রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

অনুচ্ছেদ : সাআদ ইবৃন আবূ ওয়াক্কাস-এর অভিযান

অনুচ্ছেদ : সাআদ ইবৃন আবূ ওয়াক্কাস-এর অভিযান

ছেড়োছুড়ি হয়, কোন সংঘর্ষ হয়নি ৷ ওয়াকিদী বলেন, মুশরিকরা সংখ্যায় ছিল দু’শ’ জন এবং
তাদের নেতা ছিল আবু সুফিয়ান সাখৃর ইবন হারব ৷ আমাদের মতে এটাই বিশুদ্ধ কথা ৷ কেউ
কেউ বলেন যে, তাদের নেতা ছিল মুক্রিয ইবন হাফ্স ৷
অনুচ্ছেদ
সাআদ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রা)-এর অভিযান

ওয়াকিদী বলেন : এ বছর অর্থাৎ হিজরী প্রথম সালে যিলকাদ মাসে রাসুল (সা) সাআদ
ইবন আবু ওয়াক্কাসকে খারার অভিমুখে প্রেরণ করেন ৷ এ দলের সাদা পতাকা বহন করেন
মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রা) ৷ আবু বকর ইবন ইসমাঈল তার পিতা সুত্রে আমির ইবন
সাআদেৱ বরাতে বলেন, ২০ বা ২১ জন মুজাহিদ নিয়ে আমি বের হই ৷ দিনের বেলা আমরা
লুকিয়ে থড়াকতড়াম এবং রাতের বেলা সফর করতাম ৷ পঞ্চম দিন ভোরে আমরা খারার’ পৌছি
এবং বাবার অতিক্রম না করার জন্য রাসুল (সা) আমাকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করেছিলেন ৷ কুরায়শের
কাফেলা একদিন পুকেহ এ জায়গাটি অতিক্রম করে যায় ৷ বণিক দলে ছিল ৭০ জন লোক আর
সাআদেৱ সঙ্গে যীরা ছিলেন, র্তাদের সকলেই ছিলেন মুহাজির ৷ আবু জাফর ইবন জারীর (র)
বলেন, ইবন ইসহাকের মতে ওয়াকিদী বর্ণিত পুর্বোক্ত তিনটি অভিযানই সংঘটিত হয় তৃতীয়
হিজরীতে ৷ আমার মতে ইবন ইসহাকের এ উক্তিটি দ্ব্যর্থহীন নয়, চিন্তা-ভাবনাকারী ব্যক্তি এটা
অনুধাবন করতে পারবে ৷ প্রথম হিজরী সনের ঘটনাবলী প্রসঙ্গে কিতাবুল মাপাযীর শুরুতে এ
সম্পর্কে আমরা আলোচনা করবো ৷ এর পরই ইনশাআল্লাহ্ সে আলোচনা আসবে ৷ এটাও তার
লক্ষ্য হতে পারে যে, এসব অভিযান সংঘটিত হয়েছে প্রথম সনে ৷ সেখানে পৌছে এ বিষয়ে
আমরা আরো বিস্তারিত আলোচনা করবো ৷ আর ওয়াকিদীর নিকট অতিরিক্ত উত্তম তথ্য
রয়েছে ৷ আর সম্ভবত তার রয়েছে লিখিত ইতিহাস ৷ এবং তিনি ইতিহাস বিষয়ের অন্যতম মহান
ইমাম ৷ এমনিতে তত্ত্বগত ভাবে তিনি সত্যবাদী, তবে তার বর্ণনায় অতিকথন থাকে ৷
অড়াত-তড়াক্মীল ফী মারিফাতিছ ছিকাত ওয়ায-যুআফা ওয়াল মাজাহীল’ নামক গ্রন্থে তার
গ্রহণযোগ্যতা ও তার বিরুপ সমালোচনা সম্পর্কে সবিস্তারে আলোচনা করেছি ৷

অনুম্মেদ

এই মুবারক বছর অর্থাৎ হিজরী প্রথম সালে মারা জনআেহণ করেছেন, তাদের সর্ব প্রথমজন
হলেন আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র ৷ তার আম্মা আসমা এবং খালা আইশার বরাতে বুখারী এ কথা
বর্ণনা করেছেন ৷ তীর মাতা আসমা (বা) এবং খালা উন্মুল মু’মিনীন আইশা (রা) এরা উভয়েই
হলেন হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা)-এর কন্যা ৷ কেউ কেউ বলেন নুমান ইবন বাশীর তীর
(আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র) ৬ মাস পুর্বে জন্মগ্রহণ করেন ৷ এ মত অনুযায়ী আবদুল্লাহ্ ইবন
যুবায়র হিজরতের পর মুহাজিরদের মধ্যে প্রথম নবজাত শিশু ৷ আবার কেউ কেউ বলেন, তারা
উভয়েই দ্বিতীয় হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেছেন ৷ প্রথমােক্ত মতই স্পষ্ট, যা আমরা ইতােপুর্বে

আলোচনা করেছি ৷ প্রশংসা আর ন্তুতি সবই আল্লাহ্র প্রাপ্য ৷ দ্বিতীয় হিজরী সনের ঘটনাবলী
বর্ণনার শেষে দ্বিতীয় উক্তি সম্পর্কে আমরা ইশারা করবো ইনশাআল্লাহ্ ৷

ইবন জারীর বলেন : কথিত আছে যে, মুখৃতার ইবন আবু উবায়দ এবং যিয়াদ ইবন
সুমাইয়া এরা দু’জনই হিজরী প্রথম সনে জন্মগ্রহণ করেছেন ৷ আল্লহ্ই ভাল জানেন ৷ হিজরী
প্রথম সনে সাহাবীদের মধ্যে যারা ইনতিকাল করেন, তাদের অন্যতম হলেন কুলছুম ইবন হিদ্ম
আল-আওসী রাসুল (না) করার অবস্থানকালে যার বাড়িতে ছিলেন ৷ তিনি যেখান থেকে বনু
নাজ্জার বসতািত গমন করেন, সে কথা পুর্বে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ এইে বছর এরপর মৃত্যুবরণ
করেন বনু নাজ্জারের নকীব আবু উমামা আসআদ ইবন যুরারা ৷ এ সময় রাসুলুল্লাহ্ (সা)
মসজিদ (নববী) নির্মাণ করছিলেন, যেমনটি ইতোপুর্বে বলা হয়েছে ; আল্পাহ্ এদের দু’জনের
প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং এদেরকে সন্তুষ্ট রাখুন ৷

ইবন জারীর বলেন : এই একই বছর অর্থাৎ হিজরতের প্রথম বর্ষে আবু তাইফ এবং
ও য়ালীদ ইবন মুগীরা ও আস ইবন ওয়াইল সাহমী মক্কায় মারা যায় ৷

আমার মতে, এরা সকলেই মৃত্যুবরণ করেছে মৃশরিক অবস্থায়, এরা ঈমান আনেনি ৷

হিজরী দ্বিতীয় সনে যেসব ঘটনা ঘটেছে; তার আলোচনা

এ সময় অনেক গাযওয়া ও মারিয়া সংঘটিত হয় ৷ এ সাবর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং
সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ হল বদর যুদ্ধ, যা এ বছর রমড়াযান সালে সংঘটিত হয় ৷ আর এ যুদ্ধের
মাধ্যমে আল্লাহ্ সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য সুচিত করেন ৷ পার্থক্য করেন হিদায়াত আর
গোমরাহীর মধ্যে ৷ আর এ হল মাগাযী আর মারিয়া সম্পর্কে আলোচনা করার সময় ৷ তাই
আল্লাহ্র নিকট সাহায্য ভিক্ষা করে আমরা বলছি ৷

কিতাবুল মাগাযী

ইমাম মুহাম্মদ ইবন ইসহাক তার সীরাত গ্রন্থে ইয়াহ্রদী ধর্মযাজক, ইসলাম এবং ইসলামের
অনুসারীদের প্ৰতি তাদের দৃশমনী তথা হিংসা-বিদ্বেষ এবং যাদের সম্পর্কে কুরআন মজীদের
আয়াত নাযিল হয়েছে, তাদের কথা আলোচনা করার পর বলেন : তাদের মধ্যে রয়েছে হুয়াই
ইবন আখতার এবং তার দুই ভাই আবু ইয়াসির ও জুদী, সাল্লাম ইবন মিশকাম, কিনানা ইবন
রাৰী ইবন আরিল হুকায়ক ৷ সাল্লাম ইবন আবুল হুকায়ক এই ছিল সেই কুখ্যাত আবু রাফি
হিজাযের বাসিন্দাদের সাথে যার বাণিজ্য ছিল খায়বর ভুমিতে সাহাবীরা এ ব্যক্তিকে হত্যা
করেন, যার আলোচনা পরে করা হবে ৷ রড়াবী ইবন রাবী ইবন আবুল হুকায়ক, আমর ইবন
জাহ্হড়াশ, কাআব ইবন আশরাফ যে ছিল বনু তাঈ গোত্রের বৃহত্তর বনু নাবহান গোষ্ঠীর
অন্যতম সর্দার এবং তার যা ছিল বনু নাযীর গোত্রের ৷ সাহাবীরা আবৃ রাফি হত্যার পুর্বে একে
হত্যা করেন, যে সম্পর্কে পরে আলোচনা আসছে ৷ আর হুলায়ফা আল-হাজ্জাজ ইবন আমর
এবং কারদাম ইবন কায়স ৷ এদের প্রতি আল্লাহর লা“নত-এরা সকলেই ছিল বনুনাযীর গোত্রের
লোক ৷ আর বনী ছালাবা ইবন ফাত্য়ুনের অন্তর্ভুক্ত ছিল আবদুল্লাহ্ ইবন সুরিয়৷ ৷ পরবর্তীকালে
হিজাযে তার চাইতে বড় তাওরাতের জ্ঞানী আর কেউ ছিল না ৷

আমি বলি, কথিত আছে যে, ইনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৷ আর ইবন সালুবা এবং
মুখায়রীক উহুদ যুদ্ধের দিন ইসলাম গ্রহণ করেন এ সম্পর্কে বর্ণনা আসছে ৷ ইনি ছিলেন তার
জাতির ধ্র্মযাজক ৷ আর বনু কায়নুকার মধ্যে যায়দ ইবন লিসীত, সাআদ ইবন হানীফ, মাহমুদ
ইবন শায়খান (মতাম্ভরে সুবহান) , উযায়য় ইবন আবু উযায়য, আবদুল্লাহ ইবন যাইফ, সুয়ায়দ
ইবন হারিছ, রিফাআ ইবন কায়স, ফিনহাস, আশৃয়া ও নুমান ইবন আযা বাহ্বী ইবন আমর ,
শাশৃ ইবন আদী, শাশ ইবন কায়স, যায়দ ইবন হারিছ, নুমান ইবন উমায়র (মতাম্ভরে আমর) ,
সিকীন ইবন আবী সিকীন, আদী ইবন যায়দ, নুমড়ান ইবন আবু আওফা আবু উনৃস , মড়াহ্মুদ
ইবন দিহ্য়া, মালিক ইবন লাইফ, কাআব ইবন রাশিদ, আযির ও রাফি“ ইবন আবু রাফি“ (দুই

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.