buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

সালামা ইবনুল আকওয়া সূত্রে এ প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস

বেধে তাও ভরে নিতে লাগল ৷ এভাবে তাদের নেয়া শেষ হল ৷ কিন্তু খাদ্য যে পরিমাণ ছিল
তাই রয়ে গেল ৷ তারপর নবী করীম রাসুলুল্লাহ্ (না) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ
ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি তার রাসুল, আর যে ব্যক্তিই একথা সত্য বলে বিশ্বাস
করে আসবে, ভাবেই আল্লাহ্ জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন ৷ আর আবু ইয়া’লাণ্ড
ইসহাক ইবন ইসমাঈল তালেকানী ইয়াযীদ ইবন আবু যিয়াদ সুত্রে হাদীসখানি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আর তার পুর্বের হাদীসটি তার যথার্থতার প্রমাণস্বরুপ এবং তা তার
পুর্বের হাদীসের মুতাবি ৷

সালামা ইবনুল আকওয়া সুত্রে এ প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস

হাফিয আবু ইয়া’লা, মুহাম্মদ ইবন বাশৃশার ইয়াস ইবন সালামার পিতা সুত্রে বর্ণনা
করেন যে, তিনি বলেছেন, খায়বার অভিযানে আমরা রাসুলুল্পাহ্ (সা)-এর সাথে ছিলাম ৷ এ
সময় তিনি একবার আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন আমাদের কাছে যে পাখেয় (অর্থাৎ খেজুর)
অবশিষ্ট রয়েছে তা একত্র করতে ৷ তখন একটি চামড়ার দস্তরখান বিছানাে হল এবং তার উপর
আমরা আমাদের পাথেয়গুলো ছড়িয়ে দিলাম ৷ রাবী বলেন, তখন আমি পায়ে ভর দিয়ে উচু
হয়ে তা দেখলাম এবং তাকে একটি বকরীর নাড়িভুড়ি পরিমাণ অনুমান করলাম ৷ অথচ
আমাদের সংখ্যা ছিল চৌদ্দশ’ ৷ রাবী বলেন, এরপর আমরা (সকলে) তা থেকে পেলাম ৷
তারপর আমি আবার উচু হয়ে তা দেখলাম ৷ এবারও আমার অনুমান হল, যে তা’ একটি
বকরীর নাড়িভৃড়ি পরিমাণ হবে ৷ এ সময় রাসুলুল্পাহ্ (না) বলেন, উযুর কোন পানি আছে কি ?
রাবী বলেন, তখন এক ব্যক্তি তার পাত্রে সামান্য পরিমাণ পানি নিয়ে আসল ৷ তিনি তা নিয়ে
একটি পেয়ালায় ঢাললেন ৷ রাবী বলেন, এরপর আমরা সকলে ইচ্ছামত পানি ঢেলে তা থেকে
উযু করলাম আর তখন আমাদের সংখ্যা ছিল চৌদ্দশ’ ৷ রাবী বলেন, তখন কিছুসংখ্যক পােক
এসে বলল, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্! আর কি উযু (করার সুযোগ) নেই ৷ তখন তিনি বললেন, উবু পর্ব
শেষ ৷

আর মুসলিম, আহমদ ইবন ইউসুফ আসৃসুলামী ইয়াস ইবন সালামার পিতা সুত্রে
বর্ণনা করেন ৷ তাতে তিনি বলেন, তারপর আমরা (তা থেকে) পেটভরে পেলাম এবং আমাদের
থলেসমুহ ভরে নিলাম ৷ এছাড়া পরিখ৷ খনন প্রসঙ্গে আলোচনায় ন্ ইবন ইসহাক যা উল্লেখ
করেছেন ৷ তা ইতিপুর্বে আলোচিত হয়েছে সেখানে তিনি বলেন যে, আমাকে সাঈদ ইবন মীন৷
বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বর্ণনা করেন যে, বশীর ইবন সা’দের এক কন্যা অর্থাৎ নু’মান ইবন
বশীরের বোন বলেন, একবার আমার আষ্ম৷ উমরা বিনত রাওয়াহ ৷ আমাকে ডেকে এক ঝুড়ি
থেজ্জা আমার কাপড়ে দিয়ে বললেন; মা? এই নাও তোমার আবব্৷ ও মামাৱ খাবার পৌছে
দিয়ে এসো! বশীর তনয়া বলেন, তখন আমি তা’ নিয়ে অগ্রসর হলাম এবং আমার আব্বা ও
মামাকে খোজার পথে রাসুলুল্পাহ্ (সা)-কে অতিক্রম করলাম ৷ তখন তিনি আমাকে বললেন,
এদিকে এসো তো না ৷ তোমার কাছে এগুলো কী ? তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া
রাসুলাল্লাহ্ ৷ এগুলো খেজুর, আমার আষ্ম৷ তা দিয়ে আমাকে আমার আব্বা বশীর ইবন সাদ
এবং মামা আবদৃল্লাহ্ ইবন রাওয়াহার কাছে পাঠিয়েহ্নো, তারা তা খারেন ৷ তখন তিনি
বললেন, তুমি তা এদিকে দাও ! তিনি বলেন, তখন আমি তা আল্লাহ্র রাসুলের হাতে ঢেলে
দিলাম কিত্ত্ব তাতে তার আজলা ভরল না ৷ এরপর তার নির্দেশে একটি কাপড় বিছানাে হল ৷

তারপর তিনি খেজুরগুলো নিয়ে দুআ করে তা কাপড়ের উপর ছড়িয়ে দিলেন এবং তার কাছের
একজনকে বললেন, পরিখাওয়ালাদের মাঝে ঘোষণা করে দাও, তোমরা খেতে চলে এসো ৷
তখন পরিখাওয়ালারা সকলে এসে তার পাশে জড়ো হলেন ৷ এরপর একদিক থেকে তারা
খেতে লাগলেন এবং অন্য দিক থেকে তা’ বৃদ্ধি পেতে থাকল, এমনকি খাওয়া শেষে তারা
সকলে চলে গেলেন; অথচ তখনো কাপড়ের প্রান্ত থেকে সমানে খেজুর পড়ছিল ৷

হযরত জাৰিরের ঘটনা

বুখারী নবুওয়াতের প্রমাণাদির বিবরণে আবু নু আয়ম জাবির (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন
যে, ঋণগ্রস্ত অবস্থায় তার পিতা ইনতিকাল করেন ৷ জাবির বলেন, তখন আমি নবী করীম
(না)-এর কাছে এসে বললাম, আমার পিতা ঋণগ্রস্ত অবস্থার মারা গিয়েছেন ৷ তার রেখে
যাওয়া খেজুর গাছের ফল ছাড়া আমায়আয়েব্ল অন্য কোন উৎস নেই ৷ আর এই সকল খেজুর
গাছের কয়েক বছরের হলেও তার ঋণ পরািশাধেব জন্য যথেষ্ট নয় ৷ তখন তিনি আমার সাথে
চললেন যাতে আমার পিতার ঋণদাতাদের জন্য পীড়াদায়ক না হয়ে যায় ৷ আমাকে সাথে নিয়ে
তিনি একটি খেজুর শুকানোর খলার চারপাশে ইাটলেন এবং দুআ করলেন ৷ এরপর তিনি
আরেকটি খলায় গেলেন ৷ তারপর সেখানে বসলেন ৷ আর তিনি বললেন, তোমরা তা বের
কর ৷ তখন তিনি তাদের প্রাপ্য পাওন৷ পুরোপুরি শোধ করে দিলেন এবং তাদেরকে যে
পরিমাণ দিলেন যে পরিমাণ বাকি থাকল ৷ এভাবেই বুখারী এখানে তা সংক্ষেপে রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ এছাড়া আমির ইবন শুরাবীল সুত্রে জাবির (রা) থেকে বর্ণিত একাধিক সনদ তিনি
উল্লেখ করেছেন ৷ আর এ হাদীসখানি জাবির থেকে একাধিক সুত্রে একাধিক পাঠে বর্ণিত
হয়েছে ৷ আর এ বর্ণনার মুলকথা হল, রাসুলুদৃল্লাহ্ (সা) এর বরকতে, তার জন্য তার দু আয
তার বাগানে হাটার এবং তার খেজুর স্ত পের পাশে বসার আল্লাহ তার পিতার ঋণ পরিশোধের
ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি উহুদ যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন ৷ জাবির (রা) এর এ আশা ছিল
না যে, তিনি সে বছর কিংবা তার পরবর্তী বছর তার পিতার ঋণ পরিপুর্ণভাবে পরিশোধ করতে
পারবেন ৷ অথচ (আল্লাহর নবীর দু আর বরকতে তা তো আদায় হলই ৷) উপরন্তু তার
প্রত্যশোর চেয়ে বেশি খেজুর অবশিষ্ট রইল ৷ সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহ্ৱই ৷

হযরত সাস্মানের ঘটনা

ইমাম আহমদ, ইয়া কুব সালমান (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন,
আমি যখন বললাম, ইয়া রাসুলাল্পাহ্! (স্বর্ণের এই) ছোট্ট টুকরাটি দিয়ে আমার বিরাট ঋণের
কতটুকুই বা পরিশোধ হবে ? তখন আল্লাহর রাসুল সেটি নিলেন ৷ তারপর সেটিকে তার
জিহ্বার উপর উল্টিয়ে আমাকে বললেন, এবার নাও তা থেকে তাদ্দের পাওনা ণ্শাধ করে দাও ৷
তখন আমি তা নিলাম এবং তা থেকে তাদের প্রাপ্য চল্লিশ উকিয়া স্বর্ণ সব পরিশোধ করে
দিলাম ৷

আবু হুরায়রার (রা) পাখেয় ণলে ও তার খেজুর

ইমাম আহমদ বর্ণনা করেন ইউনুস আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে তিনি বলেন যে,
একদিন আমি রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর কাছে কয়েকটি খেজুর নিয়ে আসলাম এবং তাকে বললাম,

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest