বি.বাড়িয়া জেলায় আমাদের (মালিক সমিতির) একটি সিএনজি-স্কুটারের গ্যারেজ আছে। সেখান…

প্রশ্ন

বি.বাড়িয়া জেলায় আমাদের (মালিক সমিতির) একটি সিএনজি-স্কুটারের গ্যারেজ আছে। সেখান থেকে সিএনজি-স্কুটার ভাড়া দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ট্রাফিক আইন অনুযায়ী এক জেলার গাড়ি অন্য জেলায় যাওয়ার অনুমতি থাকলেও ট্রাফিকরা অনেক সময় দুর্নীতি করে। বি.বাড়িয়ার সিএনজি কুমিল্লা বা অন্য কোনো জেলায় গেলে ভুয়া কারণ দেখিয়ে জরিমানা করে। জরিমানা না দিলে কখনো মিথ্যা মামলা দিয়ে গাড়ি আটক করে রাখে। এজন্য আমরা মালিক কর্তৃপক্ষ আমাদের সিএনজির সকল ড্রাইভারকে (যারা সিএনজি ভাড়া নিয়ে থাকে তাদেরকে) বি.বাড়িয়া জেলার বাইরে যেতে নিষেধ করে দিয়েছি, কিন্তু ড্রাইভাররা মাঝেমধ্যে জেলার বাইরে চলে যায়, ফলে কখনো কখনো ট্রাফিকদের অন্যায় জরিমানার সম্মুখীন হয়। তখন ড্রাইভাররা বলে যে, আমরা তো ট্রাফিক আইন অমান্য করিনি। তারপরও ট্রাফিকরা জরিমানা করেছে। তাই এর কিছু অংশ আপনাদের মালিক সমিতিরও বহন করতে হবে। জানার বিষয় হল, উক্ত জরিমানা কি আমাদেরকেও বহন করতে হবে?

উত্তর

সিএনজি মালিক কর্তৃপক্ষ যেহেতু পূর্ব থেকেই সকল ড্রাইভারকে জেলার সীমানা অতিক্রম করতে নিষেধ করে দিয়েছে তাই ড্রাইভারদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা বৈধ নয়। সুতরাং ড্রাইভাররা যদি মালিকদের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জেলার সীমানা অতিক্রম করে এবং এ কারণে কোনো জরিমানার সম্মুখীন হয় তাহলে তা ড্রাইভারকেই দিতে হবে। এই জরিমানা বা তার অংশ বিশেষ মালিক পক্ষ দিতে বাধ্য থাকবে না।

উল্লেখ্য, বিনা কারণে কারো উপর জরিমানা করা মারাত্মক অন্যায় ও গুনাহর কাজ। সংশ্লিষ্ট সকলের এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়া জরুরি।

-মাজাল্লাতু আহকামিল আদলিয়া, মাদ্দা : ৬০০, ৬০১; আলজাওহারাতুন নাইয়িরা ১/৩৩৯; মাজমাউল আনহুর ৩/৫২৫; শরহু মুখতাসারিত তাহাভী ৩/৩৯৪

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.