রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

রাসূলুল্লাহ্ (সা)- এর তালবিয়া প্রসঙ্গ

রাসূলুল্লাহ্ (সা)- এর তালবিয়া প্রসঙ্গ

করতেন ৷ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) আরো বলতেন, “উমর , ইবনুল খাত্তাব (বা) নবী করীম
(সা)এর তালবিয়া পাঠের অনুকরণে এই শব্দমাল৷ দিয়ে তালবিয়৷ পড়তেন ৷ তিনি বলতেন-
এ পর্যন্ত মুসলিম (র)-এর তা ৷ষ্য ৷ এ ছাড়া ও জ ৷বির (রা) এর হাদীসে ইবন উমর (রা) এর
হাদীসের অনুরুপ তা ৷লবিয়া উদ্ধৃত হয়েছে ৷ একটু পরে দীর্ঘ হাদীস উল্লিখিত হবে ৷ নুসন্ধিম
(র) একাকী তা রিওয়ায়াত করেছেন

বুখারী (র) তার পুর্নোল্লিখিত মালিক (র) :ইবন উমর (রা) এর রিওয়ায়াতের পরে
মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (র)অ৷ ৷ইশা (বা) সুত্রে বংনাি করেন, তিনি বলেন, আমি
সুনিশ্চিতই জানি, নবী করীম (সৃা) কীভাবে তালবিয়৷ পাঠ করতেন-

আবু মু আবিয়া (র)শুবা (র) থেকে এর সমর্থ্যন রিওয়ায়া ৷ত করেছেন ৷ আর শুব৷ (র)
বলেছেন, সুলায়মান (র) ক্ষ্মাইশা (বা) কে বলতে শুনেছি বুখারী ণ্ (র) এ হাদীস ষ্এক৷ ৷কী
বর্ণনা করেছেন ৷ আর ইমাম আহমদ (র)-ও একাধিক সুত্রে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷
অনুরুপ আবু দাউদ তায়ালিসী (র)-ও রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম আহমদ (র) আরো বলেন,
মুহাম্মদ ইবন ফুযায়ল (র) তিনি আ ৷ইশা (বা) সুত্রে তিনি বলেন, আমি অবশ জানি

বাসুলুল্লা হ্ (সা) কীরুপে তালবিয়৷ পাঠ করতেন ৷ বর্ণনাক৷ রী (আবু আতিয়্যা) বলেন, তারপর
আমি তাকে তালবিয়া পড়তে শুনলড়াম তিনি বললেন-

-অর্থাৎ একমাত্র এ বর্ণনা টিতে

বায়হাকী (র) বলেন হ কিম (র) অ ৷বু হুরায়রা (রা) সুত্রে বংনাি করেন, তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর তালবিয়ার একটি অংশ ছিল এ হাদীস নাস৷ ৷ঈ (র) এবং
ইবন মাজা (র)৩ ভিন্ন ভিন্ন সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তার মা ৷সাঈ (র) বলেছেন, আবদুল্লাহ
ইবনুল ফায্ল (র) থেকে আবদুল আ ৷যীয (র) ব্যতীত অন্য কেউ এ হাদীস ঘুসনাদ রুপে
রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমার জ ৷ন৷ যেই ৷ আর ইসন৷ ঈল ইবন উমায়্যা (র) এটি ঘুরসাল
বিওয়ায়াত করেছেন ৷

ইমাম শাফিঈ (ব) বলেন, সাঈদ ইব ন সা ৷র্লিম অ৷ ল কাদদ৷ হ (ব),মুজ ৷হিদ (র) বর্ণনা
করেন, তিনি বলেছেন যে, নবী করীম (সা) প্ৰক৷ ৷শ কররুতন
(প্ৰচলিত তা ৷লৰিয়৷ উল্লেখ করেছেন) তিনি বলেন, অবশেষে একদিন এমন হল যে,
যখন লোকেরা তার কাছ থেকে চলে যাচ্ছিল, তখন তার সে অবস্থা ও অবস্থান যেন তাকে
বিমােহিত করল

তখন তিনি তাতে বাড়িয়ে হাযির ! জীবন হলো
আথিরাতের জীবন ৷ (মধ্যবর্তীরুরাবী) ইবন জুরায়জ (র) বলেন, আমার ধারণা এটা; ছিল
আরাফ৷ দিবসে ৷ এ হাদীসও এ সুত্রে ঘুরসাল’ ৷

হাফিজ আবু বকর বায়হাকী (র) বলেন, আবদুল্লাহ আল হাফিজ (র) ইবন আব্বাস (রা)
সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) আরাফাতে খুতব৷ দিচ্ছিলেন ৷ (তাতে) তিনি যখন
বললেন, তখন বলেছিলেন এে প্রকৃত কল্যাণ তো আখিরাতের
কল্যাণ ৷ এটি বিরল প্রকৃতির সনদ এবং এ সনদ সুনান গ্রহুসবুহের ; তবে সুনান
সর্দ্ধলকগণ তা উদ্ধৃত করেন নি ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, রাওহ (র)(মুত্তালিব) আবু হুরায়র৷ (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন,
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন-

“জিবরীল (আ) আমাকে তালবিয়৷ পাঠের সময়ে আওয়ায উচু করতে বলেছেন ৷ কেননা,
তা হচ্ছে হত্রুজ্জর অন্যতম প্রতীক ৷ ” এ বিওয়ায়ার্ত একাকী আহমদ (র)-এর ৷ আর বায়হাকী
(র) ও এ হাদীস বিওয়ায়াতৰুরেছেন, ৰুহ্যাকমণ্ আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে অনুরুপ হাদ্রীস উল্লেখ
করেছেন ৷ আবদুর রামযাক (ব) ও বলেছেন ৷ সুফিয়ান ছাওর্বী (র)যায়র্দ ইবন র্খালিদ
(রা) সুত্রে বণ্নাি করেন, তিনি বলেন, জিবরীল (আ) নবী কয়ীম (সা) এর কাছে এসে
বললেন-
“আপনার সাহাবীদের উচট্স্বরে তালবিয়া পাঠ করতে ,বলুন কেননা, তা হচ্ছে হভৈজ্জর

প্রতীক ৷ ইবন মাজা (র) ও অনুরুপ রিওমায়তে করেছেন ৷ ইমাম আহমদ ঈবৎ শাব্দিক
পবিবর্ত্যাসহ হাদীসটি বণ্নাি করেছেন ৷

সাইব আনসারী (বা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা)

“জি বরীল (আ) আমার কাছে এসে আমাকে নির্দেশু দিলেনন্ যেন আমি আমার সাহাৰীগণ্কে
কিংব৷ যারা আমার সাথে রয়েছেন তাদেরকে নির্দেশ নেই যে, তারা তালুবিয় ৷ পাঠে কিংবা
ইহরাম উচ্চারণে তাদের আওয়ায যেন উচু করে ৷ শাফিঈ (র) ও আবু দাউদ (র) মালিক (ব)
সুত্রে অনুরুপ বিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম আহমদ এবং তিরমিষী, নাসাঈ ও ইবন মাজা (র)
ত্মি ভিন্ন সুত্রে হাদীসখানি বিওয়ায়ার্ত করেছেন ৷ তিরমিষী (র) মন্তব্য করেছেন এ হাদীসটি
হাসান সহীহ্ ৷ হাফিজ্ব বায়হাকী (ব) ও আহমদ (র) বলেছেন, ইবন জুরায়জ (র)-ও এ
হাদীসটির সনদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ৷

রাসুলুল্লাহ্ (সা) এৱ হজ্জ সম্পর্কে জাবিৱ ইবন
আবদুল্লাহ (রা)-এব সুদীর্ঘ হাদীস

আমাদের পুৰ্বালোচিত ন্তালবিয়া ইত্যাদি ও পরবর্তী বিবয়ার্বলীর বিবরণের ক্ষেত্রে জাবির
(রা) এর হাদীস একাই একটি অধ্যায়ে তুলা ৷ তইি, সেটিকে স্বতন্ত্র অনুচ্ছেদে উপস্থাপন করা

আমরা সমীচীন মনে করছি ৷ প্রথমে হাদীসটির মুলপাঠ উল্লেখ করার পরে আমরা তার সমর্থক
(শাইিদ) রিওয়ায়াতগুলাে উল্লেখ করব ৷ আল্লাহ সহায়!

ইমাম আহমদ (র) বলেন, ইয়াহ্য়৷ ইবন সাঈদ (র) মুহাম্মদ সুত্রে বলেন যে, তিনি
বলেছেন জা ৷বির (রা) এর কাছে গেলাম, তিনি তখন বনু সালিমায় অবস্থান করেছিলেন ৷
আমরা জ ৷কে রা সুলুল্লাহ্ (সা) এর হজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম ৷ তিনি আমাদেরকে
জানালেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) নয় বছর যাবত ৩হজ্জ না করে মদীনায় অবস্থান করেন ৷ তারপর
সাধারণ্যে ঘোষণা দেয়া হল যে, র৷ সুলুল্পা হ্ (না) এ বছর হজ্জ পালন করবেন ৷ বর্ণনাক৷ রী
(জাবির) বলেন, ফলে মদীনায় অনেক লোকের সমাগম হল যাদের প্রত্যেকের বাসনা ছিল
রাসুলুল্ল৷ হ্ (সা) এর সাথে হজ্জ করা এবং তিনি যা যা করবেন তা করা ৷ যিলকদ মাসের পাচ
দিন বাকী থাকতে রাসুলুল্লা হ্ (সা) বের হলেন ৷ আমরাও তার সাথে বের হলাম ৷ অবশেষে
তিনি যুলহুলায়ফ৷ য় উপনীত হলে আসমা বিনত উমায়স (রা) মুহাম্মদ ইবন আবু বকর (রা)-
কে প্ৰসব করে নিফস্ফোস্থ৷ হলেন ৷ তাই তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে লোক পা

চাইলেন যে, তিনি কী করবেন? জবাবে নবী করীম (সা) বললেন “গোসল করে নাও তারপর ণ্;কান কাপড় দিয়ে পট্টি’ জড়িয়ে নাও, তারপর ইহরাম
ৰীধো ৷ তারপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) বের হলেন এবং যখন জ ৷র ৷উটনী তাকে নিয়ে প্রান্তরে স্থির
হয়ে দাড়ালো তখন তাওহীদ সহ তালৰিয়া পড়লেন–

লোকেরা ত ৷লবিয়া উচ্চারণ করতে লাগল ৷ তারা সুউচ্চ আসমানস্মুহেৱ অধিক্র্তা এবংএ

ধরনের অন্যান্য শব্দ বেশী বলছিন ৷ নবী করীম (না) তা শুনেও আপত্তি করেন নি ৷ আমার
দৃষ্টি সীমা পর্যন্ত নজর দৌডিংয় জ৷ ৷মি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সামনে আরোহী ও পথচ৷ বীদের
দেখতে পেলাম, জার পিছরুনও তেমনি, তার ডান দিকেও( তমনি এবং তার বাম দািকও
তেমনি লোকে লোক ৷রণ৷ দেখতে পেলাম ৷ জা ৷বির (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না) তখন
আমাদের মাঝে এমন অবস্থায় তার উপরে কুরআন অবতীর্ণ হলো ৷ তিনি তার ব্যাখ্যা জানতেন
এবং সে অনুসারে তিনি যে কোন আমল করতেন আমরাও সে আমল করতাম ৷ আমরা যখন
বের হই তখন হজ্জ ব্যতীত আমাদের অন্য কিছুর নিয়ত ছিল না ৷ অবশেষে আমরা কাবায়
উপনীত হলে নবী করীম (সা) হাজার ৰুআসওয়াদ চুম্বন করলেন; তারপর তাওয়াফের তিন
চক্করে রমল’ করলেন এবং চার চক্করে স্বাভাৰিকভাবে ছুাটলেন ৷ তাওয়াফ শেষ করে তিনি
মাকামে ইব্রাহীম-এর দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তার পুেছনে দু’রাকআত সালাত আদায়
করলেন ৷

তারপর তিলাওয়াত করলেন “ এবৎ (বলেছিলাম)
তোমরা ইবরাহীমের র্দাড়াবার স্থানকে ণ্সালাতের স্থানরুপে গ্রহণ কর” (২ : ১২৫) ৷ আহমদ
(র) বলেন, আবু আবদুল্পাহ্শুবলেছেন, সে দু’রাকআতে তিনিসুরা ইখলাস ও কাফিরুন
পড়েছিলেন ৷ তারপর হাজার আসওয়াদ চুম্বন করে সাফার উদ্দেশ্যে বের হলেন ৷ (সেখানে)

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.