তীদের বলে দাও, ভোমরা যদি পা ৷র্থিব জীবন ও তার শোভা
কামনা কর, তবে এসো, আ ৷মি তোমাদের ভোগ সামগীর ব্যবস্থা করে দিই এবং সৌজন্যের
সাথে দুতামাদের বিদায় করে দিই ৷ আর যদি তোমরা আল্লাহ এবং তার রাসুল ও আখিরাত
কামনা কর, তবে দুতামাদুদর মধ্যে যারা সৎকর্মশীলা, আল্লাহ তাদের জন্য মহা প্রতিদান প্রস্তুত
করে রেখেছেন (আহযাব, ২৮-২৯) ৷

বৈধতা ৷র অভিমত পােষণক ৷রিগণ বলেন, এ আয়াতে নবী কবীম (সা) এর সং দুগ সম্পর্কচ্যুত্ত
তার ত্রীদের ব্যাপক ইখতিয়ার দেয়া হয়েছে ৷ এখন, নবী করীম (সা)৩ তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে
দেয়ার পরেও যদি অন্যত্র বিবাহিত৷ হওয়া তাদের জন্য বৈধ না হয় এবং তার বিচ্ছেদ যদি
অন্যদের জন্য তা ৷দুদরদুক বৈধ করে না দেয়, তা হলে (একদিকে নবী করীম (সা) এর সংগ

দুরনার ক্ষতি এবং সেই সাথে) দুনিয়া ও আ ৷থিরাদু৩ র মাঝে ইখতিয়৷ ৷র প্রদানের কো নও অর্থ
থাকবে না ৷ যুজ্যি বিচারে এ অভিমত সবল ৷ আল্লাইে সর্বাধিক অবগত ৷

তৃতীয় প্রকার : নবী বল্লীম (সা) যাদের বিবাহ করেছেন, তবে তাদের সংগে নিভৃতবাস
করার আগেই তালাক দিয়েছেন ৷ এ ধরনের নারীদের বিবাহ করা অন্যদের জন্য বৈধ এবং এ
প্রকারের ক্ষেত্রে কোন মতঅেদর কথা আমার জানা নেই ৷ আর এ প্রকারের অতিরিক্ত
শ্যাদেরদুক নবী করীম (সা) প্রস্তাব পাঠিয়েদুছন, তবে পরিণয় সুত্রে আবদ্ধ করেননি, তাদের জন্য
তো অন্যত্র বিবাহিত হওয়া সংগত ও সমীচীনই থাকবে ৷ কিতাবুল খাসাইস’ (বৈশিষ্টাবলী
অধ্যাদুয়)-এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি স্বতন্ত্র অনুচ্ছেদ সংযোজিত হবে ৷ আল্লাহই সৰ্বাধিক অবগত ৷

নবী কবীম (না)-এর বীদীগণের বিবরণ

নবী কবীম (সা) এর বাদী ছিলেন দুজন ৷ তাদের একজন মারিয়া ৰিনত শামউন কিরতী
(মিশরী) ৷ আলেকজাদ্রিয়ার শাসনকর্তা জুবারজ ইবন মীন৷ নবী কবীম (সা) এর সকাশে
র্তাকে উপহার হিসাবে পাঠিয়েছিলেন ৷ উপহার সামঘীর মধ্যে তার সংগে আরো ছিলেন র্তার
বোন শীরীন ৷ আবু নৃআরম (র) উল্লেখ করেন, উপহার প্রদত্ত চারটি বীদীর মধ্যে তিনি ছিলেন
অন্যতমা ৷ আল্লাহই সর্বাধিক অবগত ৷ আর ছিল একটি থােজা ৷;গালাম, যার নাম ছিল মাবুর
এবং দৃলদুল’ নামের একটি খচচর ৷ নবী কবীম (সা) তার এ উপহার সামগ্রী গ্রহণ করেন এবং
নিজের জন্য মারিয়াংক বেছে নেন ৷ মারিয়া ছিলেন মিশরের সানা জেলার হাফন নড়ামক
জনপদের যেয়ে ৷ ঘুআবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান (বা) তার শাসনামলে এ অঞ্চলের লোকদের
যিজিয়া রহিত করে দিয়েছিলেন এ মারিয়ার সম্মানে ৷ কারণ, তিনি রড়াসুলুল্লাহ (সা) এর পুত্র
সন্তান ইবরাহীমকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন ৷

বর্ণনাকারী বলেন, মারিয়া ছিলেন সুন্দরী ও গৌরবর্ণ ৷ তার সৌন্দর্যে রাসুলুল্লাহ (সা) মুগ্ধ
হন ৷ তিনি তাকে তলেবাসতেন এবং তিনি ছিলেন তার দৃষ্টিতে বিশেষ মর্যাদার অঘিকারিণী;
বিশেষত পুত্র ইবয়াহীন (আ) কে জন্ম দেয়ার পরে ৷ আর বাসুলুল্লাহ (না) তার বোন শীবীনকে
হিবা’ করে দিয়েছিলেন হাসসড়ান ইবন ছাবিতকে (বা) ৷ এ শীরীনের পর্তে জন্মগ্রহণ করেন তার
পুত্র আবদুর রহমান ইবন হাসসান (বা) ৷ আর থােজ৷ গ্রেল্যেম মাবুও মিশরে থাকাকালীন তার
অভ্যাস অনুসারে এখানেও অনুমতি গ্রহণ বাতিরেকে (পর্দা না করে) মারিয়া ও শীবীনের কাছে
আসা-মাওয়া করতেন ৷ এ কারণে কিছু লোক মারিয়া সম্পর্কে ঐ বিষয়টি নিয়ে উচচ-বাচ্য
করেন ৷ তার থােজা হওয়ার ব্যাপারটি তাদের জানা ছিল না ৷ অবশেষে বিষয়টি তাদের কাছে
প্রকাশ পেয়ে গেল(তার বর্ণনা পরবর্তীতে আসছে) ৷ আর খচ্চরটিতে নবী কবীম (সা)
আরোহণ করতেন ৷ বলাবাহুল্য, হনায়ন অভিযানে নবী কবীম (না) ঐ খচ্চরেই আরােহী
ছিলেন ৷ এ খচচরটি নবী কবীম (সা)এর পরেও বিদ্যমান ছিল এবং দীর্ঘ দিন বেচে ছিল ৷
এমনকি আলী (বা) এর খিলাফতকড়ালে সেটি তার বাহন ছিল ৷ আলী (রড়া)এর মৃত্যুর পরে
সেটি আবদুল্লাহ ইবন জাফার ইবন আবু তালিব (রড়া)এর কাছে ছিল ৷ এটি অতিশয় বুড়িয়ে

য়েছিল বিধায় তার খাবারের জন্য তাকে যব এর জাউ পাকিয়ে দেয়া হত ৷

আবু বকর ইবন খুযায়মা (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ ইবনঃ উবায়দুল্লাহ (র)
বৃরায়দা ইবনুল হুসায়ব (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, কিরতী শাসক রড়াসুলুল্লাহ (সা) এর
জন্য দুই তরুণী বোনকে উপহার পাঠিয়েছিলেন ৷ তাদের সংগে ছিল একটি খন্ডের ৷ তিনি
মদীনায় এ খচচরটিতে আরোহণ করতেন ৷ দুই তরুণীর একজনকে তিনি নিজের জন্য গ্রহণ
করলেন এবং তিনিই তীর পুত্র ইরড়াহীমের পর্ভধারিনী ৷ অন্যজনকে তিনি হেব৷ করে দিলেন ৷
ওয়াকিদী (র) বলেন, ইয়াকুব ইবন মুহাম্মদ ইবন আবু সাসাআ (র) আবদুল্লাহ ইবন আবদুর
রহমান ইবন আবু সাসাআ (র) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) মারিয়া
কিবতিয়াকে অত্যন্ত পসন্দ করতেন ৷ তিনি ছিলেন সুন্দরী ও মনােহর কৌকড়ানো কশধারিণী ৷
নবী কবীম (সা) মারিয়ার বোন সহ উম্মু সুলারম রিনত যিলহাম (বা) এর বাড়িতে তার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.