আমাদের দেশে মৃত্যুবরণের পর তৃতীয় দিন, সপ্তম দিন, চল্লিশতম দিন এবং প্রতি বছর মৃত্যু তারিখে ঈসালে সাওয়াবের জন্য কুরআন খতম বা অন্য কোনো খতম উপলক্ষে খানার আয়োজন করা হয়। উক্ত খানা ধনীরা খেতে পারবে কিনা? মৃত ব্যক্তির নামে কুরআন খতম ও দোয়া করে বিনিময় আদান প্রদান করার বিধান কি? এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো ৷

جواب

মৃত ব্যক্তির জন্য ঈসালে সাওয়াব করা শরীয়তসম্মত ও অত্যান্ত পূণ্যের কাজ। তবে আমাদের দেশে যে, নির্দিষ্ট দিন তারিখ তথা মৃত্যুর তৃতীয় দিন, সপ্তম দিন, চল্লিশতম দিন এবং প্রতি বছর মৃত্যু তারিখে যে খতম ও খানার আয়োজন করা হয়, তা সম্পূর্ণরূপে বিদ‘আত। ঈসালে সাওয়াব কোনো নির্দিষ্ট দিন তারিখে নয়, বরং সুবিধে মতো যে কোনো এক দিনে করা চাই। ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে কুরআন খতম বা অন্য কোনো খতম ও দু‘আ করিয়ে বিনিময় আদান প্রদান এবং খানা খাওয়া ও খাওয়ানো সবই নাজায়িয। তবে দুটির যে কোনো একটি করতে পারবে । হয়তো শুধু খতম বা দু‘আ। নতুবা শুধু খানা খাওয়ানো। আর ঈসালে সাওয়াবের খানা নফল সদকার অন্তর্ভূক্ত বিধায় ধনী-গরীব সবার জন্যই খাওয়া জায়িয আছে। তবে গরীবদেরকে খাওয়ানোতে সাওয়াব বেশি। আল বাহরুর রায়িক ২/২৪৬, ফাতাওয়া শামী ২/২৪০, ইমদাদুল ফাতাওয়া ২/৭৭। মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷ উত্তর দিয়েছেন : মুফতি মেরাজ তাহসিন হুজুর দিয়ে কুরআন খতম মৃত ব্যক্তির জন্য কুরআন খতম করা যাবে কি দোয়া করে টাকা নেওয়া সম্মিলিতভাবে কুরআন খতম জীবিত ব্যক্তির নামে কোরআন খতম ইসালে সওয়াব মাসিক আলকাউসার কোরআন কত দিনে খতম করা যায় কোরআন খতম করে টাকা নেওয়া
تمام فتاوی دیکھیں মৃত্যু-জানাজা زمرہ