যদি কোনো মেয়ে ঋতুমতী হয় আর পরীক্ষার প্রশ্নে কোনো সূরার…

প্রশ্ন

যদি কোনো মেয়ে ঋতুমতী হয় আর পরীক্ষার প্রশ্নে কোনো সূরার অর্থ লিখতে বলা হয় তাহলে সে যদি মনে মনে সূরা পড়ে অর্থ লেখে তাহলে জায়েয হবে কি না? আর যদি এ অবস্থায় কুরআন মজীদের আয়াত দেখে দেখে লেখে তবে কি কলমের মাঝে কোনো ব্যবধান আছে? যেমন অনেকে বলে, শীষওয়ালা কলমে লেখা যাবে, অন্য কলমের দ্বারা লেখা যাবে না। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানালে অনেক উপকৃত হব।

উত্তর

মাসিক চলাকালীন কুরআন মজীদ স্পর্শ করা, পড়া, লেখা সবই নাজায়েয। পরীক্ষার সময়ও একই হুকুম। তবে কুরআনের আয়াত উচ্চারণ না করে এবং লিখিত আয়াত স্পর্শ না করে শুধু অর্থ লেখা যাবে। অর্থ স্মরণ করার জন্য আয়াত মুখে উচ্চারণ না করে মনে মনে স্মরণ করতে দোষ নেই। তদ্রূপ কেউ কুরআন খুলে দিলে হাত না লাগিয়ে তা দেখা যাবে।

সুনানে দারাকুতনী ১/১১৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৯; আলমওসূআতুল ফিকহিয়্যাহ ১৮/৩২১; হেদায়া ১/১১৭; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলাদ্দুর ১/২৩৪; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১/৩২৩; বাদায়েউস সানায়ে ১/১৪৯; ফাতাওয়া শরঈয়্যাহ ১৪/৫০; মাআরিফুস সুনান ১/৪৪৬

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest