রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

সাফা মারওয়ায় নবী করীম (সা)- এর সা’ঈ প্রসৎগ

সাফা মারওয়ায় নবী করীম (সা)- এর সা’ঈ প্রসৎগ

ছুটে চলুছিলেন, এমন কি চলার গতির তীব্রতা আমি তার ভুাটুদ্বয় দেখলাম, তার লুঙ্গি তার
হীটুতে জড়িয়ে যাজ্যি; তখন তিনি রলছিভৈলন,“তোমরা ছুটে চল, কেননা আল্লাহ্ তোমাদের
জন্য সাঈ আবশ্যকীয় করে দিয়েছেন ৷” আহ্মাদ (র) একাকী এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷
আহ্মাদ (র) আরো রিওয়ায়াত করেছেন আবদুর রাবৃযাক (র) সাফিয়্যা বিবৃত শায়বা (র)
হতে, এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, জনৈক মহিলা র্তাকে এ মর্মে খবর’ দিয়েছিল যে, তিনি নবী
করীম (না)-কে সাফা-মারওয়া-র মাঝে বলতে শুনেছেন,
তোমাদের জন্য আবশ্যকীয় করা হয়েছে, সুতরাং তোমরা সাঈ ৷” এ সনদের এ মহিলা পুর্ববর্তী
সনদদ্বয়ে স্পষ্ট উল্লিখিত হাবীবা বিবৃত আবু তাজ্বযাআই ৷ শায়রা ইবন উছমান (রা)-এর উম্মু
ওয়ালাদ১ হতে তিনি নবী করীম (সা) কে সাফাশু মারওয়ায় সাঈ করতে দেখেছেন; তখন তিনি
বলছিলেন “নিম্নভুমি দৌড়িয়ে-ই অতিক্রম করতে হবে ৷” নাসাঈ (র) এ
হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷

(গ্রন্থকারের মতে) এখানে সাঈ ভা৷ শব্দের উদ্দেশ্য হচ্ছে সাফা হতে মারওয়া এবং
পুনরায় মারওয়া হতে সাফায় শুধু পমনাগমন ও চলাচল করা ৷ অর্থাৎ দুলতে দুলতে চলা কিংবা
দৌড়ে চলা এখানে উদ্দেশ্য নয় ৷ কেননা, আল্লাহ্ তাআলা তা অলৎঘনীয়রুপে আমাদের জন্য
সাব্যস্ত করেন নি, বরং কোন মানুষ যদি ঐ দুই স্থানের মাঝের সাত চক্করে স্বাভাবিক অবস্থায়
হেটে চলে এবং যাসীল তথা নিম্নভুমিতে রমল না করে, তবুও তা সকল আলিমের দৃষ্টিতে বৈধ ও
যথার্থ হবে ৷ এ বিষয় কোন মতানৈক্য যেই ৷ তিরমিযী (র) ও অনুরুপ উদ্ধৃত করে বলেছেন ৷
ইউসুফ ইবন ঈসা (র) কাহীর ইবন জাহ্মান (র) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন,
আমি ইবন উমার (রা) কে সাঈ করার স্থানে হেটে চলতে দেখে বললায, আপনি সাফা-
মারওয়া-র সাঈ ক্ষেত্রে হেটে চলছেন? তিনি বললেন, “আমি যদি দৌড়ে চলি তবে (তা
যথাযথ, কেননা) আমি তো রাসুলুল্লাহ (না)-কে দৌড়ে চলতে দেখেছি; আর আমি যদি হেটে
চলি তবে (তত্ত্ব-ও যথার্থ, কেননা) আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা)কে হেটে চলতেও দেখেছি ৷ আর আমি
তো এখন একজন অতিবৃদ্ধ ৷” তারপর তিরমিযী (র) বলেছেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্ ৷
সাঈদ ইবন জুবায়র (র)-ও ইবন আব্বাস (বা) হতে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আবু দাউদ,
নাসাঈ ও ইবন মাজা (র)-ও এ হাদীসখানি আতা’ ইবনৃস সাইব (র) সুত্রে ইবন উমর (রা) হতে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷

সুতরাং উভয় অবস্থার প্রতাক্ষকারী হিসাবে বিবৃত ইবন উমর (রা) এর উক্তির দু’টি ব্যাখ্যা
হতে পারে ৷ এক : কোন সাঈর সময় তিনি নবী করীম (সা)-কে আপা-গোড়া হেটে চলতে
দেখেছেন, যাতে রমল ও দৌড়ে চলার এতটুকুও মিশ্রণ ছিল না ৷ দুই : সাঈর কতক পথ তিনি
নবী করীম (সা)কে দৌড়ে চলতে এবং কতক পথ হেটে চলতে দেখেছেন ৷ তবে এ দ্বিতীয়
ব্যাখ্যাটি অপেক্ষাকৃত সরল ৷ কেননা, বুখাবী ও মুসলিম উবায়দুল্লাহ ইবন উমর আল উমরী
(র) ইবন উমর (রা) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) সাফা মারওয়া সাঈ

১ উম্মু ওয়ালাদ : সন্তানের মা ৷ মনিব যে বীদীর সঙ্গে সহবাস করার পরে সন্তান হয়েছে সে বীদীকে উম্মু
ওয়ালাদ বলা হয় ৷ অনৃবাদক

কালে নিচু অংশটুকু দ্রুতপদে অতিক্রম করতে তন ৷ আর জাবির (রা) এর পুর্বোল্লেখিত ৩হাদীসে
রয়েছে যে,“ নবী করীম (সা) সাফ৷ থেকে অবতরণ করতে লাণলেন; যখন উপত্যকার
নিম্নতুমিতে তার পদযুগল স্থির হতে লাগল তখন তিনি রমল করলেন এবং এভাবে যেতে যেতে
চড়াই পথে আরোহণ কালে হেটে হেটে মারওয়ায় পৌছলেন ৷ “এবং সকল আলিমের মতে
পসন্দনীয় (এবং জাবির (রা)-এর হাদীসেও যেমনটি রয়েছে) যে, সাফ৷ মারওয়ায় সাঈ
পালনের জন্য মুসতাহাব পদ্ধতি হল প্রতি চক্করে উপত্যকার নিভােগে অর্থাৎ দু’পাহড়াড়ের
মধ্যবর্তী নালা রুপী নিম্ন সমতলে বুমল করবে ৷ ওারা এর সীমা নির্ধারণ করেছেন সবুজ রং এর
ফলকগুলির মাঝে সাফা র দিকে মসজিদ স০ লগ্ন একটি ফলক এবং য়ারওয়া প্রান্তের ও
মসজিদ ফলক ৷ তবে আ ৷লিমগণের কেউ কেউ বলেছেন, বর্তমানে
ফলকসমুহের মধ্যবর্তী আয়তন রাসুলুল্লাহ (সা) এর রমল করার স্থান নালার নিম্নাঞ্চলের চেয়ে
গ্রুাস্ততর ৷ ১ আল্লাহ সমাধিক অবগত

আলোচ্য বিষয় একটি আিমত ও তা যে পর্যালোচনা

তবে হাজ্জ ৷তুল ৰিদা’ নামে সংকলিত কিভাবে মুহাম্মদ ইবন হাবৃম (র) এর উক্তি “তারপর
নবী করীম (সা) সাফা অভিমুখে বেরিয়ে পড়লেন ৷ এবং
আয়াত তিলাওয়াত করে বললেন, আল্লাহ যেটি দিয়ে শৃরু করেছেন আমরাও সেখান থেকে শুরু
করছি ৷ ” তারপর সাফা-মড়ারওয়াতেও (বায়ভুল্পাহ্ তাওয়াফের ন্যায়) উটের পিঠে আরোহী
হয়ে সাত চক্কর দিলেন; তিন চক্কর দ্রুত লাল এবং চার চক্কর হেটে হেটে ৷” এ উক্তির সমর্থনে
কোন রিওয়ায়াত পেশ করা হয় নি এবং৩ তার (ইবন হাযম) সঙ্গে কেউ এ মমে ভিন্নমত পোষণ
করেন নি যে, নবী করীম (সা) সাফা মারওয়ার মাঝে তিন চক্কর ছুটে চলেছেন আর চার চক্কর
হেটে হেটে ৷ প্রথমত তাে এটি একটি স্পষ্ট বিভ্রান্তি এবং তদুপরি তিনি এর অনৃকুলে কোন
দলীল উপস্থাপন করেন নি৷ বরং আলোচনার প্রমাণস্বরুপ তিনি বলেছেন, “সাফা-মারওয়ার
মাঝে রমল’-এর সংখ্যাটি আমরা পরিষ্কারতাবে পাই নি, তবে কিনা এটি সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত ৷”
(মম্ভব্যং) এখন, তিনি যদি বুঝাতে চান যে, প্রথমত তিন চকর (আগাগােড়া) রমল করা যেমন
তিনি উল্লেখ করলেন এটা ই সর্বসম্মত সিদ্ধ ত তবে তা যথার্থ ও স্বীকৃত নয়, বরং তিনি ব্যতিত
আর কেউ এ অভিমত ব্যক্ত করেন নি ৷ আর যদি প্রথম তিন চক্করের অংশ বিংশ ৷য়ে রমল করার
বিধিবদ্ধত৷ সর্বসম্মত হওয়া বুঝানো তীর উদ্দেশ্য হয়, তবে এ বর্ণনা তার কোন উদ্দেশ্য সিদ্ধির
সহায়ক নয় ৷ কেননা, বিদ্বান মনীষীগণ প্রথম তিন চক্করের অৎশৰিশ্যেব রমল করার ব্যাপারে
যেমন ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন, তেমনি পরবর্তী চার চক্করে তা মুসৃতাহাব হওয়ার ব্যাপারেও
র্তারা ঐক্যমত্য পোষণ করেন ৷ সুতরাৎ ইবন হাযম (র) কতৃক প্রথম তিন চক্করে রমল মুসৃতাহাব
হওয়ার ক্ষেত্ররুপে নির্দিষ্ট করা আলিমগণের অভিমতের পরিপন্থী ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷
আর, সাফা-মারওয়ার মাঝে নবী করীম (না)-এর সওয়ার হওয়া সম্পর্কিত ইবন হাবৃম (র)-এর
উক্তি (এ বিষয় আমাদের বক্তব্য হল) তা, ইবন উমার (রা) হতে পুর্বেই উল্লিখিত হয়েছে যে,

১ বর্তমানে নিম্নভাগের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই ৷ তাকে সমতলে পরিণত করা হয়েছে ৷ তবে দৌড়ে চলার
সীমানা নির্ণায়র জন্য তৎকালীন নিম্নভুমির সমপরিমাণ স্থানকে সবুজ আস্তরণে ঢেকে দেওয়া হয়েছে ৷
অনুবাদক

“রাসুলুল্লাহ (সা) উপত্যকায় (নালায়) নিম্নভাগে দ্রুতবেগে অতিক্রম করবেন (ঘুখারী-“ মুসলিম
রিওয়ায়াত কংরাক্রা) ৷ আর ইবন উমার (বা) হতে তিরমিঘীপ্রু (র); এর ংরিওয়ায়াত রয়েছে-
“আমি যদি দ্রুতবেগেচলি, তরেরাসুলুল্পাহ (না)-কে তােদ্রুত চলতে দেখেছি, “আর যদি হেটে
চলি, তবে রাসৃলুল্লাহী (সা)-কৈও হেটে চল্তেদেখেছি ৷ আর জাবির (রা) বলেছেন,“র্তীর
পদফ্রাং৷ যখন উপতকৌয় স্থির হয়ে বসৃতে লাগল তখন রমল করলেন, অৰ্শ্যেয যখন চড়তে
লাগলেন তখন স্বাভাৰিবভোবে ছুটিলেন (মুসলিম) ৷ এ ছাড়া আবু জাফর আলু বাকিয় (র) সুত্রে
জাবির (বা) হতে গৃহীত মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক (র)-এর হাদীস আমরা ইতোপুর্বেউল্লেখ করে
এসেছি ৷ (তাতে রয়েছে) যে, রাসুলুল্লাহ (সা) তার উট মসজিদের দয়জায় বসিয়ে দিলেন-
অখাৎ উট বসাবার পরে তাওয়ফে করেছিলেন ৷ তারপর সাফা অভিমুখে বের হওয়ার সময়
সওয়াবীতে আরোহণ করেছেনবলে উল্লিখিত হয়

এ সব উদ্ধৃতির দাবী হল এই যে, রাসুল্ করীম (সা) সাফা মারওয়ায় পায়ে হেটে সাঈ
কঃরছিলেন, তবে মুসলিম (র) এর একটি হাদীসে এর ব্যাতিক্রম রয়োছ ৷ তিনি বলেন, আবৃদু
ইবন হুমায়দ (র)ঠুজাবির ইবন আবদুল্লাহ (বা) থেকে, তিনি বলেন, ৰু“কািড়ায় হ্জেপ্ নবী করীম
(সা) তার বড়াহনে-একটি উট-চড়ে বায়তুল্লাহ ও সাফা-মারওয়া তাওয়াক করেছেন, যাতে
লোকেরা তাকে দেখতে পায় এবং তিনিও উচু হতে সবাইকে দেখতে পান এবং যাতে লোকেরা
তার কাছে মাসৃআলা জিজ্ঞেস করতে পারে ৷ কেননা, জনতা তাকে ঘিরে রেখেছিল ৷”এবং
নবী করীম (সা) ও তার সাহাবীগণও সাফা মারওয়ায় একটির অধিক সাঈ করেন নি ৷ ” ইমাম
মুসলিম এ হাদীস আবু বক্র ইবন আবু শায়বা (র)আলী ইবন খাশরাম (র) এবং মুহাম্মাদ
ইবন হাতিম (র)(সব সনদই ইবন জ্বরায়জ মারফত পুর্বোক্ত উর্ধতন সনদে) তবে এগুলির
ণ্কান কােনটিতে এৰখ্ সাফা-মারওয়ায় কথাটুকু নেই ৷ আবু দউিদ (র) রিওয়ায়াত করেছেন
আহ্মদ ইবন হাম্বাস (র)জাৰির ইবন আবদুল্লাহ (র) বলেন, “ নবী কবীম (সা) বিদায় হৰ্জ্জ্ব
তার ৰাহনে চড়ে বায়তুল্লাহ ও সাফা-মারওয়ায় তাওয়াফ করেছেন ৷” নাসাঈ (র) রিওয়ায়াত
করেছেন ফাল্লাস (র)এবং ইমরান ইবন য়াযীদ (র) (উভয় সুত্র ইবন জুরায়জ মারফত
পুবেক্তি সনদে-) , যেটি কথা, ইবন জুরায়জ (র)-এর হাদীসরুপে এটি সংরক্ষিত ও পরিশৃদ্ধ এবং
যেহেতু এটি সমন্বয় অতিশয় জটিল ৷ কেননা, জাবির (বা) প্রমুখ হতে বর্ণিত সমুদয় রিওয়ায়াত
নির্দেশ করে যে, সাফা মারওয়া প্রদক্ষিণকালে নবী করীম (সা) পদব্রজে চলেছিলেন ৷

এখন দৃভাবে এ ব্যতিক্রমী রিওয়ায়াতটির জবাব দেয়া যায় ৷ (এক) জাবির (বা) হতে
(তার অধস্তন রাবী) আবুয্ যুবায়র (র)-এর রিওয়ায়াতের এ অতিরিক্ত অংশ অর্থাৎ সাফা-
মারওয়ায় মাঝে’ উক্তিটি সাহাবী পরবর্তী কোন রড়াবী-র অসর্তকতা প্রসুত দুর্বলতাব্র ফসল
কিংবা তা’ অনুপ্রবিষ্ট হয়েছে ৷ আল্পাহ্ই সমাধিক অবগত ৷ (দুই) কিৎবা নবী করীম (সা) সাফা
মারওয়ায় তার কতক তাওয়াফ পায়ে হেটে আদায় করেছিলেন এবং অন্যান্য আনুষৎগিক
বিযয়াদিসহ তা অনেকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন ৷ পরে তার চারপাশে লোকের ভিড় বেড়ে যেতে
থাকংণ্৷ তিনি ৰাহনে আরোহণ করেন (যেমন একটু পরে উদ্ধৃত ইবন আব্বাস (রা)-এর
হাদীস নির্দেশ করছে) ৷ ইবন হড়াঘৃম (র) অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন যে, নবী করীম (সা)-
এর ৰায়তুল্লাহ প্রথম তাওয়াফ ছিল পায়ে হেটে, এবং আরোহী হয়ে তাওয়াফ করা সম্পর্কিত

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.