রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

মুযদালিফায় নবী করীম (না)-এর তালবিয়া পাঠ প্রসংগ

মুযদালিফায় নবী করীম (না)-এর তালবিয়া পাঠ প্রসংগ

বিশুদ্ধতর ৷ হা, তবে (আল্লাহ ভরসা করে) (প্রাধান্য প্রদানের পন্থা অবলম্বন না করে দুই
হাদীসের মাঝে সমন্বয় বিধান প্রয়াসে) এ কথাও বলা যেতে পারে যে, কিশোররা নারীদের চোয়
ভুলামামলক কম ভারী ও উদ্যযী ণ্৷ তাই কিশোরদের সুর্যোদয়ের আগে রামী না করার হুকুম
দেয়া হয়েছে ৷ আর নারীদের জন্য সুর্যেড়াদয়ের আগেও রানী করার অনুমতি দেয়া হয়েছে, যেহেতু
তারা চলনে ভারী এবং তাদের ক্ষেত্রে পর্দড়ার ব্যবস্থা অধিক জরুরী ৷ আল্লাহ সমধিক অবগত ৷

আর যদি আসমা’ (রা) তাওকীফী নবী করীম (সা) হতে প্রাপ্ত সরাসরি শরীআভী বিধানরুপে
না শুনে তা করে থাকেন তবে (তা হবে আসমা’-এর ব্যক্তিগত আমল এবং সে ক্ষেত্রে , ) ইবন
আব্বাস (রা)-এর হাদীস আসমা (রা)এর বাতিঃাত আমল ও কর্যপন্থার চেয়ে অথাধিকার যোগ্য
হবে ৷ তবে আবু দাউদ (র)এর বিবৃতি প্রথম অভিমতকে সরল করে ৷ আবু দাউদ (র) বলেন,
মুহাম্মাদ ইবন খাল্লাদ আল বাহিলী (র) সুত্রে (আতা’ বলেন, জনৈক খবর দাতা’ আমাকে
খবর দিয়েছেন) আসমা (রা) হতে এ মর্মে যে, তিনি রাতের বেলা জামৃরায় কৎকর নিক্ষেপ
করলেন ৷ আমি (রানী) বললাম, আমরা রাতের বেলা জামরায় কংকর মেরে ফেললাম! তিনি
বললেন, নবী করীম (না)-এর যুগে আমরা এ ভাবেই করতাম ৷

বৃখারী (র) বলেন, আবু নুআয়ম (র)ন্(মুহাম্মাদ সুত্রে) আইশা (বা) হতে, তিনি বলেন,
আমরা মুঘৃদালিফায় অবতরণ করলে সাওদা (বা) জনতার অিড়র আগে (মিনার) চলে যাওয়ার
জন্য নবী করীম (না)-এর কাছে অনুমতি চাইলেন ৷ সাওদা ছিলেন ধীর গামিনী ভারী নারী ৷ নবী
করীম (সা) র্তাকে অনুমতি দিলে মানুষের ভিড় ও হৈ হুল্লোড়ের আগেই তিনি চলে গেলেন ৷
আমরা সকাল হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করলাম এবং পরে নবী করীম (সা)এর প্রস্থানের সময়
প্ৰস্থান করলাম ৷

তবে কিনা, আমিও যদি রাসুলুল্পাহ্ (সা)এর কাছে (আগে চলে যাওয়ার) অনুমতি চেয়ে
নিতাম যেমন সাওদা অনুমতি নিয়েছিলেন তবে তা আমার কাছে যে কোন আনন্দের বিষয়ের
চেয়ে অধিক পসন্দনীর হত ৷ মুসলিম (র) এ হাদীস আহরণ করেছেন কানাবী (র)
সুত্রে ঐ সনদে ৷ আর বুখারী-মুসলিম , উভয় অন্য সনদে আহরণ করেছেনসুফ্য়ান ছাওরী
(র) এর হাদীস সংগ্রহ হতে আইশা (না)-এর বরাতে ৷

আবু দাউদ (র) বলেন, হারুন ইবন আবদুল্লাহ (র) আইশা (রা) হতে, তিনি বলেছেন, দশ
তারিখের রাতে রাসুলুল্লাহ্ (সা) উম্মু সালামাকে পাঠিয়ে দিলে তিনি ফজ্যরর আগেই জামরায়
ৎকর নিক্ষেপ করলেন ৷ তারপর অবস্থান ক্ষেত্রে চলে গেলেন ব্র সে দিনটি ছিল, যে দিন
রাসুলুল্পাহ্ (সা) পালা মতে থাকবেন-অর্থাৎ (আবু দাউদ বলেন) উম্মু সালামা-এর কাছে ৷ ’
এটি একটি সরল ও উত্তম সনদ যার রাবীগণ সকলেই নির্ত্যাযােগ্য ও বিশ্বস্ত ৷

ঘুবৃদালিফায় নবী করীম (সা)ন্এর তালবিয়া পাঠ প্রসংগ

মুসলিম (র) বলেন, আবু বকর ইবন আবু শায়বাআবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (র)
থেকে বর্ননা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রা) আমাদের মুঘৃদালিফায় অবস্থান কালে

১ অর্থাৎ নবী করীম (না)-এর বিবিগণের পালাক্রমিক , হিসাবে ঐ দিন-রাত ছিল উম্মু সালামার-পালা ৷-
অনুবাদক ৷ ,

বলেছেন, “যার উপরে সুরা আল্-বাকার৷ নাযিল করা হয়েছিল (নবী স) তাকে আমি এ স্থানে
বলতে শ্যুনছি-লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়ক !

আল-মাশআরুন হারাম-এ নবী বল্পীম (না)-এর অবস্থান, সুর্যোদয়েৱ আগে তার মুয্দালিফা
হতে প্রস্থান এবং যুহাস্সিব’ নিম্নভুমিতে তার দ্রুত উট পরিচালন প্রসংগ

আল্লাহ তাআল৷ ইরশাদ করেন

“যখন তোমরা আরাফাত হতে চলে আসবে তখন মাশৃআরুল হারামের কাছে পৌছে
আল্লাহকে স্মরণ করবে” (২ : ১৯৮) ৷ জাবির (বা) তার হাদীসে বলেছেন, “সুব্রেহ সাদিক হয়ে
পেলেই তিনি (নবী সা) আযান ও ইকামত সহকারে ফজর সালাত আদায় করলেন ৷ তারপর
কাসৃওয়া-য় সওয়ার হয়ে মাশআরুল হারাম পর্যন্ত পৌছলেন, সেখানে কিবলামুথী হয়ে মহান
মহীয়ান আল্লাহর কাছে দুআ করলেন এবং তার মাহাত্ম্য এককতু ও তাওহীদ ঘোষণা করলেন
(তাক্বীর কালিমা-ই-তাওহীদ উচ্চারণ করলেন ৷) এবং উষ৷ বেশ পরিষ্কার হওয়া পর্যন্ত সেখানে
অবস্থান করার পর সুর্যোদয়ের আগে (মিনাঅভিমুখে) চলতে শুরু করলেন এবং ফাঘৃল ইবন

আব্বাস (রা) কে তার পিছনে সহ-আরােহী করলেন ৷ বৃখারী (র) বলেন, হাজ্জ ৷জ ইবন মিনৃহাল

(র)ইবন ইসহ৷ ৷ক (র) হতে, তিনি বলেন, আমৃর ইবন মায়মুন (র) কে বলতে শুনেছি,৷ অমি
প্রত্যক্ষ করেছি, উমর (রা) ঘুবৃদালিফায় ফজর সালাত আদায় করার পর অবস্থান করলেন এবং
বললেন, মুশরিকরা সুর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত প্ৰস্থান করত না, তারা বলত “ছাবীর! রৌদ্রোজ্যা
হও ৷২ আর রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রস্থান করেছেন সুর্যোদয়ের আগেই ৷ ” বুখারী (র) আরো বলেছেন,
আবদুল্লাহ ইবন রাজা’ (র)আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (র) হতে, তিনি বলেন, আমি
আবদুল্লাহ (ইবন মাসউদ) (রা)-এর সংগে মক্কা অভিমুখে (হজের সফর) বের হলাম ৷ পরে
আমরা ঘুঘৃদালিফায় গৌছলে তিনি দুটি ওয়াক্ত সালাত (মাগরিব ও ইশা) আদায় করলেন, প্রতি
সালাত স্বতন্ত্র আযান ইকামাতে এবং রাতের খাবারণ্গ্নহ্ণ করলেন ঐ দুই সালাতের মাঝে ৷
তারপর ফজরের ওয়াক্ত হওয়া মাত্র ফজরের সালাত আদায় করলেন ৷ কেউ বলছিল, ফজরের

যাক্ত হয়ে গিয়েছ ৷ আবার কেউ বলছিল, (এখনও) ফজরের ওয়াক্ত হয় নি ৷ তারপর তিনি
বললেন, রাসুলুন্নাহ্ (যা) বলেছেন-

“এ দুই ওয়াক্ত সালাত তার নির্ধারিত সময় হতে পরিবর্তিত করা হয়েছে; মাগরিব যেহেতু
ইশা-এর সময় না হওয়া পর্যন্ত লে ৷কেরা মুযদা ৷৷লিফ ৷য় উপনীত হচ্ছে না; আর ফজর এই (আগাম)
সময়ে ৷” তারপর দিগন্ত পরিষ্কা ৷র হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থা ন করলেন ৷ তারপর আবদুল্লাহ
(বা) বললেন, আ ৷মীরুল মুমিনীন (উছম৷ ন রা) এখন প্রস্থ ন করলে যথাযথভাবে সুন্নত পালন

১ ছাবীর মুযদ৷ ৷লিফাৱ একটি বড় পাহাড় ৷ মুশ্ারিকদের উক্তির অর্থ-ছাবীরের গায়ে সুর্যের আলো ছড়িয়ে
পড়াে৷ অনুবাদক

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.