buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

রোজা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার বা গ্যাস নেয়া৷

প্রশ্ন
হুজুর আমার মা হাঁপানি রোগে আক্রান্ত ৷ খুব শ্বাস কষ্টে ভোগেন ৷ প্রায় সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় ৷ তখন ইনহেলার ব্যবহার করে গ্যাস নিতে হয় ৷ জানার বিষয় হল, রোজা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করা যাবে কি না? একজন বললেন, ইনহেলার অতি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয় তাই এতে রোজা ভঙ্গ হবে না৷ এটা কি সঠিক? জানালে উপকৃত হব ৷
উত্তর
ইনহেলার ব্যবহার করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে ৷ কারণ শ্বাস কষ্ট দুর করার জন্য ওষুধটি যে মুখের ভেতরে স্প্রে করা হয়৷ এতে যে জায়গায় শ্বাসরুদ্ধ হয় ঐ জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়৷ ফলে শ্বাস চলাচলে আর কোন কষ্ট থাকে না৷ ওষুধটি যে শিশিতে যে পরিমান থাকে ঐ শিশির মুখ একবার টিপলে শিশির আকারভেদে ঐ পরিমানের একশত কিংবা দুইশত ভাগের একভাগ বেরিয়ে আসে৷ অতি সল্প পরিমানে গ্যাসের ন্যায় বের হওয়ার কারনে কেউ ওষুধটিকে বাতাস জাতিয় মনে করতে পারে৷ কিন্তু বাস্তবে এমন নয় বরং ওষুধটি দেহবিশিষ্ট৷ কাঠ ইত্যাদি কোন বস্তুতে স্প্রে করলে দেখা যায় যে ঐ বস্তুটি ভিজে গেছে৷ তাই এতে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে৷
যারা বলেন, ইনহেলার অতি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয় তাই এতে রোজা ভঙ্গ হবে না৷ তাদের এ কথাটি একেবারেই হাস্যকর৷ কেননা কেহ যদি ক্ষুধায় মৃত্যুমুখে পতিত হয় অতি প্রয়োজনে কিছু খেয়ে ফেলে তাহলে কি রোজা ভঙ্গ হবে না? অবশ্যই হবে৷ অতি প্রয়োজনে রোজা ভাঙ্গলে পরবর্তিতে রোজা কাযা করা ও গুনাহ না হওয়া ভিন্ন কথা, আর রোজা ভঙ্গ না হওয়া ভিন্ন কথা৷ সুতরাং তাদের কথা মোটেও সঠিক নয় ৷ বরং অতি প্রয়েজনে হলেও রোজা ভেঙ্গে যাবে ৷ তবে তার উক্ত রোজা কাফ্ফারা দিতে হবে না ৷ পরে কাযা করলেই চলবে ৷
অবশ্য যদি মুখে ইনহেলার স্প্রে করার পর না গিলে থুথু দিয়ে তা বাইরে ফেলে দেয়া হয়, এবং গ্যাসটি গলদকরন না হয়ে থাকে, তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে না৷
-আল ইসলাম ওয়াত্তীব্বুল হাদীস, পৃ: ২২৩-৩২৪ ৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

উত্তর দিয়েছেন : মুফতি মেরাজ তাহসিন

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest