অনুচ্ছেদ : আবতাহে অবস্থান ও আলী (রা)-র আগমন প্রসৎগ

নিয়ে বেরিয়ে এসে তার সামনে সেটি পুতে দিলে রাসুলুল্পাহ্ (সা) সালাত আদায় করলেন
বাতহায় কিন্তু আবদুর রাঘৃযাক (র) বলেন, তাকে (উর্ধ্বতন রাবী সুফিয়ান কে আমি মক্কায়
কথাটি বলতে শুনেছি) তার সামনে দিয়ে (সুতরাং রুপে ব্যবহৃত বল্লমের অপর পাশ দিয়ে)
কুকুর, নারী ও মধ্যে চলাচল করছিল এবং তার পায়ে শোভা পাচ্ছিল এক জোড়া লাল পোষাক
আজো যেন, আমি তার পায়ের গোছাদ্বয়ের ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি ৷ বর্ণনাকারী আরো বলেন,
আমি আবতাহে নবী কবীম (না)-এর কাছে উপস্থিত হলাম ৷ তিনি তখন একটি লাল র্তাৰুতে
অবস্থান করছিলেন ৷ বিলাল (না) তখন নবী করীম (না)-এর উযুর অবগ্রিষ্টি পানি নিয়ে বেরিয়ে
এলেন ৷ (তখন সে পানির বরকত লাভের জন্য হৈচৈ পড়ে গেল) কেউ কিছু পেল, কেউ ছিটা
ফৌটা পেয়ে ধন্য হলেন ৷ বর্ণনাকারী বলেন, বিলাল (বা) আযান দিলেন ৷ আমি তার মুখ
ঘুরানাে প্রত্যক্ষ করছিলাম, কখনো এদিকে বা কখনো ওদিকে অর্থাৎ ড্যান বীমে ৷ বর্ণনাকারী
বলেন, তারপর তার জন্য একটি ক্ষুদে বল্লম পুতে দেয়া হলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) বেরিয়ে এলেন,
তখন তার পরিধড়ানে ছিল একটি লাল জুব্বা কিং বা লাল জে ৷ড়া পোষাক (জামা ও লুৎর্গী), আমি
যেন (এখনও) তার গোছাদ্বয়ের ঔজ্জ্বল্য দেখতে পা ড়াচ্ছি ৷ তিনি আমাদের নিয়ে একটি বল্লম
সামনে রেখে যুহর কিৎবা আসর সালাত দুই রাকআত আদায় করলেন ৷ (সামনে দিয়ে)
নির্বিবাদে যেয়ে লোক, কুকুর ও মধ্যে চলাচল করছিল ৷

তারপর মদীনায় ফিরে আসা পর্যন্ত দু বাকআত করে আদায় করতে থাকলেন ৷ বর্ণনাকারী
কখনো কখনো বলেছেন-যুহর এবং আসর, দু রাকআত (করে) আদায় করলেন ৷ প্রধান
ইমামদ্বয় তাদের দুই সহীহ্ গ্রন্থে এ হাদীস সুফিয়ান ছাওরী (র)-এর বরাতে উদ্ধৃত করেছেন ৷
আহমদ (র) আরো বলেছেন, মুহাম্মদ ইবন জাফর (র) আবু জুহায়ফা (রা) সুত্রে বর্ণনা
করেন ৷ তিনি বলেছেন রাসুলুল্লাহ্ (সা) দুপুর বেলা ক০ করময় মাঠে বেরিয়ে এসে উযু করলেন
এবং যুহর দুই রাকআত আদায় করলেন ৷ তখন তার সামনে (সুতরাং রুপে) ছিল একটি ছোট্ট
বল্লম ৷ এ রিওয়ায়াতে আওন অতিরিক্ত যোগ করেছেন ৷ আমাদের সামনে দিয়ে মধ্যে ও নারীরা
চলাচল করছিল ৷ (মুহাম্মদ ইবন জাফরের অন্যতম শায়খ) হাজ্জাজ (বা) এ হাদীসে
অতিরিক্ত বলেছেন ৷ তারপর লোকেরা দাড়িয়ে তার হাত ধরে ধরে তা নিজেদের মুখমওলে
লাগিয়ে নিচ্ছিল ৷ আবু জুহায়ফা (রা) বলেন, আমিও তার হাত ধরলাম এবং তা আমার মুখে
লাগালাম ৷ আমি অনুভব করলাম যে, বরফের চাইতে শীতল ও মিশকের চাইতে অধিকতর
সুগন্ধিযুক্ত ৷ সহীহ্ গ্রন্থদ্বয়ের গ্রন্থকারদ্বয় শুবা (র)-এর হাদীস সংগ্রহ হতে এ হাদীস পুর্ণাৎগ
আহরণ করেছেন ৷

অনুচ্ছেদ : মিনা অভিমুখে যাত্রা ও নবী জ্জীম (না)-এর ভাষণ ও ইহৰাম তালবিয়া প্রসংগ
পুবেই যেমন বিবৃত করেছি, নবী করীম (সা) রবিবার হতে বুধবার পর্যন্ত আবতাহে অবস্থান
করলেন এবং হড়াদীবিহীন লোকেরা হালাল হয়ে গেল ৷ আলী (বা) এ সময় ইয়ামান হতে তার
সহযাত্রী মুসলমান কাফেলা ও অর্থ সম্পদ সহকারে আগমন করলেন ৷ প্রথম বারের তাওয়াফের
পরে নবী করীম (সা) আর কাবায় ফিরে পেলেন না ৷ তারপর নবী করীম (সা) বৃহস্পতিবারের
সকালে আবতাহে সে দিনের ফজর সালাত আদায় করলেন ৷ এ দিনটি ইয়াওঘুততারবিয়া
নামে অভিহিত এবং এ দিন মিনা অভিমুখে যাত্রা করা হয়, বিধায় এদিকে মিনা দিবসও বলা

হয় ৷ নবী করীম (সা) এ দিনের আগের দিন খুতব৷ দিয়েছিলেন বলে বর্ণিত আছে ৷ পুর্ববর্তী
দিনটি যেমন কোন কোন তালীক রিওয়ায়াত আছে ইয়াওমুবৃ-যীনা সাজ-সজ্জা দিবস নামে
অভিহিত ৷ কেননা, ঐ দিন গদী-জীন, মালা ইত্যাদি পরিয়ে উট সাজানো হয়ে থাকে ৷
আল্পাহই সমধিক অবগত ৷

হাফিজ বায়হাকী বলেন, আবু আবদুল্লাহ আল হাফিজ (র) (নাকি) ইবন উমর (রা) সুত্রে
বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, তালৰিয়৷ দিবসে নবী রুয়ী-ম (সা) ভাবর্ণ দিলেতাতে তিনি ৷লাকাদর
হাজ্জর রীতি নীতি বিষয়ে অভিহিত করলেন ৷ দুপুরের আগে মতাম্ভরে দুপুাবব পরে নবী কবীম
(সা) মিনার উদ্দেশ্যে সওরাবীতে আরোহণ করলেন ৷ আর যারা হালাল হয়ে গিয়েছিলেন তারাও
মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলেন এবং তাদের বাহন গন্তব্যভিযুখে চলার জন্য উদ্যত হলে
আবতাহে তারা হাজ্জর ইহবাম বাধলেন ৷ আবদুল মালিক (র) আতা সুত্রে জাৰির ইবন
আবদুল্লাহ্ (বা) হতে উদ্ধৃত করে বলেছেন ৷ আমরা বাসুলুল্লাহু (সা)এব সাথে আগমন করলাম
এবং (উমরা পালন করে) হালাল হয়ে গেলাম ৷ যি লহাজ্জর আট তারিখ হয়ে আমরা মক্কা পিছনে
রেখে হাজ্জয় তালৰিয়৷ উচ্চারণ করলাম ৷ বুখাবী (র) সুনিশ্চিত তা লীকরুপে এ বর্ণনা উল্লেখ
করেছেন ৷ মুসলিম (র) বলেহ্নে৷ ৷ মুহাম্মদ ইবন হাতিম (ব) জাৰির (রা) থেকে বর্ণনা করেন ৷
তিনি বলেন, আমরা হালাল হয়ে গেলে নবী করীম (সা) আমাদের হুকুম দিলেন যেন, আমরা
মিনা অভিমুখে রওয়ান৷ হওয়ার সময় হাজ্জা ইহবাম বেধে নেই ৷ জাৰিয় বলেন, আমরা
আবতাহে ইহবাম ব্া৷ধ্লাম্ ৷ উবায়দ ইবন জুরায়জ; (র) ইবন উমর (রা)-াক বললেন, আপনাকে
লক্ষ্য করলাম, আপনি মক্কায় অবস্থান কালে ৷লাকর৷ (যিলহাজ্জর) চাদ দেখা“ মাত্রই ইহবাম
বীধে কিন্তু আপনি আট তারিখ পর্যন্ত ইহবাম না বেধেই থাকেন ৷ তিনি বললেন, নবী কবীম
(সা)-াক নিয়ে তীর বাহন উঠে না র্দাড়ানাে পর্যন্ত র্তা৷ক আমি তালবিয়৷ উচ্চারণ করতে শুনি নি
(এক দীর্ঘ হাদীসের আওতায় বুখাবী (র) হাদীসে রিওয়ায়াত করেছেন) ৷ বুখাবী (র) আরো
বলেন, আতা (ব)-াক মিনা অতিক্রম কাবীর হাজ্জা তালৰিয়াপাঠ সম্পর্কে ত্তিজােস৷ করা হল ৷
তিনি বললেন, ইবন উমর (রা) আট তারিখে যুহর সালাত আদায়ের পর তার বাহান স্থির হলে
তালৰিয়৷ উচ্চারণ করতেন ৷ আমার (গ্রন্থকার ) মতে, ইবন উমর (রা) প্রথমে উমরা
পালনকাবীরুাপ হাজ্জ আগমন করলে এরুপই করতেন ৷ উমরা হতে হালাল হয়ে য়োতন এবং
আট তারিখ আগত হলে মিনা অভিমুখে রওয়ানাকালে তার বাহন তাকে নিয়ে চলতে উদ্যত না
হওয়া পর্যন্ত তালৰিয়৷ উচ্চারণ করতেন না ৷ যেভাবে রাসুলুল্লাহ্ (সা) ঘুলহুলায়ফায় যুহর সালাত
আদায়ের পরে তার বাহন তাকে নিয়ে চলতে উদ্যত না হলে ইহবাম তালবিয়৷ আদায় করতেন
না ৷ তবে নবী কবীম (সা) আট তারিখ আবতাহে যুহর সালাত আদায় করেন নি ৷ তিনি তাে তা
আদায় করেছিলেন মিনার পৌছে এবং এ বিষয়টিতে কোন মতপার্থক৷ নেই ৷

বুখাবীব অনুচ্ছেদ : শিরোনাম, তাসবিয়৷ দিবসে যুহব সালাত কোথায় আদায় হবে ?

আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ (র) আবদুল আযীম ইবন রুফায় (র) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি
বলেন, আমি আসলে ইবন মালিক (বা)াক বললায, আপনি রাসুলুল্লাহ্ (না) হতে যা আয়তু

১ বুখায়ীৱ অনুচ্ছেদ শিরোনামে উদ্ধৃত সনদ বিহীন রিওয়ায়াত ৷-অনুবাদক ৷

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.