اسلامی فتاوی
دینی سوالات کے جوابات اور فتاوی
আমার নিজের মালিকানাধীন ৬ তলা বাড়ির ২য় তলার পুরো ফ্লোর আমার কোম্পানির অফিস। ঐ ফ্লোরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধার্থে নামাযের জন্য একটি কামরা আলাদা রাখি। এতে যোহর, আসর ও মাগরিব এ তিন ওয়াক্ত নামায পড়া হয়। ঐ কামরায় অন্য কোনো কাজ করা হয় না। আমার জানার বিষয় হল, ক) ঐ কামরা কি নামায পড়ার দরুণ মসজিদ হয়ে যাবে? খ) আমাদের অফিস অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হলে ঐ ফ্লোর কি লিভিং রুম হিসেবে ব্যবহার করতে পারব? বা ভাড়া দিতে পারব? জানালে কৃতজ্ঞ হব।
ব্যবসা-চাকুরী
...
কুরবানীর সময় গরুর হাটে গরু পছন্দ করে দামাদামি শুরু করতেই কিছু লোক এসে উপস্থিত হয়। তারা ঐ গরুর মূল্য বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলতে শুরু করে। সেই গরু ক্রয় করতে চাইলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাদের চেয়ে বেশি মূল্য দিতে হয়। খোঁজখবর নিলে জানা যায় যে, ব্যবসায়ীদের সাথে তাদের যোগসাজশ থাকে। যারা মূলত ক্রেতা নয়। কিন্তু ক্রেতা সাজে শুধু দাম বাড়ানোর জন্য। শরীয়তের দৃষ্টিতে তাদের এ কাজের হুকুম কি?
ব্যবসা-চাকুরী
...
আমাদের জানামতে ব্যাংকে সাধারণত সুদী লেনদেন হয়ে থাকে। এখন যারা ব্যাংকে চাকুরি করে তাদের বেতনের টাকা হালাল কি না? আর তারা কিছু হাদিয়া দিলে তা ব্যবহার করা যাবে কি না?
ব্যবসা-চাকুরী
...
আমি আমার ভাগিনার জন্য আমার পরিচিত এক দোকানে একটি র্যাকেট কিনতে গেলাম। দাম জানতে চাইলে দোকানদার বলল, দাম কি এখন দিয়ে দেবেন? আমি বললাম, দু মাস পরে দেব। তখন সে বলল, এখন দাম পরিশোধ করলে ২৫০ টাকা আর দুই মাস পরে দিলে ২৬০ টাকা। এভাবে সময়ের কারণে বেশি মূল্যে বিক্রি করা জায়েয হবে কি?
ব্যবসা-চাকুরী
...
কয়েকদিন আগে আমি এক এলাকায় বাসা ভাড়া নেই। মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব না থাকলে মাঝেমধ্যে এক ব্যক্তি নামায পড়ান, যার দাঁড়ি একেবারে ছোট করে ছাঁটা। বিষয়টি আমাকে কষ্ট দেয়। স্থানীয় দু’ একজনকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তারা ততটা গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু তার পিছনে নামায পড়তে আমার ভক্তি হয় না। এ অবস্থায় আমি কি একাকী নামায পড়ব? অনুগ্রহ করে জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
...
আমাদের এলাকার এক কৃষক থেকে ৪০০/- টাকা দরে ১০ মণ ইরি ধান ক্রয় করেছি। চুক্তিটি এভাবে হয়েছে যে, আমি তাকে নগদ ৪,০০০/- টাকা দিয়েছি। তিনি ছয় মাস পর পর পাঁচ মণ করে ধান দিবেন। এক বছরে সম্পূর্ণ ধান পরিশোধ করবেন। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম কিস্তিতে তিনি পাঁচ মণ ধান দিয়েছেন। দ্বিতীয় কিস্তি দেওয়ার সময় তিন মণ ধান দিতে চাচ্ছেন এবং বলছেন যে, ক্ষেতের ধান কম হয়েছে। তাই তিন মণ দিবেন। আর দুই মণ ধানের বর্তমান বাজার মূল্য হিসেবে মূল্য দিয়ে দিবেন। এখন আমার জন্য ঐ দুই মণ ধানের মূল্য নেওয়া জায়েয হবে কি?
ব্যবসা-চাকুরী
না, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার জন্য ঐ দুই মণ ধানের পরিবর্তে তার মূল্য নেওয়া ...
কিছুদিন আগে আমার পিতা মারা যান। মিরাস সূত্রে একটি ট্রাক আমার মালিকানায় আসে। আমি এক ব্যক্তির সাথে এই মর্মে চুক্তি করেছি যে, এই ট্রাক তুমি চালাবে। যা আয় হবে তার অর্ধেক তুমি পাবে, আর অর্ধেক আমি। প্রশ্ন হল, আমাদের এই চুক্তি সহীহ হয়েছে কি? যদি সহীহ না হয় তাহলে এর সহীহ পন্থা কী হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ট্রাকের আয় উভয়ে ভাগ করে নেওয়ার চুক্তি সহীহ হয়নি। এ...
আমাদের এলাকার অধিকাংশ লোক কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। প্রতি মৌসুমে তারা তরমুজ চাষ করে। তা ছোট অবস্থায় পুরো ক্ষেত ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করে দেয়। পরে তরমুজ বড় হলে ব্যবসায়ীরা তা উঠিয়ে বাজারে বিক্রি করে। আমার প্রশ্ন হল, এভাবে ফল বিক্রি করা বৈধ হবে কি? বিক্রয়ের পর এ তরমুজ বিক্রেতার জমিতে রাখা জায়েয হবে কি না? বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
...
ক) আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি মসজিদের পাশে এক খন্ড জমি ক্রয় করে মাদরাসার নামে ওয়াকফ করে দেয়। কিন্তু মাদরাসা এখনো প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। ভবিষ্যতে মাদরাসা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এলাকার কিছু লোক ঐ জমিতে কলা, পেপে ইত্যাদি চাষাবাদ করে থাকে এবং তা বিক্রি করে মসজিদের উন্নয়নের কাজে ব্যয় করে। এখন জানার বিষয় হল- ক. এভাবে মাদরাসার সম্পদ মসজিদের জন্য ব্যয় করা জায়েয হবে কি না? যদি না হয় তবে পূর্বে ব্যয়কৃত অর্থের হুকুম কী? খ) মসজিদের মাল মসজিদের ভিতরে বিক্রি করার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কি? জানালে কৃতজ্ঞ হব।
ব্যবসা-চাকুরী
...
আমরা তিন ভাই একটি ঘরের সমহারে মালিক। বড় ভাই তার অংশ বিক্রয়ের প্রস্তাব করলে ছোট ভাই খরিদ করতে রাজি হয়। উভয়ে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, উক্ত ঘরের মূল্য নির্ণয় করার জন্য তাদের দুজনের পছন্দমতো দ্বীনদার লোকের সমন্বয়ে পাঁচ জনের একটি কমিটি গঠিত হবে। তারা যে মূল্য নির্ধারণ করবে উভয় পক্ষ তা মেনে নিবে বলে ওয়াদাবদ্ধ হয়। কমিটি যখন মূল্য নির্ধারণ করে তখন ক্রেতা ছোট ভাই ওয়াদা মোতাবেক তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। কিন্তু বড় ভাই ঘরের মূল্য কম হচ্ছে মনে করে কমিটির নিকট পুনরায় আরো সাত লক্ষ টাকা বেশি দাবি করেন। কমিটি মাসলাহাত মনে করে তা আমলে নিয়ে আরো পাঁচ লক্ষ টাকা বাড়িয়ে দেন। তখন বড় ভাই (বিক্রেতা) বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। তখন কমিটি সকলের উপস্থিতিতে লেনদেন ও রেজিস্ট্রির সময় নির্ধারণ করেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, রেজিস্ট্রির সময় তিনি বলেন আমি উক্ত মূল্যে বিক্রি করব না। আমার বিক্রি শুদ্ধ হয়নি। আমার শরীয়া মোতাবেক ফিরে যাওয়ার এখতিয়ার আছে। আমার প্রশ্ন হল, আমাদের এই ক্রয়-বিক্রয় শুদ্ধ হয়েছে কি না এবং বিক্রেতার ফিরে যাওয়ার এখতিয়ার আছে কি না। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
ব্যবসা-চাকুরী
প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সালিশের পক্ষ থেকে মূল্য নির্ধারণের পর বড় ভাই ...
فتوی دریافت کریں
اپنے دینی سوال کا جواب حاصل کرنے کے لیے نیچے دیا گیا فارم پُر کریں۔