Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

নবী করীম (সা) এর মুবারক মাথা মুণ্ডনের বিবরণ

নবী করীম (সা) এর মুবারক মাথা মুণ্ডনের বিবরণ

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আহ্মদ ইবনুল হাজ্জাজ (র) ইবন আব্বাস (বা) হতে, তিনি
বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) জামরাতুল আকাবায় কংকর মারার পরে কুরবানী করলেন এবং তারপর
মাথা কামালেন ৷

ওদিকে ইবন হাযম (র) দাবী করেছেন যে, নবী করীম (সা) তার বিবিগণের পক্ষে একটি
গরু কুরবানী করেছিলেন মিনায় তিনি একটি গরু কুরবানী জন্য নিয়ে এসেছিলেন ৷ আর তিনি
নিজে দুটি সৃশ্ৰী ও হৃষ্টপৃষ্ট দুম্বা কুরবানী করেছিলেন ৷

নবী কধীম (সা) এর সুবারক মাথা মুণ্ডনের বিবরণ

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবদুর রাযযাক (র) ইবন উমর (বা) হতে এ মর্মে যে, বর্ণনা
করেন রাসুলুল্পাহ (সা) তার হরুজ্জ মাথা মুণ্ডন করেন ৷ নাসাঈ (র)-ও এ হাদীস রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ বুখারী (র) বলেন, আবুল য়ামান (র) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) বলতেন, রাসুলুল্লাহ
(সা) তার হভ্রুজ্জর সময় মাথা মুণ্ডন করেছিলেন ৷” মুসলিম (র)-এ হাদীসটি রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ বুখাবী (র) আরো বলেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আসমা (র) নাফি (র) হতে
এ মর্মে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা) এবং তার সাহাবীগণের একটি
দল মাথা ঘুণ্ডালেন এবং অন্য কতকে চুল ছাটিয়ে ফেললেন ৷ মুসলিম (র)-ও এ হাদীসটি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ এতে তিনি অধিক বলেছেন, আবদুল্লাহ (বা) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা)
বললেন, “আল্লাহ (মাথা) মুণ্ডনকারীদের রহম করুন ৷ (একবার কিৎবা
দুবার) ভীরা (সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রড়াসুলুল্পাহ! “আর চুল যারা ছাটাই করেন তাদেরও ? ৷
তিনি বললেন “আর চুল যারা ছটিাই করে তাদেরও (রহম করুন) ! “মুসলিম (র)
আরো বলেন, আবু বকর ইবন আবু শায়বা (র) ওর্কী ও আবু দাউদ তায়ালিসী)ইয়াহয়া
ইবনুল হুসায়ন (র)-এর দাসী সুত্রে বনর্না করেছেন, বিদায় হরুজ্জ রাসুলুল্লাহ (না)-কে মাথা
মুণ্ডনকারীদের জন্য তিনবার এবং চুল ছাটাই কারীদের জন্য এক বার দুআ করতে শুনেছেন ৷
তবে রাবী ওকী (র) বিদায় হব্লুজ্জ’ শব্দটি বলেন নি ৷ অনুরুপ, মুসলিম (র) এ হাদীসটি মালিক
ও আবদুল্লাহ (উবায়দুল্লাহ) (র) সুত্রে ইবন উমর হতে; ভিন্ন সনদে আবু হুরায়রা (বা) হতে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ন্

মুসলিম (র) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবন ইয়হ্ইয়া (র) আবাস (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন
যে, রাসুলুল্লাহ (সা) মিনায় আগমন করে জামরড়ার কাছে পৌছলেন এবং ৎকর মারার পরে
মিনার অবস্থান ক্ষেত্রে ফিরে এলেন এবং কুরবানী করলেন ৷ তারপর ফৌরকারকে কামাও
“বলে মাথার ডান দিকে ইংগিত করলেন, তারপর বাম দিকে ইংগিত করলেন ৷ তারপর কর্তিত
চুল লোকদের দিয়ে দিতে লাগলেন ৷ একটি রিওয়ায়াত রয়েছে যে, তিনি তার মাথার ডান
দিক কামিয়ে তার কেশ এক পাছি দুপাছি করে লোকদের মাঝে বন্টন করে দিলেন এবং বাম
দিকের চুল আবু তালহা (রা) কে দিয়ে দিলেন ৷ তার অন্য একটি রিওয়ায়াত রয়েছে যে, নবী
করীম (সা) ডান দিকের অংশ আবু তালহা (বা) কে দিয়েছিলেন, এবং বাম দিকের অংশও
তাকে দিয়ে তা জনতার মাঝে বিতরণ করে দিতে বললেন ৷ ইমাম আহ্মদ (র) আরো বলেন,
সুলায়মড়ান ইবন হড়ারব (র) আনন্দে (বা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি

রাসুলুল্লাহ (না)-কে দেখেছি যখন ফৌরকার তার মাথা মুওন করে দিচ্ছিল! এবং তার
সাহাবীগণ তাকে ঘিরে রেখেছিলেন ৷ এ উদ্দেশ্যে যে, প্রতি গাছি কোণ যেন কারো না কারো
হাতে পড়ে ৷ ” এ রিওয়ায়াত একাকী আহমদ (র)-এর ৷

ফরয তাওয়াফের আগে সাধারণ পোশাক পরিধান ও সুগন্ধি ব্যবহার প্রসংগ

তারপর, নবী করীম (সা) জামরাতৃল আকাবায় কংকর মারা ও কুরবানী করার পরে এবং
বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করার আগে স্বাভাবিক পোষাক পরলেন এবং সুগন্ধি ব্যবহার করলেন ৷
উম্মুল মু’নিনীন আইশা (রা) র্তীকে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলেন ৷ এ প্রসৎগে বুখারী (র) বলেন,
আলী ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল মাদীনী (র) হতে এ মর্মে যে, তিনি আইশা (রা)কে বলতে
শুনেছেন, আমি আমার এ দু’হাত দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা)-কে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছি তার ইহরাম
করার সময় এবং তাওয়াফ করার আগে, হালাল হওয়ার সময় তার হালাল হওয়ার উদ্দেশ্যে ৷
এ সময় আইশা (বা) তার দু’হাত প্রসারিত করে দেখলেন ৷ মুসলিম (র) বলেন, ইয়াকুব আদ-
দাওরার্কী ও আহ্মদ ইবন মানী (র) আইশা (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি
রাসুলুল্লাহ (না)-কে তার ইহরাম করার আগে এবং দশ তারিখ তাওয়াফ করার আগে তার
হালাল হওয়ার পুর্বে সুগন্ধি মাখিয়ে দিতাম তাতে মিশকও থাকতো ৷ নাসাঈ, শাফেরী ও
আবদুর রাজ্জাক (র)-ও অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেনসহীহ্ গ্রন্থদ্বয়ে ইবন জুরায়ক (র) হতে
(উরওয়া ও কাসিম) আইশা (রা) সুত্রে এমর্মে যে তিনি বলেছেন, বিদায় হরুজ্জ হালাল হওয়ার
সময় এবং ইহরাম বীধার সময় রাসুলুল্লাহ (সা) কে আমার দুহাত দিয়ে যড়ারীরাহ্’ সুগন্ধি রেনু
মাখিয়ে দিয়েছি ৷ মুসলিম (র)ও ভিন্ন সুত্রে এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

সুফিয়ান ছাওরী (র) বলেছেন, সালামা ইবন কুহায়ল (র) ইবন আব্বাস (রা) হতে, তিনি
বলেছেন, “তোমরা যখন জামরায় কংকর মারলে তখন তোমাদের উপরে হারাম কৃত সব কিছু
হালাল হয়ে গেল, তবে নারী সন্তোগ ছাড়া-যতক্ষণ না বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করো ৷ যা তখন
এক ব্যক্তি বলল, আর সুগন্ধি? হে আবুল আব্বাস ! তিনি বললেন, “রাসুলুল্লাহ (না)-কে তার
মাথায় (মিশক মাখড়াতে আমি দেখেছি; তা কি সুগন্ধি নয়?

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেন, আবু উবায়দা (র) উম্মু সালাম৷ (বা) হতে বর্ণনা করেন
তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (না) যে রাত যাপনের ক্ষেত্রে পালা করে ঘুরে আসতেন তাতে দশ
তারিখের (পুর্বে) রাত্রে রাসুলুল্লাহ ছিলেন আমার ঘরে ৷ তখন ওয়াহ্ব ইবন যামআ (রা) ও আবু
উমায়্যা গোত্রের এক ব্যক্তি জামা পরিহিত অবস্থায় এলে রাসুলুল্পাহ (সা) তাদের দু’জনকে
বললেন, তোমরা কি ইসাযা’ ফরম তাওয়াফ করেছে? তারা বললেন জী না ৷ রাসুলুল্লাহ (সা)
বললেন, তা হলে তোমাদের জামা খুলে ফেল, তারা জামা খুলে ফেললেন ৷ তখন ওয়াহ্ব (রা)
তাকে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা) এটা কেন? নবী কৰীম (সা) বললেন, “এ দিনটিতে
তোমাদের জন্য এতটুকু সুযোগ দেয়া হয়েছে যে, তোমরা জামরায় কংকর মেরে ফেললে এবং
কুররানী করে ফেললে যদি তা তোমাদের সাথে থাকে, তখন তোমাদের জন্য হারাম হয়ে
যাওয়া সব কিছু হতে হালাল হতে পারবেনারী সস্তোগ ব্যতীত ৷ যতক্ষণ না বায়তুল্লাহ্র
ফরয তাওয়াফ করে নাও ৷ আর যদি কংকর যেরে ফেললে কিন্তু ইফাযা’ করনি, তবে তোমরা

Leave a reply