রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

অনুচ্ছেদ : মুহাজির-আনসারগ্যাণর মধ্যে ভ্রাতৃতু স্থাপন এবং ইঁয়াহ্রদীদের সাথে চুক্তি

অনুচ্ছেদ : মুহাজির-আনসারগ্যাণর মধ্যে ভ্রাতৃতু স্থাপন এবং ইঁয়াহ্রদীদের সাথে চুক্তি

থেকে তার নবীকে হিফাযত করেন ৷ বুখারী ও মুসলিমে ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত আছে
যে, তিনি বলেন : রাসুলুল্লাহ (সা) এবং তার সাহাবীগণ উমরাতৃল কাযার বছরে মক্কায় পৌছলে
মুশরিকরা বলে৪ তোমাদের নিকট এক প্রতিনিধি দল আগমন করছে ইয়াছরিরের জ্বর-ব্যাধি
যাদেরকে দুর্বল করে তুলেছে ৷ তখন রাসুলুল্লাহ (সা) সাহাবীগণ রমল করার নির্দেশ দেন অর্থাৎ
তারা যেন (প্রথম তিন চক্করে) বীরদর্পে চলেন এবং দুই রুকন অর্থাৎ রুক্ন ইয়ামড়ানী ও হাজারে
আসওয়াদের মধ্যস্থলে যেন ধীরে-সুন্থে ইড়াটেন ৷ এবং অন্যান্য চক্করে তিনি তাদেরকে রমল
করতে বারণ করেছেন কেবল তাদের প্রতি করুণা বশে ৷

আমি (গ্রন্থকার) বলি উমরাতুল কায়া সংঘটিত হয় সপ্তম ইইজরীর যিলকড়াদ মাসে আর
মদীনায় মহামারী স্থানান্তরের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা) দু’আ হয়তো পরে করেছেন, অথবা মহামারী
হলেও তার লক্ষণ আর প্রতিক্রিয়া তখনো সামান্য হলেও অবশিষ্ট ছিল ৷ অথবা তারা যে জ্বরে
ভুগেছেন , তার লক্ষণ তখনো পরিস্ফুট ছিল ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

ইবন শিহাব ষুহরী আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস সুত্রে রাসুলুল্লাহ (সা) থেকে বর্ণনা
করেছেন ঘ্র

রাসুলুল্লাহ (না) এবং তার সাহাবীগণ মদীনা আগমন করে জ্বরে আক্রান্ত হন ৷ মদীনায় এই
জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রোগ-ব্যাধিতে তারা দুর্বল হয়ে পড়েন ৷ অবশ্য আল্লাহ এ থেকে তার নবীকে
হিফাযত করেন ৷ তারা এতই দুর্বল ও ক্ষীণ হয়ে পড়েন যে, না বসে তারা নামায আদায় করতে
পারতেন না ৷ রাবী বলেন, একদিন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বের হলেন আর সাহাবীগণ এ ভাবে (বসে
বসে) নামায আদায় করছিলেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন : জেনে রাখবে, বসে বসে
নামায আদায়ে দাড়িয়ে নামায আদায়ের তুলনায় অর্ধেক সওয়াব পাওয়া যায় ৷ এরপর
মুসলমানরা রোগ-ব্যাধি আর দুর্বলতা সত্বেও জোর করে দাড়িয়ে নামায আদায়ের চেষ্টা করেন
কেবল সওয়াব লাভের আশায় ৷

অনুচ্ছেদ
মুহাজ্যি-আনসারগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন এবং ইয়াহ্রদীদের সাথে চুক্তি

ইবন জারীর তাবারীর বর্ণনা মতে মদীনায় ইয়াহ্রদীদের তিনটি গোত্র বসবাস করতো বনু
কায়নুক , বনু নাযীর এবং বনু কুরায়য়া ৷ আনসারগণের পুর্বে বুখতে নসর-এর শাসনামলে
ইয়াহুদীরা হিজায়ে আগমন করে ৷ বুখতেনসর পবিত্র নগরীর ধ্বংস সাধন করে ৷ সায়লুল
আরিম তথা সর্বগ্ৰাসী প্লাবনে লোকেরা এদিক-সেদিক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গেলে আওস এবং
খাযরাজ গোত্রের লোকেরা মদীনায় আগমন করে ইয়াহুদীদের সঙ্গে বসবাস করতে থাকে ৷
এসব নবাগতরা ইয়াহ্রদীদের সঙ্গে মৈত্রী ও সখ্যতা গড়ে তোলে এবং তাদের মতো মাজার চেষ্টা
চালায় ৷ কারণ, এ নবাগতদের দৃষ্টিতে ইয়াহুদীরা নবীদের থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানের বদৌলতে
গ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী ছিল ৷ কিন্তু এসব ঘুশরিককে হিদায়াত আর ইসলাম দ্বারা ধন্য করে আল্লাহ
তাদের প্রতি অনুগ্নহ করেছেন ৷ হিংসা-বিদ্বেষ , বিদ্রোহ এবং সত্যকে গ্রহণ করে নিতে অনীহড়ার
কারণে আল্লাহ এসব দাম্ভিক ইয়াহুদীকে লাঞ্ছিত করেন ৷

ইমাম আহমদ (র) আফফান সুত্রে আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন : রাসুলুল্লাহ্
(সা) আনাস ইবন মালিকের গৃহে মুহাজির এবং আনসারদের মধ্যে মৈত্রী স্থাপন করেন ৷ ইমাম
আহমদসহ ইমাম বুখারী, মুসলিম এবং ইমাম আবু দাউদ আসিম ইবন সুলায়মান
আল-আহওয়ালের বরাংত আনাস ইবন মালিক সুত্রে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ৷ হযরত আনাস
(রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমার গৃহে কুরায়শ এবং আনসারদের মৈত্রী স্থাপন করেন ৷ আর
ইমাম আহমদ নসর ইবন বার সুত্রে আমর ইবন শুআয়বের দাদা থেকে বর্ণনা করেন :

নবী করীম (সা) মুহাজির-আনসারদের মধ্যে একটা লিখিত র্চুস্থিরু করেন যে, তারা পরস্পরে
লেনদেন করবে, উপযুক্ত ফিদিয়ার বিনিময়ে বন্দীদেরকে মুক্ত করবে এবং মুসলমানদের মধ্যে

ৎস্কার-সংশোধন করবে ৷ ইমাম আহমদ আব্বাস সুত্রে ইবন আব্বাস থেকে অনুরুপ হাদীছ
বর্ণনা করেন ৷ হাদীসটি ইমাম আহমদ এককভাবে বর্ণনা করেন ৷ মুসলিম শরীফে হযরত
জাবির (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রতিটি গোত্রের উপর দিয়াতের বিধান
লিখে দেন ৷ মুহাম্মদ ইবন ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মুহাজির এবং আনসারদের মধ্যে
একটা লিখিত চুক্তি করান, তাতে তিনি ইয়াহুদীদেরকেও অঙ্গীকারবদ্বট্র করেন ৷ ধর্মপালন এবং
সম্পদ রক্ষার ব্যাপারে অঙ্গীকার গ্রহণ করেন এবং তাদের উপর কিছু শর্তও আরোপ করেন ৷
চুক্তিটির ভাষা এ রকম :

আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া

মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র
ইয়াহ্রদীরাও এ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

কুরায়শী এবং ইয়াছরিবী মুসলমান এবং তাদের অনুসারীদের মধ্যে উস্বী নবী মুহাম্মদ (সা)

এ সনদ জারী করেন ৷

এক জাতি হিসাবে তারা জিহাদে অংশ গ্রহণ করবে অন্যদের মুকাবিলায় ৷
কুরায়শী মুহাজিররা তাদের কর্তৃত্বে বহাল থাকবে ৷ তারা রীতি অনুযায়ী নিজেদের
রক্তপণ পরিশোধ করবে এবং প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ইনসাফের ভিত্তিতে বন্দীদের
মুক্তিপণ পরিশোধ করবে ৷

বনু আওফ তাদের কতৃত্বে বহাল থাকবে ৷ তারা রীতি ও বিধি মতো দিয়াত পরিশোধ
করবে এবং প্রতেক দল রীতি অনুযায়ী ইনসাফের ভিত্তিতে মু’মিনদেরকে ফিদিয়া
পরিশোধ করে তাদের বন্দীদেরকে মুক্ত করবে ৷
এরপর তিনি আনসারদের প্রতেকে বংশ-গোত্র-এর উল্লেখ করেন ৷ এরা হলো, বনু
সাইদা, বনু জুশাম, বনুনাজ্জার, বনুঅড়ামর ইবন আওফ, বনু নাবীত ৷ এমনকি চুক্তিতে
তিনি একথাও উল্লেখ করেন যে, কোন মুসলমান ঋণভারে জর্জরিত বিপণ
জনগােষ্ঠীকে আশ্রয়হীন রাখবে না এবং ফিদিয়া আর দিয়াতের ক্ষেত্রে নিয়ম-রীতি
অনুযায়ী পরস্পরের সাহায্য-সহায়তা করবে ৷

কোন মুসলমান অপর মুসলমানের আযাদ করা গোলামের সঙ্গে কোন চুক্তি করবে না
র্তাকে বাদ দিয়ে (মুহাম্মদ (না)-কে ছাড়া) ৷ (অর্থাৎ অন্যের মুক্ত দাসের সঙ্গে কোন
মুসলমান মৈত্রী চুক্তি স্থাপন করতে পারবে না ৷

মু’মিন মুত্তাকীরা ঐক্যবদ্ধ মোর্চা গঠন করবে বিদ্রোহী, যালিম, অত্যাচারী, পাপাচারীর
বিরুদ্ধে, মু’মিনদের মধ্যে ফাসাদ ও বিপর্যয় সৃষ্টির বিরুদ্ধে ৷ এমন কি আপন
সন্তানদের বিরুদ্ধে গেলেও এ মাের্চা গঠন করতে হবে এবং এ ব্যাপারে সকলে নবী
মুহাম্মদ (না)-কে সহায়তা করবে ৷

কোন কাফিরের বদলায় কোন মু’মিন কোন মুমিনকে হত্যা করবে না ৷

মু’মিনের বিরুদ্ধে কোন কাফিরের সাহায্য করা যাবে না ৷

আল্লাহ্র যিম্মড়া-অঙ্গীকার এক ও অভিন্ন ৷ তাদের পক্ষ থেকে একজন সামান্য-নগণ্য
ব্যক্তিও কাউকে আশ্রয় দিতে পারবে ৷

অন্যদের মুকাবিলায় মুসলমানগণ পরস্পরে ভাই ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.