রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

যায়েদ এক রমযানের ১০ টি রোযা রাখার পর শয়তানের ধোকায়

যায়েদ এক রমযানের ১০ টি রোযা রাখার পর শয়তানের ধোকায়
প্রশ্ন

যায়েদ এক রমযানের ১০ টি রোযা রাখার পর শয়তানের ধোকায় সুস্থ অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করে তা ভেঙ্গে ফেলে। সে ঐ রোযাগুলোর কাফফারাও আদায় করেনি। কিন্তু এখন সে অনুতপ্ত এবং এ বিষয়ে শরীয়তের সমাধান জানতে আগ্রহী। ঐ ব্যক্তির উপর কি ইচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে? যদি ওয়াজিব হয়ে থাকে তবে সে কি প্রত্যেকটি রোযার পরিবর্তে পৃথক পৃথক কাফফারা আদায় করবে, না সবগুলো রোযার পরিবর্তে একটি কাফফারা আদায় করলেই যথেষ্ট হবে?

উত্তর

রোযাগুলো ভেঙ্গে ফেলার কারণে তার উপর প্রত্যেক রোযার পরিবর্তে একটি করে কাযা আদায় করা ওয়াজিব হয়েছে। আর একই রমযানে কয়েকটি রোযার কাফফারা ওয়াজিব হওয়ায় এখন সবগুলোর জন্য একটি কাফফারা আদায় করলেই যথেষ্ট হয়ে যাবে।

হাদীস শরীফে আছে, জনৈক ব্যক্তি রমযান মাসে দিনের বেলা আহার করে ফেলার পর রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি গোলাম আযাদ করা বা ধারাবাহিক ষাটটি রোযা রাখা অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়ানোর আদেশ দিয়েছেন।

-সুনানে দারাকুতনী ২/১৯১; ফাতাওয়া খানিয়া ১/২১৩, ২১৫; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৫৬, ২৬০; বাদায়েউস সানায়ে ২/২৫৪, ২৫৯; ফাতহুল কাদীর ২/২৬১; আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৭; রদ্দুল মুহতার ২/৪১৩

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার

Related Posts