মুযদালিফায় নবী করীম (না)-এর তালবিয়া পাঠ প্রসংগ

বিশুদ্ধতর ৷ হা, তবে (আল্লাহ ভরসা করে) (প্রাধান্য প্রদানের পন্থা অবলম্বন না করে দুই
হাদীসের মাঝে সমন্বয় বিধান প্রয়াসে) এ কথাও বলা যেতে পারে যে, কিশোররা নারীদের চোয়
ভুলামামলক কম ভারী ও উদ্যযী ণ্৷ তাই কিশোরদের সুর্যোদয়ের আগে রামী না করার হুকুম
দেয়া হয়েছে ৷ আর নারীদের জন্য সুর্যেড়াদয়ের আগেও রানী করার অনুমতি দেয়া হয়েছে, যেহেতু
তারা চলনে ভারী এবং তাদের ক্ষেত্রে পর্দড়ার ব্যবস্থা অধিক জরুরী ৷ আল্লাহ সমধিক অবগত ৷

আর যদি আসমা’ (রা) তাওকীফী নবী করীম (সা) হতে প্রাপ্ত সরাসরি শরীআভী বিধানরুপে
না শুনে তা করে থাকেন তবে (তা হবে আসমা’-এর ব্যক্তিগত আমল এবং সে ক্ষেত্রে , ) ইবন
আব্বাস (রা)-এর হাদীস আসমা (রা)এর বাতিঃাত আমল ও কর্যপন্থার চেয়ে অথাধিকার যোগ্য
হবে ৷ তবে আবু দাউদ (র)এর বিবৃতি প্রথম অভিমতকে সরল করে ৷ আবু দাউদ (র) বলেন,
মুহাম্মাদ ইবন খাল্লাদ আল বাহিলী (র) সুত্রে (আতা’ বলেন, জনৈক খবর দাতা’ আমাকে
খবর দিয়েছেন) আসমা (রা) হতে এ মর্মে যে, তিনি রাতের বেলা জামৃরায় কৎকর নিক্ষেপ
করলেন ৷ আমি (রানী) বললাম, আমরা রাতের বেলা জামরায় কংকর মেরে ফেললাম! তিনি
বললেন, নবী করীম (না)-এর যুগে আমরা এ ভাবেই করতাম ৷

বৃখারী (র) বলেন, আবু নুআয়ম (র)ন্(মুহাম্মাদ সুত্রে) আইশা (বা) হতে, তিনি বলেন,
আমরা মুঘৃদালিফায় অবতরণ করলে সাওদা (বা) জনতার অিড়র আগে (মিনার) চলে যাওয়ার
জন্য নবী করীম (না)-এর কাছে অনুমতি চাইলেন ৷ সাওদা ছিলেন ধীর গামিনী ভারী নারী ৷ নবী
করীম (সা) র্তাকে অনুমতি দিলে মানুষের ভিড় ও হৈ হুল্লোড়ের আগেই তিনি চলে গেলেন ৷
আমরা সকাল হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করলাম এবং পরে নবী করীম (সা)এর প্রস্থানের সময়
প্ৰস্থান করলাম ৷

তবে কিনা, আমিও যদি রাসুলুল্পাহ্ (সা)এর কাছে (আগে চলে যাওয়ার) অনুমতি চেয়ে
নিতাম যেমন সাওদা অনুমতি নিয়েছিলেন তবে তা আমার কাছে যে কোন আনন্দের বিষয়ের
চেয়ে অধিক পসন্দনীর হত ৷ মুসলিম (র) এ হাদীস আহরণ করেছেন কানাবী (র)
সুত্রে ঐ সনদে ৷ আর বুখারী-মুসলিম , উভয় অন্য সনদে আহরণ করেছেনসুফ্য়ান ছাওরী
(র) এর হাদীস সংগ্রহ হতে আইশা (না)-এর বরাতে ৷

আবু দাউদ (র) বলেন, হারুন ইবন আবদুল্লাহ (র) আইশা (রা) হতে, তিনি বলেছেন, দশ
তারিখের রাতে রাসুলুল্লাহ্ (সা) উম্মু সালামাকে পাঠিয়ে দিলে তিনি ফজ্যরর আগেই জামরায়
ৎকর নিক্ষেপ করলেন ৷ তারপর অবস্থান ক্ষেত্রে চলে গেলেন ব্র সে দিনটি ছিল, যে দিন
রাসুলুল্পাহ্ (সা) পালা মতে থাকবেন-অর্থাৎ (আবু দাউদ বলেন) উম্মু সালামা-এর কাছে ৷ ’
এটি একটি সরল ও উত্তম সনদ যার রাবীগণ সকলেই নির্ত্যাযােগ্য ও বিশ্বস্ত ৷

ঘুবৃদালিফায় নবী করীম (সা)ন্এর তালবিয়া পাঠ প্রসংগ

মুসলিম (র) বলেন, আবু বকর ইবন আবু শায়বাআবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (র)
থেকে বর্ননা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রা) আমাদের মুঘৃদালিফায় অবস্থান কালে

১ অর্থাৎ নবী করীম (না)-এর বিবিগণের পালাক্রমিক , হিসাবে ঐ দিন-রাত ছিল উম্মু সালামার-পালা ৷-
অনুবাদক ৷ ,

বলেছেন, “যার উপরে সুরা আল্-বাকার৷ নাযিল করা হয়েছিল (নবী স) তাকে আমি এ স্থানে
বলতে শ্যুনছি-লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়ক !

আল-মাশআরুন হারাম-এ নবী বল্পীম (না)-এর অবস্থান, সুর্যোদয়েৱ আগে তার মুয্দালিফা
হতে প্রস্থান এবং যুহাস্সিব’ নিম্নভুমিতে তার দ্রুত উট পরিচালন প্রসংগ

আল্লাহ তাআল৷ ইরশাদ করেন

“যখন তোমরা আরাফাত হতে চলে আসবে তখন মাশৃআরুল হারামের কাছে পৌছে
আল্লাহকে স্মরণ করবে” (২ : ১৯৮) ৷ জাবির (বা) তার হাদীসে বলেছেন, “সুব্রেহ সাদিক হয়ে
পেলেই তিনি (নবী সা) আযান ও ইকামত সহকারে ফজর সালাত আদায় করলেন ৷ তারপর
কাসৃওয়া-য় সওয়ার হয়ে মাশআরুল হারাম পর্যন্ত পৌছলেন, সেখানে কিবলামুথী হয়ে মহান
মহীয়ান আল্লাহর কাছে দুআ করলেন এবং তার মাহাত্ম্য এককতু ও তাওহীদ ঘোষণা করলেন
(তাক্বীর কালিমা-ই-তাওহীদ উচ্চারণ করলেন ৷) এবং উষ৷ বেশ পরিষ্কার হওয়া পর্যন্ত সেখানে
অবস্থান করার পর সুর্যোদয়ের আগে (মিনাঅভিমুখে) চলতে শুরু করলেন এবং ফাঘৃল ইবন

আব্বাস (রা) কে তার পিছনে সহ-আরােহী করলেন ৷ বৃখারী (র) বলেন, হাজ্জ ৷জ ইবন মিনৃহাল

(র)ইবন ইসহ৷ ৷ক (র) হতে, তিনি বলেন, আমৃর ইবন মায়মুন (র) কে বলতে শুনেছি,৷ অমি
প্রত্যক্ষ করেছি, উমর (রা) ঘুবৃদালিফায় ফজর সালাত আদায় করার পর অবস্থান করলেন এবং
বললেন, মুশরিকরা সুর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত প্ৰস্থান করত না, তারা বলত “ছাবীর! রৌদ্রোজ্যা
হও ৷২ আর রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রস্থান করেছেন সুর্যোদয়ের আগেই ৷ ” বুখারী (র) আরো বলেছেন,
আবদুল্লাহ ইবন রাজা’ (র)আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (র) হতে, তিনি বলেন, আমি
আবদুল্লাহ (ইবন মাসউদ) (রা)-এর সংগে মক্কা অভিমুখে (হজের সফর) বের হলাম ৷ পরে
আমরা ঘুঘৃদালিফায় গৌছলে তিনি দুটি ওয়াক্ত সালাত (মাগরিব ও ইশা) আদায় করলেন, প্রতি
সালাত স্বতন্ত্র আযান ইকামাতে এবং রাতের খাবারণ্গ্নহ্ণ করলেন ঐ দুই সালাতের মাঝে ৷
তারপর ফজরের ওয়াক্ত হওয়া মাত্র ফজরের সালাত আদায় করলেন ৷ কেউ বলছিল, ফজরের

যাক্ত হয়ে গিয়েছ ৷ আবার কেউ বলছিল, (এখনও) ফজরের ওয়াক্ত হয় নি ৷ তারপর তিনি
বললেন, রাসুলুন্নাহ্ (যা) বলেছেন-

“এ দুই ওয়াক্ত সালাত তার নির্ধারিত সময় হতে পরিবর্তিত করা হয়েছে; মাগরিব যেহেতু
ইশা-এর সময় না হওয়া পর্যন্ত লে ৷কেরা মুযদা ৷৷লিফ ৷য় উপনীত হচ্ছে না; আর ফজর এই (আগাম)
সময়ে ৷” তারপর দিগন্ত পরিষ্কা ৷র হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থা ন করলেন ৷ তারপর আবদুল্লাহ
(বা) বললেন, আ ৷মীরুল মুমিনীন (উছম৷ ন রা) এখন প্রস্থ ন করলে যথাযথভাবে সুন্নত পালন

১ ছাবীর মুযদ৷ ৷লিফাৱ একটি বড় পাহাড় ৷ মুশ্ারিকদের উক্তির অর্থ-ছাবীরের গায়ে সুর্যের আলো ছড়িয়ে
পড়াে৷ অনুবাদক

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.