রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হাসসান ইবন ছাবিতের কবিতা

হাসসান ইবন ছাবিতের কবিতা

এ প্রসংগে কাআব ইবন মালিকের আরও কবিতা

অর্থ : হে লুআই-এব পুত্রদ্বয় ৷ তোমাদের পিতার শপথ, তোমাদের অহংকার ও পর্বের
উপর ৷

বদর যুদ্ধে তোমাদের অশ্বারোহীরা ৫৩ ৷মাদেরকে মোটেই রক্ষা করতে পারেনি ৷ আর
মুকাবিলার সময়ও ত ৷রা দৃঢ়ভা বে টিকে থাকতে পারেনি ৷

আমরা আল্লাহ্র নুর নিয়ে সেখানে উপনীত হই, যা আমাদের :থকে অন্ধকার ও আবরণ
দুর করে আলোক-উদ্ভাসিত করে দেয় ৷

তিনি হলেন আল্লাহ্র রাসুল, যিনি আল্লাহ্র একটি নির্দেশের দিকে আমাদের অগ্রসর
করাচ্ছিলেন ৷ আল্লাহ্র চুড়ান্ত ফায়সালায় তা দৃঢ়ভা লাভ করে ৷

এ কারণে বদরে তোমাদের অশ্বারোহী বাহিনী জয়ীও হতে পারেনি এবং তোমাদের নিকট
সহীহ্-সালামতে প্রত্যাবর্তনও করতে পারেনি ৷

অতএব, হে আবু সুফিয়ানা তাড়াহুড়া করো না; বরং কুদ৷ উপত্যকা ৷হতে উত্তম ঘোড়া
বেরিয়ে আসা র অপেক্ষা কর ৷

সে দলের সাথে থাকবে আল্লাহর সাহায্য, থাকবে রুহুল কুদ্স জিবরাঈল ও মীককাি
ফেরেশতা ৷ কতই না উত্তম হবে যে দল !

হাসৃসান ইবন ছাবিতের কবিতা
নিম্নে উল্লিখিত কবিতাটি করি হাসৃসান ইবন ছাবিতের ৷ কিন্তু ইবন হিশাম বলেছেন, কেউ
কেউ একে আবদুল্লাহ ইবন হারিছের কবিতা বলে দাবী করেন ৷
অর্থ : তাদের সম্মুখে ছিলেন এমন এক মহান ব্যক্তিতু, র্ষার বাহ্যিক আলামত ছিল পরিধাঙ্গে
কড়া লাগান শক্ত লৌহ-বর্ম ৷ তিনি ছিলেন কােমলহৃদয়, দৃঢ়চেতা ও নির্তীক ৷
অর্থাৎ- তিনি সৃষ্টি জগতের স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত রাসুল মাঝে তিনি তাকওয়া ৩
বদান্যতা দ্বারা সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠতৃ দান করেছেন ৷

তোমরা ভেবেছিলে যে, তোমাদের কৌলীন্য-আভিজাত্যকে তোমরা রক্ষা করতে পারবে
এবং বদরের কুয়াের উপর অন্য কেউ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না ৷ ১

আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে ছেড়ে দেয়া মযবুত রশ্যিক দৃঢ়ভাবে আকড়ে রড়াখলাম,
কিছুতেই ছাড়লাম না ৷

আমাদের মাঝে আছেন রাসুল ৷ আমাদের মাঝে আছে সত্য যা আমরা মৃত্যু পর্যন্ত
অনুসরণ করে যার এবং আমাদের পক্ষে রয়েছে আল্লাহর সীমাহীন সাহায্য ৷

তিনি ওয়াদা পুরণকারী, দায়িত্ব পালনকারী, উজ্জ্বল নক্ষত্র যার থেকে আলো গ্রহণ করা
যায়, পুর্ণিমার চীদ সকল মর্যাদাবানকে তিনি আলোকিত করে দিয়েছেন

হাস্সান ইবন ছাবিত আরো বলেন :
১৷ ৷
অর্থ : হায় ! যদি আমি জানতে পারতাম সেই সংকট মুহুর্তে আমাদের হাতে কাফিরদের যে
ৎসক্রিয়া সংঘটিত হয়, সে সংবাদটি মক্কাবাসীদের নিকট পৌছল কি না

প্রবল আক্রমণে আমরা তাদের নেতৃস্থানীয় বীর পুরুষদেরকে হত্যা করি ৷ ফলে মেরুদণ্ড
ভাংগা অবস্থায় পরাজয়ের গ্নানি নিয়ে তারা প্রত্যাবর্তন করে ৷

আমরা আবু জাহলকে হত্যা করেছি ৷ তার আগে উতবা ও শায়বাকে হত্যা করেছি ৷ এরা
সবাই হাত ও গ্রীবার উপর উপুড় হয়ে পড়ে থাকে ৷

সে দিন আমরা সুওয়াইদকে হত্যা করি ৷ তারপরে উতবাকে এবং ধুলি উড়ার সময়
তু’মা-কেও হত্যা করি ৷

এ ভাবে কত যে সম্মানিত সর্দার-লোকদের হত্যা করেছি যারা ছিল আপন সম্প্রদায়ের
মধ্যে প্রথিতযশা মহান ব্যক্তি ৷

আমরা তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছিলাম ক্ষিপ্ত চিতা বাঘের সামনে যারা বারবার তাদের
সম্মুখে এসেছিল ৷ এরপরে তারা প্রবেশ করবে গভীর তপ্ত অগ্নিকুণ্ডে ৷

তোমার জীবনের কসম! বদরের যুদ্ধের দিনে যখন আমরা মুখোমুখি হই, তখন তোমার
সাহায্যে না মালিকের অশ্বারােহী বাহিনী এগিয়ে আসলাে, আর না তাদের অন্যান্য মিত্ররড়া ৷

উৰায়দা ইবন হারিছের কবিতা

বদর যুদ্ধের শুরুতে উবায়দা ইবন হারিছ ইবন আবদুল মুত্তালিব, হাময়ড়া ও আলী যথাক্রমে
উতবা, শায়বা ও ওয়ালীদ ইবন উতবার বিরুদ্ধে মল্লযুদ্ধে অবতীর্ণ হন ৷ এ মল্পযুদ্ধে উবায়দা

১ ইবন হিশামের সীরাত গ্রন্থে এই পংজ্যি পরে নিম্নের পংক্তিটি আছে :

অর্থ : কিন্তু আমরা যে পানির কাছে পৌছাড়াম ৷ তোমাদের কোন কথা শুনলাম না এবং তৃপ্তি সহকারে পানি
পান করলাম নির্বিবাদে ৷

ইবন হারিছের একটি পা কেটে যায় ৷ সেসময় তিনি নিম্নের কবিতাটি আবৃত্তি করেন ৷ কিন্তু ইবন
হিশাম এ কবিতাটি উবায়দার বলে স্বীকার করেননি ৷

অর্থ : অচিরেই মক্কাবাসীদের নিকট আমাদের সম্পর্কে একটি ঘটনার সংবাদ গিয়ে
পৌছবে ৷ সে সংবাদ শুনে এখ ড্রুন থেকে যারা দুরে অবস্থান করছে তারা ঘাবড়ে যাবে ৷

উতবা সম্পর্কে, যখন মুে পালাচ্ছিল এবং তারপরে শায়বা, আর যে অবস্থায় থাকতে
উতবার প্রথম ছেলেঢিও ( ওয়া ল্লীদ) সম্মত ছিল ৷

তারা যদি আমার পা হ্মেটেন্দিয়ে থাকে, তবে এতে আমি বিচলিত নই, কেননা, আমি
মুসলমান ৷ এর বিনিময়ে আমিৰুরুআল্লাহ্র পক্ষ থেকে অচিরেই এক সুখমর জীবন আশা করি ৷

সে জীবন হবে হ্রদের সাথে যারা মুর্ডিং মত স্বচ্ছ ৷ উচ্চতর জন্নাতে যারা উচ্চ মর্যাদা
পারে তাদের জন্যে নির্ধারিত থাকবে এ সব হ্রর ৷

তা পাওয়ার জন্যে আমি এমন এক জীবনকে বিক্রি করে দিয়েছি যার পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে
আমি অবহিত ৷ আমি তা দ্রুত্বচুকড়ামনা করেছি ৷ এমনকি কাছের জিনিসকেও পরিত্যাগ করছি ৷

পরম দয়ালু সত্তা আপন ন্অনুগ্রহে আমাকে ইসলামের পোশাক দিয়ে সম্মানিত করেছেন-
যা আমার যাবতীয় অপরাধকে ঢেকে ফেল্যেছ ৷

যে দিন সকাল বেলা জ’ামার সমকক্ষ লোকের পক্ষ থেকে মুকাবিলা করার আহ্বান
আসলো সে দিন তাদের সাথে যুদ্ধ করা আমার কাছে খারাপ ঠেকেনি ৷

যখন তারা নবী করীম (না)-এর নিকট (মল্লযুদ্ধের ) দাবী জালাল তখন তিনি আমাদের
তিনজন ব্যতীত অন্য কাউকে ডাকেননি ৷ সুতরাং আমরা আহ্বানকারীদের সামনে গিয়ে
উপস্থিত হলাম ৷

আমরা বর্শা হাতে নিয়ে সিংহের মত গর্জে উঠে তাদের সামনে হাযির হলাম এবং রহমান
আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্যে পাপিষ্ঠদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকলাম ৷

এরপর আমরা তিনজনই আপন জায়গায় অবিচল থাকলাম ৷ আর তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে
পড়ালা ৷

ইবন ইসহাক লিখেছেনৰুধ্৪ বদর যুদ্ধে হারিছ ইবন হিশাম যুদ্ধ না করে দলবল ফেলে
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করে ৷ এ সম্পর্কে হাস্সান ইবন ছাবিতের নিন্দাসুচক কবিতাও
রয়েছে

হাস্সান ইৰ্ন ছাবিত আরও বলেন :

অর্থ : হে হারিছ ! যুদ্ধ ও দুর্যোগকালে এমন সব লোকের উপর তুমি নির্ভর করলে যারা
মোটেই নির্ভরযোগ্য ছিল না ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.