buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

ভিন্ন সূত্রে হযরত আনাসের আরেকটি বর্ণনা

ওয়াকিদী বলেন, এই যুদ্ধাভিযানে মুসলমানদের সাথে প্রায় বার হাজার উট এবং অনুরুপ
, ৎথ্যা ঘোড়া ছিল ৷ আর মুসলমানদের যোদ্ধা সংখ্যা ছিল ত্রিশ হাজার ৷ রাবী বলেন, এ সময়
এত অধিক পরিমাণ বৃষ্টি বর্নিত হল যে, তা’ ভুপৃষ্ঠকে প্লাবিত করে ফেলল, এমন কি গর্ত ও
নালাসমুহের পানি একটা থেকে উপচে অন্যটড়াতে পৌছতে লাগল ৷ আর সেটা ছিল গ্রীষ্মের
প্রচন্ড দাপদহে ৷ তার প্রতি আল্লাহ্র সালাত-সালাম ৷ আর বিশুদ্ধ সহীহ হাদীসে নবী করীম
(সা)-এর এরুপ কত ঘটনা বিদ্যমান ৷ ইতিপুর্বে বর্ণিত হয়েছে যে, কুরায়শদের হঠকারিতা ও
ঔদ্ধত্যের কারণে তিনি যখন বদদুআ করলেন, যেন আল্লাহ্ ইউসুফ আলইিহিস সালামের
কালের দৃর্ভিক্ষের সাত বছরের ন্যায় সাত বছর দ্বারা কুরায়শদের আক্রান্ত করেন, তখন তারা
এমন দুর্ডিংক্ষর শিকার হল, যা সবকিছু নিঃশেষ করে দিল ৷ ফলে তারা হাড়, কুকুর, নিম্নমানের
ইলহীজ শাক প্রভৃতি আখাদ্য যেতে বাধ্য হল ৷ তারপর আবু সুফিয়ান তার কাছে এসে তাদের
এই দুরবন্থা দুর করার জন্য দু’আর সুপারিশ করলেন ৷ তখন তিনি দুআ করলেন ৷ ফলে তাদের
এই দৃরবস্থা উঠিয়ে নেয়া হয় ৷ বুখারী হাসান ইবন মুহাম্মাদ আনাস ইবন মালিক সুত্রে
বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব অনাবৃষ্টি দেখা দিলে হযরত আববড়াসের
ওসীলায় বৃষ্টি প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন হে আল্লাহ পুর্বে আমরা আপনার কাছে আমাদের
নবীর ওসীলায় ফলে আপনি আমাদেরকে বর্ষণসিক্ত করতেন ৷ আর এখন আমরা আপনার নবীর
চাচার ওসীলায় আপনার নিকট বৃষ্টি প্রার্থনা করছি আপনি আমাদেরকে বর্ষণসিক্ত করুন ৷ ৱাবী
বলেন, এভাবে তারা বৃষ্টি লাভ করতেন ৷ এটি বুখারীর একক বর্ণনা ৷

ভৃমণ্ডলীয় মুজিযাসমুহ

এর মধ্যে কোনটি জড়বন্তুর সাথে সম্পৃক্ত আর কোনটি জীব-জন্তুর সাথে ৷ জড়বন্তুর সাথে
সম্পৃক্ত মু’জিযাগুলির অন্যতম হল, বিভিন্নভাবে একাধিক স্থানে পানি বৃদ্ধিকরণ ৷ অচিরেই
আমরা এর বর্ণনা সুএসহ উল্লেখ করব ৷ আর আমরা এর মাধ্যমে এই পরিচ্ছেদের সুচনা
করলাম; কেননা, রাসুলুল্লাহ্ (সা) কর্তৃক পানি প্রার্থনা এবং তার প্রার্থনায় আল্পাহ্ তাআলার
সাড়াদানের বিষয় আলোচনার পরবআত উল্লেখের জন্য এটাই অধিক প্রাসঙ্গিক ৷ বুখারী
আবদুল্লাহ্ ইবন মাসলামা আনাস ইবন মালিক সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন,
একবার আমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে দেখলাম, তখন আসরের নামাষের সময় ঘনিয়ে এসেছিল,
অথচ লোকজন উবুর পানি পাচ্ছিল না ৷ তার কাছে উবুর পানি আনা হল, তখন তিনি সেই
পাত্রে তার হাত রাখলেন, তারপর লোকদের সেই পাত্র থেকে উবু করার নির্দেশ দিলেন ৷ তখন
আমি তার আঙ্গুলসমুহের নিম্নদেশ থেকে পানি উৎসারিত হতে দেখলাম ৷ এভাবে লোকেরা
সকলেই উয়ু করল ৷ মালিকের বরাতে একাধিক সুত্রে মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীসখানি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আর তিরমিযী হাদীসখানি হাসান সহীহ’ বলেছেন ৷

ভিন্ন সুত্রে হযরত আনন্দের আরেকটি বর্ণনা

ইমাম আহমাদ ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ আনাস ইবন মালিক সুত্রে বর্ণনা করেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) একদিন একদিকে বের হয়েছিলেন, তার সাথে ছিল সাহাবাদের একটি দল ৷
পথচলা অবস্থায় নামাজের সময় হল; বিক্ষ্ম উযু করার মত কোন পানির সন্ধান পাওয়া গেল

বা ৷ তখন তারা বললেন, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্! আমরাতো উবু করার মত কোন পানি পাচ্ছি না ৷ এ
সময় তিনি তার সাহাবাগণের চেহারায় এই অবস্থায় অসন্তোষের ছাপ দেখলেন ৷ তখন তাদের
এক ব্যক্তি গিয়ে একটি বড় পাত্রে সামান্য পানি নিয়ে আসল ৷ তখন আল্লাহর নবী সেটা নিয়ে
তা থেকে উয়ু করলেন ৷ তারপর সেই পাত্রের উপর তার হাতে তর চার আঙুল প্রসারিত করে
বললেন, এসো, তোমরা উবুকরে নাও ৷ তখন (সেই পানি দ্বারা) সকলে সুন্দরভাবে৩ তাদের উয়ু
সম্পন্ন করলেন ৷ হাসান বলেন, আনাস (রা) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাদের সং খ্যা ছিল

কত ? তিনি বললেন, সত্তর কিৎব৷ আশি ৷ বুখারী আবদুর রহমান ইবন মুবারক সুত্রে হাবৃম
ইবন মাহরান থেকে এভাবেই হাদীসখানি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

ভিন্ন সনদে হযরত আনাসের আরেকটি রিওয়ায়াত

ইমাম আহমদ, ইবন আবু আদী আনাস ইবন মালিক সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি-
বলেছেন, একবার নামাষের জন্য আযান দেয়৷ হল, তখন যাদের বাড়ি মসজিদের নিকটবর্তী,
তারা উবুকরার জন্য স্ব স্ব গৃহে গমন করলেন, আর যাদের বাড়ি মসজিদ থেকে দুরে৩ তারা উয়ু
বিহীন অবস্থায় থাকলেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে পাথরে নির্মিত একটি থেযাবের
বাটি আনা হল ৷ বাটিটি ছোট হওয়ায় তিনি তাতে তার হাতের তালু প্রসারিত করতে পারলেন
না ৷ তখন তার আঙ্গুলসমুহ একত্র করে তাতে রাখলেন ৷ আনাস বলেন, তখন সেই পাত্রের
পানি দিয়ে দুরবর্তী গৃহবাসীরা সকলেই উয়ু করলেন ৷ হুমায়দ বলেন, হযরত আনাসকে প্রশ্ন
করা হয়েছিল, তারা কতজন ছিলেন ? জবাবে তিনি বললেন, আশি কিংবা ততোধিক ৷ এছাড়া
বুখারী আবদুল্লাহ ইবন মুনীর আনাস ইবন মালিক সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন
একবার নামাষের ওয়াক্ত হল, তখন যাদের বাড়ি নিকটবর্তী তারা বাড়িতে উয়ু করতে
গেলেন, আর অন্যেরা স্ব স্ব স্থানে রয়ে গেলেন ৷ তখন রাসুলুল্পাহ্ (সা) এর কাছে একটি পাথরে
নির্মিত থেযাবের বাটিতে করে পানি আনা হল ৷ তিনি তাতে তার হাতের তালু প্রসারিত করে
রাখতে চাইলেন, কিন্তু বাটিটি ছোট হওয়ায় ত৷ পারলেন না ৷ তখন তিনি তার আঙ্গুলসমুহ
গুঢিয়ে তাতে বাটিটি স্থাপন করলেন, তখন সেই বাটির পানি থেকে সকলেই উয়ু করলেনৰ্
রাবী হুমায়দ বলেন, আমি বললাম, তাদের সং খ্যা কত ছিল ? তিনি (আনাস) বললেন, তারা
ছিলেন আশিজন ৷

তার বরাতে অন্য একটি সনদ

ইমাম আহমাদ, মুহাম্মাদ ইবন জাফর আনাস ইবন মালিক সুত্রে বর্ণনা করেন ৷
তিনি বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ্ (সা) আয্যাওরাতে’ অবস্থান করছিলেন, তখন একটি পাত্রে
সামান্য পানি নিয়ে আসা হল, যাতে তার আঙ্গলসমৃহ্ নিমজ্জিত হয় না ৷ তখন তিনি তার
সাহাবীগণকে (সেই পানি থেকে) উবু করার নির্দেশ দিয়ে তার হাতে র তালু সেই পানিতে ধরে
রাখলেন ৷ তখন তার আঙ্গুলসমুহের মধ্য থেকে এবং অগ্রভ৷ গ থেকে পানি উৎসারিত হতে
খাকল ৷ ফলে সকলে উয়ু করে নিলেন ৷ কাত ৷দা বলেন, আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম,
আপনারা সষ্ থ্যায় কতজন ছিলেন? জবাবে তিনি বললেন, আমরা ছিলাম তিনশ’ বা তিনশ’ র
মত ৷ বুনদার ইবন আবু আদী সুত্রে বুখারী এবং আবু মুসা সুত্রে মুসলিম এভাবেই হাদীসখানি

রিওয়ায়াত করেছেন ৷ কারো কারো মতে, শুবা থেকে ৷ তবে বিশুদ্ধ হল, সাঈদ, কাতাদা
থেকে, তিনি আনাস (রা) থেকে ৷ তিনি (জানান) বলেন, যাওরাতে অবস্থানকালে রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর কাছে একটি পানির পাত্র আনা হল ৷ তখন তিনি সালে তার হাত ধরে রাখলেন ৷
তখন তার আঙ্গুলসমুহের মধ্য থেকে পানি উৎসারিত হতে লাগল, তখন ণ্লাকেরা তা থেকে
উবু করল ৷ কাতদাে বলেন, আমি আনাস (রা)-ক্লে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের সংখ্যা কত
ছিল ? জবাবে তিনি বললেন, তিনশ বা তিনশৱ কাছাকাছি ৷ এই হাদীসের পাঠ বুখারীর ৷

এ প্রসঙ্গে বারা ইবন আযিবের হাদীস

বুখারী মালিক ইবন ইসমাঈল বারা ইবন আযিব সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন : হুদায়াবিয়ার দিন আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ ৷ আর হুদায়বিয়া একটি কুয়া,
আমরা (তা) এমনভাবে জলশুন্য করে ফেললাম যে, তাতে একযােটা পানিও অবশিষ্ট রইলো
না ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার পাড়ে বসে পানি আনালেন ৷ এরপর গড়পড়ার সাথে কুলি করে
সেই পানি কুয়াতে নিক্ষেপ করলেন ৷ অল্পক্ষণ পরেই আমরা সেই কুয়া থেকে পানি সংগ্রহ
করতে লাগলাম এভাবে আমরা পান করে তৃপ্ত হলাম এবং আমাদের বাহনসমুহও তৃপ্ত হল
অথবা ফিরে চলল ৷ এই বর্ণনাসুত্র ও পাঠ এককডাবে বুখারীর ৷

ৰারা ইবন আযিবেৱ অপর একটি হাদীস

ইমাম আহমদ, আফ্ফান ও হাশিম হযরত বারা (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন, কোন এক সফরে আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে ছিলাম ৷ তখন আমরা একটি
অল্প পানির (অগভীর) কুপে এসে উপনীত হলাম ৷ তিনি বলেন, তখন তাতে ছয় ব্যক্তি নামল,
আমি ছিলাম তাদের ষষ্ঠজন ৷ এরপর আমাদের কাছে একটি বালতি নামিয়ে দেয়া হল ৷ বারা
(রা) বলেন, এদিকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) কুয়াটির পাড়ে ৷ তখন আমরা তাতে বালতিটির অর্ধেক
অথবা দুই-তৃভীয়াংশ ডুবিয়ে পানি উঠালাম, তারপর তা টেনে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে
উঠানো হল ৷ বারা (রা) বলেন, এরপর আমি আমার পাত্রে গলা তিজানাে পরিমাণ পানি সঞ্চাহ
করতে চেষ্টা করলাম ৷ কিন্তু আমি তাও পেলাম না ৷ এরপর বালতিটি নবী করীম (না)-এর
কাছে উঠিয়ে আনলাম ৷ তিনি তাতে হাত ডুবিয়ে যা বলার বললেন, এবং বালতিতে যেটুকু
পানি ছিল তাসহ-ই তা আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হল ৷ বাবা (মা) বলেন, এরপর দেখলাম
আমাদের একজনকে তার জলমগ্ন হওয়ার আশংকায় কাপড় ঝুলিয়ে বের করে আনা হল ৷
এরপর কুয়া থেকে বিরামহীনভাবে পানি উৎসারিত হতে লাগল ৷ এটি ইমাম আহমদের একক
বর্ণনা ৷ এর সনদও বেশ ভাল ও সরল ৷ আর দৃশ্যত এটা হুদায়বিয়ার দিন ভিন্ন অন্য কোন
ঘটনা ৷ সঠিক বিষয় আল্লাহ্ই অধিক জানেন ৷

এ প্রসঙ্গে জাবির (রা)-এর বরাতে আরেকটি হাদীস

ইমাম আহমদ, সিনান ইবন হাতিম জাবির (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন, একবার রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাহাবীগণ তার কাছে পিপাসার অনুযােগ করলেন ৷
জাবির (রা) বলেন, তখন তিনি একটি বড় পেয়ালা আনালেন, এরপর তাতে সামান্য পানি

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest