রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

নবী করীম (সা) এর কাফনের বিবরণ

নবী করীম (সা) এর কাফনের বিবরণ

নিংড়িয়ে দিয়ে পরে তাকে কাফন পারিয়ে দেয়া হল এবং আগের বাতি ও ( ১১) সুগন্ধি ঘীসের
ধুয়া দিয়ে তারা তাকে তুলে নিয়ে তার ঘাটের উপরে রেখে দিলেন এবং তার পবিত্র দেহ
আবৃত করে রাখলেন ৷ এটি একটি বিরল বর্ণনা ৷

নবী করীম (না) এর কড়াফনের বিবরণ

ইমাম আহমদ (র) বলেন, ওলীদ ইবন মুসলিম (র), আইশা (বা) সুত্রে বর্ণিত ৷ তিনি
বলেন, রাসুলুল্লাহ (না)-কে একটি য়ামানী ভোরাদার কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছিল, পরে তা
তুলে রাখা হয় ৷ আইশা (রা)-এর অধস্তন রাবী ও ভ্রড়াতুম্পুত্র কাসিম (র) বলেন, যে কাপড়ের
অবিশিষ্ঠাংশ অজও আমাদের কাছে রক্ষিত আছে ৷ এ সনদটি বুখারী মুসলিমের (র)
শতানুরুপ ৷ আবু দাউদ (র) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন আহমদ ইবন হাম্বাল সুত্রে এবং
নাসাঈ (র) মুহাম্মাদ ইবন মুছান্না ও মুজাহিদ ইবন মুসা (র) সনদে ৷

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন ইদরীস শাফিঈ (র) বলেন, মালিক (র) আইশা (যা) থেকে
বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (না)-কে কাফন পারড়ানো হয়েছিল তিনখান সাদা সাহুলী
(য়ামানী) কাপড়ে, তাতে কোন কামীস বা পাগড়ী ছিল না ৷ বুখারী (র)-ও অনুরুপ ইসমাঈল
ইবন ইদরীস (র) সুত্রে (মালিক হতে) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম আহমদ (র)
বলেছেন, সুফিয়ড়ান (র) আইশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা) কে তিনখানা সাহুলী সাদা
কাপড় দিয়ে কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ মুসলিম (র) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন সুফিয়ার ইবন
উয়ায়না (র) সুত্রে এবং বুখারী (র) আবু নুআয়ম (র) সুত্রে ৷ আবু দাউদ (র) বলেছেন,
কুতড়ায়বা (র)আইশা (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (না)-কে তিনখানা সাদা
য়ামড়ানী নুতী কাপড় দিয়ে কাফন দেয়া হয়েছিল, যাতে কোন কামীস বা পাগড়ী ছিল না ৷
বর্ণনাকারী (উরওয়া) বলেন, তখন দৃখানি কাপড় ও একখানি ভোরাকায় চাদর সম্পর্নিত
অন্যদের উক্তি আইশা (রা) এর কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, চাদর আনা হয়েছিল
বটে, তবে তা ফিরিয়ে দিয়ে হয়েছিল এবং তা দিয়ে তাকে কাফন দেয়া হয়নি ৷ মুসলিম (র)
আবু বকর ইবন আবু শায়বা (র) সুত্রে হাদীসটি অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ বায়হাকী (র)
বলেছেন, হাফিয আবু আবদুল্লাহ (র) আইশড়া (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ
(সা)-কে কাফন পরানাে হয়েছিল তিনখানি সাদা সাহুলী সুভী কাপড়ে, যাতে কোন কামীসও
ছিল না কোন পাগড়ীও না ৷ তবে নতুন চাদরের বিষয়টিতে মুলত লোকেরা বিভ্রান্তির শিকার
হয়েছে ৷ বস্তুত৪ এক প্রস্থ নতুন কাপড় তাকে কাফন পরাবার উদ্দেশ্যে খরিদ করা হয়েছিল ৷
পরে তা আর ব্যবহার করা হয়নি ৷ আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর (বা) তা নিয়ে নেন এবং বলেন
এটি আমি রেখেই দিব যাতে আমাকে এটি দিয়ে কাফন দেয়া যায় ৷ পরে তিনি বললেন,
আল্লাহ যদি তার নবী করীম (সা) এর জন্য এটি পসন্দকরতেন তবে অবশ্যই এটিকে তার
কাফন বানাতেন ৷ পরে তিনি সেটি বিক্রি করে তার মুল্য দান করে দেন ৷

মুসলিম (র) তার সহীহ্-তে এ হাদীসটি য়াহ্য়া ইবন য়াহ্য়া (র) প্রমুখ সুত্রে আবু মুআৰিয়া
(র) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ বায়হাকী (র)-এর পরবর্তী রিওয়ায়াত হচ্ছে, হাকিম (র)

আইশা (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) কে একটি ইয়ামাৰী ভোরাকাটা চাদর

দিয়ে কাফন দেয়া হয় ৷ চাদরটি ছিল আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর (রা) এর কাফনস্বরুপ , প্রথমে
তা র্তীকে পরড়ানাে হয়েছিল বটে কিন্তু পরে তা তুলে ফেলা হয় ৷ আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর
সেটি নিজের কাফনের জন্য তুলে রড়াখলেও পরে এক সময় যে (তিনি) বলেন, আমি নিজের
জন্য এমন কিছু ধরে রাখতে চাইনা যাতে আল্লাহ তার রাসুলুল্লাহ (সা)কে কাফনরুগে মঞ্জুর
করেননি ৷ পরে তিনি চড়াদরটির মুল্য সাদাকা করে দেন ৷ ইমাম আহমদ (র) আরো বলেন,
আবদুর রাঘৃযাক (র) , আইশা (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (না)-কে তিনখানি
সাদা সাহুলী কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ নড়ামাঈ (র) এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন
ইসহাক ইবন রাহওয়ায়হ (র) সুত্রে, ইমাম আহমদ (র) বলেন, মিসৃর্কীন ইবন বুকায়র (র)
আইশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (না)-কে তিনটি য়ড়ামৰী রায়ত’ (চাদর)
কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ এ রিওয়ায়াত একাকী আহমদ (র)-এর ৷ আবু য়ালা আল
মড়াওসিলী (র) বলেন, সাহ্ল ইবন হাবীব আনসারী (র) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি
বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা)কে তিনখানি সাহুলী সাদা কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ সুফিয়ান
(র) ইবন উম্মার (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (না)-কে কাফন পরানাে হয়েছিল
তিন খানি কাপড়ে এবং কোন কোন রিওয়ায়াত রয়েছে দুইখানি সাহারী’ কাপড় এবং একটি
ভোরাদার ইয়ড়ামনী চাদরে ৷ ইমড়াম আহমদ (র) বলেন, ইবন ইদরীস (র) মিকসাম ইবন
আব্বাস (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (না)-কে তিনখানি কাপড় দিয়ে কাফন দেয়া
হয়েছিল (একখানি) তার যে কামীস যেটি তার মৃত্যুর সময় তার পরিধানে ছিল এবং নাজরানী
হুললা’ , হুললা’ হল এক জোড়া কাপড় ৷ আবু দাউদ (র) হাদীসটি আহমদ ইবন হাম্বাল ও
উহুমড়ান ইবন আবু শায়রা (র) সুত্রে এবং ইবন মাজা (র) আলী ইবন মুহাম্মদ (র) থেকে
অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তবে এ সনদটি অভিনয় বিরল ৷

ইমাম আহমদ (র) আরো বলেছেন, আবদুর রামযাক (র) ইবন আব্বাস (রা) থেকে
বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (না)-কে দুইখানি সাদা কাপড় এবং একটি লাল চাদর দিয়ে
কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ এ সনদে আহমদ (র) একাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ৷ আবু বকর
শাকিঈ (র) আলী ইবনৃল হাসান (র) ফাঘৃন ইবন আব্বাস (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (না)-কে কাফন দেয় হয়েছিল দুই থানি সাদা সহুলী কাপড় এবং একটি লাল
চাদরে ৷ আবু ইয়ালা (র) বলেছেন, লুলায়মান আশ-শাযকুনী (র), তিনি ফায ল (রা) থেকে
বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (না)-কে দুখানি সাদা সাহুলী কাপড়ে কাফন দেয়া
হয়েছিল ৷ (মধ্যবর্তী রড়াবী) মুহাম্মদ ইবন আবদুরর রহমান ইবন আবু লায়লা (র) এ বর্ণনা
অতিরিক্ত বলেছেন “এবং একটি লাল চাদরে ৷ আরো একাধিক বর্ণনাকড়ারী এ হাদীসটি
ইসমড়াঈল আল মুআদ্দিব (র) ফাঘৃল ইবন আব্বাস (বা) সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷ ফাযল (রা)
বলেন, রাসুলুল্পাহ (না)-কে দুখানি সাদা কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ ” এবং এ সুত্রে একটি
রিওয়ায়াত রয়েছে সাহুলী (কাপড়ে) সুতরাং আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

হাফিয ইবন আসাকির (র) আবু তাহির আল-মুখাল্পিস (র) সুত্রে আবু ইসহাক (র) থেকে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেন, আমি বনু আবদুল মুত্তালিবের একটি মজলিসে উপনীত
হলাম; র্তারা সেখানে যথেষ্ট সংখ্যায় ছিলেন ৷ আমি র্তীদের বললাম, রাসুলুল্লাহ (না)-কে

কয়থান৷ কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছিল? র্তীরা বললেন তিনখানি কাপড়ে, যায় মাঝে কোন
জামা বা কোন জুব্বা বা কোন পাগড়ী ছিল না ৷ আমি বাংলায়, বদর যুদ্ধে আপনাদের কত
জনকে বন্দী করা হয়েছিল ? র্তারা বললেন, আব্বাস, নাওফাল ও আকীলকে ৷ বায়হাকী (ব)
যুহরী (র) সুত্রে যায়নুল আৰিদীন (র) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা)-
কে তিনখানি কাপড় দিয়ে কাফন দেয়া হল, যার একখানি ছিল লাল রংএর ভোরাদার ইয়ামেনী
চাদর ৷ হাফিয ইবন আসাকির (ব) অন্য একটি সুত্রে আলী ইবন আবু তালিব (বা) থেকে
হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ৷ তবে সনদটির বিশুদ্ধত৷ প্রশ্রাভীত নয় ৷ আলী (বা) বলেন,
রাসুলুল্লাহ (না)-কে আমি দুইটি সাহুলী কাপড় এবং একটি ভোরাদার ইয়ামানী চাদর দিয়ে
কাফন পরিয়েছিলাম ৷ আবু সাঈদ ইবনুল আরাবী (র) বলেন, ইবরাহীম ইবনুল ওলীদ (র)
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, দুইখানি রায়তা এক হারা চাদর এবং একখানি
নড়াজরানী চাদর দিয়ে রাসুলুল্লাহ (না)-কে কাফন দেয়া হয়েছিল ৷ আবু দাউদ আৎ তড়ায়লিসী
(র)-ও হিশাম ও ইমারান আল কাত্তান (র)আবু হুরায়রা (বা) লনদে অনুরুপ রিওয়ায়ড়াত
করেছেন ৷ রাবী ইবন সুলায়মান (র)-ও আসাদ ইবন মুসা (র) , উম্মু সালড়ামা (রা) থেকে
হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) কে তিনখানি কাপড়ে কাফন
দেয়া হয়েছিল, যার একখানি ছিল নড়াজরানী চাদর ৷ বায়হাকী (র) বলেন, আমরা পুর্বেই আইশা
(রা) সুত্রে (নয়া লেড়াকেদের ভ্রড়ান্তির শিকার হওয়ার কারণ বর্ণনা করে এসেছি যে, সে চাদরটি
সরিয়ে নেয়া হয়েছিল ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

, বায়হাকী (র)-এব পরবর্তী রিওয়ায়াত : মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন খুযায়মা (র) হারুন
ইবন সাঈদ (র) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, আলী (রা)-এব কাছে এতটুকু মিশৃক ছিল; তিনি
তা দিয়ে তার কাফনে সুগন্ধি মাখাবার ওসিয়ত করলেন এবং বললেন, এ যিশৃক বাসুলুল্পাহ
(না)-এর কাফনের ব্যবহৃত সুগন্ধির বেচে যাওয়া অংশ ৷ ইবরাহীম ইবন মুসা (ব) সুত্রে আলী
(রা) হতেই বায়হাকী (র) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং অনুরুপ উল্লেখ করেছেন ৷

নবী করীম (সা) কে গোসল দানের বিবরণ

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আশৃআছ ইবন তৃলায়ক হতে বর্ণিত, বায়হাকী (র)-এব ৰিওয়ায়াত এবং
আল ইস্পাহানীর বরাতে আল বায্যার (ব)-এব রিওয়ায়াত উভয় রিওয়ায়াত ইবন মাসউদ
(বা) হতে পুর্বেই উল্লিখিত হয়েছে ৷ এ হাদীসের সারকথা ছিল নবী করীম (না)-কে গোসল
দান সম্পর্কীত ৷ নবী পরিবারের পুরুষ সদস্যদের প্রতি তার ওসিয়াত ও নির্দেশ ছিল এই যে,
আমাকে আমার পরিধেয় এ কাপড়ে কিংবা ইয়াযানী কিংবা মিশয়ী সাদা কাপড়ে কাফন
দেবে ৷ কাফন পরানাে হয়ে গেলে র্তাকে তার কবরের পড়ে রেখে দিয়ে ফিরিশতড়াদের
সালাতের আবকাশ দেয়ার জন্য র্তারা বের হয়ে যাবেন এবং পরে তার আহ্লে বায়তের পুরুষ
সদস্যগণ এসে সালাত আদায় করবেন ৷ তারপরে অন্যান্য লোকেরা সকলেই, একাকী একাকী
সালাত আদায় করবেন ৷ অবশ্য হাদীসের বিশুদ্ধতা প্রশ্নসাপেক্ষ হওয়ার কথাও বিবৃভ হয়েছে ৷

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেন, হুসায়ন ইবন আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (বা) সুত্রে বর্ণিত
যে, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (না)-এর ওফাত হয়ে গোলে (জানাযার জন্য প্রথমে) পুরুষদের

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.