যাবীদ- এর কাফেলার সাথে আমর ইবন মাদীকারাব-এর আগমন

“তা নয় (বরৎ ) আমরা তাে নাষ্র ইবন কিনানাণ্এর ব০ শধর; (বৎশ সুত্র ভেজাল করে)
আমরা আমাদের মাতৃকুলের প্রতি কলৎক লেপন করব না ৷ পিতৃকুলকেও অস্বীকার করব না ৷ ”
তখন আশআছ ইবন করেন তার সঙ্গীদের বললেন-ৰু

“আল্লাহর কসম ৷ হে কিনদাবাসীরা! এরপর ঐ কথা কাউকে বলতে শুনলে আমি তাকে
আশি ঘা চাবুক লাগবে ৷ ” অন্য একটি সুত্রে এ বিবরণ অবিচ্ছিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে ৷ ইমাম
আহমদ ইবন হাবল (র) বলেন, বড়াহ্য (র) ও আফ্ফান (র) আশআহ ইবন কায়স (রা)
সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, কিনদী প্রতিনিধি দলের সাথে আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
দরবারে হড়াযির হলাম ৷ আফ্ফানের বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়ােছ “তাদের মাঝে আমি শ্রেষ্ঠ বলে
পরিগণিত হচ্ছিলাম না ৷ আশআছ বলেন, আমি বললাম, ইয়া রড়াসুলাল্লন্বহ্ ! আমরা তো
পরস্পর জ্ঞাতি ভাই? আপনারা আমাদের গোত্রের (অর্থাৎ আমাদের গোত্র অভিন্ন) ৷ রাসুলুল্লাহ্
(সা) বললেন আমরা তাে নাবৃর ইবন কিনানা-এর বংশধর ৷ আমরা মাতৃকুলের প্ৰতি কৎলক
হ্মেপন ব্বাব না, পিকু সম্বন্ধে অনীহ্য দেখান না ৷ জন ক্ষাংছ (বা) মোঃ, অব
দ্যো প্নে! সেন সৌং ইবন ন্সিানার ৰলীের মোঃ ব্যাপারে যে কাউঃক

ঘা দািত ষ্ৰ্ব, আঃ তাবশ্যই ম্পেবাদের শরীআর্তী সাজা) হদ্দরুপে চাবুক
বু ইবন মাজা (র) আবু বকর ইবন আবু শায়রা প্রমুখ সুত্রে এ হাদীস রিওরায়তে করেছেন ৷
ইমাম আহমদ (র)-এর অন্য একটি রিওয়ায়াত সুরায়জ ইবনুন নু মান (র) আশআছ ইবন
কায়স (রা) সুত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিনদী প্রতিনিধি দলের সাথে আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
কাছে এসে তিনি আমাকে বললেন, তােমার কোন সন্তান আছে কি ? আমি বললাম, আপনার
এখানে আমার জন্য রওনা করার মুহুর্তে ৰিনৃতু জামাদ এর মরে আমার একটি পুত্র সন্তানের
জন্ম হয়েছে; আমার মনের বাসনা তার স্থলে যদি ক <ব্লমেব জন্য পরি৩ ট্রুপ্তিকর কিছু হত ৩! নবী
করীম (সা) বললেন

“ও রকম করে বলো না ৷ কেননা, ওরা চোখের শীতলতা নয়ন মনি; আর মরে গেলে
তাতে রয়েছে বিনিময়’ ৷ তা ছাড়া তুমি যাই বলো না কেন, ওরা ভীকতায় হেতু, দৃশ্চিন্তার
কারণ, ওরা নিশ্চয় ভীরুতা আসে, দৃশ্চিম্ভার জন্মায় ৷ ” আহমদ (র) একাকী এ হাদীস
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ সনদের বিচারে হাদীসখানি জায়িদ অতি উত্তম ৷

নবী করীম (না)-এর খিদমতে আশা ইবন মাযিন-এর আগমন

আবদুল্লাহ ইবন আহমদ (র) বলেন, আব্বাস ইবন আবদুল আজীম আল আম্বায়ী (র)
নাদলা ইবন তৃরায়ফ ইবন নাহসাল আল হিরমাযী (র) থেকে বর্ণনা করেন, এ মর্মে যে, আল
আশা নামে পরিচিত তাদের গোত্রের একজন লোক যাব প্রকৃত নাম ছিল আবদুল্লাহ আল
আ ওয়ার এবৎ৩ তার শ্রীর নাম ছিল মুআযা ৷ একবার আশা পরিবার-পরিজনের খাদ্য সংগ্রহের

জন্য হজর এলাকার উদ্দেশ্যে সফরে বের হলেন ৷ তার অনুপস্থিতির সুযোগে তার ত্রী-স্বাঘীর
আেবাধ্যতায় ঘর ছেড়ে পালাল এবং ঐ পাত্রেরই ঘুতারবড়াফ ইবন নড়াহশানের কাছে আশ্রয় নিল
ঘুতাররাক তাকে অন্দরে আশ্রয় দিল ৷ আশা ফিরে এসে স্তীকে ঘরে পেলেন না ৷ র্তাকে বলা
হল, র্তার শ্রী ঘর ছেড়ে যুতাররিফ এর কাছে আশ্রয় নিয়েছে ৷ এ কথা জানতে পেয়ে তিনি
যুতাররিদেব কাছে গিয়ে বললেন, ঢাচাত তাই! আমার বউ মুআযা কি (তামার এখানে আছে?
থাকলে আমার সাথে তাকে দিয়ে দাও ৷ মুতাররিদ বলল, না আমার এখানে (নই ৷ আর
থাকলেও তোমার হাতে তুলে দিতাম না ৷ যুতাররিদ আশার চেয়ে উচু স্তরের নেতা ছিল ৷ আশা
গোত্র থেকে বের হয়ে এসে নবী কবীম (সা) এর শরণ প্রার্থী হয়ে কবিতায় বললেন-

“ওহে মানব সরদার, ওহে আরবের শ্রেষ্ঠ বিচারক ! আপনার সকাশে এক যুখরা রমণীর
নামে অভিযোগ ! সে যেন দলের মাঝে (নরবাঘের) অবাধ্যা ৷ এ শক্ত দেহী বাঘিনী; তারই জন্য
খাদ্য অন্বেরণে গত রজর মাসে আমি বেরিয়েছিলড়াম ৷

আমার অনুপস্থিতির সুযোগে সে বীধন ছিড়ে পালাবার পথ ধরল ৷ দম্পেতা অঙ্গীকার ভঙ্গ
করে সে লেজগুটিয়ে ছুট দিল ৷ আমাকে নিক্ষেপ করে পেল অম্ভহীন সমস্যা ও সংকটের মাঝে;
ঐ জাতটি এমনই মন্দ এবং অকল্যাণের প্রতিযোগিতায় অজেয় এবং ওরা সর্বদা বিজয়ীদের
পক্ষপুটে থাকে ৷ নবী কবীম (না)-ও তার ৷;শব উক্তিটির স্বীকৃতি দিয়ে বললেন, প্ৰতিযোগীতার ওরা নিকৃষ্ট বিজয়ী তার সর্বদাই ওরা বিজয়ীদেরই হয়ে থাকে ৷ আশা
নবী কবীম (সা) এর কাছে তার দ্রীর পলায়ন বৃত্তান্ত থেশ করলেন এবং যে যে তার স্বগােত্রীয়
য়ুতাবৃরিদের অন্দরে রয়েছে সে কথা জানিয়ে তার সাহায্যপ্রাথী হলেন ৷ রড়াসুলুল্লাহ্ (সা)
মুতাররিদের কাছে আশার জন্য সুপারিশ করে চিঠি লিখলেন
শ্ম,ঠো “ এ লোকের শ্রী মুআযকে খুজে বের করে তা কে তার হাতে ফ্রের৩ দেয়ার ব্যবস্থা করবে ৷
নবী কবীম (সা) এর চিঠি তার কাছে পৌছল ৷ তা তাকে পড়ে গােনান হলে সে যেয়ে
ল্যেকটিকে বলল, যুআযা এ হল তোমার ব্যাপারে থােদ নবী কবীর (সা) এর চিঠি ৷ এ বন
আমি তোমাকে তার কাছে প্ৰত্যার্পণ করছি ৷ মুআয বলল, আমার পক্ষে তার কাছ থেকে
ওয়াদা অঙ্গীকার নাও এবং তার নবীর যিম্মা নাও যে সে আমাকে আমার অপরাধের শাস্তি
দেবে না ৷ সেরুপ অঙ্গীকার নিয়ে যুতারবিদ ঘুআযাকে আশার হাতে প্রত্যার্পণ করলে আশা এ
কবিতা রচনা করলেন-

“যুআযার প্ৰতি আমার অনুরড়াগ এমন নয় যে, চোপলখোরদের ফ্লুপলছুগো
ধরাবে কিৎবা কালের প্ৰলন্বিত হওয়ন্নে তাতে তটিড়া পড়বে এবং আমার অনুপস্থিতিতে মন্দ’
পুরুধেরা তাকে কান যন্ত্র দিয়ে যে ফুসলিয়েছিল, তার যে কুকর্মের জন্যেও নয় ৷

পােত্রীর দোকজনসহ্সৃরাদ ইবন আবদুল্লাহ্আল-আযুদীর আগমন, জারাশ প্রতিনিধি দলের আগমন
ইবন ইসহাক (র) বলেন, আঘৃদ গোত্রের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে সুরাদ ইবন
আবদৃল্লাহ্ আল-আৰ্বুদী রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দরবারে উপস্থিত হলেন এবং মুসলমান হয়ে পুর্ণাঙ্গ
ইসলামী জীবন যাপন ব্বভে লগ্যেলন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (মা) তাকে তার গোত্রের মুসলমানদের
আমীর মনোনীত করেছিলেন এবং মৃসলমন্যেদর সাথে নিয়ে চারপাশের ইয়ামানী মুশরিক

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.