Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

বনূ মুহারিব প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

বনূ মুহারিব প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

বাম দিক থেকে এলাম ৷ এবারও তিনি মুখ ঘুরিয়ে নিলে আমি তার সামনে থেকে এসে
বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! মহান ও মহীয়ান আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করতে চাইলে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে
যান; আপনি আমার উপরে সন্তুষ্ট হউন আল্লাহ আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন ! তিনি বললেন ১এ
“আমি সন্তুষ্ট হয়ে গেলাম ৷

উকায়ল ইবন কাব গোত্রের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

ওয়াকিদী (র) বর্ণনা দিয়েছেন, র্তারা রাসুলুল্লাহ্ (না) সকাশে উপস্থিত হলে তাদের নামে
আল আকীক (বনু আকীলের উপত্যকা) উপত্যকা জাগীরস্বরুপ দিলেন ৷ আকীক হল থেত্ত;রে
গাছ ও পানির প্রস্রবণ বিশিষ্ট একটি ভুষ্তাগ ৷ একটি বিষয় একটি সনদপত্রও লিখে দিলেন,

বিসমিল্লাহির রড়াহ্মানির রাহীম, এ হল রাৰী ৷ মুতাবৃরিফ ও আনাসকে প্রদত্ত ঘুহাম্মাদৃর
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর ফরমান ৷ তিনি তাদের আকীক উপত্যকার জায়গীর বরাদ্দ দিয়েছেন যতদিন
তারা সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত আদায় করবে এবং আনুগত্য করে লেবে ৷ <;কান মুসলমানের
প্রাপ্য হক তাদের তিনি দেন নি ৷ এ সনদপত্র মুতাবৃরিফের হিফাজতে ছিল ৷ বর্ণনাকারী (ওয়াকিদী)
বলেন, আবু রাযীন লার্কীত ইবন আমির ইবনুল যুনতাফিক ইবন আমির ইবন উকায়লও এ সময়
প্রতিনিধিরুপে এসেছিলেন ৷ নবী করীম (না) তাকে আন-নাজীম’ কুপের বরাদ্দ দিলেন এবং তার
সম্প্রদায়ের অনুকুলে তার বায়আত গ্রহণ করলেন (তার আগমন ও আনুষঙ্গিক ঘটনা ও সুদীর্ঘ
হাদীস আমরা ইতোপুর্বে বিবৃত করে এসেছি আল-হড়ামদু লিল্লাহ্ ! ) ৷

কুশায়র ইবন কাব গোত্রের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

তাদের আগমন হয়েছিল বিদায় হরুজ্জর আগে, বরং হুনায়ন অতিযানেরও আগে ৷ তাদের
মাঝে বিশেষ উল্লেখযোগ্য নাম হল কুবৃরা ইবন হুবায়রা ইবন (আমির ইবন) সালামা আল
খড়ায়র ইবন কুশায়র, কুবৃরা (বা) ইসলাম গ্রহণ করলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে উপচৌকন
সামগ্রী দিলেন এবং তাকে একটি চাদরও পরিয়ে দেন ৷ তিনি তাকে তার গোত্রের যাকাত
উসুলকারী নিয়োগ করলেন ৷ কুবৃরড়া (বা) প্রত্যাবর্তনকালে এ কবিতা বললেন-

তাকে (আমার বাহন উটনী তথা তার আরোহীকে) রাসুলুল্লাহ্ (না) দান’ করলেন ৷ যখন
সে তার কাছে এসে উপস্থিত হল, তার জন্য ব্যবস্থা করলেন অফুরন্ত উপহার সামপ্রীর
রাওয়াদুল খাদির’-এ সে দ্রুত গতিতে পথ অতিক্রম করতে লাগল ৷ তখন সে মুহাম্মদের
নিকট থেকে তার প্রয়োজনওলাে পুরণ করে এসেছে ৷

তার আরােহী এক তরুণ, যার হাওদা’ দুর্নড়ামকে সহআরোহী করে না; উপায়হীন দ্বিধাপ্রস্ত
অক্ষম ব্যক্তির সেবার সে সদা আত্মনিবেদিত ৷

বনুল ৰাক্কা’ প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

বর্ণনা মতে এ দলের আগমন হয়েছিল নবম হিজরীতে এবং ৎখ্যায় এরা ছিলেন ত্রিশজন ৷
মুআবিয়া ইবন নুর ইবন (ঘুআবিয়া ইবন উবাদা উবনুল ধাক্কা) ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ৷

তখন তার বয়স ছিল একশ’ বছর ৷ তার সাথে ছিল তার ছেলে বিশৃর ৷ মুআবিয়া (বা)
বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আপনার পবিত্র হাতের স্পর্শে আমি বরকত হাসিল করছি ৷ আমি
তো বুড়াে হয়ে গিয়েছি ৷ আমার এ ছেলেটি বাপ-ভক্ত; আপনি তার যুখমণ্ডলে হাত বুলিয়ে
দিন! রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার মুখে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তাকে কয়েকটি বকরী দান করে
ৰেণ্ডেলিব জন্য বরকতের দুআ করে দিলেন ৷ ফলে তারা এর পরে কখনো দৃর্ভিক্ষ ও
ফসলহানীর বিপদে আক্রান্ত হন নি ৷ মুহাম্মদ ইবন বিশৃর ইবন মুআবিয়া (র) এ বিষয়টি নিয়ে

কবিতা রচনা করেছিলেন ৷

“আমার পিতা মোঃ রাসুল (সা) তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন এবং তার জন্য
কল্যাণ ও বরঅেন্সে দৃষ্! করেছিলেন ৷ আহমদ (সা) তীকে দিয়েছিলেন কয়েকটি বকরী
সেগুলি যেন ধীরগাৰী শীর্ণহাৰীধ্, কদাকার লোমশ নয় ৷

রোজ বিকেলে বস্তিৰ্ফ্লি দুধ্ দিয়ে পাত্র ভরে দিত; সকালে আবার তেমনি ভরে দিত ৷

এ দান বরকতপুর্ণন্ দ্যো তার দাতা; আমি বতদিন বেচে থাকবাে ততদিন পর্যন্ত তার
জন্য নিবেদিত আমার সালাত ৩ ন্মো ৷

বিলানা : প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

ওয়াকিদী তার একাধিক সনদে রিওয়ায়াত করেছেন, ওয়াছিলা ইবনুল আসকা আল লায়হী
রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে আগমন বললেন; তখন তিনি তাবুক অভিযানের প্রস্তুতি চুড়ান্ত
করছিলেন ৷ ওয়াছিলা নবী কয়ীম (না)-এর সাথে ফজরের সালাত আদায় করে স্বগােত্রে ফিরে
গেলেন এবং তাদেরকে রাসুল করীম (সা)-এর অভিযানের সংবাদ জানিয়ে তার সহযাত্রী
হওয়ার আহ্বান জানালেন ৷ তার পিতা তাকে বলল, আল্পাহ্র কসম! তোমাকে কিছুতেই বাহন
দিব না ৷ তার বোন তার কথা শুনতে পাচ্ছিল ৷ সে ইসলাম গ্রহণ করলো এবং ভাইয়ের
সফরের আসবাবপত্র যােপাড় করে দিল ৷ ওয়াছিলা (রা) কাব ইবন আজুরা (রা)-এর একটি
উটে চড়ে রড়াসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সফর সঙ্গী হলেন ৷

দুমাহ্-এর উকায়দিরের বিরুদ্ধে অভিযানে সেনাপতি খালিদ (রা)-এর সাথে রাসুলুল্পাহ্
(সা) এ ওয়াছিলা (রা)-কেও পাঠিয়েছিলেন ৷ বাহিনী ফিরে এলে ওয়াছিলা (বা) গনীমতের
শর্তকৃত অংশ (উটের মালিক) কাব ইবন আজুরা (না)-কে দিতে চাইলেন ৷ কাব (বা) অংশ
নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আমি আল্লাহর সভ্রষ্টি বিধানের উদ্দেশ্যেই তোমাকে বাহন
দিয়েছিলাম ৷

আশজা ণ্গাত্রীয় প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

ওয়াকিদী উল্লেখ করেছেন, আশজাঈদের আগমন হয়েছিল খন্দক যুদ্ধের বছর ৷ একশ
সদস্যের এ দলের দলপতি ছিলেন মাসউদ ইবন রুখড়ায়লা ৷ দলটি সালা পর্বতের গিরিপথে
অবস্থান নিয়েছিল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাদের কাছে গেলেন এবং তাদের জন্য খুরমা ভর্তি পাত্রে
মোঃ নির্দেশ দিলেন ৷ মতান্তরে তাদেব আগমন হয়েছিল বনু কুরায়জা অভিযানের পরে এবং
মোঃ দলের সদস্য সংখ্যা ছিল সাতশ’ ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে সন্ধিবদ্ধ হয়ে তারা
স্কিঘ্রস্নি এবং পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৷

Leave a reply