যিয়াদ ইবনুল হারিছ (রা)-এর প্রতিনিধিত্ব প্রসংগ

লাগল এবং অনেকে পেছনে রয়ে গেল ৷ অবশেষে আমি ব্যতীত তার সাথে আর কেউ রইল
না ৷ ফজর সালাতের সময় হয়ে এলে তিনি আমাকে আমান দিতে বললেন ৷ আমি আমান
দিলাম এবং কিছু সময় বাদে একটু পরপর বলতে লাগলাম ইকামাত বলব কি ইয়া
রাসুলাল্লাহ্? তিনি পুর্ব দিকে তাকিয়ে দেখে দেখে আকাশ ফর্সা হওয়ার অপেক্ষা করতে
লাগলেন এবং বলতে থাকলেন-না ৷ পুরোপুরি ফর্সা হয়ে গেলে তিনি বাহনব থেকে নামলেন
এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজন সমাধা করার জন্য একটু দুরে গেলেন ৷ তিনি ফিরে এলে ততক্ষণে
তার সাহাবীগণও কাছে কাছে এসে পেলেন ৷ তিনি বললেন, তোমার কাছে পানি আছে কি হে
সুদাই! আমি বললাম জী, না ৷ তবে সামান্য কিছু যা আপনার জন্য যথেষ্ট হবে না ৷ তিনি
বললেন, একটি পাত্রে করে তা আমার কাছে নিয়ে এস ৷ আমি তা নিয়ে আসলে তিনি তার
হাত সে পানিতে রাখলেন ৷ সুদাই (রা) বলেন, দেখলাম তার আৎগুলসমুহের দুআৎগুলের মাঝ
দিয়ে একটি স্রোত ধারা টগবগিয়ে বেরিয়ে আসছে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন-

“আমার মহান ও মহীয়ান প্রতিপালকের কাছে সংক্যেচ না করলে আমার এ পানি দিয়ে
নিজেরাও পান করতাম, অন্যদেরকেও পান করতাম ৷ ” সাহাবীদের ডেকে বলে দাও, কার কার
পানির প্রয়োজন রয়েছে ৷ আমি সেরুপ ঘোষণা দিয়ে দিলাম ৷ তাদের যার যার ইচ্ছা হল কিছু
নিয়ে নিলেন ৷ তারপর রাসুলাল্পাহ্ (সা) সালাতের উদ্দেশ্যে র্দড়োলেন এবং ৰিলাল (বা)
ইকামাত বলতে উদ্যত হলে রাসুলুলাল্পাহ্ (সা) তাকে বললেন, সুদাই লেড়াকটি আমান দিয়েছে

“যে আযান দিয়েছে সেই ইকামাত বলবে ৷ সুদাই (বা) বলেন , আমি
ইকামাত দিলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) সালাত সমাপ্ত করলে আমি সনদপত্র দুটি নিয়ে তার কাছে
নিয়ে বললড়াম, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্ ! এ দুটির ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন ৷ তিনি বললেন, কেন?
তোমার আবার কী হল ? আমি বললাম, আমি আপনাকে বলতে শুনেছি যে, মুমিন ব্যক্তির জন্য
আমীর হওয়াতে কল্যান নেই; আমি তো আল্লাহ্ ও তার রাসুলের প্রতি ঈমান এসেছি ৷ আর
আমি শুনেছি, আপনি ঐ সাহায্য প্রার্থীকে বলেছেন, সম্পদশালী হয়েও যে ব্যক্তি মানুষের কাছে
হাত পাতে তা তার জন্য মাথাব্যথা ও উদর পীড়ার কারণ হয় ৷ আমি ৰিত্তবান হয়েও আপনার
কাছে যাকাতের আবেদন করেছিলাম ৷ তিনি বললেন, তা তেমনই ৷ এখন তোমার ইচ্ছা হলে
নিতে পার, ইচ্ছা হলে বাদ দিতে পার ৷ আমি বললাম, আমি নিচ্ছি না ৷ তখন রাসুলাল্লাহ্ (সা)
আমাকে বললেন, তা হলে আমাকে এমন কোন লোকের সন্ধান দাও, যাকে আমি তোমাদের
আমীর নিয়োগ করতে পারি ৷ আমি তার কাছে আগত আমাদের প্রতিনিধিদলের এক ব্যক্তির
কথা বললাম ৷ তিনি তাকে কওমের আমীর ও প্রশাসক নিয়োগ করলেন ৷

পরে আমরা বললাম, ইয়ড়া রাসুলাল্লাহ্ আমাদের এক কুয়াে আছে, শীতকালে তার পানি
আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায় এবং আমরা সেটিকে কেন্দ্র করে সমাজবদ্ধ জীবন যাপন করি ৷
কিন্তু গ্রীষ্মকাল এসে পড়লে তার পানি কমে যায়, তাই আশপাশে পানির খোজে আমাদের
বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতে হয় ৷ এখন তো আমরা মুসলমান হয়ে গেলাম, আমাদের আশপাশে যারা
রয়েছে তারা সকলেই আমাদের শত্রু ৷ আমাদের জন্য কুয়োটির ব্যাপারে আল্লাহর কাছে দুআ
করুন, যেন তার পানি আমাদের প্রয়োজনের জন্যে যথেষ্ট হয় ৷ তা হলে আমরা সংঘবদ্ধ

থাকতে পারব, বিক্ষিপ্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বেনা ৷ তিনি সাতটা কৎকর নিয়ে আসতে
বললেন ৷ তিনি সেগুলিকে হাত দিয়ে রপড়ালেন এবং তাতে দুআ পড়ে দিয়ে বললেন, এ

ৎকরণ্ডলি নিয়ে যাও ৷ কুয়াের কাছে পৌছে গোল আল্লাহর নাম নিয়ে নিয়ে এর এক একটি
ছেড়ে দেবে ৷ সৃদাই (রা) বলেন, আমরা তার কথামতই কাজ করলাম ৷ ফলে আমরা আর
কখনো সে কুয়েড়ার তলা দেখতে পাইনি ৷ সৃনানই আবু দাউদ, তিমমিযী ও ইবনু মাজাতে এ
হাদীসের সমর্থক রিওরারাতে রয়েছে ৷

ওয়াকিদী (র) উল্লেখ করেছেন যে, রাসুলাল্লাহ্ (সা) উমরাতুল-জ্যিছুররড়ানা (জিইররামা থেকে
আগমন করে আদায়কৃত উমরা) এর পরে কায়স ইবন সড়াদ ইবন উরাদা (রা)-কে চারশ’
লোকের বাহিনী সহ সুদাইদের শায়েস্তা করার উদ্দেশ্য তাদের এলাকার পাঠিয়েছিলেন ৷
সুদাইরা একজন দুত পাঠাল এবং সে এই নিশ্চয়তা দিল আমার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরিত
বাহিনী ফেরত নিয়ে নিন, আমি তাদের ষামিন হচ্ছি ৷ তারপর তাদের পনর সদসেরে
প্রতিনিধিদল উপস্থিত হল ৷ তারপর তাদের একশ’ সদস্যের কাকেলা বিদায় হত্তজ্জ অংশগ্রহণ
করে ৷ পরবভীচিত ওয়াকিদী (র) ছাওয়ী (র) যিয়াদ ইবনু হারিছ আসণ্সুদাই (রা) থেকে তার
আযান এর ঘটনা রিওয়ায়াত করেছেন ৷

রাসুলাল্পাহ্ (সা) সকাশে হারিছ ইবন হাসৃসান
আলবিকরীর প্রতিনিধিত্ব প্রসংড়াপ

ইমাম আহমদ (র) বলেন, যায়দ ইবনুল হুবড়াব (র) (আবু ওয়াইল (র) থেকে, তিনি) হারিছ
অড়াল-ৰিকরী (রা) থেকে, তিনি বলেন, আলা ইবনুল হাযরড়ামী (রা)-এর বিরুদ্ধে রাসুলাল্লাহ্
(সা) এর কাছে অভিযোগ দায়ের করার জন্য আমি সফরে রের হলাম ৷ রাবামা’ অতিক্রম
করার সময় সেখানে আমি একাকিনী বাহন-বিহীন এক তামীযী বৃদ্ধাকে দেখতে পেলাম ৷ বৃদ্ধা
বলল, হে আল্লাহর বান্দা৷ রাসুলাল্লাহ্ (না)-এর কাছে আমার একটা প্রয়োজন রয়েছে ৷ তুমি
কি আমাকে তার কাছে পৌছে দেবে ? হারিছ বলেন, আমি তাকে আমার বাহনে তুলে নিয়ে
মদীনায় পৌছলাম ৷ দেখলাম মসজিদ লোকে লোকারণ্য, একদিকে একটি কাল যুদ্ধ পতাকা
আন্দোলিত হচ্ছে ৷ বিলাল (রা) তরবারী র্কাধে ঝুলিয়ে রাসুলাল্লাহ্ (সা) এর সামনে দাড়িয়ে
রয়েছেন ৷ আমি বললাম এ লোকদের ব্যাপার কি ? তারা বলল, নবী করীম (সা) আমর ইবনুল
আল (রা)-কে কোথায় অভিযান পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৷

হারিছ (রা) বলেন, আমি বসে পড়লাম ৷ রাসুলাল্লাহ্ (সা) তার ঘরে (কিংবা বর্ণনা সন্দেহে
তার ডেরায় ) চলে গেলেন ৷ আমি প্রবেশের অনুমতি চাইলে আমাকে অনুমতি দেয়া হল ৷
আমি প্রবেশ করে তাকে সালাম করলাম ৷ তিনি বললেন, তোমাদের ও তামীযীদের মাঝে
কোন কিছু ঘটেছে না কি ? আমি বললাম, জী হী, তবে ফলাফল তাদের প্রতিকুলেই গিয়েছে ৷
এদিকে আমি বাহন হারা এক তামীমী বৃদ্ধাকে পথে পেয়ে গিয়েছিলাম, সে আমাকে মদীনায়
বয়ে নিয়ে আমার অনুরোধ করেছিল ৷ সে এখন আপনার দরমায় রয়েছে ৷

তাকে অনুমতি দেয়া হলে সে ঘরে ঢুকল ৷ আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! বনু তামীম ও
আমাদের মাঝে আপনি কোন অম্ভরায় সৃষ্টি করতে চাইলে ৰিজন প্রাম্ভরকে

বৃদ্ধাকে) করুন ! আমার কথায় বৃদ্ধা ক্রদ্ধ হয়ে গেল এবং রাগে টগবপ করতে লাগল এবং বলে
উঠল, ইয়া রাসুলাল্লড়াহ্ ! আপনার মুযারীদের আশ্রয় কোথায়? হারিছ বলেন, আমি বললাম, তা
হলে আমার অবস্থা র্দড়াড়ালেড়া সেই পুর্ব প্রচলিত প্রবচনের ন্যায় এে১ এএ১ মৃত্যু মাথায় করে
বয়ে এনেছে’ (খাল কেটে কৃমীর এসেছে) ৷ আমি একে বহন করে আনলাম, অথচ দেখা গেল
সেই আমার বট্টির দৃশমন ৷ আমি আল্লাহ ও তার রাসুলের আশ্রয় দিচ্ছি যেন আমি “আদ
জাতির প্রতিনিধির মত না হই ৷” বৃদ্ধাটি বলল, আদ জাতির প্রতিনিধির ব্যাপারটি আবার কী?
বৃদ্ধার কিন্তু ঘটনাটি ভাল করেই জানা ছিল ৷

কিন্তু তার ইচ্ছে হল হারিছের মুখে ঘটনাঢির বর্ণনা স্বাদ আস্বাদন করা ৷ আমি বললাম,
আদ জাতি দৃর্ভিক্ষ পীড়িত হলে তারা সাহায্য পাওয়ার আশায় কায়ল নামক এক ব্যক্তিকে
প্রতিনিধিরুপে পাঠাল ৷ পথে মুআনিয়া ইবন বাকর-এর সাথে সাক্ষাত হলে করেল তার বাড়িতে
গিয়ে এক মাস মদ-মদিরায় ডুবে থাকল, আর জারাদাতান দুই ফড়িৎ নামের ক্ষীণাঙ্গীনী দুই
গায়িকা তাকে গানে মাতিয়ে রাখল ৷ এক মাস এভাবে কঢািবার পরে সে যুহ্রা পাহাড়রাজির
পথে বেরিয়ে পড়ল এবং এই বলে দুআ করল, ইয়া আল্লাহ তুমি তাে জান যে, কোন রোগীর
চিকিৎসা করার জন্য কিংবা কোন বন্দীকে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য আমি নি ৷ ইয়া
আল্লাহ্! আদকে বৃষ্টি দাও , যেমন তুমি তাদের বৃষ্টি দিতে ! তখন তার মাথার উপর দিয়ে
কয়েক খণ্ড কাল মেঘ ভেসে যেতে লাগল ৷ মেঘের ভিতর থেকে ঘোষণা দেয়া :হল, তুমি
পসন্দ কর ৷ ’ সে এক খণ্ড কাল মেঘের দিকে ইঙ্গিত করলে তার ভিতর থেকে ঘোষণা এল
ছইি আর ছাইয়ের ভাণ্ডাররুগে তা নিয়ে নাও, আদ-এর একটি প্রাণীকেও সে ছেড়ে দিয়ে না ৷ ’
হারিছ বলেন, আমি যতদুর জেনেছি, তাদের উপরে এই এতর্টুকু বাতাস ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল,
যতটুকু আমার এ আংটিরফাক দিয়ে চলতে পারে ৷ এতেই তাদের সকলের ৰিনাশ সাধিত হল ৷
আবু ওয়াইল (র) বলেন, তিনি যথার্থই বলেছেন এবং এ কারণেই লোকেরা কাউকে
প্রতিনিধিরুপে কোথাও পাঠালে তার যাওয়ার সময় কোন পুরুষ বা নারী তাকে বলে দিত “আদ
প্রতিনিধির মত হয়ো না ৷

তিরমিষী ও নাসাঈ ইবন মাজা ও আহমদ বিভিন্ন সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷
আবদুর রহমান ইবন আবু উকায়ল (না) ও তার গোত্রের প্রতিনিধিত্ব প্রসঙ্গ

আবু বকর আল বায়হাকী (র) বলেন, আবু আবদুল্লাহ ইসহড়াক ইবন মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ
আন-সুসী (র) আবদৃর রহমান ইবন আবু উকায়ল (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
একটি প্রতিনিধি দলের সাথে আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে চললাম ৷ “আমরা সেখানে পৌছলে
(মসজিদের) দরজ্বায় উট বসালাম ৷ আমরা তখন যে লােকটির কাছে প্রবেশ করতে মাচ্ছিলাম
মনেবকুলেৱ মাৰে আমাদের চোখে ঐ লোকটির চেয়ে অধিকতর অপসন্দেব আর কোন মানুষ
ছিল না ৷ মোঃ মোঃ করে যখন বেরিয়ে আসজ্জিাম তখন যে লোকটির কাছে আমরা
প্রবেশ সৌং ল্লো ম!ৰে আমাদের চোখে তার চাইতে অধিকচ্য পসন্দনীর কোন

সম্ভবত তোমাদের এ সাথী আল্লাহর কাছে বাদশাহ সুলায়মান (আ)-এর চাইতেও উত্তম ৷
কােনা, মহান মহীয়ান আল্লাহ পাক যত নবী পাঠিয়েছেন, প্রত্যেকটি একটি বিশেষ দুঅড়াব
ইখতিয়ার দিয়েছেন ৷ নবীগণেব কেউ কেউ সে দুআটি পার্থিব প্রয়োজন পুরণে গ্রহণ করেছেন,
তাই দুনিয়ার জকে তাই দেয়া হয়েছে ৷ কোন কোন নবী তার কওম তীর অবাধ্য হলে তাদের
জন্য বদ-দুআ করেছেন, ফলে তাদের ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে ৷ আল্লাহ্ আমাকেও একটি
বিশেষ দুআর ইখতিয়ার দিয়েছেন, আমি তা কিয়ড়ামতের দিন আমার প্রতিপালকের দরবারে
আমার উম্মতের জন্য শাকাআত করার উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত রেখেছি ৷”

তারিক ইবন আবদুল্লাহ ও তার সঙ্গীদের আগমন প্রসঙ্গ

হাফিজ বায়হাকী (র) আবু খাব্বাব আল-কালবী (ব) থেকে তারিক ইবন আবদুল্লাহ সুত্রে
বলেন, তিনি বলেছেন, “আমি যুল মাজায’ বাজারে দাড়িয়েছিলাম ৷ তখন জুববা পরিহিত এক
ব্যক্তি এগিয়ে আসলে ৷ সে বলছিল, লোক সকল! লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ স্বীকার করে নাও,
তোমরা সফলতা লাভ করবে ৷ আর এক ব্যক্তি তাকে কঙ্কর ছুড়তে ছুড়তে তার পিছু পিছু
আসছিল ৷ সে বলছিল, লোক সকল ! এ লোকটি মিথুদ্রক ৷ আমি বললাম, (সামনের) এ লোকটি
কে? লোকেরা বলল, এ হচ্ছে বনু হাশিম পরিবারের এক তরুণ যে নিজেকে আল্লাহর রাসুল
বলে দাবী করে থাকে ৷ ’ আমি বললাম, আর যে লোকটি তার সাথে এ আচরণ করে চলেছে সে
লোকটি কে? তারা বলল, যে তার চাচা আবদুল উঘৃবা ৷ তারিক (বা) বলেন, এরপর লোকেরা
ইন্সাম গ্রহণ করে যখন হিজ্যাত করল, তখন মদীনা থেকে খেজুর ও রসদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে
আমরা রাবামা থেকে মদীনা অভিমুখে সফর করলাম ৷ মদীনায় বাগ-বাগিচার ও খেজুর ৰিথীর
কাছাকাছি পৌছলে আমি বললাম, এখানে নেমে পড়ে আমাদের পোশাক পাল্টে নিলে মন্দ হয়
না ৷ ইতোমধ্যে দু’খানা পুরান কাপড় পরা এক ব্যক্তি এসে আমাদের সালাম করে বলল, এ
ক্রো৷ কােথেকে আসছে? আমরা বললাম, রাবাবা থেকে ৷ লোকটি বললো, গতব্য কোথায়?
স্কো কালাম, এ মদীনায় উদ্দেশ্যেই আগমন ৷ লোকটি বলল, এখানে কী প্রয়োজনে
তোমাদের আগমন? আমরা বললাম, বেচাকেনা করে এখানকার খেজুর সংগ্রহ করবো ৷
আমাদের সাথে এক হাওদানাশীনা ও তার বাহন রয়েছে, আরও রয়েছে নাকে রশি পাথা একটি
দল উট ৷ সে বলল, ণ্তামাদের এ উটটি আমার কাছে রেচবে কি ? আমরা বললাম, হী, এত
এত মা১ খুরমার বিনিময়ে ৷ তারিক (বা) বলেন, লোকটি আমাদের দাবীকৃত শুন্য থেকে কিছু
ৰ্ষ্ম করতে না বলেই উটের দড়ি ধরে চলে যেতে লাগল ৷ লোকটি বাগানের বেষ্টনী দেয়াল ও
ড্রো সারির আড়ালে চলে গেলে আমরা বলড়াবলি করলাম ৷ কাজটা কী করলাম, আল্লাহর
আমরা তো কোন পরিচিত লোকের কাছে উটটি বিক্রি করি নি, তবুও তার কাছ থেকে

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.