নাস্তিকের ভয়!

এক আরব নাস্তিক ঈমান আনার পর, তার দিনলিপিতে লিখেছে, একরাতে লিখতে লিখতে রাত দু’টো বেজে গেল। লেখাটাতে আমি নানা যুক্তিতর্ক দিয়ে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি, আল্লাহর কোনও অস্তিত্ব নেই। আল্লাহ বলে কেউ নেই। থাকার কথা নয়। থাকতে পারে না। খাতাপত্র গুছিয়ে ঘুমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম। বাতি বন্ধ করতে গিয়ে, একটা আয়াত মনে পড়ল,
یُرِیدُونَ لِیُطۡفِـُٔوا۟ نُورَ ٱللَّهِ بِأَفۡوَ ٰ⁠هِهِمۡ وَٱللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِۦ وَلَوۡ كَرِهَ ٱلۡكَـٰفِرُونَ
তারা তাদের মুখ দিয়ে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তার নূরকে অবশ্যই পরিপূর্ণ করবেন, তা কাফেরদের জন্য যতই অপ্রীতিকর হোক (সাফ্ফ ৮)।
.
হাঁত কেঁপে উঠল। সুইচ বন্ধ করতে পারলাম না। চিন্তা হল, লেখাতে তো প্রমাণ করে দিয়েছি, আল্লাহ বলে কেউ নেই। কিন্তু বাস্তবে যদি আল্লাহ বলে কেউ থাকেনই, তাহলে কুরআনে যে যে আযাবের কথা বলা হয়েছে, সবই আমার উপর ভেঙে পড়ার কথা। এই অবস্থায় মারা গেলে, আমার কী পরিণতি হবে, সে দৃশ্য কল্পনা করে, ভয়ে বাতিটা বন্ধ না করেই শুয়ে পড়লাম। নির্ঘুম রাত কাটল। সকালে উঠে লেখাটা ছিঁড়ে ফেললাম। আগপিছ না ভেবে কুরআন খুলে বসলাম। কুরআনই আমাকে ঈমানের রাজপথে পৌঁছে দিয়েছে।