বনূ ফাযারা প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

গ্ৰে হিদেৰ ৷ জ্যো ব্যবস্থা করা হল বাংলা বিনতৃল হাব্লিছ-এর বাড়িতে ৷ ৰিলাল
শ্যে জ্জ র্দিম্বে ৩ ম্বক্সে বাবার পৌছে দিতেন ৷ তারা ইসলাম গ্রহণ করলেন এবং
ব্ষ্স্লে৷ মোঃ দায়িত্ব নিলেন ৷ হক্ষুজ্জর মওসুমে এ পােত্রটিই রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর
৩ জৰ৷ প্রতি সর্বাধিক কঠোর আচরণকারী ছিল ৷ প্রতিনিধি দলের মাঝে ঐ
ৰ্৷ ৰ্ৰ্ঠ্য ম্রকৃতিঃ৷ দোকদ্যে৷ একজন বিদ্যমান ছিল ৷ যাকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) দেখে চিনতে
ন্মঃ যে কাল, বাবতীর হামৃদ সে আল্লাহ্র যিনি আপনাকে সত্য বলে স্বীকার করে নেয়া
পর্যন্ত আমাকে ৰীচিয়ে রেখেছেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, (মানুষের) এ মনওলাে মহান মহীয়ান আল্লাহ্র কুদরতী হাতে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) খুযায়মা :
ইবন সাওয়া-এর ঢেহারায় হাত বুলিয়ে দিলেন, ফলে তা শুভ্র উজ্জ্বল হয়ে গেল ৷ নবী করীম
(সা) এ দলের সদস্যদেরও প্রতিনিধি দলকে যেরুপ দেয়া হতো সেরুপ উপচৌকন প্রদান
করলেন ৷ তারা নিজেদের এলাকায় ফিরে গেলেন ৷

রনুকিলাব প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

ওরাকিদী (র) উল্লেখ করেছেন, নবম হিজরীতে তা ৷দের তের সদস্যের প্রতিনিধি দলের
আগমন হল ৷ তাদের মাঝে ছিলেন কবি লাবীদ ইবন রাবীআ ও জব্বার ইবন সুলম৷ ৷ কা ব
ইবন মালিক (বা) ও জব্বারের মাঝে হৃদ্যতা ছিল, তাই তিনি তাকে সুস্বাগতম জানালেন
এবং তাকে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উপহার দিলেন ৷ তারা তা ব (বা) কে সাথে নিয়ে রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর খিদমাতে হাযির হয়ে ইসলামী য়ীতিডে তাকে সালাম করলেন ৷ তারা উল্লেখ
করলেন যে, যাহ্হাক ইবন সুফিয়ান আল কািাৰী আল্লাহর কিতাব ও তার রাসুলের সুব্লাহ্
অর্থাৎ আল্লাহ্র নির্দেশিত পথ ও পন্থার মোঃ র্ত্যদের ম্াৰে অ্যাংল্যে ৰ্দ্দ্রো
এবং তাদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান জনািক্রো ৷ তার৷ তার ত্মহ্বানে সড়ো দিম্নেহ ৷ বা
হোক মাহ্হাক ধ্র্নীদেব কাছ থেকে যাকাত-সাদকো উসৃল করে তা তার সম্প্রদায়ের গ্ৰীৰ্দেব
মাঝে বিতরণ করেছেন ৷

কিলাব-এর উপগােত্র রুআসী প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

ওরাকিদী (র) আরো উল্লেখ করেছেন, আমব ইবন মালিক ইবন কায়স (ইবন বুজায়দ ইবন
রুআস ইবন কিলাব ইবন রাবীআ ইবন আমির ইবন সাসাআ) নামের এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর খিদমতে এসে ইসলাম কবুল করলেন ৷ পরে স্বগােত্রে ফিরে গিয়ে তাদের আল্লাহ্র
পথে আহ্বান জানালেন ৷ তারা বলল, বনু উকায়ল আমাদের উপর যে চড়াও হয়েছিল, তার
প্রতিশোধে তাদের উপর পাল্টা চড়াও হওয়ার পরেই (আমরা ইসলাম গ্রহণ করব) ৷ এ
পর্যায়ে বর্ণনাকারী (ওয়াকিদী র ) বনু উকায়ল ও রুআসীদের মাঝের একটি যুদ্ধের বিষয়
আলোচনা করেছেন এবং এ আমব ইবন মালিক বনু উকায়লের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে
ফেলেছিলেন (এ ঘটনা রাসুল (না)-এর কানে পৌছে গেল) ৷ আমর (বা) বলেন, আমি আমার
দৃহাত রেড়িতে জড়িয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দরবারে উপস্থিত হলাম ৷ আমার এ সংবাদ তীর
কাছে পৌছে গিয়েছিল ৷ তিনি বললেন, আমার কাছে এলে রেড়ির উপর থেকে তার হাত
কেটে ফেলব ৷ আমি এসে তাকে সালাম করলাম ৷ তিনি সালামের জবাব না দিয়ে মুখ ঘুরিয়ে
নিলেন ৷ আমি তীর ডান দিক থেকে পুনরায় এলে তিনি মুখ ঘুরিয়ে নিলেন ৷ আমি আবার তার

বাম দিক থেকে এলাম ৷ এবারও তিনি মুখ ঘুরিয়ে নিলে আমি তার সামনে থেকে এসে
বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! মহান ও মহীয়ান আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করতে চাইলে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে
যান; আপনি আমার উপরে সন্তুষ্ট হউন আল্লাহ আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন ! তিনি বললেন ১এ
“আমি সন্তুষ্ট হয়ে গেলাম ৷

উকায়ল ইবন কাব গোত্রের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

ওয়াকিদী (র) বর্ণনা দিয়েছেন, র্তারা রাসুলুল্লাহ্ (না) সকাশে উপস্থিত হলে তাদের নামে
আল আকীক (বনু আকীলের উপত্যকা) উপত্যকা জাগীরস্বরুপ দিলেন ৷ আকীক হল থেত্ত;রে
গাছ ও পানির প্রস্রবণ বিশিষ্ট একটি ভুষ্তাগ ৷ একটি বিষয় একটি সনদপত্রও লিখে দিলেন,

বিসমিল্লাহির রড়াহ্মানির রাহীম, এ হল রাৰী ৷ মুতাবৃরিফ ও আনাসকে প্রদত্ত ঘুহাম্মাদৃর
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর ফরমান ৷ তিনি তাদের আকীক উপত্যকার জায়গীর বরাদ্দ দিয়েছেন যতদিন
তারা সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত আদায় করবে এবং আনুগত্য করে লেবে ৷ <;কান মুসলমানের
প্রাপ্য হক তাদের তিনি দেন নি ৷ এ সনদপত্র মুতাবৃরিফের হিফাজতে ছিল ৷ বর্ণনাকারী (ওয়াকিদী)
বলেন, আবু রাযীন লার্কীত ইবন আমির ইবনুল যুনতাফিক ইবন আমির ইবন উকায়লও এ সময়
প্রতিনিধিরুপে এসেছিলেন ৷ নবী করীম (না) তাকে আন-নাজীম’ কুপের বরাদ্দ দিলেন এবং তার
সম্প্রদায়ের অনুকুলে তার বায়আত গ্রহণ করলেন (তার আগমন ও আনুষঙ্গিক ঘটনা ও সুদীর্ঘ
হাদীস আমরা ইতোপুর্বে বিবৃত করে এসেছি আল-হড়ামদু লিল্লাহ্ ! )

কুশায়র ইবন কাব গোত্রের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

তাদের আগমন হয়েছিল বিদায় হরুজ্জর আগে, বরং হুনায়ন অতিযানেরও আগে ৷ তাদের
মাঝে বিশেষ উল্লেখযোগ্য নাম হল কুবৃরা ইবন হুবায়রা ইবন (আমির ইবন) সালামা আল
খড়ায়র ইবন কুশায়র, কুবৃরা (বা) ইসলাম গ্রহণ করলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে উপচৌকন
সামগ্রী দিলেন এবং তাকে একটি চাদরও পরিয়ে দেন ৷ তিনি তাকে তার গোত্রের যাকাত
উসুলকারী নিয়োগ করলেন ৷ কুবৃরড়া (বা) প্রত্যাবর্তনকালে এ কবিতা বললেন-

তাকে (আমার বাহন উটনী তথা তার আরোহীকে) রাসুলুল্লাহ্ (না) দান’ করলেন ৷ যখন
সে তার কাছে এসে উপস্থিত হল, তার জন্য ব্যবস্থা করলেন অফুরন্ত উপহার সামপ্রীর
রাওয়াদুল খাদির’-এ সে দ্রুত গতিতে পথ অতিক্রম করতে লাগল ৷ তখন সে মুহাম্মদের
নিকট থেকে তার প্রয়োজনওলাে পুরণ করে এসেছে ৷

তার আরােহী এক তরুণ, যার হাওদা’ দুর্নড়ামকে সহআরোহী করে না; উপায়হীন দ্বিধাপ্রস্ত
অক্ষম ব্যক্তির সেবার সে সদা আত্মনিবেদিত ৷

বনুল ৰাক্কা’ প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

বর্ণনা মতে এ দলের আগমন হয়েছিল নবম হিজরীতে এবং ৎখ্যায় এরা ছিলেন ত্রিশজন ৷
মুআবিয়া ইবন নুর ইবন (ঘুআবিয়া ইবন উবাদা উবনুল ধাক্কা) ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ৷

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.