রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

বাংলাদেশে প্রচলিত গরু ছাগল বর্গা দেয়া ৷

বাংলাদেশে প্রচলিত গরু ছাগল বর্গা দেয়া ৷
প্রশ্ন
সম্মান প্রদর্শন পূর্বক আপনার কাছে আমার প্রশ্ন- বর্তমানে আমাদের গ্রামাঞ্চলে পশু বর্গা দেওয়ার একটি পদ্ধতি প্রচলিত আছে। পদ্ধতিটি হল-একজনের গরু বা ছাগল অন্যকে দিয়ে দেয় এ শর্তে যে, এ গরুটি বা ছাগলটি যখন বড় হবে তখন তা বাজারে বিক্রি করে যে দাম পাওয়া যাবে এর অর্ধেক লালন পালনকারী এবং অর্ধেক পশুটির মালিক পাবে। কিংবা এভাবে চুক্তি হয় যে, পশুটির প্রথম বাচ্চা পাবে লালন পালনকারী আর মূল পশু মালিকের রয়ে যাবে। এর বিনিময়ে মালিক কিছুই পাবে না। এ দু’টি পদ্ধতিতে চুক্তি করা কি শরীয়ত
সম্মত?
উত্তর
এরকম চুক্তি থেকে বিরত থাকা উচিত। তবে হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানবী রহঃ বলেছেন-এ পদ্ধতিটি হাম্বলী মাযহাবে জায়েজ। তাই কোন এলাকায় যদি এটি ব্যাপক প্রচলন হয়, আর এ ছাড়া আর কোন পদ্ধতি সহজ না হয়, তাহলে উক্ত পদ্ধতিটি হাম্বলী মাযহাব অনুযায়ী আমাদের মাযহাবেও জায়েজ হিসেবে করা যাবে। {ইমদাদুল ফাতওয়া-৩/৩৪২-৩৪৩}
‎ﻓﻰ ﻣﺠﻤﻮﻋﺔ ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺍﺑﻦ ﺗﻴﻤﺔ- ﻟﻮ ﺩﻓﻊ ﺩﺍﺑﺘﻪ ﺃﻭ ﻧﺨﻠﻪ
‎ﺇﻟﻰ ﻣﻦ ﻳﻘﻮﻡ ﺑﻪ ﻭﻟﻪ ﺟﺰﺀ ﻣﻦ ﺛﻤﺎﻧﻴﺔ ﺻﺢ . ﻭﻫﻮ ﺭﻭﺍﻳﺔ
‎ﻋﻦ ﺃﺣﻤﺪ ﻋﻦ ﺍﺧﺘﻴﺎﺭﺍﺕ 145 ، 146 ﻑ /2 220 ،
‎‏( ﻣﺠﻤﻮﻋﺔ ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺍﺑﻦ ﺗﻴﻤﺔ، ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺒﻴﻊ، ﺑﺎﺏ ﺍﻟﺸﺮﻛﺔ
প্রশ্নে বর্নিত ১ম সূরতের উত্তম পদ্ধতি হলো,
যে পশুটি বর্গা দিতে চাচ্ছে, একটি নামমাত্র দাম ধরে যার কাছে বর্গা দিতে চাচ্ছে তার কাছে বিক্রি করে দিবে। আর যে টাকাটি বিক্রি হিসেবে মালিক পেল তা এক বা দুই বছর নির্ধারিত করে লালন পালনের মুজুরী হিসেবে পশু গ্রহিতাকে প্রদান করবে। এখন উভয়ে উক্ত পশুটির অর্ধেক অর্ধেক মালিক। সে হিসেবে পশুটির বাচ্চা ও দুধ ইত্যাদি সমান সমান ভোগ করতে পারবে। শরয়ী কোন সমস্যা এতে নেই। ২য় সূরতের উত্তম পদ্ধতি হলো, যার কাছে বর্গা দিতে চাচ্ছে তার সাথে এভাবে চুক্তি করবে যে, তুমি এক বছর আমার পশুটি লালন পালন কর, আমি তোমাকে কথার কথা একশত টাকা দিব। তারপর এক বছর পর যদি মালিক বাছুর নিতে চায়, তাহলে একশত টাকা পরিশোধ করে বাছুর নিয়ে নিবে। আর যদি লালনপালনকারী বাছুর নিতে চায়, তাহলে একশত টাকা নেবার বদলে বাছুরটি নিয়ে নিবে উভয়ের সন্তুষ্টিতে। এভাবে চলতে থাকলে এতে কোন শরয়ী বিধিনিষেধ নেই। ইমদাদুল ফতওয়া ৩/৩৪২, ৩৪৩৷ উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন
01756473393
উত্তর দিয়েছেন : মুফতি মেরাজ তাহসিন

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.