অনুচ্ছেদ : রিওয়ায়াতসমূহের সমন্বয় সাধন

আল্লাহর কসম ! এটিও অবশ্য ঐওলোর সাথে রয়েছে ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেন, আফ্ফান
(র) আবু সারহ অল-হনাঈ (র) হতে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সড়াহ!বীগণের একটি
জামাআতের সাথে আমিও মুআবিয়া (রা)-এর কাছে ছিলাম ৷ ঘুআবিয়া (বা) বললেন, আল্লাহর
নামে কলম দিয়ে আমি আপনাদের বলছি, আপনারা তো জানেনই যে রাসুলুল্লাহ্ (সা) চিতা
বাঘের চামড়ার চড়ে বসা নিষেধ করেছেন? তারা বললেন, আল্লাহ্ সাক্ষী, তাই ! তিনি বললেন,
আপনারা তাে জানেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (স!) খণ্ডিত আকার ব্যতীত সোনা ব্যবহার নিষেধ
করেছেন ৷ র্তারা বললেন, আল্লাহ সাক্ষী, তাই ! তিনি বললেন, আপনারা আরে! জানেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) সােনা-রুপার পড়াত্রে পান করা নিষেধ করেছেন! তার! বললেন, আল্লাহ সাক্ষী !
তাই! তিনি বললেন, আর এ ও জানেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ্ (স!) তড়ামাত্তু (কিরান) হজ্জ নিষেধ
করেছেন ৷ তার! বললেন, আল্লাহ সাক্ষী ! তা নয়! আহমদ (র) আরো বলেন, মুহাম্মদ ইবন
জাফর (র)আবু সারহ আল-হুনাঈ (র) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, তিনি মুআবিয়া
(রা)-এর কাছে উপস্থিত ছিলেন, তখন তার কাছে নবী করীম (সা)এর সাহ!বীগণের একটি
জামআেত ছিল ৷ যুআৰিয়া (বা) তড়াদের বললেন, আপনারা কি জানেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা)
ঢিতা বাঘের চামড়ার বসতে নিষেধ করেছেন? তার! বললেন, হী ! তিনি বললেন, আপনারা
জানেন যে, আল্লাহর রাসুল (স!) রেশম পরিধান করা নিষেধ করেছেন! তীর! বললেন, আল্লাহ্
সাক্ষী, ভু৷ (তইি)! তিনি বললেন, আপনার! কি জানেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (স!) সােনা-রুপার পাত্রে
পান করা নিষেধ করেছেন? তার! পেলেন, আদ্মাহ্ সাক্ষী, হ!! তিনি বললেন, আপনারা জানেন
কি যে রাসুলুল্লাহ্ (সা) হজ্জ ও উমর! একত্রে নিষেধ কারছেঃ? তার! বললেন, আল্লাহ সাক্ষী !
না! ঘুআবিয়া (রা) বললেন, তবে আল্লাহর কলম! অবশ্যই এটিও সেগুলোর সাথে রয়েছে ৷
হদ্যোদ (র)-ও (কাতাদা হতে) অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন এবং তিনি অতিরিক্ত
বলেছেনতাব আপনারা তা তুলে গিয়েছেন ৷ অনুরুপ (এ অতিরিক্ত অংশ) মুল পাঠসহ
রিওয়ায়াত করেছেন আশআছ ইবন সেবার প্রমুখ (কাতাদা থেকে) ৷ আর মাতার আল
ওয়াররাক ও বুহড়ায়স ইবন কাহ্দান (র) ও আবু সারহ (র) সুত্রে তমােত্ত্ব হজ্জ সম্পর্কে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ অন্য দিকে আবু দাউদ (র) ও নাসাঈ (র) এ হাদীস আবু সারহ আল
হুনাঈ হতে উল্লিখিত সনদের একাধিক সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷

এ হাদীসটির সনদ বেশ উত্তম ৷ তবে এ হাদীসে হজ্জ ও উমর! একত্রিত করা নিষিদ্ধ
হওয়ার অংশটুকু হযরত ঘুআবিয়া (রা) বরাতে রিওয়ায়াত হওয়া অতি বিরল ৷ তবে এমন হতে
পারে যে, মুল হাদীসটি শুধু মুতা বিবাহ সম্পর্কিত রাবী সেটিতে তমােত্তু হজ্জ স ক্রান্ত বলে
ধারণা করেছেন ৷ অথচ তা ছিল মুতআ বিবাহ সষ্ ক্রান্ত ৷ তবে উপস্থিত সাহাবীগণের কাছে
যুতআ বিবাহ নিষিদ্ধ হওয়া বিষয়ক কোন রিওয়ায়াত ছিল না (বিধায় তারা না সুচক জবাব
দিয়েছেন) কিৎবা এমনও হতে পারে যে, মুল রিওয়ায়াতে কিরান’ সং যুক্তিকরণ নিষিদ্ধ হওয়ার
কথা ছিল বটে ! তবে তা (হকৃজ্জর কিরান নয় বরং সমপরিমাণে প্রদত্ত চাদার পয়সায় কেনা বা
দলবদ্ধভারে সংগৃহীত খেজুর (ইত্যাদি খাওয়ার সময়) সং যুক্ত করা অর্থাৎ এক সঙ্গে দৃ দৃ টি
মুখে তুলে দেয়া নিষেধ হওয়া সম্পর্কিত ৷ যেমন ইবন উমর (বা) হতে বর্ণিত হাদীসে
রয়েছে ৷ কিন্তু রাবী (কিরান শব্দ থাকার কারণে) হকৃজ্জর কিরান বলে ধারণা করেছেন ৷ অথচ
বাস্তব ব্যাপার তা নয় ৷ কিৎবা এমনও হতে পারে যে, ঘুআৰিয়া (বা) যখন বলেছিলেন, তখন

এভাবে বলেছিলেন, আপনারা জা নেন নি যে, এ বিষয়টি নিয়েধ করা হয়েছে অর্থাৎ তিনি
(ক্রিয়ার কর্তৃরুপ ব্যবহার না করে) কর্মরুপ ব্যবহার করেছিলেন ৷ কিন্তু পরবর্তী রাবী সেটিকে
নবী করীম (সা) এর সাথে সম্পৃক্ত (করে কর্তৃরুপে রুপান্তরিত করে নিষের করেছেন’রুপে
ব্যক্ত) করেছেন এবং তাতে ভ্রান্তির শিকার হয়েছেন ৷ কেননা, হভ্রুজ্জর ঘুতঅড়া যিনি নিষেধ
করতেন, তিনি হলেন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) ৷ তবে তার এ নিষেধ ও হারাম’ সাব্যস্ত করার
রুপে এবং চুড়াত পর্যায়ের ছিল না (যেমন পুর্বে আলোচনা করে এসেছি) ৷ বরং তার
নিয়েধাজ্ঞার লক্ষ্য ছিল রাতে হজ্জ হতে ভিন্ন করে উমরার জন্য স্বতন্ত্র সফর করে আসা হয়
এবং তার ফলে রায়তুল্লাহ্র যিরারতে আগমনের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ৷ আর যেহেতু সাধারণ
সাহাবীগণ (বা) তাকে খুব বেশী সমীহ করতেন ৷

তাই প্রায়শ মুখের উপরে তার ব্যিরাধিতা বা তার সাথে দ্বিমত পােষণের দৃসােহস তারা
দেখাতেন না ৷ অথচ তার পুত্র আবদুল্লাহ্ (র)-ও এ বিষয়ে তার সাথে ভিন্নমত পােবণ করতেন
এবং তাকে এ কথা বলা হলো যে, আপনার পিতা- ভৈতড়া তা (হক্রুজ্জর আগে উমরা করা) নিষেধ
কর ওে ণ্রু ; তিনি ণ্যাওেণ, “আমার আশঙ্কা হয় যে, তোমাদের উপরে আন্দামান হতে পাথর না
বর্নিত হয় রাসুলুল্লা হ্ (সা) তো নিজে তা করেছেন ৷ তা হলে রাসুলুল্লড্রু :(সা)-এর সুন্নাত
অনুসরণ করা হবে নাকি উমর ইরনৃল থাত্তাব (রা) এর আচরিত রীতির অনুসরণ করা হবে?
অনুরুপ উহুমান (রা) তা নিষেধ করতেন আর আলী ইবন আবু তালিব (রা) তীর বিরোধিতা
করেছেন (পুবেই আলোচনা হয়েছে) ৷ আলী (রা) বলতেন, কোন মানুষের কথায় আমি
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সুন্নাহ্ পরিত্যাগ করব না ৷ আর ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) পরিস্কার
বলেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সঙ্গে তামাত্তু (কিরান) করেছি; তারপর তা হারাম
সাব্যস্ত করে কুরআন নাযিল হয় নি এবং রাসুলুল্লাহ্ (না)-ও তার ওফাত পর্যন্ত তা নিষেধ করে
যান নি ৷ (বুখারী-যুসলিম)সহীহ্ মুসলিমে সাদণ্ৰু (রা) হতে বর্ণনা রয়েছে যে, তিনি মুআবিরা
(রা) যুতআর অস্বীকৃতিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, আমরা তো রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
সঙ্গে থেকে তা করেছি, যখন নাকি এ ল্যেকটি মক্কায় কাফিররুপে জীবন-যাপন করছিল ৷ অর্থাৎ
যুআৰিরা (রা) ন্

গ্রস্থুকারের বক্তব্য : রাসুলুল্লাহ্ (সা) কিরান হজ্জ করেছেন এবং এর আনুষঙ্গিক
রিওয়ড়ায়াতসমুহ ইতোপুর্বে বিবৃত হয়েছে ৷ আর বিদায় হজ্জ ও রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর ওফাতের
মাঝে এক শি দিন (এর বেশী) ও ছিল না এবং প্রায় চল্লিশ্ হাজার সাহাবী (বা) তার হজ্জ
বিষয়ক উক্তিসমুহ গুনেছেন এবং এ সং ক্রান্ত কার্যকলাপ প্রত্যক্ষ করেছেন ৷ সুতরাং এত অধিক
লোক তার যে হজ্জ প্রত্যক্ষ করলেন তাতে যদি তিনি কিরান নিষিদ্ধ করতেন তবে সাহাবীগণের
মাত্র একজন তা বর্ণনা করা এবং তাদের মাঝে শ্রো তা-অগ্রোতা এক সমষ্টির তা প্রত্যাখ্যান করার
মত পরিস্থিতি সৃষ্টির অবকাশ হত না ৷ আর এ সব কিছু প্রমাণ করে যে, ঐ বিষয়টি উল্লিখিত
রুপে মুআ ড়াৰিয়া (রা) হতে ংস রক্ষিত নয় ৷ অল্লোহ্ই সমধিক অবগত ৷

আবু দাউদ (র) বলেন, আহমদ ইবন সালিহ (র) স ন্মঈদ ইবনুল ঘুসায়িব্লব (র)এর
বরাতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) ১ এর জনৈক সাহাবী উমর ইবনুল থাত্তাব
(রা) এর কাছে এসে এ মর্মে সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে তার অন্তিম

২৪৬ আলৰিদায়৷ ওয়াননিহায়া

অসুস্থতার সময় আগে উমরা পালন নিষেধ করতে শুনেছেন ৷ প্রথমত এ সনদটি
সমালোচনার উরুর্ধ্ব নয় ৷ দ্বিতীয়ত এ সাহাবী বলতে যদি মুআৰিয়া (রা)-ক বুঝানে হয়, তবে
সে বিষয় ইতোপুর্বেই আলোচিত হয়েছে; এ ছাড়া নিয়েয়াজ্ঞাটি যুতঅ৷ (তামাত্তু) সম্পর্কিত
কিরান সম্পর্কিত নয় ৷ আর সে সাহাবী অন্য কেউ হল্যেব্তাতে কিছুটা জটিলতা অবশ্যই
রয়েছে, তবুও তাও কিরান সম্পর্কিতনয় ৷ : আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

ইহরামকালে হজ্জ উমরা নির্দিষ্ট না বম্মা সম্পর্কিত রিওয়ায়াত ষ্ক যারা বলেছেন যে, নবী
করীম (সা) প্রথমদিকে হজ্জ বা উমরার কথা নির্দিষ্ট করে ইহরাম বার্ধেন নি, পরে তা নির্দিষ্ট
করেছিলেন তাদের প্রমাণের উৎস পর্যালোচনা ইমাম শাফিঈ (র) সম্পর্কেণ্ড কথিত হয়েছে যে,
তিনি এ পদ্ধতিকে উত্তম বলেছেন, তবে এটি তার নামে উদ্ধৃত দুর্বল অসমর্থিত উক্তি ৷ ইমাম
শাফিঈ (র) বলেন, সুফিয়ান (র) (ইবন তাউস, ইব্রাহীম ইবন মায়সার৷ ও হিশাম ইবন
ণ্হুজায়র (র) সুত্রে এরা) তাউস (র)-(ক বলতে তনেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনা হতে বের
হলেনঃ, তখন তিনি হজ্জ-উমরার কথা নির্দিষ্ট করে না বলে আসমানী কায়সালার প্রভীক্ষায়
ছিলেন, তারপর তার সাফা-মারওয়ায় অবস্থানকালে ফায়সালা নাযিল হল ৷ তখন তিনি তার
সাহাবীপণকে হকৃম দিলেন তোমাদের মধ্যে যারা হভ্রুজ্জর ইহরাম বেধেছে এবং তার ন্সীথে হাদী
আনে নি, তারা সেটিকে উমরায় পরিণত করবে এবং বললেন-

“আমার ব্যাপার যা আমি পরে বুঝেছি তা যদি আভ্রুষ্৷ বুঝতে পারতাম তবে হাদী নিয়ে
ন্ জানতাম না; কিন্তু আমি তো মাথায় আট৷ জড়িয়েছি এবং আমার হাদী সাথে নিয়ে এসেছি;
অতএব আমার হাদী হালাল’ হওয়ার ক্ষেত্র ব্যভীরেকে আমার জন্য হালাল হওয়ার অবকাশ
নেই ৷ ” তখন সুরাক৷ ইবন মালিক (বা) তীর সামনে দাড়িয়ে বললেন, “ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্!
আমাদের জন্য চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে দিন যেন আজই র্তাদের জন্ম হয়েছে আমাদের এ
উমরাটি শুধু আমাদের এ বছরের জন্য (সীমিত) নাকি অনন্তকালের জন্য (উন্মুক্ত)? তখন
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন ;

“(না) বরং অনতকালের জন্য, কিয়ড়ামত পর্যতকালের জন্য হরুজ্জর মাঝে উমরা প্রৰিষ্ট হয়ে
গিয়েছে ৷ ” বর্ণনাকারী বলেন, ইতোমধ্যে ইয়ামান হতে আলী (বা) এসে পৌছলে রাসুলুল্লাহ্
(সা) বললেন, তুমি কী বিষয়ের ইহরাম করেছ ? তিনি বললেন, (একজনের বর্ণনা) আপনার
সকাশে হড়াযির! নবী কবীয় (সা) এর ন্যায় ইহরাম সহকারে (অন্যজানর বর্ণনা) আপনার
সকাশে হাযির৷ নবী কয়ীম (সা) এর ন্যায় হজ্জ সহকারে! এ হাদীস (তাৰিঈ) তাউস (র) এর
মুরসাল (অসং যুক্ত) এবং এতে বিরলতা ও রয়েছে ৷ তাছাড়া শাফিঈ (র) এর নীতি হল
অন্য সনদ দ্বারা সমর্থিত না হলে শুধু মুরসাল রিওয়ায়াত তিনি গ্রহণ করেন না; তবে যদি
অগত্যা তা প্রবীণ ;তাবিঈগণের রিওয়ায়া-ত হয় ৷ (যেমন, তার আর রিসালাহ’-র বক্তব্য ব্যাখ্যা
করা হয়েছে) কেননা, প্রবল ধারণান্ করা যায় যে, প্রবীণ তাবিঈগণ সাহাবীগণের নিকট হতেই

মুরসা ল (অসংযুক্ত) বিওয়ায়াত বর্ণনা করে থাকবেন ৷ (যাতে রাসুল (সা) এর সাথে হাদীসের
হ্যৌগ প্রতিপন্ন করা যায় ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

কিন্তু এ মুরসা ল রিওয়ায়াতটি ঐ ধরনের নয়; বরং সব হাদীস ইফরাদ,
তাম৷ ও কিবান সম্পর্কিত সব হাদীসের বিপরীত এবং ঐওলো যেমন বর্ণিত হয়েছে সবই
মুসনাদ ও স০ যুক্ত বর্ণনা ৷ সুতবাং সেগুলো ৷ই বিধান মতে অগাধিকায়য়োগ৷ ৷ ত্যছ৷ ঐগুলো
এমন একটি (অতিরিক্ত) বিষয় সাব্যম্ভকারী যা এ মুবসড়াল হাদীসে নেই ৷ আর বিধান মতে
ইতিবাচক (সাব্যম্ভকা রীা) হাদীস নেতিবাচক ;(অসাব্যস্তকারী) হাদীসের চেয়ে অগ্রাধিক৷ রযোগ্য
যদি উভয় প্রক৷ র (সনদের বিচারে) সমতুল্য হয় ৷ অথচ বতমান আলোচ্য ক্ষেত্রে একদিকে
রয়েছে মুসনাদ ও সহীহ্ এবং অপরদিকে মুরসাল যা সনদ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে
প্ৰমাণ’ রুপে দাড়াতে পারে না ৷ আল্লাহ তা আল ৷৷ই সমধিক অবগত

(অন্য একটি বিওয়ায়াত) হা ৷ফিজ আবু বকর বায়হার্কী (র) বলেন, আবু আবদুল্লাহ আল
হাফিজ (র)(আসওয়াদ) আ ৷ইশ৷ (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্
(সা) এর সাথে বের হলাম, তখন আমরা হজ্জ ও উমরা (-এর কোন একটি নির্দিষ্ট করে)
উল্লেখ করি নি ৷ আমরা (মক্কায়) উপনীত হলে তিনি আমাদের হালাল হয়ে যাওয়ার নির্দেশ
দিলেন ৷ প্রত্যাধর্ত্যনয় রাত এলে সার্কিয়া৷ বিনৃত হুয়ায় (রা)ন্থন্এব ঋতুস্রাব শুরু হল ৷ নবী
করীম (না) (তা জানতে পেয়ে) বললেন, মনে হচ্ছে ও তােমাদেবকে আটকিয়ে রাখবে ৷ তিনি
আবার বললেন, দশ তারিখে তড়াওয়াফ করেছিলে কি? তিনি বললেন, হী ৷ নবী করীম (সা)
বললেন, তবে চলো’ ৷ আইশা (রা) বলেন, আমি বললাম, ইয়া বাসুলাল্লাহ্৷ আমি তো উমবার
ইহবাম বাধি নি ৷ তিনি বললেন, তবে যাও তানঈম হতে উমবার ইহবাম
বেধে আলো ৷ বর্ণনাকাবী (আসণ্ডয়াদ) বলেন, তখন তার ভাই আর সাথে চট্রুালেন ৷ আইশা
আপনাদের একত্রিত হতে হবে ৷ বায়হাকী (র) এভারেই হাদীসটি বিওয়ায়াত করেছেন ৷ আর
বুখারী (র) এ ণ্ হাদীস ৰুণ্রিওয়ায়াত করেছেন ৷ মুহাম্মদ (র) (যিনি ইয়াহ্য়৷ আয-যুহালী র-এর
পুত্র) ঐ সনদে তবে, তাতে তিনি বলেছেন, “আমরা বাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে বের হলাম
আমরা হজ্জ ব্যতীত অন্য কিছুর আলোচনা করি নি ৷ এ বর্ণনা আইশ৷ (বা) হতে বর্ণিত
পুর্বোল্লিখিত হাদীসসমুহের সাথে অধিক সঙ্গতিপুর্ণ ৷ তবে মুসলিম (ব) রিওয়ায়াত করেছেন,
সুওয়ায়দ ইবন সাঈদ (র)(আসওয়াদ) আ ৷ইশা (রা) সুত্রে তিনি বলেন, “আমরা ব ৷সুলুল্লাহ্
(না) এর সাথে বের হলাম আমরা হজ্জ বা উমরা কো ৷ন টিবই উল্লেখ করি নি ৷” অন্য দিকে
বুখারী ও ঘুসলি ম (র) মানসুর (র)(আসওয়াদ) আইশা (রা) সুত্রে এটা উদ্ধৃত করেছেন,
তিনি বলেন, “আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে বের হলাম, আমরা সেটিকে হজ্জ ব্যতীত অন্য
কিছু মনে করি নি ৷” এটি অধিকতর বিশুদ্ধ ও প্রামাণ্য ৷ অ ৷ল্লাহ্ সমধিক অবগত ৷

এ সুত্রেই তার (আইশা রা ) অন্য একটি রিওয়ায়াতে রয়েছে, “আমরা তালবিয়া পাঠ করতে
করতে বের হলাম, তবে আমরা হজ্জ বা উমরা কো ৷নটিবই উল্লেখ করছিলাম না” এ হাদীসের
অবশ্য এভাবে বা৷খ্যা দেয়া যায় যে, তালৰিয়াব সাথেন্র্তাব৷ হজ্জ বা উমবার কথা উল্লেখ করতেন
না, যদিও ইহরাম বীধায় মুহুর্তে তারা তা “নির্দিষ্ট করে নিয়েছিলেন ৷ যেমন আনাস (রা)এর

হাদীসে রয়েছে, আমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে বলতে শুনেছি ও) “আপনার
সকাশে হাযিরভ্র ইয়৷ আল্লাহ ! হজ্জ ও উমরাব উদ্দেশ্যে!” আনাস (বা) আরো বলেন, আমি তাদ্যো
একত্রে ঐ দুটি নিয়ে উচ্চস্বরে ধ্বনি দিতে শুনেছি ৷ তবে :মুসলিম (র) দাউদ ইবন আবু হিন্দ
(র) (আবু নাযর৷ সুত্রে) হযরত জাবির আবু সাঈদ খুদরী (বা) হতে যে হাদীস রিওয়ায়ড়াত
করেছেন আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে এগিয়ে এলাম, আমরা উচ্চস্বরে হজ্জ’-এর
তালবিয়া উচ্চারণ করছিলাম ৷ এটি অবশ্য এক্ষেত্রে জটিল ৷ আল্লাহ সমধিক অবগত ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তালবিয়াপ্রস্যা
ইমাম শ৷ ড়াফিঈ (র) বলেন, মালিক (র) (নাকি) ইবন উমর (রা) সুত্রে এ মর্মে বর্ণনা করেন
যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর তালবিয়া ছিল-

হাযির ইয়ু৷ আল্পাহ্ হাবিব! হাবিব! আপনার কোন অংশী নেই, হাবিব হামৃদ-স্তুতি
ও নিআমত আপনাবই! রাজ্য-রাজৎ আপনারই, আপনার কোন শয়ীক নেই ৷” আবদুল্লাহ ইবন
উমর (রা) এতে বাড়িয়ে বলতেন-

“আপনার সকাণে হাবিব! ল্পোণ মঙ্গল আপনার কুদবতের দু হাতে ৷ হাষির
পরম আগ্রহআকর্যণ আপনাতে আর আমল! বুঘুা৷রী (র) আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (র) সুত্রে
এবং মুসলিম (র) ইয়াহ্য়াণ্ইবৃর্ল ইরাহ্য়৷ (র) সুত্রেমালিক থেকে ঐ সনদে এ ন্হাদীসখানা
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ মুসলিম (র) আরো বলেছেন, মুহাম্মদ ন্ইবন আব্বাদ (র);(নাফি ও
হাময৷ প্রমুখ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) সুত্রে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, যুল হুলায়ফা
মসজিদের কাছে রাসুলুল্পাহ (সা) কে নিয়ে যখন তার বাহন সোজা হয়ে দাড়াত তখন তিনি
ইহৱাম-তালৰিয়া উচ্চারণ করতেন ৷ তিনি বলতেন-

“অন্যদের বর্ণনার আবদুল্পাহ্(রা)রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর তালৰিরার বিবরণে বলতেন-
আর নাফি (র)-এরৰুবনািয় আবদুল্লাহ (রজ)-এর সাথে ৰুবর্ধিত করতেন-ট ণ্

মুহাম্মদ ইবনুল মুছান্ন৷ (র)(নাফি) ইবন উমর (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন,
আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) হতে তালবিয়া’ পেয়েছি (এভাবে) বলে তিনি পুর্বানুরুপ হাদীস উল্লেখ
করেছেন ৷ হারমালা ইবন ইয়াহয়৷ (র) (সালিম ইবন) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) সুত্রে খবর
দিয়েছেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে তালবিয়া উচ্চারণ করে বলতে শুনেছি-

এ শব্দমালার চাইতে তিনি অতিরিক্ত কিছু বলতেন না ৷ আর আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা)
বলতেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা) যুল-হুলায়ফায় দু’রাকআত নামায আদায় করতেন ৷ তারপর তার
উটনী যুল-হুলায়ফায় মসজিদের কাছে তাকে নিয়ে সোজা হয়ে র্দাড়ালে এ শব্দমালা উচ্চারণ

করতেন ৷ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) আরো বলতেন, “উমর , ইবনুল খাত্তাব (বা) নবী করীম
(সা)এর তালবিয়া পাঠের অনুকরণে এই শব্দমাল৷ দিয়ে তালবিয়৷ পড়তেন ৷ তিনি বলতেন-

এ পর্যন্ত মুসলিম (র)-এর তা ৷ষ্য ৷ এ ছাড়া ও জ ৷বির (রা) এর হাদীসে ইবন উমর (রা) এর
হাদীসের অনুরুপ তা ৷লবিয়া উদ্ধৃত হয়েছে ৷ একটু পরে দীর্ঘ হাদীস উল্লিখিত হবে ৷ নুসন্ধিম
(র) একাকী তা রিওয়ায়াত করেছেন ৷

বুখারী (র) তার পুর্নোল্লিখিত মালিক (র) :ইবন উমর (রা) এর রিওয়ায়াতের পরে
বহ্বলট্রুছেন্ মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (র)অ৷ ৷ইশা (বা) সুত্রে বংনাি করেন, তিনি বলেন, আমি
সুনিশ্চিতই জানি, নবী করীম (সৃা) কীভাবে তালবিয়৷ পাঠ করতেন-

আবু মু আবিয়া (র)শুবা (র) থেকে এর সমর্থ্যন রিওয়ায়া ৷ত করেছেন ৷ আর শুব৷ (র)
বলেছেন, সুলায়মান (র) ক্ষ্মাইশা (বা) কে বলতে শুনেছি বুখারী ণ্ (র) এ হাদীস ষ্এক৷ ৷কী
বর্ণনা করেছেন ৷ আর ইমাম আহমদ (র)-ও একাধিক সুত্রে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷
অনুরুপ আবু দাউদ তায়ালিসী (র)-ও রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম আহমদ (র) আরো বলেন,
মুহাম্মদ ইবন ফুযায়ল (র) তিনি আ ৷ইশা (বা) সুত্রে তিনি বলেন, আমি অবশ ৷৷ই জানি

বাসুলুল্লা হ্ (সা) কীরুপে তালবিয়৷ পাঠ করতেন ৷ বর্ণনাক৷ রী (আবু আতিয়্যা) বলেন, তারপর
আমি তাকে তালবিয়া পড়তে শুনলড়াম তিনি বললেন-

-অর্থাৎ একমাত্র এ বর্ণনা টিতে এ এহু >

বায়হাকী (র) বলেন হ কিম (র) অ ৷বু হুরায়রা (রা) সুত্রে বংনাি করেন, তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর তালবিয়ার একটি অংশ ছিল এ- এ হাদীস নাস৷ ৷ঈ (র) এবং
ইবন মাজা (র)৩ ভিন্ন ভিন্ন সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তার মা ৷সাঈ (র) বলেছেন, আবদুল্লাহ
ইবনুল ফায্ল (র) থেকে আবদুল আ ৷যীয (র) ব্যতীত অন্য কেউ এ হাদীস ঘুসনাদ রুপে
রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমার জ ৷ন৷ যেই ৷ আর ইসন৷ ঈল ইবন উমায়্যা (র) এটি ঘুরসাল
বিওয়ায়াত করেছেন ৷

ইমাম শাফিঈ (ব) বলেন, সাঈদ ইব ন সা ৷র্লিম অ৷ ল কাদদ৷ হ ,মুজ ৷হিদ (র) সুৰুত্র বর্ণনা
করেন, তিনি বলেছেন যে, নবী করীম (সা) প্ৰক৷ ৷শ কররুতন
(প্ৰচলিত তা ৷লৰিয়৷ উল্লেখ করেছেন) তিনি বলেন, অবশেষে একদিন এমন হল যে,
যখন লোকেরা তার কাছ থেকে চলে যাচ্ছিল, তখন তার সে অবস্থা ও অবস্থান যেন তাকে
বিমােহিত করল ৷ “

তখন তিনি তাতে বাড়িয়ে বলৰুলনঃ হাযির ! জীবন হলো
আথিরাতের জীবন ৷ (মধ্যবর্তীরুরাবী) ইবন জুরায়জ (র) বলেন, আমার ধারণা এটা; ছিল
আরাফ৷ দিবসে ৷ এ হাদীসও এ সুত্রে ঘুরসাল’ ৷

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.